নীলফামারীর জলঢাকায় প্রশাসনের বিশেষ অভিযানে অবৈধভাবে মজুদকৃত সার জব্দ করে প্রকৃত কৃষকদের মাঝে সরকার নির্ধারিত মূল্যে সার বিতরণের কথা থাকলেও ডিলারের গাফিলতির কারনে সহজেই যাচ্ছে ব্যবসায়ীদের হাতে, বঞ্চিত হচ্ছে প্রকৃত কৃষকরা। এমন অভিযোগ উঠেছে সার ডিলার মুয়াজ এন্টারপ্রাইজ এর স্বত্বাধিকারী মোশফিকুর রহমানের বিরুদ্ধে। এ কাজে সহযোগিতা করছেন উপ-সহকারী কৃষি কর্মকর্তা হোসেন আলী।
বুধবার (২ সেপ্টেম্বর) বিকেলে উপজেলার শিমুলবাড়ী ইউনিয়নের বালারপুকুর স্বপ্নন বাজার মুয়াজ এন্টারপ্রাইজের সামনে জব্দ করা সার বিতরণের সময় এ পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়।
সরেজমিনে ২৫ বস্তা সার একটি ভ্যানে উঠানো দেখে জিজ্ঞেসা করলে উপস্থিত উপ-সহকারী কৃষি কর্মকর্তা হোসেন আলী বলেন, এখানে ৫ জন কৃষকের সার আছে। তাৎক্ষণিক অনুসন্ধানে জানা যায়, উক্ত ২৫ বস্তা সার মুলত ২ জন ব্যাবসায়ীর।
স্থানীয় সার ব্যবসায়ী মোরছালিন ইসলাম বলেন, ২৫ বস্তা সারের মধ্যে আমার ১০ বস্তা সার আছে। আমি কৃষক না মুলত একজন সার ব্যবসায়ী। ওদের নাকি সার নেয়ার লোক নাই। তাই আমাদের দুইজন কে ২৫ বস্তা সার দিয়েছে। পরবর্তীতে সংবাদকর্মীদের উপস্থিতিতে অটোভ্যানে তোলা ২৫ বস্তা সার নামিয়ে গোডাউনের ভেতরে রাখে দেন।
নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক একাধিক কৃষক বলেন, কৃষি অফিসের লোকজনদের যোগসাজশে সার ডিলাররা কৌশলে ব্যবসায়ীদের সার দিয়ে থাকেন। আর আমরা আসলে বলে সার ফুরিয়ে গেছে।
এ বিষয়ে উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা মো. মিজানুর রহমান বলেন, ‘বিষয়টি আগে আমি জানবো, তারপর বক্তব্য দিব’।
উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা জান্নাতুল ফেরদৌস হ্যাপি বলেন, ‘বিষয়টি যেহেতু আমি অবগত হয়েছি। খতিয়ে দেখে আইনানুগ ব্যবস্থা নেয়া হবে’।

রবিউল ইসলাম রাজ, জলঢাকা প্রতিনিধিঃ 



















