ঢাকা , সোমবার, ০৩ অগাস্ট ২০২৬, ১৯ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম:
অদক্ষতা ও দালালদের দিয়ে কাজের দায়ে কাশিমপুর ভূমি অফিসের সবাই বরখাস্ত কাঁচামরিচ আমদানির অনুমতি, দাম কমার আশা বাগেরহাটে জেলা জজ আদালতের চার সরকারি কৌঁসুলির একযোগে পদত্যাগ সাজার শেষে মুক্তিপ্রাপ্ত ব্যক্তিদের পুনর্বাসনে বাগেরহাটে সেলাই মেশিন ও ভ্যানগাড়ি বিতরণ টেকনাফে ৫ লাখ ৬০ হাজার ইয়াবাসহ মিয়ানমার নাগরিক আটক ২ ২৭তম বিসিএস (পুলিশ) ক্যাডারের প্রথম পর্যায় প্রশিক্ষণ সমাপনী কুচকাওয়াজ অনুষ্ঠিত পিরোজপুরে মাদকবিরোধী অভিযানে ৪ জন গ্রেপ্তার, প্রত্যেকের এক মাসের কারাদণ্ড লেখাপড়ার পাশাপাশি দক্ষতা অর্জনেও গুরুত্ব দিচ্ছে সরকার: সুলতান সালাউদ্দিন টুকু, এমপি বলেশ্বর নদীতে যৌথ অভিযানে ৩টি অবৈধ বাধা জাল ধ্বংস মোরেলগঞ্জে পুকুরে ডুবে আড়াই বছরের শিশুর মৃত্যু

ধানমন্ডি ৩২ নম্বরের ভাঙা বাড়িতে যে যা পাচ্ছেন নিয়ে যাচ্ছেন

সংগৃহীত ছবি

 

গত ৫ আগস্ট ছাত্র-জনতার আন্দোলনে ভারতে পালিয়ে যাওয়া ক্ষমতাচ্যুত শেখ হাসিনার বক্তব্য প্রচারের ঘোষণাকে কেন্দ্র করে বিক্ষুব্ধ ছাত্র-জনতা ধানমন্ডি ৩২ নম্বরে ব্যাপক বিক্ষোভ করেন। একপর্যায়ে বিক্ষুব্ধ জনতা শেখ মুজিবুর রহমানের বাড়িতে ভাঙচুর ও অগ্নিসংযোগ করে।

 

 

বিক্ষুব্ধ জনতার রোষানলে ধ্বংসস্তূপে পরিণত হয়েছে ধানমন্ডি ৩২ নম্বরের শেখ মুজিবুর রহমানের বাড়ি। সেই ধ্বংসস্তুপ থেকে বই-লোহা-নারকেল যে যা পাচ্ছে সবই নিয়ে যেতে দেখা যায়।

 

বৃহস্পতিবার (৬ ফেব্রুয়ারি) সকালে সরেজমিনে ধানমন্ডি ৩২ নম্বরে গিয়ে এমন চিত্র দেখা যায়। এদিন সকাল থেকে উৎসুক জনতা ও ভাঙারি দোকানের লোকজনদের ভিড় করতে দেখা যায়। তাদের অনেককেই এসময় বই, লোহা, ইট, কেটে ফেলা নারিকেল গাছের নারকেল যে যা পারছেন সেখান থেকে নিয়ে যেতে দেখা যায়।

 

 

ভাঙা বাড়িটি থেকে লোহার বিভিন্ন অবকাঠামো নিয়ে যেতে দেখা যায় ভাঙারি দোকানের লোকজন ও ছিন্নমূলদের। লোহার বিভিন্ন অবকাঠামো নিতে সেখানে রীতিমতো রিকশা ও অটোরিকশার মেলা বসেছে। ‘বঙ্গবন্ধু স্মৃতি জাদুঘর’ হিসেবে পরিচিত বাড়িটির পেছনের ৫ তলা ভবন থেকেও বিভিন্ন অবকাঠামো নিয়ে যেতে দেখা গেছে। সেই ভবন থেকে প্রচুর বই নিয়ে যায় উৎসুক জনতা।

 

 

সেসব বইয়ের মধ্যে রয়েছে- অসমাপ্ত আত্নজীবনী, কারাগারের রোজনামচা, সিক্রেট ডকুমেন্টস অব ইন্টিলিজেন্স ব্রাঞ্চ অন বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের কিছু ভলিউম-৩, জনসমুদ্রে এক মহামানব, জাতির জনক, শেখ রাসেল।

 

এছাড়া লোহার অবকাঠামো ও বইয়ের পাশাপাশি গাছের গুড়ি দিয়ে তৈরি করা ঘর সাজানোর শো-পিসও নিয়ে যেতে দেখা যায়।

 

বই নিয়ে যাওয়া একাধিক ব্যক্তির কাছে জানতে চাইলে নিজের নাম প্রকাশ না করে বলেন, বইগুলো নিয়ে যাচ্ছে পড়তে, জানতে। সে স্বৈরাচার, স্বৈরাচার কেমন ছিলো সেটা জেনে রাখাটাও দরকার। আরেকটা বিষয় হচ্ছে, স্মৃতি রাখার জন্যও নিয়ে যাচ্ছি।

 

প্রসঙ্গত, গত ৫ আগস্ট জুলাই গণঅভ্যুত্থানে স্বৈরতান্ত্রিক আওয়ামী লীগ সরকারের পতন ঘটে। অভ্যুত্থানের ছয় মাস বুধবার রাত ৯টায় নিষিদ্ধ ঘোষিত ছাত্রসংগঠন ছাত্রলীগের ফেসবুক পেজে শেখ হাসিনার বক্তব্য প্রচার করার ঘোষণা দেয়া হয়। এ ঘোষণাকে কেন্দ্র করে গতকাল দিনভরই সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে উত্তেজনা চলে। বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনে অংশ নেওয়া অনেক ছাত্র-জনতা ও অনলাইন অ্যাকটিভিস্ট ফেসবুকে ধানমন্ডি ৩২ অভিমুখে ‘বুলডোজার মিছিল’ এবং ‘মার্চ টু ধানমন্ডি ৩২’ কর্মসূচির ডাক দেন।

জনপ্রিয়

অদক্ষতা ও দালালদের দিয়ে কাজের দায়ে কাশিমপুর ভূমি অফিসের সবাই বরখাস্ত

ধানমন্ডি ৩২ নম্বরের ভাঙা বাড়িতে যে যা পাচ্ছেন নিয়ে যাচ্ছেন

আপডেট : ০৭:১৫ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৬ ফেব্রুয়ারী ২০২৫
সংগৃহীত ছবি

 

গত ৫ আগস্ট ছাত্র-জনতার আন্দোলনে ভারতে পালিয়ে যাওয়া ক্ষমতাচ্যুত শেখ হাসিনার বক্তব্য প্রচারের ঘোষণাকে কেন্দ্র করে বিক্ষুব্ধ ছাত্র-জনতা ধানমন্ডি ৩২ নম্বরে ব্যাপক বিক্ষোভ করেন। একপর্যায়ে বিক্ষুব্ধ জনতা শেখ মুজিবুর রহমানের বাড়িতে ভাঙচুর ও অগ্নিসংযোগ করে।

 

 

বিক্ষুব্ধ জনতার রোষানলে ধ্বংসস্তূপে পরিণত হয়েছে ধানমন্ডি ৩২ নম্বরের শেখ মুজিবুর রহমানের বাড়ি। সেই ধ্বংসস্তুপ থেকে বই-লোহা-নারকেল যে যা পাচ্ছে সবই নিয়ে যেতে দেখা যায়।

 

বৃহস্পতিবার (৬ ফেব্রুয়ারি) সকালে সরেজমিনে ধানমন্ডি ৩২ নম্বরে গিয়ে এমন চিত্র দেখা যায়। এদিন সকাল থেকে উৎসুক জনতা ও ভাঙারি দোকানের লোকজনদের ভিড় করতে দেখা যায়। তাদের অনেককেই এসময় বই, লোহা, ইট, কেটে ফেলা নারিকেল গাছের নারকেল যে যা পারছেন সেখান থেকে নিয়ে যেতে দেখা যায়।

 

 

ভাঙা বাড়িটি থেকে লোহার বিভিন্ন অবকাঠামো নিয়ে যেতে দেখা যায় ভাঙারি দোকানের লোকজন ও ছিন্নমূলদের। লোহার বিভিন্ন অবকাঠামো নিতে সেখানে রীতিমতো রিকশা ও অটোরিকশার মেলা বসেছে। ‘বঙ্গবন্ধু স্মৃতি জাদুঘর’ হিসেবে পরিচিত বাড়িটির পেছনের ৫ তলা ভবন থেকেও বিভিন্ন অবকাঠামো নিয়ে যেতে দেখা গেছে। সেই ভবন থেকে প্রচুর বই নিয়ে যায় উৎসুক জনতা।

 

 

সেসব বইয়ের মধ্যে রয়েছে- অসমাপ্ত আত্নজীবনী, কারাগারের রোজনামচা, সিক্রেট ডকুমেন্টস অব ইন্টিলিজেন্স ব্রাঞ্চ অন বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের কিছু ভলিউম-৩, জনসমুদ্রে এক মহামানব, জাতির জনক, শেখ রাসেল।

 

এছাড়া লোহার অবকাঠামো ও বইয়ের পাশাপাশি গাছের গুড়ি দিয়ে তৈরি করা ঘর সাজানোর শো-পিসও নিয়ে যেতে দেখা যায়।

 

বই নিয়ে যাওয়া একাধিক ব্যক্তির কাছে জানতে চাইলে নিজের নাম প্রকাশ না করে বলেন, বইগুলো নিয়ে যাচ্ছে পড়তে, জানতে। সে স্বৈরাচার, স্বৈরাচার কেমন ছিলো সেটা জেনে রাখাটাও দরকার। আরেকটা বিষয় হচ্ছে, স্মৃতি রাখার জন্যও নিয়ে যাচ্ছি।

 

প্রসঙ্গত, গত ৫ আগস্ট জুলাই গণঅভ্যুত্থানে স্বৈরতান্ত্রিক আওয়ামী লীগ সরকারের পতন ঘটে। অভ্যুত্থানের ছয় মাস বুধবার রাত ৯টায় নিষিদ্ধ ঘোষিত ছাত্রসংগঠন ছাত্রলীগের ফেসবুক পেজে শেখ হাসিনার বক্তব্য প্রচার করার ঘোষণা দেয়া হয়। এ ঘোষণাকে কেন্দ্র করে গতকাল দিনভরই সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে উত্তেজনা চলে। বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনে অংশ নেওয়া অনেক ছাত্র-জনতা ও অনলাইন অ্যাকটিভিস্ট ফেসবুকে ধানমন্ডি ৩২ অভিমুখে ‘বুলডোজার মিছিল’ এবং ‘মার্চ টু ধানমন্ডি ৩২’ কর্মসূচির ডাক দেন।