বাগেরহাটে এক সপ্তাহের মধ্যে সব ধরনের অবৈধ ক্লিনিক ও ডায়াগনস্টিক সেন্টার বন্ধ করার নির্দেশ দিয়েছেন বাগেরহাট-৩ আসনের সংসদ সদস্য এবং পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন বিষয়ক প্রতিমন্ত্রী লায়ন ড. শেখ ফরিদুল ইসলাম। নির্ধারিত সময়ের মধ্যে অবৈধ স্বাস্থ্যসেবা প্রতিষ্ঠানগুলোর বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিতে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে নির্দেশ দেন তিনি।
শনিবার (১০ অক্টোবর) বিকেলে বাগেরহাট ২৫০ শয্যাবিশিষ্ট জেনারেল হাসপাতালে ডেঙ্গু প্রতিরোধে সচেতনতামূলক প্রস্তুতি সভা ও মতবিনিময় অনুষ্ঠানে বক্তব্য দিতে গিয়ে তিনি এ নির্দেশনা দেন।
প্রতিমন্ত্রী বলেন, মানুষের স্বাস্থ্যসেবা নিশ্চিত করতে বৈধ ও মানসম্মত চিকিৎসাব্যবস্থা গড়ে তোলা জরুরি। অবৈধ ক্লিনিক ও ডায়াগনস্টিক সেন্টারের কারণে সাধারণ মানুষ যেন প্রতারিত না হন, সে বিষয়ে সংশ্লিষ্ট সবাইকে সতর্ক থাকতে হবে। যেসব প্রতিষ্ঠানের প্রয়োজনীয় অনুমোদন নেই, সেগুলোর বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করতে হবে। এ ক্ষেত্রে কোনো ধরনের অবহেলা বা গাফিলতি গ্রহণযোগ্য নয়।
সভায় ডেঙ্গু প্রতিরোধে আগাম প্রস্তুতি, জনসচেতনতা বৃদ্ধি এবং হাসপাতালগুলোতে প্রয়োজনীয় চিকিৎসাসেবা নিশ্চিত করার ওপর গুরুত্বারোপ করা হয়। ডেঙ্গুর বিস্তার রোধে বাড়িঘর ও আশপাশের পরিবেশ পরিষ্কার রাখা, জমে থাকা পানি অপসারণ এবং এডিস মশার প্রজননস্থল ধ্বংসে কার্যকর উদ্যোগ গ্রহণের বিষয়ে আলোচনা হয়।
এ সময় প্রতিমন্ত্রী সংশ্লিষ্ট স্বাস্থ্য বিভাগ ও প্রশাসনের কর্মকর্তাদের সমন্বিতভাবে কাজ করার ওপর গুরুত্ব দেন। ডেঙ্গু আক্রান্ত রোগীদের দ্রুত শনাক্তকরণ ও চিকিৎসা নিশ্চিত করার পাশাপাশি হাসপাতালগুলোর প্রস্তুতি জোরদার করার বিষয়েও আলোচনা করা হয়।
অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন বাগেরহাট জেলা পরিষদের প্রশাসক ব্যারিস্টার শেখ মো. জাকির হোসেন, বাগেরহাটের জেলা প্রশাসক গোলাম মো. বাতেন, বাগেরহাট ২৫০ শয্যাবিশিষ্ট জেনারেল হাসপাতালের তত্ত্বাবধায়ক ডা. অসীম কুমার সমাদ্দার, পুলিশ সুপার মো. জামিলুর ইসলাম এবং হাসপাতালের আবাসিক মেডিকেল অফিসার (আরএমও) তাপস কুমার সরকারসহ সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন দপ্তরের কর্মকর্তা ও স্বাস্থ্য বিভাগের প্রতিনিধিরা।
সভায় ডেঙ্গু প্রতিরোধে জনসচেতনতা বাড়ানো এবং বাগেরহাটের স্বাস্থ্যসেবার মান উন্নয়নে প্রশাসন ও স্বাস্থ্য বিভাগের সমন্বিত উদ্যোগ অব্যাহত রাখার ওপর গুরুত্ব দেওয়া হয়।

বাগেরহাট প্রতিনিধিঃ 


















