সংগৃহীত ছবি
সন্ত্রাসবিরোধী আইনে দায়ের করা মামলায় সাবেক মন্ত্রী বীর মুক্তিযোদ্ধা আব্দুল লতিফ সিদ্দিকী ও সাংবাদিক মঞ্জুরুল আলম পান্নার জামিন আবেদন নামঞ্জুর করেছেন আদালত।
বৃহস্পতিবার (৪ সেপ্টেম্বর) বিকেলে ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট হাসিব উল্লাহ পিয়াসের আদালত শুনানি শেষে এই আদেশ দেন।
লতিফ সিদ্দিকীর পক্ষে মোহাম্মদ কামরুল হোসেন বলেন, লতিফ সিদ্দিকী একজন বীর মুক্তিযোদ্ধা। এটা কারো অজানা না। ঘরোয়া পরিবেশে বীর মুক্তিযোদ্ধা, শিক্ষক, সাংবাদিক, সমাজের বিশিষ্ট লোকদের মব ভায়োলেন্স করে উত্তেজিত হয়ে মারধর করা হয়। তিনি কিন্তু আওয়ামী লীগের আমলেও জেলে ছিলেন। মুক্তিযুদ্ধের কথা বললেই ফ্যাসিস্ট, আওয়ামী বানিয়ে দেন। তাহলে কি মুক্তিযুদ্ধের সব অর্জন আওয়ামী লীগের? অনেক দলে অনেক মুক্তিযোদ্ধা আছে। ৮৭ বছর বয়সের একজন লোক। তাছাড়া তিনি অসুস্থ। তার জামিনের প্রার্থনা করছি।
পান্নার পক্ষে ফারজানা ইয়াসমিন রাখী বলেন, এজাহারে সাংবাদিক পান্নার বিরুদ্ধে একটা সিঙ্গেল লাইনও নেই। আলোচনা সভা করার আগে কিন্তু ডিএমপির অনুমতি ছিল। মুক্তিযুদ্ধ নিয়ে আলোচনা করতে সমাজের ভদ্র মানুষ লাঞ্চিত হলো। যারা লাঞ্চিত করলো তাদের বিরুদ্ধে মামলা না দিয়ে ভুক্তভোগীদের বিরুদ্ধে মামলা করা হলো। তার জামিনের প্রার্থনা করছি।
রাষ্ট্রপক্ষে অতিরিক্ত পাবলিক প্রসিকিউটর শামসুদ্দোহা সুমন জামিনের বিরোধিতা করেন। উভয়পক্ষের বক্তব্য শোনার পর বিচারক জামিন আবেদন খারিজ করে দেন।
প্রসঙ্গত, ‘মঞ্চ ৭১’ নামে একটি সংগঠনের উদ্যোগে গত ২৮ আগস্ট ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটিতে একটি গোলটেবিল বৈঠকের আয়োজন করা হয়। বৈঠক চলাকালে কিছু ব্যক্তি সেখানে ঢুকে অংশগ্রহণকারীদের মধ্যে কয়েকজনকে বের করে দেন এবং আব্দুল লতিফ সিদ্দিকী, অধ্যাপক শেখ হাফিজুর রহমান কার্জন ও সাংবাদিক পান্নাকে কিছু সময় অবরুদ্ধ করে রাখেন। পরে পুলিশ এসে ১৬ জনকে আটক করে।
ঘটনার পরদিন শাহবাগ থানায় এসআই আমিরুল ইসলাম বাদী হয়ে সন্ত্রাসবিরোধী আইনে মামলা করেন। ওই মামলায় পরবর্তীতে লতিফ সিদ্দিকী ও মঞ্জুরুল আলম পান্নাকে গ্রেফতার দেখানো হয়।

সংবাদ৩৬০ ডেস্কঃ 


















