প্রধান আলোচক রেজাবুদ্দৌলা চৌধুরী
১৯৭৫ সালের ৭ নভেম্বরের সিপাহি-জনতার বিপ্লব কেবল ক্ষমতার কোনো পালাবদল ছিল না, বরং এটি ছিল আধিপত্যবাদবিরোধী জাতীয়তাবাদী রাজনীতি এবং বহুদলীয় গণতন্ত্রের নবযাত্রার ঐতিহাসিক সূচনা—এমন মন্তব্য করেছেন বিএনপির সাবেক তথ্য ও গবেষণা সম্পাদক রেজাবুদ্দৌলা চৌধুরী।
গতকাল শুক্রবার (৬ নভেম্বর) রাজধানীর শেরেবাংলা নগরের বাংলাদেশ ফিল্ম আর্কাইভ সেমিনার হলে বাংলাদেশ ফিল্ম সোসাইটিজ ফেডারেশনের উদ্যোগে ‘জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস ২০২৬’ উপলক্ষে আয়োজিত এক সেমিনারে প্রধান আলোচকের বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
বাংলাদেশ ফিল্ম সোসাইটিজ ফেডারেশনের সভাপতি বড়ুয়া মনোজিত ধীমনের সভাপতিত্বে ও সাধারণ সম্পাদক সায়মন তারিকের পরিচালনায় সেমিনারে আরও বক্তব্য রাখেন জাতীয়তাবাদী সামাজিক সাংস্কৃতিক সংস্থা (জাসাস)-এর আহবায়ক চিত্রনায়ক হেলাল খানসহ বিভিন্ন অঙ্গনের আমন্ত্রিত অতিথিবৃন্দ।
সেমিনারে ১৯৭৫ সালের ৭ নভেম্বরের ঐতিহাসিক প্রেক্ষাপট এবং তৎকালীন সেনাপ্রধান জিয়াউর রহমানের নেতৃত্ব ও রাজনৈতিক ভূমিকা বিস্তারিত তুলে ধরে রেজাবুদ্দৌলা চৌধুরী বলেন, “নভেম্বরের শুরুর দিকে যখন দেশে চরম রাজনৈতিক অস্থিতিশীলতা ও অনিশ্চয়তা বিরাজ করছিল এবং দেশের স্বাধীনতা-সার্বভৌমত্ব গভীর সংকটে পড়েছিল, ঠিক তখনই সিপাহি-জনতার অভূতপূর্ব সংহতি সব ষড়যন্ত্র নস্যাৎ করে দেয়।”
তিনি আরও বলেন, “এই ঐতিহাসিক বিপ্লবের মধ্য দিয়েই বন্দিদশা থেকে মুক্ত হয়ে মহান স্বাধীনতার ঘোষক শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান দেশের ক্ষমতার কেন্দ্রবিন্দুতে আসেন এবং সংকটময় মুহূর্তে রাষ্ট্র পরিচালনার দায়িত্ব নিয়ে দেশের সার্বভৌমত্বকে শক্তিশালী করে তোলেন।”
জাতীয়তাবাদী সামাজিক সাংস্কৃতিক সংস্থার সাবেক এই সভাপতি উল্লেখ করেন যে, ৭ নভেম্বরের মূল চেতনা হলো দেশপ্রেম, জাতীয় ঐক্য এবং জনগণের মৌলিক অধিকার ও গণতান্ত্রিক চর্চাকে সুসংহত করা। বর্তমান রাজনৈতিক পরিস্থিতিতে দেশ ও গণতন্ত্রকে যেকোনো ষড়যন্ত্র ও অরাজকতা থেকে রক্ষা করতে ৭ নভেম্বরের চেতনায় সকল জাতীয়তাবাদী শক্তিকে ঐক্যবদ্ধ হওয়ারও আহ্বান জানান এই প্রবীণ রাজনীতিক।

নিজস্ব প্রতিবেদকঃ 

















