ঢাকা , রবিবার, ০১ নভেম্বর ২০২৬, ১৬ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম:
তাহসিফ নদীতে ঝাঁপ দেন, আমি পালিয়ে আসি: পিবিআইকে দীপ ট্রাইব্যুনালের বিচারকের বাসার সামনে ককটেল বিস্ফোরণ, আটক ৪ মোরেলগঞ্জে জাঁকজমকপূর্ণ আয়োজনে আইডিয়াল জেনারেল হাসপাতালের উদ্বোধন বন্ধ শিল্পকারখানা সচল ও কর্মসংস্থান সৃষ্টিতে সরকারের বহুমুখী পরিকল্পনা মোরেলগঞ্জে বেতকাশি বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষকের বিরুদ্ধে অভিযোগ তদন্তে শিক্ষা অফিস নগরবাসীর হাঁটার মৌলিক অধিকার বনাম অবৈধ দখল বাণিজ্য: ঢাকার ফুটপাতে শৃঙ্খলা ফেরাতে জরুরি পদক্ষেপ টেকনাফের চার পুলিশ স্থাপনা পরিদর্শনে চট্টগ্রাম রেঞ্জের ডিআইজি মানিক পশারীর দাফনে বাধার প্রতিবাদে মুক্তিযোদ্ধা সংসদের নিন্দা বিএনপির প্রার্থী মির্জা ফয়সল আমীন বিজয়ী আইসিসিবিতে ফার্নিচার মেলা, ৩২৩ স্টলে পণ্যের সমাহার

অসহায়দের মুখে হাসি ফোটালেন কে কে গ্রুপের চেয়ারম্যান শাহারুজ্জামান নিপা

 

বাগেরহাটের মোরেলগঞ্জ উপজেলার বারইখালী গ্রাম যেন আজ অন্যরকম এক আবেগঘন মুহূর্তের সাক্ষী হলো। শুক্রবার (২১ মার্চ) রাতে যখন চারপাশ অন্ধকারে ডুবে যাচ্ছিল, তখনই গ্রামের দরিদ্র মানুষের ঘরে ঘরে আনন্দের আলো নিয়ে হাজির হলেন কে কে গ্রুপের চেয়ারম্যান, ও কাজী খায়রুজ্জামান শিপনের সহধর্মীনি শাহারুনজ্জামান নিপা। ঈদের আনন্দ ভাগ করে নিতে তিনি পাশে দাঁড়ালেন অসহায়দের, হাতে তুলে দিলেন ঈদ উপহার।

 

 

এই মহতী উদ্যোগে তার সঙ্গে ছিলেন,বাগেরহাট- ৪ আসনের ২০১৮ সালে ধানের শীষের মনোনয়ন প্রাপ্ত ও বাগেরহাট জেলা বিএনপি নেতা কাজী খায়রুজ্জামান শিপনসহ উপজেলা ও পৌর বিএনপির নেতৃবৃন্দ। তাদের উপস্থিতি শুধু উপহার বিতরণের মধ্যেই সীমাবদ্ধ ছিল না, বরং প্রতিটি ঘরে গিয়ে মানুষের কষ্টের কথা শোনার চেষ্টা করেছেন তারা। কেউ বলছিলেন জীবনযুদ্ধের লড়াইয়ের কথা, কেউ বা সন্তানদের মুখে হাসি ফোটানোর স্বপ্নের কথা।

 

 

এক বৃদ্ধা অশ্রুসজল নয়নে বললেন, “আমাদের খবর কেউ রাখে না, ঈদের সময়ও কেউ জিজ্ঞেস করে না কেমন আছি। আজ নিপা স্যার নিজে এসে আমাদের হাতে উপহার দিলেন, এ যেন স্বপ্নের মতো লাগছে।”

 

 

শাহারুনজ্জামান নিপা বলেন, “আমি সবসময় মানুষের পাশে থাকতে চাই। ঈদের আনন্দ শুধু ধনী-গরিবের মধ্যে সীমাবদ্ধ নয়, এটা সবার। আমরা চাই, এই উপহার পেয়ে অন্তত একদিনের জন্য হলেও তাদের মুখে হাসি ফুটুক।”

 

এই সহায়তা শুধু একটি উপহার নয়, বরং ভালোবাসার প্রতিচ্ছবি। এটি শুধু খাদ্যসামগ্রী বা পোশাকের সংস্থান নয়, এটি সেই সহমর্মিতার বার্তা, যা মনে করিয়ে দেয়—একা কেউ বাঁচে না, একসঙ্গে থাকলেই জীবন সুন্দর হয়।

 

 

বারইখালী গ্রামের দরিদ্র মানুষের জন্য এই উদ্যোগ শুধু একটি রাতের ঘটনা নয়, বরং এটি সমাজের প্রতি এক বড় বার্তা। যদি সবাই এইভাবে একে অপরের পাশে দাঁড়ায়, তবে হয়তো একদিন সত্যিই কোনো অসহায় মানুষকে আর কষ্ট পেতে হবে না।

জনপ্রিয়

তাহসিফ নদীতে ঝাঁপ দেন, আমি পালিয়ে আসি: পিবিআইকে দীপ

অসহায়দের মুখে হাসি ফোটালেন কে কে গ্রুপের চেয়ারম্যান শাহারুজ্জামান নিপা

আপডেট : ০৮:১২ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ২২ মার্চ ২০২৫

 

বাগেরহাটের মোরেলগঞ্জ উপজেলার বারইখালী গ্রাম যেন আজ অন্যরকম এক আবেগঘন মুহূর্তের সাক্ষী হলো। শুক্রবার (২১ মার্চ) রাতে যখন চারপাশ অন্ধকারে ডুবে যাচ্ছিল, তখনই গ্রামের দরিদ্র মানুষের ঘরে ঘরে আনন্দের আলো নিয়ে হাজির হলেন কে কে গ্রুপের চেয়ারম্যান, ও কাজী খায়রুজ্জামান শিপনের সহধর্মীনি শাহারুনজ্জামান নিপা। ঈদের আনন্দ ভাগ করে নিতে তিনি পাশে দাঁড়ালেন অসহায়দের, হাতে তুলে দিলেন ঈদ উপহার।

 

 

এই মহতী উদ্যোগে তার সঙ্গে ছিলেন,বাগেরহাট- ৪ আসনের ২০১৮ সালে ধানের শীষের মনোনয়ন প্রাপ্ত ও বাগেরহাট জেলা বিএনপি নেতা কাজী খায়রুজ্জামান শিপনসহ উপজেলা ও পৌর বিএনপির নেতৃবৃন্দ। তাদের উপস্থিতি শুধু উপহার বিতরণের মধ্যেই সীমাবদ্ধ ছিল না, বরং প্রতিটি ঘরে গিয়ে মানুষের কষ্টের কথা শোনার চেষ্টা করেছেন তারা। কেউ বলছিলেন জীবনযুদ্ধের লড়াইয়ের কথা, কেউ বা সন্তানদের মুখে হাসি ফোটানোর স্বপ্নের কথা।

 

 

এক বৃদ্ধা অশ্রুসজল নয়নে বললেন, “আমাদের খবর কেউ রাখে না, ঈদের সময়ও কেউ জিজ্ঞেস করে না কেমন আছি। আজ নিপা স্যার নিজে এসে আমাদের হাতে উপহার দিলেন, এ যেন স্বপ্নের মতো লাগছে।”

 

 

শাহারুনজ্জামান নিপা বলেন, “আমি সবসময় মানুষের পাশে থাকতে চাই। ঈদের আনন্দ শুধু ধনী-গরিবের মধ্যে সীমাবদ্ধ নয়, এটা সবার। আমরা চাই, এই উপহার পেয়ে অন্তত একদিনের জন্য হলেও তাদের মুখে হাসি ফুটুক।”

 

এই সহায়তা শুধু একটি উপহার নয়, বরং ভালোবাসার প্রতিচ্ছবি। এটি শুধু খাদ্যসামগ্রী বা পোশাকের সংস্থান নয়, এটি সেই সহমর্মিতার বার্তা, যা মনে করিয়ে দেয়—একা কেউ বাঁচে না, একসঙ্গে থাকলেই জীবন সুন্দর হয়।

 

 

বারইখালী গ্রামের দরিদ্র মানুষের জন্য এই উদ্যোগ শুধু একটি রাতের ঘটনা নয়, বরং এটি সমাজের প্রতি এক বড় বার্তা। যদি সবাই এইভাবে একে অপরের পাশে দাঁড়ায়, তবে হয়তো একদিন সত্যিই কোনো অসহায় মানুষকে আর কষ্ট পেতে হবে না।