ঢাকা , শুক্রবার, ০৬ নভেম্বর ২০২৬, ২২ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম:
টেকনাফের পাহাড়ে মানবপাচারকারীদের সঙ্গে যৌথ বাহিনীর গোলাগুলি, সেনাসদস্য নিহত পিরোজপুরে জাতীয়তাবাদী মুক্তিযুদ্ধের প্রজন্মের ৭১ সদস্যের আহ্বায়ক কমিটি অনুমোদন মাদ্রাসাছাত্র আরিফ হত্যা মামলা: কারাগারে ডিবিসি চেয়ারম্যান ইকবাল সোবহান চৌধুরী প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানকে বরণ করতে মোরেলগঞ্জ থেকে বিপুলসংখ্যক নেতাকর্মী নিয়ে বাগেরহাটে কেএম মহিউদ্দিন রিপন এআই যেন দেশের বেকারত্ব আরও প্রকট না করে: রাষ্ট্রপতি সীমান্তের ওপার থেকে দেশে বিশৃঙ্খলা সৃষ্টির চেষ্টা করা হচ্ছে: পথসভায় প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান হামের টিকা সংকটে ইউনূস সরকারের ভূমিকা তদন্তে তিন সদস্যের কমিশন তারেক রহমানের মোংলা সফর: জেটি নির্মাণ প্রকল্পের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন ও সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষর পিরোজপুরে চেরাগ গ্রন্থাগারের আলোচনা সভা ও পুরস্কার বিতরণ শহীদ জিয়ার শিক্ষাদর্শন ও মেধাভিত্তিক বাংলাদেশ গড়ার আহ্বান রেজাবুদ্দৌলা চৌধুরীর

বানারীপাড়ায় মৎস্য দপ্তরের অভিযানে বিপুল পরিমাণে অবৈধ জাল জব্দ

 

বরিশালের বানারীপাড়ায় দেশীয় প্রজাতির মাছ ধংসকারী অবৈধ বেহুন্দী ও চায়না দুয়ারি জাল জব্দ। বুধবার (২৮ মে) সকালে উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তা নিলুফার ইয়াসমিন রজনী নেতৃত্বে সদর ইউনিয়নের কাজলাহার গ্রামের মৎস্য দপ্তরের অভিযানে পরিচালনা করে এই ক্ষতিকর অবৈধ বেহুন্দী জাল জব্দ করা হয়। এছাড়াও সন্ধ্যা নদীতে অভিযান পরিচালনা করে ১৮টি চায়না দুয়ারি জাল জব্দ করা হয়।

 

অভিযানে জব্দকৃত জাল উপজেলা নির্বাহী অফিসার মো: বায়েজিদুর রহমান নির্দেশে ও উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তা উপস্থিতিতে জনসম্মুখে আগুনে পুড়িয়ে বিনষ্ট করা হয়।

 

উক্ত অভিযানে উপস্থিত ছিলেন বানারীপাড়া মৎস্য দপ্তরের ফিল্ড এসিস্ট্যান্ট জয়দেব সমদ্দার, মেরিন ফিশারিজ সহকারী হুমায়ুন কবির, কাজল রেখা গননাকারী প্রসেনজিৎ বড়াল, দেশীয় প্রজাতির মাছ এবং শামুক সংরক্ষণ ও উন্নয়ন প্রকল্প মাঠ সহায়ক কর্মী মো: সুমন হাওলাদার ও এনামুল কবির।

 

সাংবাদিকদের বিভিন্ন প্রশ্নের জবাবে উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তা নিলুফার ইয়াসমিন রজনী বলেন আমিও আমার টিম উপজেলার নিষিদ্ধ জালসহ সকল অবৈধ জাল বন্ধ করে দেশীয় প্রজাতির মাছ বিলুপ্তির হাত থেকে রক্ষা ও নিরাপদ অভয় আশ্রমের ব্যবস্থা করবো। তবে এই কাজে আপনাদের সবার সহযোগিতা আমাদের প্রয়োজন। স্থানীয় জনগণ আমাদের সহায়তা করলে আমরা অবৈধ জাল জব্দ করতে পারবো।

 

তিনি আরও বলেন সকল ধরনের মাছের ডিম পোনা সহ মাছের বংশ শেষ করে এই ক্ষতিকর অবৈধ বেহুন্দী জাল। এছাড়াও চায়না দুয়ারি জাল দেশীয় প্রজাতির মাছ ধংস হচ্ছে। ইলিশ সম্পদের টেকসই উৎপাদন বৃদ্ধির লক্ষ্যে দেশে মৎস্য সংরক্ষণ আইনে প্রতি বছর ১ নভেম্বর থেকে ৩০ জুন পর্যন্ত জাটকা আহরণ, বিক্রয়, বিপণন ও মজুদ নিষিদ্ধ করা হয়েছে। সন্ধ্যা নদীতে অভিযান চালিয়ে অবৈধ জাল জব্দ, করাসহ বিভিন্ন ভাবে সচেতনতা মূলক কার্যক্রম চালিয়ে আসছে। স্থানীয় সুশীল সমাজ জানান, মৎস্য দপ্তরে নিয়মিত অভিযানে ভেজাল মাছ বিক্রয় কমছে। আমাদের সকলের সচেতনতায় বাড়বে দেশীয় প্রজাতির মাছ।

জনপ্রিয়

টেকনাফের পাহাড়ে মানবপাচারকারীদের সঙ্গে যৌথ বাহিনীর গোলাগুলি, সেনাসদস্য নিহত

বানারীপাড়ায় মৎস্য দপ্তরের অভিযানে বিপুল পরিমাণে অবৈধ জাল জব্দ

আপডেট : ০৫:২৪ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৮ মে ২০২৫

 

বরিশালের বানারীপাড়ায় দেশীয় প্রজাতির মাছ ধংসকারী অবৈধ বেহুন্দী ও চায়না দুয়ারি জাল জব্দ। বুধবার (২৮ মে) সকালে উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তা নিলুফার ইয়াসমিন রজনী নেতৃত্বে সদর ইউনিয়নের কাজলাহার গ্রামের মৎস্য দপ্তরের অভিযানে পরিচালনা করে এই ক্ষতিকর অবৈধ বেহুন্দী জাল জব্দ করা হয়। এছাড়াও সন্ধ্যা নদীতে অভিযান পরিচালনা করে ১৮টি চায়না দুয়ারি জাল জব্দ করা হয়।

 

অভিযানে জব্দকৃত জাল উপজেলা নির্বাহী অফিসার মো: বায়েজিদুর রহমান নির্দেশে ও উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তা উপস্থিতিতে জনসম্মুখে আগুনে পুড়িয়ে বিনষ্ট করা হয়।

 

উক্ত অভিযানে উপস্থিত ছিলেন বানারীপাড়া মৎস্য দপ্তরের ফিল্ড এসিস্ট্যান্ট জয়দেব সমদ্দার, মেরিন ফিশারিজ সহকারী হুমায়ুন কবির, কাজল রেখা গননাকারী প্রসেনজিৎ বড়াল, দেশীয় প্রজাতির মাছ এবং শামুক সংরক্ষণ ও উন্নয়ন প্রকল্প মাঠ সহায়ক কর্মী মো: সুমন হাওলাদার ও এনামুল কবির।

 

সাংবাদিকদের বিভিন্ন প্রশ্নের জবাবে উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তা নিলুফার ইয়াসমিন রজনী বলেন আমিও আমার টিম উপজেলার নিষিদ্ধ জালসহ সকল অবৈধ জাল বন্ধ করে দেশীয় প্রজাতির মাছ বিলুপ্তির হাত থেকে রক্ষা ও নিরাপদ অভয় আশ্রমের ব্যবস্থা করবো। তবে এই কাজে আপনাদের সবার সহযোগিতা আমাদের প্রয়োজন। স্থানীয় জনগণ আমাদের সহায়তা করলে আমরা অবৈধ জাল জব্দ করতে পারবো।

 

তিনি আরও বলেন সকল ধরনের মাছের ডিম পোনা সহ মাছের বংশ শেষ করে এই ক্ষতিকর অবৈধ বেহুন্দী জাল। এছাড়াও চায়না দুয়ারি জাল দেশীয় প্রজাতির মাছ ধংস হচ্ছে। ইলিশ সম্পদের টেকসই উৎপাদন বৃদ্ধির লক্ষ্যে দেশে মৎস্য সংরক্ষণ আইনে প্রতি বছর ১ নভেম্বর থেকে ৩০ জুন পর্যন্ত জাটকা আহরণ, বিক্রয়, বিপণন ও মজুদ নিষিদ্ধ করা হয়েছে। সন্ধ্যা নদীতে অভিযান চালিয়ে অবৈধ জাল জব্দ, করাসহ বিভিন্ন ভাবে সচেতনতা মূলক কার্যক্রম চালিয়ে আসছে। স্থানীয় সুশীল সমাজ জানান, মৎস্য দপ্তরে নিয়মিত অভিযানে ভেজাল মাছ বিক্রয় কমছে। আমাদের সকলের সচেতনতায় বাড়বে দেশীয় প্রজাতির মাছ।