ঢাকা , শুক্রবার, ৩০ অক্টোবর ২০২৬, ১৫ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম:
মোরেলগঞ্জে জাঁকজমকপূর্ণ আয়োজনে আইডিয়াল জেনারেল হাসপাতালের উদ্বোধন বন্ধ শিল্পকারখানা সচল ও কর্মসংস্থান সৃষ্টিতে সরকারের বহুমুখী পরিকল্পনা মোরেলগঞ্জে বেতকাশি বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষকের বিরুদ্ধে অভিযোগ তদন্তে শিক্ষা অফিস নগরবাসীর হাঁটার মৌলিক অধিকার বনাম অবৈধ দখল বাণিজ্য: ঢাকার ফুটপাতে শৃঙ্খলা ফেরাতে জরুরি পদক্ষেপ টেকনাফের চার পুলিশ স্থাপনা পরিদর্শনে চট্টগ্রাম রেঞ্জের ডিআইজি মানিক পশারীর দাফনে বাধার প্রতিবাদে মুক্তিযোদ্ধা সংসদের নিন্দা বিএনপির প্রার্থী মির্জা ফয়সল আমীন বিজয়ী আইসিসিবিতে ফার্নিচার মেলা, ৩২৩ স্টলে পণ্যের সমাহার তুরাগ নদ থেকে সাবেক বিমানবাহিনী কর্মকর্তা তাহসিফের মরদেহ উদ্ধার: ময়নাতদন্তের অপেক্ষায় নৌ-পুলিশ ঠাকুরগাঁও-১ আসনের উপনির্বাচনে ভোটগ্রহণ চলছে ​

বন্ধ শিল্পকারখানা সচল ও কর্মসংস্থান সৃষ্টিতে সরকারের বহুমুখী পরিকল্পনা

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান | ফাইল ছবি 

 

ঢাকাসহ সারা দেশকে পরিচ্ছন্ন, দূষণমুক্ত ও স্বাস্থ্যকর করে গড়ে তুলতে বিশেষ উদ্যোগ নিয়েছে সরকার। রাজধানী ঢাকাকে জাপানের রাজধানী টোকিও শহরের মতো পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন করে তোলার সুনির্দিষ্ট লক্ষ্য রয়েছে বলে জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।

​

বুধবার সন্ধ্যায় জাপানের টোকিওতে হোটেল নিউ ওতানিতে প্রবাসী বাংলাদেশিদের সঙ্গে আয়োজিত এক মতবিনিময় সভায় তিনি এ কথা বলেন। বাংলাদেশ কমিউনিটি আয়োজিত ওই অনুষ্ঠানে প্রবাসীদের বিভিন্ন প্রশ্নের জবাব দেন প্রধানমন্ত্রী।

​

পরিচ্ছন্নতা ও বর্জ্য ব্যবস্থাপনা: প্রধানমন্ত্রী বলেন, টোকিওর রাস্তাঘাটে সাধারণত কোনো ময়লা-আবর্জনা দেখা যায় না। অথচ ঢাকার বিভিন্ন স্থানে যত্রতত্র ময়লা জমে থাকতে দেখা যায়, যা বদলানো জরুরি। বর্জ্য থেকে জীবাণু ছড়িয়ে পড়ার আশঙ্কা থাকে, তাই নগরবাসীর স্বাস্থ্য সুরক্ষায় পরিবেশ পরিচ্ছন্ন রাখা এবং সঠিক উপায়ে বর্জ্য অপসারণ নিশ্চিত করার কোনো বিকল্প নেই।

​

পরিবেশ ও বায়ুদূষণ রোধ: বায়ুদূষণ কমানো, সার্বিক পরিবেশের উন্নয়ন এবং দেশজুড়ে গাছ লাগানোর ওপর বিশেষ জোর দিচ্ছে সরকার। মানুষের স্বাভাবিক চলাচলে ময়লা-আবর্জনার কারণে যেন কোনো ভোগান্তি না হয় এবং দূষিত বাতাসের কারণে কাউকে যেন অসুস্থ হতে না হয়—সে বিষয়ে কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়ার কথা জানান তিনি। ঢাকাকে টোকিওর মতো পরিচ্ছন্ন করা সম্ভব হলে সেটি দেশের জন্য একটি বড় ধরনের সংস্কার হবে বলে মন্তব্য করেন তিনি।

​

সংস্কারের মূল লক্ষ্য প্রান্তিক মানুষ: সরকারের প্রধান অগ্রাধিকার হলো সংস্কারের সুফল সমাজের খেটে খাওয়া ও প্রান্তিক মানুষের কাছে পৌঁছে দেওয়া। শিক্ষা, স্বাস্থ্য ও পরিবেশের উন্নয়নে এমন সব উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে যাতে সাধারণ মানুষ সরাসরি উপকৃত হন। রাজনৈতিক সংস্কারের ক্ষেত্রে বৃহত্তর জনগোষ্ঠীর কল্যাণকেই তিনি সবচেয়ে বেশি গুরুত্ব দেন বলে উল্লেখ করেন।

​

প্রবাসীদের প্রতি আহ্বান: দেশ গঠনে ও সরকারের সংস্কার কার্যক্রমে প্রবাসীদের সহযোগিতা কামনা করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, সরকারের এই উদ্যোগগুলো বাস্তবায়িত হলে প্রবাসীদের পরিবারসহ দেশের সাধারণ মানুষ উপকৃত হবেন। তিনি স্পষ্ট করে বলেন, ‘আমি বলছি না যে বিএনপিকে ভোট দেন। কাজগুলো যদি আপনাদের কাছে সঠিক মনে হয়, তাহলে আমাদের সমর্থন দিন, যাতে সেগুলো বাস্তবায়ন করা যায়।’

​

অনুষ্ঠানের শুরুতে প্রবাসীদের উদ্দেশে শিশুশিক্ষা, স্বাস্থ্যসেবা, ব্যবসা-বাণিজ্য সহজীকরণ, বন্ধ শিল্পকারখানা চালু এবং নতুন কর্মসংস্থান সৃষ্টির নানা পরিকল্পনা তুলে ধরেন প্রধানমন্ত্রী।

 

অনুষ্ঠানে আরও উপস্থিত ছিলেন ডা. জুবাইদা রহমান, অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী, বিভিন্ন মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী, উপদেষ্টা ও উচ্চপদস্থ কর্মকর্তাবৃন্দ। অনুষ্ঠান শেষে জাপান বিএনপির পক্ষ থেকে প্রধানমন্ত্রী ও তার সহধর্মিণীকে একটি আলোকচিত্র উপহার দেওয়া হয়।

জনপ্রিয়

মোরেলগঞ্জে জাঁকজমকপূর্ণ আয়োজনে আইডিয়াল জেনারেল হাসপাতালের উদ্বোধন

বন্ধ শিল্পকারখানা সচল ও কর্মসংস্থান সৃষ্টিতে সরকারের বহুমুখী পরিকল্পনা

আপডেট : এক ঘন্টা আগে
প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান | ফাইল ছবি 

 

ঢাকাসহ সারা দেশকে পরিচ্ছন্ন, দূষণমুক্ত ও স্বাস্থ্যকর করে গড়ে তুলতে বিশেষ উদ্যোগ নিয়েছে সরকার। রাজধানী ঢাকাকে জাপানের রাজধানী টোকিও শহরের মতো পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন করে তোলার সুনির্দিষ্ট লক্ষ্য রয়েছে বলে জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।

​

বুধবার সন্ধ্যায় জাপানের টোকিওতে হোটেল নিউ ওতানিতে প্রবাসী বাংলাদেশিদের সঙ্গে আয়োজিত এক মতবিনিময় সভায় তিনি এ কথা বলেন। বাংলাদেশ কমিউনিটি আয়োজিত ওই অনুষ্ঠানে প্রবাসীদের বিভিন্ন প্রশ্নের জবাব দেন প্রধানমন্ত্রী।

​

পরিচ্ছন্নতা ও বর্জ্য ব্যবস্থাপনা: প্রধানমন্ত্রী বলেন, টোকিওর রাস্তাঘাটে সাধারণত কোনো ময়লা-আবর্জনা দেখা যায় না। অথচ ঢাকার বিভিন্ন স্থানে যত্রতত্র ময়লা জমে থাকতে দেখা যায়, যা বদলানো জরুরি। বর্জ্য থেকে জীবাণু ছড়িয়ে পড়ার আশঙ্কা থাকে, তাই নগরবাসীর স্বাস্থ্য সুরক্ষায় পরিবেশ পরিচ্ছন্ন রাখা এবং সঠিক উপায়ে বর্জ্য অপসারণ নিশ্চিত করার কোনো বিকল্প নেই।

​

পরিবেশ ও বায়ুদূষণ রোধ: বায়ুদূষণ কমানো, সার্বিক পরিবেশের উন্নয়ন এবং দেশজুড়ে গাছ লাগানোর ওপর বিশেষ জোর দিচ্ছে সরকার। মানুষের স্বাভাবিক চলাচলে ময়লা-আবর্জনার কারণে যেন কোনো ভোগান্তি না হয় এবং দূষিত বাতাসের কারণে কাউকে যেন অসুস্থ হতে না হয়—সে বিষয়ে কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়ার কথা জানান তিনি। ঢাকাকে টোকিওর মতো পরিচ্ছন্ন করা সম্ভব হলে সেটি দেশের জন্য একটি বড় ধরনের সংস্কার হবে বলে মন্তব্য করেন তিনি।

​

সংস্কারের মূল লক্ষ্য প্রান্তিক মানুষ: সরকারের প্রধান অগ্রাধিকার হলো সংস্কারের সুফল সমাজের খেটে খাওয়া ও প্রান্তিক মানুষের কাছে পৌঁছে দেওয়া। শিক্ষা, স্বাস্থ্য ও পরিবেশের উন্নয়নে এমন সব উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে যাতে সাধারণ মানুষ সরাসরি উপকৃত হন। রাজনৈতিক সংস্কারের ক্ষেত্রে বৃহত্তর জনগোষ্ঠীর কল্যাণকেই তিনি সবচেয়ে বেশি গুরুত্ব দেন বলে উল্লেখ করেন।

​

প্রবাসীদের প্রতি আহ্বান: দেশ গঠনে ও সরকারের সংস্কার কার্যক্রমে প্রবাসীদের সহযোগিতা কামনা করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, সরকারের এই উদ্যোগগুলো বাস্তবায়িত হলে প্রবাসীদের পরিবারসহ দেশের সাধারণ মানুষ উপকৃত হবেন। তিনি স্পষ্ট করে বলেন, ‘আমি বলছি না যে বিএনপিকে ভোট দেন। কাজগুলো যদি আপনাদের কাছে সঠিক মনে হয়, তাহলে আমাদের সমর্থন দিন, যাতে সেগুলো বাস্তবায়ন করা যায়।’

​

অনুষ্ঠানের শুরুতে প্রবাসীদের উদ্দেশে শিশুশিক্ষা, স্বাস্থ্যসেবা, ব্যবসা-বাণিজ্য সহজীকরণ, বন্ধ শিল্পকারখানা চালু এবং নতুন কর্মসংস্থান সৃষ্টির নানা পরিকল্পনা তুলে ধরেন প্রধানমন্ত্রী।

 

অনুষ্ঠানে আরও উপস্থিত ছিলেন ডা. জুবাইদা রহমান, অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী, বিভিন্ন মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী, উপদেষ্টা ও উচ্চপদস্থ কর্মকর্তাবৃন্দ। অনুষ্ঠান শেষে জাপান বিএনপির পক্ষ থেকে প্রধানমন্ত্রী ও তার সহধর্মিণীকে একটি আলোকচিত্র উপহার দেওয়া হয়।