ঢাকা , শুক্রবার, ০৬ নভেম্বর ২০২৬, ২২ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম:
টেকনাফের পাহাড়ে মানবপাচারকারীদের সঙ্গে যৌথ বাহিনীর গোলাগুলি, সেনাসদস্য নিহত পিরোজপুরে জাতীয়তাবাদী মুক্তিযুদ্ধের প্রজন্মের ৭১ সদস্যের আহ্বায়ক কমিটি অনুমোদন মাদ্রাসাছাত্র আরিফ হত্যা মামলা: কারাগারে ডিবিসি চেয়ারম্যান ইকবাল সোবহান চৌধুরী প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানকে বরণ করতে মোরেলগঞ্জ থেকে বিপুলসংখ্যক নেতাকর্মী নিয়ে বাগেরহাটে কেএম মহিউদ্দিন রিপন এআই যেন দেশের বেকারত্ব আরও প্রকট না করে: রাষ্ট্রপতি সীমান্তের ওপার থেকে দেশে বিশৃঙ্খলা সৃষ্টির চেষ্টা করা হচ্ছে: পথসভায় প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান হামের টিকা সংকটে ইউনূস সরকারের ভূমিকা তদন্তে তিন সদস্যের কমিশন তারেক রহমানের মোংলা সফর: জেটি নির্মাণ প্রকল্পের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন ও সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষর পিরোজপুরে চেরাগ গ্রন্থাগারের আলোচনা সভা ও পুরস্কার বিতরণ শহীদ জিয়ার শিক্ষাদর্শন ও মেধাভিত্তিক বাংলাদেশ গড়ার আহ্বান রেজাবুদ্দৌলা চৌধুরীর

মাদক মামলায় তিন আসামির যাবজ্জীবন

প্রতীকী ছবি

 

১৪ হাজার পিছ ইয়াবা ট্যাবলেট উদ্ধারের অভিযোগে রাজধানীর যাত্রাবাড়ী থানার মামলায় তিন মাদক কারবারিকে যাবজ্জীবন কারাদন্ড প্রদান করেছেন আদালত।

 

মঙ্গলবার (৮ জুলাই) ঢাকার দ্রুত বিচার ট্রাইব্যুলান নং-২ এর বিচারক অরুনাভ চক্রবর্তী জনাকীর্ণ আদালতে এ রায় ঘোষণা করেন। রায়ে কারাদন্ডের পাশাপাশি প্রত্যেক আসামিকে ১ লক্ষ টাকা জরিমানা, অনাদায়ে আরও ছয় মাসের কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে।

 

যাবজ্জীবন কারাদণ্ড প্রাপ্ত আসামিরা হলেন: কবির মোল্লা, মোঃ ইছহাক ও সঞ্জয় দাস ওরফে মোঃ হোসেন (নব মুসলিম)।

 

এদিন রায় ঘোষণার সময় আসামিদের কারাগার থেকে আদালতে হাজির করা হয়। রায় ঘোষণার পর সাজা পরোয়ানা দিয়ে আসামিদের কারাগারে পাঠানো হয়।

 

বাদী এজাহারে উল্লেখ করেন, ২০২৩ সালের ৩০ নভেম্বর কতিপয় ব্যক্তি টয়োটা ল্যান্ডক্রুজার জীপ গাড়িতে বিপুল পরিমান অবৈধ মাদকদ্রব্য ইয়াবা ট্যাবলেট নিয়ে ঢাকার যাত্রাবাড়ীর দিকে আসিতেছে বলে গোপন সংবাদ পান। পরবর্তীতে বাদী গাড়ীটি আটক করে তাতে তল্লাশী করে সামনের বাম পাশের সিটের সামনে ডেশ বোর্ডের নীচের বক্সে রক্ষিত ০১ টি শপিং ব্যাগের ভিতরে নীল রং জিপারযুক্ত ৭০ টি পলিপ্যাক, যাহার প্রতিটি পলিপ্যাকে ২০০ পিছ করে সর্বমোট ১৪ হাজার পিছ অবৈধ নেশা জাতীয় মাদক দ্রব্য ইয়াবা ট্যাবলেট উদ্ধার করেন। যাহার মূল্য ২৮,০০,০০০/- (আটাশ লক্ষ) টাকা। এরপর আসামিদের আটক করা হয়। পরবর্তীতে যাত্রাবাড়ী থানার পরির্দশক শফিকুল ইসলাম আসামিদের বিরুদ্ধে মাদক দ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে মামলা করা হয়। এরপর গত বছরের ১৩ ফ্রেব্রুয়ারি একই থানার এসআই মোঃ নূর আলম সিদ্দিক আসামিদের বিরুদ্ধে অভিযোগপত্র দাখিল করেন। একই বছরের ১ সেপ্টেম্বর আসামিদের বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠন করেন আদালত। বিচার চলাকালে ১২ জন সাক্ষীর মধ্যে সাতজনের সাক্ষ্য গ্রহণ করেন আদালত। রাষ্ট্র পক্ষে মামলা পরিচালনা করে সংশ্লিষ্ট আদালতের পিপি মুঃ আব্দুল নূর ভূইয়া।

জনপ্রিয়

টেকনাফের পাহাড়ে মানবপাচারকারীদের সঙ্গে যৌথ বাহিনীর গোলাগুলি, সেনাসদস্য নিহত

মাদক মামলায় তিন আসামির যাবজ্জীবন

আপডেট : ০৩:৩৮ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ৮ জুলাই ২০২৫
প্রতীকী ছবি

 

১৪ হাজার পিছ ইয়াবা ট্যাবলেট উদ্ধারের অভিযোগে রাজধানীর যাত্রাবাড়ী থানার মামলায় তিন মাদক কারবারিকে যাবজ্জীবন কারাদন্ড প্রদান করেছেন আদালত।

 

মঙ্গলবার (৮ জুলাই) ঢাকার দ্রুত বিচার ট্রাইব্যুলান নং-২ এর বিচারক অরুনাভ চক্রবর্তী জনাকীর্ণ আদালতে এ রায় ঘোষণা করেন। রায়ে কারাদন্ডের পাশাপাশি প্রত্যেক আসামিকে ১ লক্ষ টাকা জরিমানা, অনাদায়ে আরও ছয় মাসের কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে।

 

যাবজ্জীবন কারাদণ্ড প্রাপ্ত আসামিরা হলেন: কবির মোল্লা, মোঃ ইছহাক ও সঞ্জয় দাস ওরফে মোঃ হোসেন (নব মুসলিম)।

 

এদিন রায় ঘোষণার সময় আসামিদের কারাগার থেকে আদালতে হাজির করা হয়। রায় ঘোষণার পর সাজা পরোয়ানা দিয়ে আসামিদের কারাগারে পাঠানো হয়।

 

বাদী এজাহারে উল্লেখ করেন, ২০২৩ সালের ৩০ নভেম্বর কতিপয় ব্যক্তি টয়োটা ল্যান্ডক্রুজার জীপ গাড়িতে বিপুল পরিমান অবৈধ মাদকদ্রব্য ইয়াবা ট্যাবলেট নিয়ে ঢাকার যাত্রাবাড়ীর দিকে আসিতেছে বলে গোপন সংবাদ পান। পরবর্তীতে বাদী গাড়ীটি আটক করে তাতে তল্লাশী করে সামনের বাম পাশের সিটের সামনে ডেশ বোর্ডের নীচের বক্সে রক্ষিত ০১ টি শপিং ব্যাগের ভিতরে নীল রং জিপারযুক্ত ৭০ টি পলিপ্যাক, যাহার প্রতিটি পলিপ্যাকে ২০০ পিছ করে সর্বমোট ১৪ হাজার পিছ অবৈধ নেশা জাতীয় মাদক দ্রব্য ইয়াবা ট্যাবলেট উদ্ধার করেন। যাহার মূল্য ২৮,০০,০০০/- (আটাশ লক্ষ) টাকা। এরপর আসামিদের আটক করা হয়। পরবর্তীতে যাত্রাবাড়ী থানার পরির্দশক শফিকুল ইসলাম আসামিদের বিরুদ্ধে মাদক দ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে মামলা করা হয়। এরপর গত বছরের ১৩ ফ্রেব্রুয়ারি একই থানার এসআই মোঃ নূর আলম সিদ্দিক আসামিদের বিরুদ্ধে অভিযোগপত্র দাখিল করেন। একই বছরের ১ সেপ্টেম্বর আসামিদের বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠন করেন আদালত। বিচার চলাকালে ১২ জন সাক্ষীর মধ্যে সাতজনের সাক্ষ্য গ্রহণ করেন আদালত। রাষ্ট্র পক্ষে মামলা পরিচালনা করে সংশ্লিষ্ট আদালতের পিপি মুঃ আব্দুল নূর ভূইয়া।