ঢাকা , শুক্রবার, ০৬ নভেম্বর ২০২৬, ২২ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম:
টেকনাফের পাহাড়ে মানবপাচারকারীদের সঙ্গে যৌথ বাহিনীর গোলাগুলি, সেনাসদস্য নিহত পিরোজপুরে জাতীয়তাবাদী মুক্তিযুদ্ধের প্রজন্মের ৭১ সদস্যের আহ্বায়ক কমিটি অনুমোদন মাদ্রাসাছাত্র আরিফ হত্যা মামলা: কারাগারে ডিবিসি চেয়ারম্যান ইকবাল সোবহান চৌধুরী প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানকে বরণ করতে মোরেলগঞ্জ থেকে বিপুলসংখ্যক নেতাকর্মী নিয়ে বাগেরহাটে কেএম মহিউদ্দিন রিপন এআই যেন দেশের বেকারত্ব আরও প্রকট না করে: রাষ্ট্রপতি সীমান্তের ওপার থেকে দেশে বিশৃঙ্খলা সৃষ্টির চেষ্টা করা হচ্ছে: পথসভায় প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান হামের টিকা সংকটে ইউনূস সরকারের ভূমিকা তদন্তে তিন সদস্যের কমিশন তারেক রহমানের মোংলা সফর: জেটি নির্মাণ প্রকল্পের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন ও সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষর পিরোজপুরে চেরাগ গ্রন্থাগারের আলোচনা সভা ও পুরস্কার বিতরণ শহীদ জিয়ার শিক্ষাদর্শন ও মেধাভিত্তিক বাংলাদেশ গড়ার আহ্বান রেজাবুদ্দৌলা চৌধুরীর

গাজীপুরে সাংবাদিক তুহিন হত্যার ঘটনায় মামলা, আটক ৫

মো. আসাদুজ্জামান তুহিন | সংগৃহীত ছবি

 

গাজীপুরের চান্দনা চৌরাস্তা এলাকায় সাংবাদিক মো. আসাদুজ্জামান তুহিনকে কুপিয়ে হত্যার ঘটনায় ৫ জনকে আটক করেছে পুলিশ। শুক্রবার (৮ আগস্ট) বিষয়টি নিশ্চিত করেছে গাজীপুর মেট্রোপলিটন পুলিশ।

 

এদিকে ঘটনার একটি সিসি ক্যামেরার ভিডিও এরই মধ্যে অনলাইনে ছড়িয়ে পড়েছে। এতে দেখা যায়, এক যুবক প্রকাশ্যে এক তরুণীকে মারধর করছেন। তখন ৬-৭ জন যুবক চাপাতি, রামদা ও ছুরি নিয়ে ওই যুবকের ওপর হামলা চালানোর চেষ্টা করেন। ওই যুবক দৌড়ে পালিয়ে গেলে অস্ত্রধারীরা তাকে ধাওয়া করে।

 

পুলিশের প্রাথমিক তদন্তে জানা গেছে, সাংবাদিক তুহিন এ ঘটনার ভিডিও ধারণ করছিলেন। সেই সময় অস্ত্রধারীরা তাকেও ধাওয়া দেয়। তিনি প্রাণ বাঁচাতে দৌড়ে আশ্রয় নেন ঈদগাহ মার্কেট এলাকার একটি চায়ের দোকানে। দুর্বৃত্তরা সেখানে ঢুকেই তাকে এলোপাতাড়ি কোপাতে থাকে। এতে ঘটনাস্থলেই তার মৃত্যু হয়। এরপর হামলাকারীরা দ্রুত পালিয়ে যায়।

 

বাসন থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) শাহীন খান জানান, সাংবাদিক আসাদুজ্জামান তুহিন হত্যার ঘটনায় তার বড় ভাই মো. সেলিম বাদী হয়ে অজ্ঞাত আসামিদের বিরুদ্ধে একটি হত্যা মামলা দায়ের করেছেন। বৃহস্পতিবার গভীর রাতে মামলাটি রেকর্ড হয়েছে। রাতেই বিভিন্ন স্থানে অভিযান চালিয়ে ঘটনায় জড়িত সন্দেহে পাঁচজনকে আটক করা হয়েছে। তাদের জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে। জড়িতদের গ্রেপ্তারে অভিযান চলছে।

 

নিহত মো. আসাদুজ্জামান তুহিন (৩৮) ময়মনসিংহ জেলার ফুলবাড়িয়া থানার ভাটিপাড়া গ্রামের হাসান জামালের ছেলে। তিনি দৈনিক প্রতিদিনের কাগজ পত্রিকার গাজীপুর প্রতিনিধি ছিলেন। সাংবাদিকতার পাশাপাশি তিনি ওষুধ কোম্পানির প্রতিনিধি হিসেবে বিভিন্ন হাসপাতাল ও ক্লিনিকে ওষুধ সরবরাহের কাজ করতেন।

 

গাজীপুর মেট্রোপলিটন পুলিশের উপ-কমিশনার (ক্রাইম-উত্তর) মো. রবিউল হাসান বলেন, আমাদের ধারণা, অন্য একজনকে মারধরের ঘটনার ভিডিও ধারণ করায় সাংবাদিক তুহিনকে হত্যা করা হয়েছে। তবে ঘটনার সঙ্গে জড়িতদের শনাক্ত করা হয়েছে। তাদের গ্রেপ্তারে পুলিশের একাধিক দল অভিযান চালাচ্ছে। দোষীদের আটক করা গেলে ঘটনার পুরো চিত্র পরিষ্কার হবে।

জনপ্রিয়

টেকনাফের পাহাড়ে মানবপাচারকারীদের সঙ্গে যৌথ বাহিনীর গোলাগুলি, সেনাসদস্য নিহত

গাজীপুরে সাংবাদিক তুহিন হত্যার ঘটনায় মামলা, আটক ৫

আপডেট : ১০:০৬ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ৮ অগাস্ট ২০২৫
মো. আসাদুজ্জামান তুহিন | সংগৃহীত ছবি

 

গাজীপুরের চান্দনা চৌরাস্তা এলাকায় সাংবাদিক মো. আসাদুজ্জামান তুহিনকে কুপিয়ে হত্যার ঘটনায় ৫ জনকে আটক করেছে পুলিশ। শুক্রবার (৮ আগস্ট) বিষয়টি নিশ্চিত করেছে গাজীপুর মেট্রোপলিটন পুলিশ।

 

এদিকে ঘটনার একটি সিসি ক্যামেরার ভিডিও এরই মধ্যে অনলাইনে ছড়িয়ে পড়েছে। এতে দেখা যায়, এক যুবক প্রকাশ্যে এক তরুণীকে মারধর করছেন। তখন ৬-৭ জন যুবক চাপাতি, রামদা ও ছুরি নিয়ে ওই যুবকের ওপর হামলা চালানোর চেষ্টা করেন। ওই যুবক দৌড়ে পালিয়ে গেলে অস্ত্রধারীরা তাকে ধাওয়া করে।

 

পুলিশের প্রাথমিক তদন্তে জানা গেছে, সাংবাদিক তুহিন এ ঘটনার ভিডিও ধারণ করছিলেন। সেই সময় অস্ত্রধারীরা তাকেও ধাওয়া দেয়। তিনি প্রাণ বাঁচাতে দৌড়ে আশ্রয় নেন ঈদগাহ মার্কেট এলাকার একটি চায়ের দোকানে। দুর্বৃত্তরা সেখানে ঢুকেই তাকে এলোপাতাড়ি কোপাতে থাকে। এতে ঘটনাস্থলেই তার মৃত্যু হয়। এরপর হামলাকারীরা দ্রুত পালিয়ে যায়।

 

বাসন থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) শাহীন খান জানান, সাংবাদিক আসাদুজ্জামান তুহিন হত্যার ঘটনায় তার বড় ভাই মো. সেলিম বাদী হয়ে অজ্ঞাত আসামিদের বিরুদ্ধে একটি হত্যা মামলা দায়ের করেছেন। বৃহস্পতিবার গভীর রাতে মামলাটি রেকর্ড হয়েছে। রাতেই বিভিন্ন স্থানে অভিযান চালিয়ে ঘটনায় জড়িত সন্দেহে পাঁচজনকে আটক করা হয়েছে। তাদের জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে। জড়িতদের গ্রেপ্তারে অভিযান চলছে।

 

নিহত মো. আসাদুজ্জামান তুহিন (৩৮) ময়মনসিংহ জেলার ফুলবাড়িয়া থানার ভাটিপাড়া গ্রামের হাসান জামালের ছেলে। তিনি দৈনিক প্রতিদিনের কাগজ পত্রিকার গাজীপুর প্রতিনিধি ছিলেন। সাংবাদিকতার পাশাপাশি তিনি ওষুধ কোম্পানির প্রতিনিধি হিসেবে বিভিন্ন হাসপাতাল ও ক্লিনিকে ওষুধ সরবরাহের কাজ করতেন।

 

গাজীপুর মেট্রোপলিটন পুলিশের উপ-কমিশনার (ক্রাইম-উত্তর) মো. রবিউল হাসান বলেন, আমাদের ধারণা, অন্য একজনকে মারধরের ঘটনার ভিডিও ধারণ করায় সাংবাদিক তুহিনকে হত্যা করা হয়েছে। তবে ঘটনার সঙ্গে জড়িতদের শনাক্ত করা হয়েছে। তাদের গ্রেপ্তারে পুলিশের একাধিক দল অভিযান চালাচ্ছে। দোষীদের আটক করা গেলে ঘটনার পুরো চিত্র পরিষ্কার হবে।