শেখ হাসিনা সরকারের পতনের পর আওয়ামী লীগের মন্ত্রী-এমপিদের পাশাপাশি পুলিশ কর্মকর্তাদের গ্রেপ্তারের মধ্যে এবার অতিরিক্ত পুলিশ সুপার পদমর্যাদার ৩ জন গ্রেপ্তার হয়েছেন।
গ্রেফতারকৃত পুলিশ কর্মকর্তারা হলেন- অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (সুপারনিউমারারি ‘পুলিশ সুপার’ পদোন্নতিপ্রাপ্ত) শাহেন শাহ্, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (সুপারনিউমারারি ‘পুলিশ সুপার’ পদোন্নতিপ্রাপ্ত) জুয়েল রানা ও অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মো. রফিকুল ইসলাম।
শুক্রবার (১৮ অক্টোবর) ঢাকা মহানগর পুলিশের যুগ্ম কমিশনার (ডিবি-উত্তর) রবিউল হোসেন ভুঁইয়া বলেন, “সুনির্দিষ্ট মামলার পরিপ্রেক্ষিতে বৃহস্পতিবার (১৭ অক্টোবর) তাদের গ্রেপ্তার করা হয়। তারা প্রত্যেকেই মামলার এজাহারভুক্ত আসামি।”
এদের মধ্যে শাহেন শাহ্ দীর্ঘদিন ডিবিতে কর্মরত ছিলেন। জুয়েল রানা ডিপ্লোম্যাটিক সিকিউরিটি বিভাগে এবং রফিকুল ইসলাম ডিএমপির গুলশান বিভাগে কর্মরত ছিলেন।
ছাত্র-জনতার আন্দোলনে গত ৫ আগস্ট আওয়ামী লীগ সরকার পতনের পর থেকে পুলিশ কর্মকর্তাদের বিরুদ্ধে বিভিন্ন থানায় মামলা হয়। এরপর একে একে সাবেক ঊর্ধ্বতন পুলিশ কর্মকর্তারা গ্রেপ্তার হচ্ছেন।
গত ৩ সেপ্টেম্বর পুলিশের সাবেক দুই মহাপরিদর্শক (আইজিপি) এ কে এম শহীদুল হক ও চৌধুরী আবদুল্লাহ আল-মামুনকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ।
সাবেক ডিএমপি কমিশনার আছাদুজ্জামান মিয়া, ডিএমপি ডিবির লালবাগ বিভাগের সাবেক ডিসি মশিউর রহমান, ঢাকা জেলার সাবেক অতিরিক্ত পুলিশ সুপার আব্দুল্লাহিল কাফী, যাত্রাবাড়ী থানার সাবেক পুলিশ পরিদর্শক মাজহারুল ইসলাম, এপিবিএন কনস্টেবল মো. সুজন, তাজহাট থানার এএসআই সৈয়দ আমীর আলী ও কনস্টেবল সুজন চন্দ্র রায় গ্রেপ্তার হয়েছেন।
গতকাল ১৭ অক্টোবর স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের জননিরাপত্তা বিভাগের এক আদেশে চার পুলিশ কর্মকর্তাকে গ্রেপ্তারের অনুমতি দেওয়া হয়। তাঁরা হলেন অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (সুপারনিউমারারি ‘পুলিশ সুপার’ পদে পদন্নোতিপ্রাপ্ত) শাহেন শাহ, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (সুপারনিউমারারি ‘পুলিশ সুপার’ পদে পদন্নোতিপ্রাপ্ত) জুয়েল রানা, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (পদন্নোতিপ্রাপ্ত) হাসান আরাফাত ও অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মো. রফিকুল ইসলাম।

সংবাদ360 প্রতিবেদক 



















