গোপালগঞ্জে জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) আয়োজিত সমাবেশ ঘিরে সংঘর্ষে গুলিবিদ্ধ হয়ে হাতহতের খবর পাওয়া গেছে। এ ঘটনার পর আজ বুধবার (১৬ জুলাই) রাত ৮টা থেকে পুরো গোপালগঞ্জ জেলায় কারফিউ জারি করেছে প্রশাসন, যা বলবৎ থাকবে বৃহস্পতিবার (১৭ জুলাই) সন্ধ্যা ৬টা পর্যন্ত।
বিবিসি বাংলা গোপালগঞ্জের ২৫০ শয্যা জেনারেল হাসপাতালের তত্ত্বাবধায়ক ডা. জীবিতেশ বিশ্বাসের বরাতে জানায়, এখন পর্যন্ত ৪ জনের মৃতদেহ হাসপাতালে এসেছে। তাদের শরীরে আঘাতের চিহ্ন রয়েছে।
গোপালগঞ্জ শহরের উদয়ন রোডের দীপ্ত সাহা (২৫) ও কোটালীপাড়ার রমজান কাজী (১৮)সহ ৪ জন নিহত হয়েছেন।
নিহত দীপ্ত সাহার চাচা জানান, দীপ্ত দুপুরে খাবার খেয়ে দোকানে যাচ্ছিলেন, তখন শহরের চৌরঙ্গী এলাকায় তার পেটে গুলি লাগে।
নিহত রমজান কাজীর বাবা বলেন, ‘আমার ছেলে কোনো রাজনীতিতে ছিল না। নিরপরাধভাবে তাকে মেরে ফেলা হয়েছে।’
প্রত্যক্ষদর্শীদের ভাষ্য, এনসিপির সমাবেশ শেষ হতেই একদল ব্যক্তি লাঠিসোঁটা নিয়ে নেতা-কর্মীদের ঘিরে হামলা চালায়। হামলাকারীরা আওয়ামী লীগ ও ছাত্রলীগের নেতা-কর্মী বলে অভিযোগ করেছে এনসিপি। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে পুলিশ ও সেনাবাহিনী সাউন্ড গ্রেনেড ও ফাঁকা গুলি ছোড়ে।
সন্ধ্যায় প্রধান উপদেষ্টার প্রেস উইং জানায়, সহিংসতা ও প্রাণহানির ঘটনায় গোপালগঞ্জে রাত ৮টা থেকে কারফিউ জারি করা হয়েছে। কারফিউ চলাকালে জনসমাগম, সভা-সমাবেশ, যান চলাচলসহ সব ধরনের চলাফেরা ও ব্যবসা প্রতিষ্ঠান বন্ধ থাকবে।

সংবাদ৩৬০ ডেস্কঃ 


















