ঢাকা , বুধবার, ১৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৩১ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম:
ঝলকাঠি জাতীয়তাবাদী ফোরামের ঢাকা কমিটি গঠিত মুন্সিগঞ্জে কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগের সাবেক সংসদ সদস্য মৃণাল কান্তি দাসের নেতৃত্বে মিছিল, গ্রেপ্তার ৩১ ভাণ্ডারিয়ায় মাদক প্রতিরোধে জেলা কমিটির সঙ্গে মতবিনিময় হাটহাজারীতে ফিল্ড ফায়ারিং অনুশীলনে শহিদ সেনাসদস্যদের পরিবারের সঙ্গে প্রধানমন্ত্রীর সাক্ষাৎ ফ্যাসিবাদের বিরুদ্ধে সবাইকে ঐক্যবদ্ধ থাকতে হবে– আইনমন্ত্রী আইসিসিবির সুবিশাল পরিসরের ট্যুরিজম ফেয়ারে মিলবে পর্যটনের হাতছানি মানবতাবিরোধী অপরাধে ওবায়দুল কাদেরসহ সাতজনের মৃত্যুদণ্ড মঠবাড়িয়ায় মাদকবিরোধী সামাজিক প্রতিরোধ জোরদারের আহ্বান বাগেরহাটে এনসিপি নেতাদের সঙ্গে ব্রিটিশ হাইকমিশনের রাজনৈতিক উপদেষ্টার বৈঠক মোরেলগঞ্জে সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের কর্মচারীর বিরুদ্ধে অনিয়মের অভিযোগ

মানবতাবিরোধী অপরাধে ওবায়দুল কাদেরসহ সাতজনের মৃত্যুদণ্ড

ফাইল ছবি

 

জুলাই গণ-অভ্যুত্থানের সময় সংঘটিত মানবতাবিরোধী অপরাধের দায়ে ক্ষমতাচ্যুত ও কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদেরসহ সাত আসামিকে মৃত্যুদণ্ড দিয়েছেন আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল। ট্রাইব্যুনালের চেয়ারম্যান বিচারপতি নজরুল ইসলাম চৌধুরীর নেতৃত্বাধীন তিন সদস্যের বিচারিক প্যানেল আজ মঙ্গলবার (১৫ সেপ্টেম্বর) এই রায় প্রদান করেন।

 

প্যানেলের অপর দুই সদস্য ছিলেন বিচারক মো. মঞ্জুরুল বাছিদ ও বিচারক নূর মোহাম্মদ শাহরিয়ার কবীর।

মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত অন্য আসামিরা হলেন– আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক আ ফ ম বাহাউদ্দিন নাছিম, সাবেক তথ্য ও সম্প্রচার প্রতিমন্ত্রী মোহাম্মদ আলী আরাফাত, যুবলীগের সভাপতি শেখ ফজলে শামস পরশ, সাধারণ সম্পাদক মাইনুল হোসেন খান নিখিল, ছাত্রলীগের সভাপতি সাদ্দাম হোসেন এবং সাধারণ সম্পাদক শেখ ওয়ালী আসিফ ইনান।

প্রসিকিউশনের দেওয়া অভিযোগে বলা হয়, জুলাই-আগস্টের আন্দোলন দমনে আসামিরা সমন্বিতভাবে নির্দেশ, প্ররোচনা ও উসকানিমূলক বক্তব্য দেন। পাশাপাশি নেতাকর্মীদের রাজপথে নামিয়ে প্রতিরোধ গড়ে তোলার আহ্বান, গোপন বৈঠকে সহিংসতার পরিকল্পনা, সশস্ত্র হামলা পরিচালনা, দমন-পীড়ন এবং গণমাধ্যম নিয়ন্ত্রণে তাদের সক্রিয় ভূমিকা ছিল। এসব কর্মকাণ্ডের ফলে দেশজুড়ে ব্যাপক হত্যা ও সহিংসতার ঘটনা ঘটে।

মামলাটির বিচারিক প্রক্রিয়ায় গত বছরের ১৮ ডিসেম্বর অভিযোগ আমলে নেওয়ার পর চলতি বছরের ২২ জানুয়ারি আসামিদের বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠন করা হয়। তদন্ত কর্মকর্তাসহ মোট ২৯ জন সাক্ষীর সাক্ষ্যগ্রহণ শেষে গত ২ আগস্ট বিচারিক কাজ এগিয়ে যায় এবং ১৭ আগস্ট যুক্তিতর্ক উপস্থাপন শেষে রায় অপেক্ষমাণ রাখা হয়।

২০২৪ সালের ৫ আগস্ট সরকারের পতনের পর গণ-অভ্যুত্থানের ঘটনায় এটি ট্রাইব্যুনালের সপ্তম রায়। এর আগে গত বছরের ১৭ নভেম্বর একই অপরাধে সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে মৃত্যুদণ্ড দেওয়া হয়েছিল, যার প্রায় ১০ মাস পর দলটির সাধারণ সম্পাদকসহ এই সাত নেতার মামলার রায় ঘোষিত হলো।

জনপ্রিয়

ঝলকাঠি জাতীয়তাবাদী ফোরামের ঢাকা কমিটি গঠিত

মানবতাবিরোধী অপরাধে ওবায়দুল কাদেরসহ সাতজনের মৃত্যুদণ্ড

আপডেট : ১২ ঘন্টা আগে
ফাইল ছবি

 

জুলাই গণ-অভ্যুত্থানের সময় সংঘটিত মানবতাবিরোধী অপরাধের দায়ে ক্ষমতাচ্যুত ও কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদেরসহ সাত আসামিকে মৃত্যুদণ্ড দিয়েছেন আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল। ট্রাইব্যুনালের চেয়ারম্যান বিচারপতি নজরুল ইসলাম চৌধুরীর নেতৃত্বাধীন তিন সদস্যের বিচারিক প্যানেল আজ মঙ্গলবার (১৫ সেপ্টেম্বর) এই রায় প্রদান করেন।

 

প্যানেলের অপর দুই সদস্য ছিলেন বিচারক মো. মঞ্জুরুল বাছিদ ও বিচারক নূর মোহাম্মদ শাহরিয়ার কবীর।

মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত অন্য আসামিরা হলেন– আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক আ ফ ম বাহাউদ্দিন নাছিম, সাবেক তথ্য ও সম্প্রচার প্রতিমন্ত্রী মোহাম্মদ আলী আরাফাত, যুবলীগের সভাপতি শেখ ফজলে শামস পরশ, সাধারণ সম্পাদক মাইনুল হোসেন খান নিখিল, ছাত্রলীগের সভাপতি সাদ্দাম হোসেন এবং সাধারণ সম্পাদক শেখ ওয়ালী আসিফ ইনান।

প্রসিকিউশনের দেওয়া অভিযোগে বলা হয়, জুলাই-আগস্টের আন্দোলন দমনে আসামিরা সমন্বিতভাবে নির্দেশ, প্ররোচনা ও উসকানিমূলক বক্তব্য দেন। পাশাপাশি নেতাকর্মীদের রাজপথে নামিয়ে প্রতিরোধ গড়ে তোলার আহ্বান, গোপন বৈঠকে সহিংসতার পরিকল্পনা, সশস্ত্র হামলা পরিচালনা, দমন-পীড়ন এবং গণমাধ্যম নিয়ন্ত্রণে তাদের সক্রিয় ভূমিকা ছিল। এসব কর্মকাণ্ডের ফলে দেশজুড়ে ব্যাপক হত্যা ও সহিংসতার ঘটনা ঘটে।

মামলাটির বিচারিক প্রক্রিয়ায় গত বছরের ১৮ ডিসেম্বর অভিযোগ আমলে নেওয়ার পর চলতি বছরের ২২ জানুয়ারি আসামিদের বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠন করা হয়। তদন্ত কর্মকর্তাসহ মোট ২৯ জন সাক্ষীর সাক্ষ্যগ্রহণ শেষে গত ২ আগস্ট বিচারিক কাজ এগিয়ে যায় এবং ১৭ আগস্ট যুক্তিতর্ক উপস্থাপন শেষে রায় অপেক্ষমাণ রাখা হয়।

২০২৪ সালের ৫ আগস্ট সরকারের পতনের পর গণ-অভ্যুত্থানের ঘটনায় এটি ট্রাইব্যুনালের সপ্তম রায়। এর আগে গত বছরের ১৭ নভেম্বর একই অপরাধে সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে মৃত্যুদণ্ড দেওয়া হয়েছিল, যার প্রায় ১০ মাস পর দলটির সাধারণ সম্পাদকসহ এই সাত নেতার মামলার রায় ঘোষিত হলো।