ঢাকা , শনিবার, ১৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৪ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম:
ঢাকা-মাওয়া মহাসড়কে গাছ ফেলে ডাকাতি টেকনাফে প্রতারণা মামলার এজাহারভুক্ত রোহিঙ্গা আসামি গ্রেপ্তার ভোলায় মাদকসহ ছাত্রদল নেতা গ্রেপ্তার, কমিটি বিলুপ্ত ঘোষণা টেকনাফের গভীর সমুদ্রে ইউরিয়া সার ও নিত্যপণ্যসহ ১০ পাচারকারী আটক মোরেলগঞ্জে জমিতে ধান রোপণ নিয়ে বিরোধ, হামলার অভিযোগে বিক্ষোভ ফেসবুক পোস্টকে কেন্দ্র করে ভোলায় নারীকে পিটিয়ে হত্যার ঘটনায় গ্রেপ্তার ২ পুলিশকে ফাঁসাতে গিয়ে নিজেই মামলায় ফেঁসে গেলেন সাংবাদিক পরিচয়দানকারী মোল্লা শাওন পিরোজপুরে ডেঙ্গু প্রতিরোধে খাল দখলমুক্ত ও পরিচ্ছন্নতা অভিযান অভাব পেরিয়ে স্বাবলম্বিতার পথে বান্দরবানের ১০০ নারী অনুমতি ছাড়াই সমাজসেবার প্রকল্প ঘর ভাঙার অভিযোগ, মালামাল সরিয়ে নেওয়ার দাবি

টেকনাফ সাবরাংয়ে আইনশৃঙ্খলা ও জনসম্পৃক্ততা নিয়ে মতবিনিময়

 

কক্সবাজারের টেকনাফ উপজেলার সাবরাং ইউনিয়নে স্থানীয় আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি, মাদক ও অপরাধ প্রতিরোধসহ জনস্বার্থসংশ্লিষ্ট বিভিন্ন বিষয়ে মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।

 

এতে টেকনাফ মডেল থানার সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা, সাবরাং ইউনিয়ন পরিষদের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান আব্দুল মান্নান, সাবরাং ইউনিয়ন বিএনপির আহ্বায়ক ও বিভিন্ন পর্যায়ের নেতৃবৃন্দ, ইউনিয়ন পরিষদের নির্বাচিত ইউপি সদস্য, ওলামায়ে কেরাম এবং ইউনিয়নের সর্বস্তরের জনসাধারণ উপস্থিত ছিলেন।

 

সভায় স্থানীয় বিভিন্ন সমস্যা, আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি, মাদক ও অপরাধ প্রতিরোধসহ জনস্বার্থসংশ্লিষ্ট নানা বিষয়ে আলোচনা করা হয়। পাশাপাশি এলাকার শান্তি-শৃঙ্খলা বজায় রাখতে প্রশাসন ও স্থানীয় জনগণের মধ্যে সমন্বয় আরও জোরদারের ওপর গুরুত্বারোপ করা হয়।

 

টেকনাফ মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) সাইফুল ইসলাম বলেন, এলাকার আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে পুলিশের পাশাপাশি স্থানীয় জনপ্রতিনিধি, রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দ, আলেম-ওলামা ও সাধারণ জনগণের সহযোগিতা প্রয়োজন। মাদক, মানব পাচার ও অপরাধের সঙ্গে জড়িতদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে। কোনো অপরাধীকে ছাড় দেওয়া হবে না। তিনি অপরাধ ও অপরাধীদের বিষয়ে পুলিশকে তথ্য দিয়ে সহযোগিতা করার জন্য স্থানীয় জনগণের প্রতি আহ্বান জানান।

 

সাবরাং ইউনিয়ন পরিষদের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান আব্দুল মান্নান বলেন, এলাকার শান্তি-শৃঙ্খলা বজায় রাখতে প্রশাসন ও সাধারণ জনগণের মধ্যে পারস্পরিক সহযোগিতা অত্যন্ত জরুরি। মাদক, সন্ত্রাস ও অপরাধ প্রতিরোধে সবাইকে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করতে হবে। সাবরাং ইউনিয়নকে শান্তিপূর্ণ ও নিরাপদ রাখতে প্রশাসনসহ সংশ্লিষ্ট সবার সহযোগিতা কামনা করেন তিনি।

 

সংশ্লিষ্টরা বলেন, একটি নিরাপদ, শান্তিপূর্ণ ও অপরাধমুক্ত সমাজ গঠনে প্রশাসনের পাশাপাশি স্থানীয় জনপ্রতিনিধি, রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দ, আলেম-ওলামা এবং সাধারণ জনগণের সম্মিলিত ভূমিকা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। পারস্পরিক সহযোগিতা ও জনসম্পৃক্ততা বাড়ানোর মাধ্যমে এলাকার আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি আরও উন্নত করা সম্ভব।

জনপ্রিয়

ঢাকা-মাওয়া মহাসড়কে গাছ ফেলে ডাকাতি

টেকনাফ সাবরাংয়ে আইনশৃঙ্খলা ও জনসম্পৃক্ততা নিয়ে মতবিনিময়

আপডেট : ০৭:২৯ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৯ অগাস্ট ২০২৬

 

কক্সবাজারের টেকনাফ উপজেলার সাবরাং ইউনিয়নে স্থানীয় আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি, মাদক ও অপরাধ প্রতিরোধসহ জনস্বার্থসংশ্লিষ্ট বিভিন্ন বিষয়ে মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।

 

এতে টেকনাফ মডেল থানার সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা, সাবরাং ইউনিয়ন পরিষদের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান আব্দুল মান্নান, সাবরাং ইউনিয়ন বিএনপির আহ্বায়ক ও বিভিন্ন পর্যায়ের নেতৃবৃন্দ, ইউনিয়ন পরিষদের নির্বাচিত ইউপি সদস্য, ওলামায়ে কেরাম এবং ইউনিয়নের সর্বস্তরের জনসাধারণ উপস্থিত ছিলেন।

 

সভায় স্থানীয় বিভিন্ন সমস্যা, আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি, মাদক ও অপরাধ প্রতিরোধসহ জনস্বার্থসংশ্লিষ্ট নানা বিষয়ে আলোচনা করা হয়। পাশাপাশি এলাকার শান্তি-শৃঙ্খলা বজায় রাখতে প্রশাসন ও স্থানীয় জনগণের মধ্যে সমন্বয় আরও জোরদারের ওপর গুরুত্বারোপ করা হয়।

 

টেকনাফ মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) সাইফুল ইসলাম বলেন, এলাকার আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে পুলিশের পাশাপাশি স্থানীয় জনপ্রতিনিধি, রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দ, আলেম-ওলামা ও সাধারণ জনগণের সহযোগিতা প্রয়োজন। মাদক, মানব পাচার ও অপরাধের সঙ্গে জড়িতদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে। কোনো অপরাধীকে ছাড় দেওয়া হবে না। তিনি অপরাধ ও অপরাধীদের বিষয়ে পুলিশকে তথ্য দিয়ে সহযোগিতা করার জন্য স্থানীয় জনগণের প্রতি আহ্বান জানান।

 

সাবরাং ইউনিয়ন পরিষদের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান আব্দুল মান্নান বলেন, এলাকার শান্তি-শৃঙ্খলা বজায় রাখতে প্রশাসন ও সাধারণ জনগণের মধ্যে পারস্পরিক সহযোগিতা অত্যন্ত জরুরি। মাদক, সন্ত্রাস ও অপরাধ প্রতিরোধে সবাইকে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করতে হবে। সাবরাং ইউনিয়নকে শান্তিপূর্ণ ও নিরাপদ রাখতে প্রশাসনসহ সংশ্লিষ্ট সবার সহযোগিতা কামনা করেন তিনি।

 

সংশ্লিষ্টরা বলেন, একটি নিরাপদ, শান্তিপূর্ণ ও অপরাধমুক্ত সমাজ গঠনে প্রশাসনের পাশাপাশি স্থানীয় জনপ্রতিনিধি, রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দ, আলেম-ওলামা এবং সাধারণ জনগণের সম্মিলিত ভূমিকা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। পারস্পরিক সহযোগিতা ও জনসম্পৃক্ততা বাড়ানোর মাধ্যমে এলাকার আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি আরও উন্নত করা সম্ভব।