ঢাকা , শুক্রবার, ০৬ নভেম্বর ২০২৬, ২২ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম:
টেকনাফের পাহাড়ে মানবপাচারকারীদের সঙ্গে যৌথ বাহিনীর গোলাগুলি, সেনাসদস্য নিহত পিরোজপুরে জাতীয়তাবাদী মুক্তিযুদ্ধের প্রজন্মের ৭১ সদস্যের আহ্বায়ক কমিটি অনুমোদন মাদ্রাসাছাত্র আরিফ হত্যা মামলা: কারাগারে ডিবিসি চেয়ারম্যান ইকবাল সোবহান চৌধুরী প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানকে বরণ করতে মোরেলগঞ্জ থেকে বিপুলসংখ্যক নেতাকর্মী নিয়ে বাগেরহাটে কেএম মহিউদ্দিন রিপন এআই যেন দেশের বেকারত্ব আরও প্রকট না করে: রাষ্ট্রপতি সীমান্তের ওপার থেকে দেশে বিশৃঙ্খলা সৃষ্টির চেষ্টা করা হচ্ছে: পথসভায় প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান হামের টিকা সংকটে ইউনূস সরকারের ভূমিকা তদন্তে তিন সদস্যের কমিশন তারেক রহমানের মোংলা সফর: জেটি নির্মাণ প্রকল্পের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন ও সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষর পিরোজপুরে চেরাগ গ্রন্থাগারের আলোচনা সভা ও পুরস্কার বিতরণ শহীদ জিয়ার শিক্ষাদর্শন ও মেধাভিত্তিক বাংলাদেশ গড়ার আহ্বান রেজাবুদ্দৌলা চৌধুরীর

চাঁদাবাজি নয় ব্যবসায়িক দ্বন্দ্বে মিটফোর্ডে হত্যা: ডিএমপি

সংগৃহীত ছবি

 

ব্যবসায়িক দ্বন্দ্বের কারণে রাজধানীর মিটফোর্ড হাসপাতালের (স্যার সলিমুল্লাহ মেডিকেল কলেজ) সামনে ভাঙারি ব্যবসায়ী লাল চাঁন ওরফে সোহাগকে হত্যার ঘটনা ঘটেছে বলে জানিয়েছে ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশ (ডিএমপি)।

 

আজ শনিবার (১২ জুলাই) ডিএমপি মিডিয়া সেন্টারে আয়োজিত ব্রিফিংয়ে এসব তথ্য জানান লালবাগ বিভাগের উপ-পুলিশ কমিশনার (ডিসি) মোহাম্মদ জসীম উদ্দিন।

 

নিহত লাল চাঁন ওরফে সোহাগ পেশায় ভাঙারি পণ্যের ব্যবসায়ী ছিলেন। তার গ্রামের বাড়ি বরিশালের বরগুনায়। থাকতেন ঢাকার কেরানীগঞ্জে। তিনি এক সময় যুবদল করতেন। তবে তার সর্বশেষ রাজনৈতিক পরিচয় সম্পর্কে নিশ্চিত হওয়া যায়নি।

 

ডিসি জসীম উদ্দিন জানান, গত ৯ জুলাই বিকেল ৫টা ৪০ মিনিট থেকে ৬টার মধ্যে কোতোয়ালি থানায় স্যার সলিমুল্লাহ মেডিকেল কলেজ (মিটফোর্ড) হাসপাতালের ৩ নম্বর গেটের সামনে এবং সংলগ্ন এলাকায় একটি নৃশংস হত্যাকাণ্ড ঘটে। বহু লোক একত্রিত হয়ে মো. সোহাগকে নির্মমভাবে আঘাত করে হত্যা করে। ঘটনার খবর পেয়ে তাৎক্ষণিকভাবে পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছায় এবং সেখান থেকেই দুইজনকে গ্রেপ্তার করে। পরে মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য মিটফোর্ড হাসপাতালে পাঠানো হয়।

 

তিনি বলেন, “আমরা জানতে পেরেছি, যারা এই হত্যাকাণ্ডে জড়িত এবং যিনি মারা গেছেন, তারা আগে একসঙ্গে কাজ করতেন। পরবর্তীকালে আলাদা হয়ে গেলে দ্বন্দ্ব তৈরি হয়। আর সে দ্বন্দ্বের জেরেই এই মর্মান্তিক ঘটনা ঘটে।”

 

হত্যাকাণ্ডের সঙ্গে চাঁদাবাজির কোনো তথ্য পুলিশ পায়নি জানিয়েছেন ডিসি জসীম বলেন, “এটি ছিল একান্তই ব্যক্তিগত ও ব্যবসায়িক দ্বন্দ্ব। কোনো প্রাতিষ্ঠানিক চাঁদাবাজি বা সংঘবদ্ধ অপরাধচক্রের সংশ্লিষ্টতার তথ্য নেই।”

 

হত্যাকাণ্ডের পরদিন ১০ জুলাই কোতোয়ালি থানায় একটি হত্যা মামলা দায়ের করেন ভুক্তভোগী সোহাগের বড় বোন। এরপর সিসিটিভি ফুটেজ পর্যালোচনার মাধ্যমে সন্দেহভাজনদের শনাক্ত করা হয়। এখন পর্যন্ত ৫ জনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে- তাদের মধ্যে ২ জনকে গ্রেপ্তার করেছে র‌্যাব ও ৩ জনকে করেছে কোতোয়ালি থানা পুলিশ।

জনপ্রিয়

টেকনাফের পাহাড়ে মানবপাচারকারীদের সঙ্গে যৌথ বাহিনীর গোলাগুলি, সেনাসদস্য নিহত

চাঁদাবাজি নয় ব্যবসায়িক দ্বন্দ্বে মিটফোর্ডে হত্যা: ডিএমপি

আপডেট : ০৩:২১ অপরাহ্ন, শনিবার, ১২ জুলাই ২০২৫
সংগৃহীত ছবি

 

ব্যবসায়িক দ্বন্দ্বের কারণে রাজধানীর মিটফোর্ড হাসপাতালের (স্যার সলিমুল্লাহ মেডিকেল কলেজ) সামনে ভাঙারি ব্যবসায়ী লাল চাঁন ওরফে সোহাগকে হত্যার ঘটনা ঘটেছে বলে জানিয়েছে ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশ (ডিএমপি)।

 

আজ শনিবার (১২ জুলাই) ডিএমপি মিডিয়া সেন্টারে আয়োজিত ব্রিফিংয়ে এসব তথ্য জানান লালবাগ বিভাগের উপ-পুলিশ কমিশনার (ডিসি) মোহাম্মদ জসীম উদ্দিন।

 

নিহত লাল চাঁন ওরফে সোহাগ পেশায় ভাঙারি পণ্যের ব্যবসায়ী ছিলেন। তার গ্রামের বাড়ি বরিশালের বরগুনায়। থাকতেন ঢাকার কেরানীগঞ্জে। তিনি এক সময় যুবদল করতেন। তবে তার সর্বশেষ রাজনৈতিক পরিচয় সম্পর্কে নিশ্চিত হওয়া যায়নি।

 

ডিসি জসীম উদ্দিন জানান, গত ৯ জুলাই বিকেল ৫টা ৪০ মিনিট থেকে ৬টার মধ্যে কোতোয়ালি থানায় স্যার সলিমুল্লাহ মেডিকেল কলেজ (মিটফোর্ড) হাসপাতালের ৩ নম্বর গেটের সামনে এবং সংলগ্ন এলাকায় একটি নৃশংস হত্যাকাণ্ড ঘটে। বহু লোক একত্রিত হয়ে মো. সোহাগকে নির্মমভাবে আঘাত করে হত্যা করে। ঘটনার খবর পেয়ে তাৎক্ষণিকভাবে পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছায় এবং সেখান থেকেই দুইজনকে গ্রেপ্তার করে। পরে মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য মিটফোর্ড হাসপাতালে পাঠানো হয়।

 

তিনি বলেন, “আমরা জানতে পেরেছি, যারা এই হত্যাকাণ্ডে জড়িত এবং যিনি মারা গেছেন, তারা আগে একসঙ্গে কাজ করতেন। পরবর্তীকালে আলাদা হয়ে গেলে দ্বন্দ্ব তৈরি হয়। আর সে দ্বন্দ্বের জেরেই এই মর্মান্তিক ঘটনা ঘটে।”

 

হত্যাকাণ্ডের সঙ্গে চাঁদাবাজির কোনো তথ্য পুলিশ পায়নি জানিয়েছেন ডিসি জসীম বলেন, “এটি ছিল একান্তই ব্যক্তিগত ও ব্যবসায়িক দ্বন্দ্ব। কোনো প্রাতিষ্ঠানিক চাঁদাবাজি বা সংঘবদ্ধ অপরাধচক্রের সংশ্লিষ্টতার তথ্য নেই।”

 

হত্যাকাণ্ডের পরদিন ১০ জুলাই কোতোয়ালি থানায় একটি হত্যা মামলা দায়ের করেন ভুক্তভোগী সোহাগের বড় বোন। এরপর সিসিটিভি ফুটেজ পর্যালোচনার মাধ্যমে সন্দেহভাজনদের শনাক্ত করা হয়। এখন পর্যন্ত ৫ জনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে- তাদের মধ্যে ২ জনকে গ্রেপ্তার করেছে র‌্যাব ও ৩ জনকে করেছে কোতোয়ালি থানা পুলিশ।