ঢাকা , মঙ্গলবার, ০৪ অগাস্ট ২০২৬, ১৯ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম:
প্রতিমন্ত্রীর নাম ব্যবহার করে তদবির বাণিজ্য, মোংলায় গ্রেপ্তার ১ মোরেলগঞ্জে বিআরডিবির সমবায় সমিতির ম্যানেজিং কমিটি দুর্নীতি ও ফ্যাসিস্টমুক্তভাবে গঠনের দাবিতে সংবাদ সম্মেলন অদক্ষতা ও দালালদের দিয়ে কাজের দায়ে কাশিমপুর ভূমি অফিসের সবাই বরখাস্ত কাঁচামরিচ আমদানির অনুমতি, দাম কমার আশা বাগেরহাটে জেলা জজ আদালতের চার সরকারি কৌঁসুলির একযোগে পদত্যাগ সাজার শেষে মুক্তিপ্রাপ্ত ব্যক্তিদের পুনর্বাসনে বাগেরহাটে সেলাই মেশিন ও ভ্যানগাড়ি বিতরণ টেকনাফে ৫ লাখ ৬০ হাজার ইয়াবাসহ মিয়ানমার নাগরিক আটক ২ ২৭তম বিসিএস (পুলিশ) ক্যাডারের প্রথম পর্যায় প্রশিক্ষণ সমাপনী কুচকাওয়াজ অনুষ্ঠিত পিরোজপুরে মাদকবিরোধী অভিযানে ৪ জন গ্রেপ্তার, প্রত্যেকের এক মাসের কারাদণ্ড লেখাপড়ার পাশাপাশি দক্ষতা অর্জনেও গুরুত্ব দিচ্ছে সরকার: সুলতান সালাউদ্দিন টুকু, এমপি

অসহায়দের মুখে হাসি ফোটালেন কে কে গ্রুপের চেয়ারম্যান শাহারুজ্জামান নিপা

 

বাগেরহাটের মোরেলগঞ্জ উপজেলার বারইখালী গ্রাম যেন আজ অন্যরকম এক আবেগঘন মুহূর্তের সাক্ষী হলো। শুক্রবার (২১ মার্চ) রাতে যখন চারপাশ অন্ধকারে ডুবে যাচ্ছিল, তখনই গ্রামের দরিদ্র মানুষের ঘরে ঘরে আনন্দের আলো নিয়ে হাজির হলেন কে কে গ্রুপের চেয়ারম্যান, ও কাজী খায়রুজ্জামান শিপনের সহধর্মীনি শাহারুনজ্জামান নিপা। ঈদের আনন্দ ভাগ করে নিতে তিনি পাশে দাঁড়ালেন অসহায়দের, হাতে তুলে দিলেন ঈদ উপহার।

 

 

এই মহতী উদ্যোগে তার সঙ্গে ছিলেন,বাগেরহাট- ৪ আসনের ২০১৮ সালে ধানের শীষের মনোনয়ন প্রাপ্ত ও বাগেরহাট জেলা বিএনপি নেতা কাজী খায়রুজ্জামান শিপনসহ উপজেলা ও পৌর বিএনপির নেতৃবৃন্দ। তাদের উপস্থিতি শুধু উপহার বিতরণের মধ্যেই সীমাবদ্ধ ছিল না, বরং প্রতিটি ঘরে গিয়ে মানুষের কষ্টের কথা শোনার চেষ্টা করেছেন তারা। কেউ বলছিলেন জীবনযুদ্ধের লড়াইয়ের কথা, কেউ বা সন্তানদের মুখে হাসি ফোটানোর স্বপ্নের কথা।

 

 

এক বৃদ্ধা অশ্রুসজল নয়নে বললেন, “আমাদের খবর কেউ রাখে না, ঈদের সময়ও কেউ জিজ্ঞেস করে না কেমন আছি। আজ নিপা স্যার নিজে এসে আমাদের হাতে উপহার দিলেন, এ যেন স্বপ্নের মতো লাগছে।”

 

 

শাহারুনজ্জামান নিপা বলেন, “আমি সবসময় মানুষের পাশে থাকতে চাই। ঈদের আনন্দ শুধু ধনী-গরিবের মধ্যে সীমাবদ্ধ নয়, এটা সবার। আমরা চাই, এই উপহার পেয়ে অন্তত একদিনের জন্য হলেও তাদের মুখে হাসি ফুটুক।”

 

এই সহায়তা শুধু একটি উপহার নয়, বরং ভালোবাসার প্রতিচ্ছবি। এটি শুধু খাদ্যসামগ্রী বা পোশাকের সংস্থান নয়, এটি সেই সহমর্মিতার বার্তা, যা মনে করিয়ে দেয়—একা কেউ বাঁচে না, একসঙ্গে থাকলেই জীবন সুন্দর হয়।

 

 

বারইখালী গ্রামের দরিদ্র মানুষের জন্য এই উদ্যোগ শুধু একটি রাতের ঘটনা নয়, বরং এটি সমাজের প্রতি এক বড় বার্তা। যদি সবাই এইভাবে একে অপরের পাশে দাঁড়ায়, তবে হয়তো একদিন সত্যিই কোনো অসহায় মানুষকে আর কষ্ট পেতে হবে না।

জনপ্রিয়

প্রতিমন্ত্রীর নাম ব্যবহার করে তদবির বাণিজ্য, মোংলায় গ্রেপ্তার ১

অসহায়দের মুখে হাসি ফোটালেন কে কে গ্রুপের চেয়ারম্যান শাহারুজ্জামান নিপা

আপডেট : ০৮:১২ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ২২ মার্চ ২০২৫

 

বাগেরহাটের মোরেলগঞ্জ উপজেলার বারইখালী গ্রাম যেন আজ অন্যরকম এক আবেগঘন মুহূর্তের সাক্ষী হলো। শুক্রবার (২১ মার্চ) রাতে যখন চারপাশ অন্ধকারে ডুবে যাচ্ছিল, তখনই গ্রামের দরিদ্র মানুষের ঘরে ঘরে আনন্দের আলো নিয়ে হাজির হলেন কে কে গ্রুপের চেয়ারম্যান, ও কাজী খায়রুজ্জামান শিপনের সহধর্মীনি শাহারুনজ্জামান নিপা। ঈদের আনন্দ ভাগ করে নিতে তিনি পাশে দাঁড়ালেন অসহায়দের, হাতে তুলে দিলেন ঈদ উপহার।

 

 

এই মহতী উদ্যোগে তার সঙ্গে ছিলেন,বাগেরহাট- ৪ আসনের ২০১৮ সালে ধানের শীষের মনোনয়ন প্রাপ্ত ও বাগেরহাট জেলা বিএনপি নেতা কাজী খায়রুজ্জামান শিপনসহ উপজেলা ও পৌর বিএনপির নেতৃবৃন্দ। তাদের উপস্থিতি শুধু উপহার বিতরণের মধ্যেই সীমাবদ্ধ ছিল না, বরং প্রতিটি ঘরে গিয়ে মানুষের কষ্টের কথা শোনার চেষ্টা করেছেন তারা। কেউ বলছিলেন জীবনযুদ্ধের লড়াইয়ের কথা, কেউ বা সন্তানদের মুখে হাসি ফোটানোর স্বপ্নের কথা।

 

 

এক বৃদ্ধা অশ্রুসজল নয়নে বললেন, “আমাদের খবর কেউ রাখে না, ঈদের সময়ও কেউ জিজ্ঞেস করে না কেমন আছি। আজ নিপা স্যার নিজে এসে আমাদের হাতে উপহার দিলেন, এ যেন স্বপ্নের মতো লাগছে।”

 

 

শাহারুনজ্জামান নিপা বলেন, “আমি সবসময় মানুষের পাশে থাকতে চাই। ঈদের আনন্দ শুধু ধনী-গরিবের মধ্যে সীমাবদ্ধ নয়, এটা সবার। আমরা চাই, এই উপহার পেয়ে অন্তত একদিনের জন্য হলেও তাদের মুখে হাসি ফুটুক।”

 

এই সহায়তা শুধু একটি উপহার নয়, বরং ভালোবাসার প্রতিচ্ছবি। এটি শুধু খাদ্যসামগ্রী বা পোশাকের সংস্থান নয়, এটি সেই সহমর্মিতার বার্তা, যা মনে করিয়ে দেয়—একা কেউ বাঁচে না, একসঙ্গে থাকলেই জীবন সুন্দর হয়।

 

 

বারইখালী গ্রামের দরিদ্র মানুষের জন্য এই উদ্যোগ শুধু একটি রাতের ঘটনা নয়, বরং এটি সমাজের প্রতি এক বড় বার্তা। যদি সবাই এইভাবে একে অপরের পাশে দাঁড়ায়, তবে হয়তো একদিন সত্যিই কোনো অসহায় মানুষকে আর কষ্ট পেতে হবে না।