ঢাকা , শুক্রবার, ০৬ নভেম্বর ২০২৬, ২২ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম:
টেকনাফের পাহাড়ে মানবপাচারকারীদের সঙ্গে যৌথ বাহিনীর গোলাগুলি, সেনাসদস্য নিহত পিরোজপুরে জাতীয়তাবাদী মুক্তিযুদ্ধের প্রজন্মের ৭১ সদস্যের আহ্বায়ক কমিটি অনুমোদন মাদ্রাসাছাত্র আরিফ হত্যা মামলা: কারাগারে ডিবিসি চেয়ারম্যান ইকবাল সোবহান চৌধুরী প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানকে বরণ করতে মোরেলগঞ্জ থেকে বিপুলসংখ্যক নেতাকর্মী নিয়ে বাগেরহাটে কেএম মহিউদ্দিন রিপন এআই যেন দেশের বেকারত্ব আরও প্রকট না করে: রাষ্ট্রপতি সীমান্তের ওপার থেকে দেশে বিশৃঙ্খলা সৃষ্টির চেষ্টা করা হচ্ছে: পথসভায় প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান হামের টিকা সংকটে ইউনূস সরকারের ভূমিকা তদন্তে তিন সদস্যের কমিশন তারেক রহমানের মোংলা সফর: জেটি নির্মাণ প্রকল্পের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন ও সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষর পিরোজপুরে চেরাগ গ্রন্থাগারের আলোচনা সভা ও পুরস্কার বিতরণ শহীদ জিয়ার শিক্ষাদর্শন ও মেধাভিত্তিক বাংলাদেশ গড়ার আহ্বান রেজাবুদ্দৌলা চৌধুরীর

রাজশাহীতে বিএনপি নেতার বিরুদ্ধে হত্যাচেষ্টার অভিযোগ

 

সন্ত্রাসী রাজিবকে গ্রেফতার ও পরিবারের নিরাপত্তার দাবিতে সংবাদ সম্মেলন।

 

রাজশাহীতে এক প্রভাবশালী বিএনপি নেতার বিরুদ্ধে পরিকল্পিতভাবে হত্যাচেষ্টার অভিযোগ তুলেছেন ওষুধ কোম্পানির কর্মকর্তা মোঃ রাকিব আল রেজা রিপন।

 

মঙ্গলবার (২০ মে) বিকেল ৫টায় নগরীর মাস্টার সেফ রেস্টুরেন্টে এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি এ অভিযোগ করেন।

 

লিখিত বক্তব্যে রাকিব আল রেজা জানান, তার ছোট বোনকে দীর্ঘদিন ধরে উত্ত্যক্ত করে আসছিলেন মোঃ রাজিব হোসেন নামের এক ব্যক্তি। এ ঘটনায় তিনি ২০২১ সালের ৯ জানুয়ারি বোয়ালিয়া মডেল থানায় একটি মামলা (নং-২৮) দায়ের করেন, যা বর্তমানে আদালতে বিচারাধীন। মামলার পর থেকেই আসামিরা মামলা তুলে নিতে তাকে বিভিন্নভাবে হুমকি দিয়ে আসছে।

 

রিপনের অভিযোগ, গত ১২ মে ২০২৫ দুপুর ১টা ৪৫ মিনিটে পূর্বপরিকল্পিতভাবে রাজিব হোসেন, তার বড় ভাই রাকিব, পিতা মোঃ শাহিনসহ আরও কয়েকজন মিলে নগরীর বর্ণালী সিনেমা হলের পূর্ব পাশে তার বাসার নিচে অবস্থিত ‘আলমারি মডার্ন ফার্নিচার’ দোকানে হামলা চালায়। তারা ধারালো অস্ত্র দিয়ে তাকে এলোপাথাড়ি কুপিয়ে হত্যার চেষ্টা করে। হামলার সময় তারা বারবার বলছিল, “আজকেই ওকে শেষ করতে হবে, না হলে বিপদ বাড়বে।” এতে স্পষ্ট হয়, এটি একটি পরিকল্পিত হত্যাচেষ্টা।

 

এই হামলায় রাকিব আল রেজার শরীরে ৭০টিরও বেশি সেলাই দিতে হয়। তিনি গুরুতর আহত অবস্থায় দীর্ঘদিন রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন ছিলেন। বর্তমানে বাসায় ফিরে এলেও তিনি ও তার পরিবার রয়েছেন চরম নিরাপত্তাহীনতায়।

 

সংবাদ সম্মেলনে রাকিব অভিযোগ করেন, মামলার প্রধান আসামি মোঃ রাজিব হোসেন বিএনপির রাজশাহী মহানগর ইউনিটের শাহ মখদুম থানা শাখার যুগ্ম আহ্বায়ক। তিনি তার রাজনৈতিক পরিচয়কে ঢাল হিসেবে ব্যবহার করে এলাকায় ত্রাসের রাজত্ব কায়েম করেছেন। জামিনে থাকা অন্যান্য আসামিরাও এলাকায় প্রকাশ্যে ঘুরে বেড়াচ্ছে এবং তার পরিবারকে গুলি করে হত্যার হুমকি দিচ্ছে।

 

তিনি সংবাদ সম্মেলনে তিনটি দাবিও তুলে ধরেন:

 

১. মামলার প্রধান আসামি মোঃ রাজিব হোসেনকে দ্রুত গ্রেফতার করতে হবে।
২. জামিনে থাকা অন্যান্য আসামিদের জামিন বাতিল করে তাদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা নিতে হবে।
৩. তার পরিবারের নিরাপত্তা রাষ্ট্রীয়ভাবে নিশ্চিত করতে হবে।

 

সংবাদ সম্মেলনে রাকিবের পিতা মোঃ গোলাম নবী, ছোট ভাই গোলাম নবীন রোকন এবং ছোট বোনের জামাতা হাবিবুর হোসেন টনি উপস্থিত ছিলেন। তারা সন্ত্রাসী রাজিব হোসেনকে গ্রেফতারে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সহায়তা কামনা করেন।

জনপ্রিয়

টেকনাফের পাহাড়ে মানবপাচারকারীদের সঙ্গে যৌথ বাহিনীর গোলাগুলি, সেনাসদস্য নিহত

রাজশাহীতে বিএনপি নেতার বিরুদ্ধে হত্যাচেষ্টার অভিযোগ

আপডেট : ০৪:৫১ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২০ মে ২০২৫

 

সন্ত্রাসী রাজিবকে গ্রেফতার ও পরিবারের নিরাপত্তার দাবিতে সংবাদ সম্মেলন।

 

রাজশাহীতে এক প্রভাবশালী বিএনপি নেতার বিরুদ্ধে পরিকল্পিতভাবে হত্যাচেষ্টার অভিযোগ তুলেছেন ওষুধ কোম্পানির কর্মকর্তা মোঃ রাকিব আল রেজা রিপন।

 

মঙ্গলবার (২০ মে) বিকেল ৫টায় নগরীর মাস্টার সেফ রেস্টুরেন্টে এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি এ অভিযোগ করেন।

 

লিখিত বক্তব্যে রাকিব আল রেজা জানান, তার ছোট বোনকে দীর্ঘদিন ধরে উত্ত্যক্ত করে আসছিলেন মোঃ রাজিব হোসেন নামের এক ব্যক্তি। এ ঘটনায় তিনি ২০২১ সালের ৯ জানুয়ারি বোয়ালিয়া মডেল থানায় একটি মামলা (নং-২৮) দায়ের করেন, যা বর্তমানে আদালতে বিচারাধীন। মামলার পর থেকেই আসামিরা মামলা তুলে নিতে তাকে বিভিন্নভাবে হুমকি দিয়ে আসছে।

 

রিপনের অভিযোগ, গত ১২ মে ২০২৫ দুপুর ১টা ৪৫ মিনিটে পূর্বপরিকল্পিতভাবে রাজিব হোসেন, তার বড় ভাই রাকিব, পিতা মোঃ শাহিনসহ আরও কয়েকজন মিলে নগরীর বর্ণালী সিনেমা হলের পূর্ব পাশে তার বাসার নিচে অবস্থিত ‘আলমারি মডার্ন ফার্নিচার’ দোকানে হামলা চালায়। তারা ধারালো অস্ত্র দিয়ে তাকে এলোপাথাড়ি কুপিয়ে হত্যার চেষ্টা করে। হামলার সময় তারা বারবার বলছিল, “আজকেই ওকে শেষ করতে হবে, না হলে বিপদ বাড়বে।” এতে স্পষ্ট হয়, এটি একটি পরিকল্পিত হত্যাচেষ্টা।

 

এই হামলায় রাকিব আল রেজার শরীরে ৭০টিরও বেশি সেলাই দিতে হয়। তিনি গুরুতর আহত অবস্থায় দীর্ঘদিন রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন ছিলেন। বর্তমানে বাসায় ফিরে এলেও তিনি ও তার পরিবার রয়েছেন চরম নিরাপত্তাহীনতায়।

 

সংবাদ সম্মেলনে রাকিব অভিযোগ করেন, মামলার প্রধান আসামি মোঃ রাজিব হোসেন বিএনপির রাজশাহী মহানগর ইউনিটের শাহ মখদুম থানা শাখার যুগ্ম আহ্বায়ক। তিনি তার রাজনৈতিক পরিচয়কে ঢাল হিসেবে ব্যবহার করে এলাকায় ত্রাসের রাজত্ব কায়েম করেছেন। জামিনে থাকা অন্যান্য আসামিরাও এলাকায় প্রকাশ্যে ঘুরে বেড়াচ্ছে এবং তার পরিবারকে গুলি করে হত্যার হুমকি দিচ্ছে।

 

তিনি সংবাদ সম্মেলনে তিনটি দাবিও তুলে ধরেন:

 

১. মামলার প্রধান আসামি মোঃ রাজিব হোসেনকে দ্রুত গ্রেফতার করতে হবে।
২. জামিনে থাকা অন্যান্য আসামিদের জামিন বাতিল করে তাদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা নিতে হবে।
৩. তার পরিবারের নিরাপত্তা রাষ্ট্রীয়ভাবে নিশ্চিত করতে হবে।

 

সংবাদ সম্মেলনে রাকিবের পিতা মোঃ গোলাম নবী, ছোট ভাই গোলাম নবীন রোকন এবং ছোট বোনের জামাতা হাবিবুর হোসেন টনি উপস্থিত ছিলেন। তারা সন্ত্রাসী রাজিব হোসেনকে গ্রেফতারে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সহায়তা কামনা করেন।