ঢাকা , শনিবার, ৩১ অক্টোবর ২০২৬, ১৫ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম:
ট্রাইব্যুনালের বিচারকের বাসার সামনে ককটেল বিস্ফোরণ, আটক ৪ মোরেলগঞ্জে জাঁকজমকপূর্ণ আয়োজনে আইডিয়াল জেনারেল হাসপাতালের উদ্বোধন বন্ধ শিল্পকারখানা সচল ও কর্মসংস্থান সৃষ্টিতে সরকারের বহুমুখী পরিকল্পনা মোরেলগঞ্জে বেতকাশি বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষকের বিরুদ্ধে অভিযোগ তদন্তে শিক্ষা অফিস নগরবাসীর হাঁটার মৌলিক অধিকার বনাম অবৈধ দখল বাণিজ্য: ঢাকার ফুটপাতে শৃঙ্খলা ফেরাতে জরুরি পদক্ষেপ টেকনাফের চার পুলিশ স্থাপনা পরিদর্শনে চট্টগ্রাম রেঞ্জের ডিআইজি মানিক পশারীর দাফনে বাধার প্রতিবাদে মুক্তিযোদ্ধা সংসদের নিন্দা বিএনপির প্রার্থী মির্জা ফয়সল আমীন বিজয়ী আইসিসিবিতে ফার্নিচার মেলা, ৩২৩ স্টলে পণ্যের সমাহার তুরাগ নদ থেকে সাবেক বিমানবাহিনী কর্মকর্তা তাহসিফের মরদেহ উদ্ধার: ময়নাতদন্তের অপেক্ষায় নৌ-পুলিশ

“যারা মরতে চায়, তাদের কেউ মারতে পারে না”- পিবিপ্রবি উপাচার্য

 

জুলাই গণঅভ্যুত্থান দিবস ২০২৫ উপলক্ষে আজ মঙ্গলবার (৫ আগস্ট) বেলা ১১টায় পিরোজপুর বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে (পিবিপ্রবি) আলোচনা সভা ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়।

 

প্রশাসনিক ভবন প্রাঙ্গণে অনুষ্ঠিত এই অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন বিজ্ঞান অনুষদের ডিন ড. আকতার হোসেন। প্রধান অতিথি ছিলেন উপাচার্য অধ্যাপক ড. মো. শহীদুল ইসলাম। শুরুতেই ২০২৪ সালের জুলাই অভ্যুত্থানে শহীদদের স্মরণে এক মিনিট নীরবতা পালন করা হয়।

 

 

উপাচার্য অধ্যাপক শহীদুল ইসলাম তাঁর বক্তব্যে শহীদদের গভীর শ্রদ্ধার সঙ্গে স্মরণ করেন এবং বলেন, “এমন কোনো শ্রেণি-পেশার মানুষ নেই, যারা এই আন্দোলনে অংশ নেয়নি। স্কুল-কলেজের শিক্ষার্থীরাও রাস্তায় নেমেছিল। সবাই যেন সেদিন মৃত্যুকে আলিঙ্গন করতে প্রস্তুত ছিল। যারা মরতে চায়, তাদের কেউ মারতে পারে না।” তিনি আরও বলেন, “আন্দোলনে অন্তত ১,৪০০ জন নিহত হন। ৫ আগস্ট বিকেল ৩টার পর মাত্র আধাঘণ্টায় ৫২ জনকে গুলি করে হত্যা করা হয় বলে বিবিসি বাংলার খবরে উঠে এসেছে। এমন নির্মমতা ১৯৭১-এর বর্বরতাকেও ছাপিয়ে গেছে।” উপাচার্য আরও বলেন, “১৯৫২, ১৯৭১, ১৯৯০ এবং ২০২৪-আমরা বারবার লড়েছি অধিকার আদায়ের জন্য। এবার আমাদের লক্ষ্য একটি দুর্নীতিমুক্ত, বৈষম্যহীন, সুন্দর ও স্বনির্ভর বাংলাদেশ গড়া।”

 

অনুষ্ঠানে আরও বক্তব্য রাখেন সিন্ডিকেট সদস্য অধ্যক্ষ আলমগীর হোসেন, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার আবদুল আউয়াল, বিভিন্ন বিভাগের চেয়ারম্যান এবং সাংবাদিক জিয়াউল আহসান। শিক্ষার্থীদের মধ্যে বক্তব্য রাখেন রিফাত হোসেন (পরিসংখ্যান), মীম আক্তার (মনোবিজ্ঞান), মারুফ হোসেন (সিএসই) ও শাদাব হাসিন (গণিত)।

 

 

বক্তারা বলেন, “জুলাই অভ্যুত্থান আমাদের জাতীয় ঐক্য ও ত্যাগের প্রতীক। এটি আমাদের অন্যায়ের বিরুদ্ধে সোচ্চার হতে শিখিয়েছে।” তাঁরা শহীদ পরিবারের পুনর্বাসন এবং আহতদের সহায়তায় সরকারের উদ্যোগ বৃদ্ধির আহ্বান জানান। অনুষ্ঠানের শুরুতে কোরআন তিলাওয়াত ও গীতা পাঠের মাধ্যমে শুভ সূচনা হয়।

জনপ্রিয়

ট্রাইব্যুনালের বিচারকের বাসার সামনে ককটেল বিস্ফোরণ, আটক ৪

“যারা মরতে চায়, তাদের কেউ মারতে পারে না”- পিবিপ্রবি উপাচার্য

আপডেট : ০৫:০৬ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ৫ অগাস্ট ২০২৫

 

জুলাই গণঅভ্যুত্থান দিবস ২০২৫ উপলক্ষে আজ মঙ্গলবার (৫ আগস্ট) বেলা ১১টায় পিরোজপুর বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে (পিবিপ্রবি) আলোচনা সভা ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়।

 

প্রশাসনিক ভবন প্রাঙ্গণে অনুষ্ঠিত এই অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন বিজ্ঞান অনুষদের ডিন ড. আকতার হোসেন। প্রধান অতিথি ছিলেন উপাচার্য অধ্যাপক ড. মো. শহীদুল ইসলাম। শুরুতেই ২০২৪ সালের জুলাই অভ্যুত্থানে শহীদদের স্মরণে এক মিনিট নীরবতা পালন করা হয়।

 

 

উপাচার্য অধ্যাপক শহীদুল ইসলাম তাঁর বক্তব্যে শহীদদের গভীর শ্রদ্ধার সঙ্গে স্মরণ করেন এবং বলেন, “এমন কোনো শ্রেণি-পেশার মানুষ নেই, যারা এই আন্দোলনে অংশ নেয়নি। স্কুল-কলেজের শিক্ষার্থীরাও রাস্তায় নেমেছিল। সবাই যেন সেদিন মৃত্যুকে আলিঙ্গন করতে প্রস্তুত ছিল। যারা মরতে চায়, তাদের কেউ মারতে পারে না।” তিনি আরও বলেন, “আন্দোলনে অন্তত ১,৪০০ জন নিহত হন। ৫ আগস্ট বিকেল ৩টার পর মাত্র আধাঘণ্টায় ৫২ জনকে গুলি করে হত্যা করা হয় বলে বিবিসি বাংলার খবরে উঠে এসেছে। এমন নির্মমতা ১৯৭১-এর বর্বরতাকেও ছাপিয়ে গেছে।” উপাচার্য আরও বলেন, “১৯৫২, ১৯৭১, ১৯৯০ এবং ২০২৪-আমরা বারবার লড়েছি অধিকার আদায়ের জন্য। এবার আমাদের লক্ষ্য একটি দুর্নীতিমুক্ত, বৈষম্যহীন, সুন্দর ও স্বনির্ভর বাংলাদেশ গড়া।”

 

অনুষ্ঠানে আরও বক্তব্য রাখেন সিন্ডিকেট সদস্য অধ্যক্ষ আলমগীর হোসেন, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার আবদুল আউয়াল, বিভিন্ন বিভাগের চেয়ারম্যান এবং সাংবাদিক জিয়াউল আহসান। শিক্ষার্থীদের মধ্যে বক্তব্য রাখেন রিফাত হোসেন (পরিসংখ্যান), মীম আক্তার (মনোবিজ্ঞান), মারুফ হোসেন (সিএসই) ও শাদাব হাসিন (গণিত)।

 

 

বক্তারা বলেন, “জুলাই অভ্যুত্থান আমাদের জাতীয় ঐক্য ও ত্যাগের প্রতীক। এটি আমাদের অন্যায়ের বিরুদ্ধে সোচ্চার হতে শিখিয়েছে।” তাঁরা শহীদ পরিবারের পুনর্বাসন এবং আহতদের সহায়তায় সরকারের উদ্যোগ বৃদ্ধির আহ্বান জানান। অনুষ্ঠানের শুরুতে কোরআন তিলাওয়াত ও গীতা পাঠের মাধ্যমে শুভ সূচনা হয়।