বাগেরহাটে সাংবাদিক হায়াত উদ্দিন হত্যাকাণ্ডের ৪৮ ঘণ্টা পর অবশেষে বাগেরহাট সদর মডেল থানায় মামলা হয়েছে।
রোববার (৫ অক্টোবর) সন্ধ্যায় নিহত সাংবাদিক এস. এম. হায়াত উদ্দিনের মা হাসিনা বেগম বাদী হয়ে ৭ জনের নাম উল্লেখ করে এবং অজ্ঞাতনামা আরও ১০ থেকে ১২ জনকে আসামি করে এ মামলা দায়ের করেছেন বলে বাগেরহাট সদর মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মাহামুদ-উল-হাসান নিশ্চিত করেছেন।
এ ঘটনায় এখনও কাউকে আটক করা সম্ভব হয়নি। তবে ঘটনার সঙ্গে জড়িত সন্ত্রাসীদের গ্রেপ্তারে পুলিশের অভিযান অব্যাহত রয়েছে বলে তিনি জানান।
সন্ত্রাসীদের হামলায় নিহত সাংবাদিক হায়াত উদ্দনি বাগেরহাট পৌর শহরের হাড়িখালী গ্রামরে মৃত মো. নজিাম উদ্দনিরে ছেলে। তিনি দৈনিক ভোরের চেতনা পত্রিকায় স্টাফ রিপোর্টার বাগেরহাট হিসেবে দায়িত্ব পালন করছিলেন।
বাগেরহাট সদর মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মাহামুদ-উল-হাসান জানান, শুক্রবার সন্ধ্যায় বাগেরহাট পৌরসভাধীন উত্তর হাড়ীখালী সদ্দিকিরে চায়রে দোকানে সামনে এস এম হায়াত উদ্দনিকে অজ্ঞাতনামা ৭/৮ জন র্দুবৃত্তরা দেশীয় অস্ত্র দিয়ে শরীরের বিভিন্ন স্থানে এলোপাথাড়ি কুপিয়ে রক্তাক্ত অবস্থায় পাকা রাস্তার ওপরে ফেলে পালিয়ে যায়।
স্থানীয়রা তাকে উদ্ধার করে প্রথমে বাগেরহাট ২৫০ শয্যা হাসপাতালে নিয়ে যান। অবস্থার অবনতি হলে তাকে খুলনা ২৫০ শয্যা হাসপাতালে স্থানান্তর করা হয়, সেখানে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।

স্টাফ রিপোর্টার, বাগেরহাটঃ 



















