ঢাকা , বুধবার, ১৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৩১ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম:
ঝলকাঠি জাতীয়তাবাদী ফোরামের ঢাকা কমিটি গঠিত মুন্সিগঞ্জে কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগের সাবেক সংসদ সদস্য মৃণাল কান্তি দাসের নেতৃত্বে মিছিল, গ্রেপ্তার ৩১ ভাণ্ডারিয়ায় মাদক প্রতিরোধে জেলা কমিটির সঙ্গে মতবিনিময় হাটহাজারীতে ফিল্ড ফায়ারিং অনুশীলনে শহিদ সেনাসদস্যদের পরিবারের সঙ্গে প্রধানমন্ত্রীর সাক্ষাৎ ফ্যাসিবাদের বিরুদ্ধে সবাইকে ঐক্যবদ্ধ থাকতে হবে– আইনমন্ত্রী আইসিসিবির সুবিশাল পরিসরের ট্যুরিজম ফেয়ারে মিলবে পর্যটনের হাতছানি মানবতাবিরোধী অপরাধে ওবায়দুল কাদেরসহ সাতজনের মৃত্যুদণ্ড মঠবাড়িয়ায় মাদকবিরোধী সামাজিক প্রতিরোধ জোরদারের আহ্বান বাগেরহাটে এনসিপি নেতাদের সঙ্গে ব্রিটিশ হাইকমিশনের রাজনৈতিক উপদেষ্টার বৈঠক মোরেলগঞ্জে সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের কর্মচারীর বিরুদ্ধে অনিয়মের অভিযোগ

রোহিঙ্গা ক্যাম্পে চাকরিচ্যুত হোস্ট টিচাররা তীব্র গরমে কোটবাজারে অনশনে

 

উখিয়া-টেকনাফে অবস্থানরত রোহিঙ্গা ক্যাম্পে ইউনিসেফ অর্থায়নে কর্মরত ১২৫০ জন হোস্ট শিক্ষক-শিক্ষিকাকে বিনা কারণে এবং বিনা নোটিশে চাকরিচ্যুত করার প্রতিবাদে আবারও আন্দোলনে নেমেছেন তারা। উখিয়া উপজেলার কোট বজার নামক স্টেশনে দীর্ঘদিন ধরে অপেক্ষার পরও চাকরিতে পুনর্বহালের কোন ব্যবস্থা না হওয়ায় শিক্ষকেরা কঠোর অবস্থানে যাওয়ার ঘোষণা দিয়ে রাস্তায় নেমে এসেছে। বিভিন্ন NGO সহ সব ধরনের যানচলাচল বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে তাছাড়া বিভিন্ন আইন শৃঙ্খলা বাহিনীরা তা প্রতিহত করার চেষ্টা করলেও তা কখনো সম্ভব হয়নি অবরোধ প্রতিহত করার। টিচাররা সবাই প্রতিজ্ঞা ও ঐক্যবদ্ধ এবং প্রয়োজন হলে রাজপথে রক্ত দিয়ে রাজপথ রঞ্জিত করা হলেও চাকরি নিয়ে ঘরে ফিরবে তারা।

 

শিক্ষকদের দাবি, তারা তাদের ন্যায্য অধিকার আদায় করে সকল শিক্ষক-শিক্ষিকাকে চাকরিতে পুনর্বহাল না হওয়া পর্যন্ত ঘরে ফিরবেন না। তাদের অভিযোগ, ইউনিসেফ “ফান্ড-ক্রাইসিস” নামের অজুহাত দেখিয়ে চাকরি থেকে ছাঁটাই করেছে। কর্তৃপক্ষ তিন মাসের মধ্যে চাকরি ফিরিয়ে দেওয়ার আশ্বাস দিলেও এখনও কোনো সন্তোষজনক উত্তর দেয়নি।

 

শিক্ষকেরা আরও বলেন, “রোহিঙ্গারা যখন বাংলাদেশে আশ্রয় নিতে আসে তখন কোমর সমান কাদাযুক্ত পথ পাড়ি দিয়ে কাঁধে তুলে এনেছিলাম আমরা। নিজেদের খেয়ে না খেয়ে তাদের খাবারের ব্যবস্থা করেছি, আশ্রয় দিয়েছি, প্রাণ বাঁচিয়েছি। অথচ এখন বিদেশি কিছু স্বার্থান্বেষী মানুষ শকুনের মতো এসে আমাদের চাকরি কেটে রোহিঙ্গাদের নিয়ে বড় ব্যবসা করছে।”

 

তাদের মতে, ১২৫০ জন শিক্ষক বেকার হয়ে পড়ায় পরিবার-পরিজনের জীবিকা নির্বাহ কঠিন হয়ে দাঁড়িয়েছে, যা একটি বড় সামাজিক সংকটের জন্ম দিয়েছে।

 

এ বিষয়ে স্থানীয় জনপ্রতিনিধি ও সাধারণ জনগণ শিক্ষকদের দাবির প্রতি একমত পোষণ করেছেন। তারা হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেছেন, “রোহিঙ্গা ক্যাম্পে কর্মরত স্থানীয় হোস্ট টিচারদের চাকরি অবিলম্বে পুনর্বহাল না করলে কোনো এনজিও, আইএনজিও ও দাতা সংস্থা আমাদের এলাকায় কার্যক্রম চালাতে পারবে না।

জনপ্রিয়

ঝলকাঠি জাতীয়তাবাদী ফোরামের ঢাকা কমিটি গঠিত

রোহিঙ্গা ক্যাম্পে চাকরিচ্যুত হোস্ট টিচাররা তীব্র গরমে কোটবাজারে অনশনে

আপডেট : ০২:২৬ অপরাহ্ন, সোমবার, ১৮ অগাস্ট ২০২৫

 

উখিয়া-টেকনাফে অবস্থানরত রোহিঙ্গা ক্যাম্পে ইউনিসেফ অর্থায়নে কর্মরত ১২৫০ জন হোস্ট শিক্ষক-শিক্ষিকাকে বিনা কারণে এবং বিনা নোটিশে চাকরিচ্যুত করার প্রতিবাদে আবারও আন্দোলনে নেমেছেন তারা। উখিয়া উপজেলার কোট বজার নামক স্টেশনে দীর্ঘদিন ধরে অপেক্ষার পরও চাকরিতে পুনর্বহালের কোন ব্যবস্থা না হওয়ায় শিক্ষকেরা কঠোর অবস্থানে যাওয়ার ঘোষণা দিয়ে রাস্তায় নেমে এসেছে। বিভিন্ন NGO সহ সব ধরনের যানচলাচল বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে তাছাড়া বিভিন্ন আইন শৃঙ্খলা বাহিনীরা তা প্রতিহত করার চেষ্টা করলেও তা কখনো সম্ভব হয়নি অবরোধ প্রতিহত করার। টিচাররা সবাই প্রতিজ্ঞা ও ঐক্যবদ্ধ এবং প্রয়োজন হলে রাজপথে রক্ত দিয়ে রাজপথ রঞ্জিত করা হলেও চাকরি নিয়ে ঘরে ফিরবে তারা।

 

শিক্ষকদের দাবি, তারা তাদের ন্যায্য অধিকার আদায় করে সকল শিক্ষক-শিক্ষিকাকে চাকরিতে পুনর্বহাল না হওয়া পর্যন্ত ঘরে ফিরবেন না। তাদের অভিযোগ, ইউনিসেফ “ফান্ড-ক্রাইসিস” নামের অজুহাত দেখিয়ে চাকরি থেকে ছাঁটাই করেছে। কর্তৃপক্ষ তিন মাসের মধ্যে চাকরি ফিরিয়ে দেওয়ার আশ্বাস দিলেও এখনও কোনো সন্তোষজনক উত্তর দেয়নি।

 

শিক্ষকেরা আরও বলেন, “রোহিঙ্গারা যখন বাংলাদেশে আশ্রয় নিতে আসে তখন কোমর সমান কাদাযুক্ত পথ পাড়ি দিয়ে কাঁধে তুলে এনেছিলাম আমরা। নিজেদের খেয়ে না খেয়ে তাদের খাবারের ব্যবস্থা করেছি, আশ্রয় দিয়েছি, প্রাণ বাঁচিয়েছি। অথচ এখন বিদেশি কিছু স্বার্থান্বেষী মানুষ শকুনের মতো এসে আমাদের চাকরি কেটে রোহিঙ্গাদের নিয়ে বড় ব্যবসা করছে।”

 

তাদের মতে, ১২৫০ জন শিক্ষক বেকার হয়ে পড়ায় পরিবার-পরিজনের জীবিকা নির্বাহ কঠিন হয়ে দাঁড়িয়েছে, যা একটি বড় সামাজিক সংকটের জন্ম দিয়েছে।

 

এ বিষয়ে স্থানীয় জনপ্রতিনিধি ও সাধারণ জনগণ শিক্ষকদের দাবির প্রতি একমত পোষণ করেছেন। তারা হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেছেন, “রোহিঙ্গা ক্যাম্পে কর্মরত স্থানীয় হোস্ট টিচারদের চাকরি অবিলম্বে পুনর্বহাল না করলে কোনো এনজিও, আইএনজিও ও দাতা সংস্থা আমাদের এলাকায় কার্যক্রম চালাতে পারবে না।