ঢাকা , শুক্রবার, ০৬ নভেম্বর ২০২৬, ২১ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম:
টেকনাফের পাহাড়ে মানবপাচারকারীদের সঙ্গে যৌথ বাহিনীর গোলাগুলি, সেনাসদস্য নিহত পিরোজপুরে জাতীয়তাবাদী মুক্তিযুদ্ধের প্রজন্মের ৭১ সদস্যের আহ্বায়ক কমিটি অনুমোদন মাদ্রাসাছাত্র আরিফ হত্যা মামলা: কারাগারে ডিবিসি চেয়ারম্যান ইকবাল সোবহান চৌধুরী প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানকে বরণ করতে মোরেলগঞ্জ থেকে বিপুলসংখ্যক নেতাকর্মী নিয়ে বাগেরহাটে কেএম মহিউদ্দিন রিপন এআই যেন দেশের বেকারত্ব আরও প্রকট না করে: রাষ্ট্রপতি সীমান্তের ওপার থেকে দেশে বিশৃঙ্খলা সৃষ্টির চেষ্টা করা হচ্ছে: পথসভায় প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান হামের টিকা সংকটে ইউনূস সরকারের ভূমিকা তদন্তে তিন সদস্যের কমিশন তারেক রহমানের মোংলা সফর: জেটি নির্মাণ প্রকল্পের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন ও সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষর পিরোজপুরে চেরাগ গ্রন্থাগারের আলোচনা সভা ও পুরস্কার বিতরণ শহীদ জিয়ার শিক্ষাদর্শন ও মেধাভিত্তিক বাংলাদেশ গড়ার আহ্বান রেজাবুদ্দৌলা চৌধুরীর

আত্মসমর্পণ করা আওয়ামীপন্থী ৮৪ আইনজীবীকে কারাগারে প্রেরণের নির্দেশ: ঢাকা মহানগর দায়রা জজ আদালত

মহানগর দায়রা জজ আদালত, ঢাকা | ফাইল ছবি

 

বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের সময় রাজধানীর কোতোয়ালী থানার ভাঙচুর ও হত্যাচেষ্টার অভিযোগে দায়ের করা মামলায় আওয়ামী লীগপন্থী ৮৪ আইনজীবীকে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দিয়েছেন আদালত। অন্যদিকে ৯ জন আইনজীবীকে জামিন দেওয়া হয়েছে। এর আগে সকালে আদালতে জামিন চেয়ে আবেদন করেন ৯৩ জন আইনজীবী।

 

আজ রোববার (৬ এপ্রিল) ঢাকা মহানগর দায়রা জজ জাকির হোসেন গালিব এই আদেশ দেন।

 

 

আদালত সূত্রে জানা গেছে, ৯৩ জন আইনজীবী হাইকোর্ট থেকে আগাম জামিনে ছিলেন। সেই মেয়াদ শেষ হলে হাইকোর্টের নির্দেশ অনুসারে জামিনের আবেদন করেন আইনজীবীরা।

 

জামিন পাওয়া আইনজীবীরা হলেন- ঢাকা বারের সাবেক সভাপতি আবু সাইদ সাগর ও ৮ জন নারী আইনজীবীসহ মোট ৯ জন।

 

অপরদিকে একই মামলায় ঢাকা বারের সাবেক সভাপতি সাইদুর রহমান মানিক, গাজী শাহ আলম, মাহবুবুর রহমান, সাবেক সেক্রেটারী আসাদুজ্জামান রচি, সাইবার ট্রাইব্যুনালের পিপি নজরুল ইসলাম শামিম, জাকির হোসেন ও মোরশেদ হোসেন শাহীনসহ ৮৪ জনকে কারাগারে প্রেরণ করা হয়েছে।

 

মামলার নথি থেকে জানা গেছে, গত ৬ ফেব্রুয়ারি ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে মামলা করেন আইনজীবী সমিতির কার্যনির্বাহী সদস্য মোহাম্মদ আলী বাবু। আওয়ামী লীগপন্থী ১৪৪ জন আইনজীবীর বিরুদ্ধে হত্যাচেষ্টা ও ভাঙচুরের অভিযোগে মামলা করেন। এরপরে এ ঘটনায় হাইকোর্ট থেকে ৮ সপ্তাহের জামিন নেন ১১৫ জন আগামীকাল সোমবার (৭ এপ্রিল) অন্তর্বর্তীকালীন জামিনের মেয়াদ শেষ হবে।

 

সে মেয়াদ শেষের আগের দিন আজ আইনজীবীরা জামিনের আবেদন করলেন। এজাহারে বলা হয়েছে, বৈষম্যবিরোধী আন্দোলন চলাকালে গত বছরের ৪ আগস্ট দুপুরে আসামিরা ঢাকা আইনজীবী সমিতির সম্মুখ থেকে বেআইনি অস্ত্র, লাঠিসোটা নিয়ে আতঙ্ক সৃষ্টি করেন। তারা বোমা বিস্ফোরণ ঘটিয়ে ‘শেখ হাসিনার ভয় নাই, রাজপথ ছাড়ি নাই’ বলে স্লোগান দিতে থাকেন।

 

এই মামলার উল্লেখযোগ্য আসামিরা হলেন- আওয়ামী লীগের আইন বিষয়ক সম্পাদক কাজী নজিবুল্লাহ হিরু, ঢাকা মহানগর আদালতের সাবেক পাবলিক প্রসিকিউটর (পিপি) আব্দুল্লাহ আবু, আইনজীবী সমিতির সাবেক সভাপতি মোহাম্মদ মোখলেছুর রহমান বাদল, সাইদুর রহমান মানিক, মিজানুর রহমান মামুন, আব্দুর রহমান হাওলাদার, গাজী মো. শাহ আলম, আব্দুল বাতেন, মাহবুবুর রহমান, সাবেক সাধারণ সম্পাদক খন্দকার গোলাম কিবরিয়া জুবায়ের, মোহাম্মদ আনোয়ার শাহাদাৎ শাওন, ফিরোজুর রহমান মন্টু, আসাদুজ্জামান খান রচি ও সাবেক সংসদ সদস্য সানজিদা খানম।

জনপ্রিয়

টেকনাফের পাহাড়ে মানবপাচারকারীদের সঙ্গে যৌথ বাহিনীর গোলাগুলি, সেনাসদস্য নিহত

আত্মসমর্পণ করা আওয়ামীপন্থী ৮৪ আইনজীবীকে কারাগারে প্রেরণের নির্দেশ: ঢাকা মহানগর দায়রা জজ আদালত

আপডেট : ০১:৩৯ অপরাহ্ন, রবিবার, ৬ এপ্রিল ২০২৫
মহানগর দায়রা জজ আদালত, ঢাকা | ফাইল ছবি

 

বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের সময় রাজধানীর কোতোয়ালী থানার ভাঙচুর ও হত্যাচেষ্টার অভিযোগে দায়ের করা মামলায় আওয়ামী লীগপন্থী ৮৪ আইনজীবীকে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দিয়েছেন আদালত। অন্যদিকে ৯ জন আইনজীবীকে জামিন দেওয়া হয়েছে। এর আগে সকালে আদালতে জামিন চেয়ে আবেদন করেন ৯৩ জন আইনজীবী।

 

আজ রোববার (৬ এপ্রিল) ঢাকা মহানগর দায়রা জজ জাকির হোসেন গালিব এই আদেশ দেন।

 

 

আদালত সূত্রে জানা গেছে, ৯৩ জন আইনজীবী হাইকোর্ট থেকে আগাম জামিনে ছিলেন। সেই মেয়াদ শেষ হলে হাইকোর্টের নির্দেশ অনুসারে জামিনের আবেদন করেন আইনজীবীরা।

 

জামিন পাওয়া আইনজীবীরা হলেন- ঢাকা বারের সাবেক সভাপতি আবু সাইদ সাগর ও ৮ জন নারী আইনজীবীসহ মোট ৯ জন।

 

অপরদিকে একই মামলায় ঢাকা বারের সাবেক সভাপতি সাইদুর রহমান মানিক, গাজী শাহ আলম, মাহবুবুর রহমান, সাবেক সেক্রেটারী আসাদুজ্জামান রচি, সাইবার ট্রাইব্যুনালের পিপি নজরুল ইসলাম শামিম, জাকির হোসেন ও মোরশেদ হোসেন শাহীনসহ ৮৪ জনকে কারাগারে প্রেরণ করা হয়েছে।

 

মামলার নথি থেকে জানা গেছে, গত ৬ ফেব্রুয়ারি ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে মামলা করেন আইনজীবী সমিতির কার্যনির্বাহী সদস্য মোহাম্মদ আলী বাবু। আওয়ামী লীগপন্থী ১৪৪ জন আইনজীবীর বিরুদ্ধে হত্যাচেষ্টা ও ভাঙচুরের অভিযোগে মামলা করেন। এরপরে এ ঘটনায় হাইকোর্ট থেকে ৮ সপ্তাহের জামিন নেন ১১৫ জন আগামীকাল সোমবার (৭ এপ্রিল) অন্তর্বর্তীকালীন জামিনের মেয়াদ শেষ হবে।

 

সে মেয়াদ শেষের আগের দিন আজ আইনজীবীরা জামিনের আবেদন করলেন। এজাহারে বলা হয়েছে, বৈষম্যবিরোধী আন্দোলন চলাকালে গত বছরের ৪ আগস্ট দুপুরে আসামিরা ঢাকা আইনজীবী সমিতির সম্মুখ থেকে বেআইনি অস্ত্র, লাঠিসোটা নিয়ে আতঙ্ক সৃষ্টি করেন। তারা বোমা বিস্ফোরণ ঘটিয়ে ‘শেখ হাসিনার ভয় নাই, রাজপথ ছাড়ি নাই’ বলে স্লোগান দিতে থাকেন।

 

এই মামলার উল্লেখযোগ্য আসামিরা হলেন- আওয়ামী লীগের আইন বিষয়ক সম্পাদক কাজী নজিবুল্লাহ হিরু, ঢাকা মহানগর আদালতের সাবেক পাবলিক প্রসিকিউটর (পিপি) আব্দুল্লাহ আবু, আইনজীবী সমিতির সাবেক সভাপতি মোহাম্মদ মোখলেছুর রহমান বাদল, সাইদুর রহমান মানিক, মিজানুর রহমান মামুন, আব্দুর রহমান হাওলাদার, গাজী মো. শাহ আলম, আব্দুল বাতেন, মাহবুবুর রহমান, সাবেক সাধারণ সম্পাদক খন্দকার গোলাম কিবরিয়া জুবায়ের, মোহাম্মদ আনোয়ার শাহাদাৎ শাওন, ফিরোজুর রহমান মন্টু, আসাদুজ্জামান খান রচি ও সাবেক সংসদ সদস্য সানজিদা খানম।