ঢাকা , রবিবার, ০২ অগাস্ট ২০২৬, ১৮ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম:
টেকনাফে দমদমিয়া চেকপোস্টে বিজিবির অভিযানে চোলাই মদসহ বাস জব্দ, আটক ২ টেকনাফে সাগরে ভেসে এলো রোহিঙ্গার মরদেহ, আরসা সদস্য হওয়ার ধারণা পুলিশের মোরেলগঞ্জে যুবকের ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার প্রধানমন্ত্রীর হস্তক্ষেপে অবশেষে মনপুরা-চরফ্যাশনের তিন শিক্ষা প্রতিষ্ঠান সরকারীকরণ হচ্ছে মোরেলগঞ্জে নির্মাণাধীন সেপটিক ট্যাংকের দেয়াল ধসে শ্রমিক নিহত, আহত ১ ইস্তানবুল হোটেল অ্যান্ড রিসোর্টের চেয়ারম্যান মাসুদ সাঈদী, এমপি- বিদেশ সফর শেষে দেশে ফিরলে বিমানবন্দরে উষ্ণ অভ্যর্থনা প্রধানমন্ত্রীর সাথে মার্কিন বিশেষ দূত সার্জিও গরের সাক্ষাৎ: দ্বিপাক্ষিক বাণিজ্য ও পারস্পরিক সহযোগিতার তাগিদ জলঢাকায় ৮ম শ্রেণির ছাত্রীর মর্মান্তিক মৃত্যু: নেপথ্যে বখাটেদের মারধর ও মা-বাবার নির্যাতন! ​ বাগেরহাট জেলা আইনজীবী সমিতির নির্বাচন: দিপু সভাপতি, জালাল সম্পাদক নির্বাচিত টেকনাফে কোস্ট গার্ডের অভিযানে ৬ হাজার ৫০০ পিস ইয়াবাসহ আটক ২

ধানমন্ডি ৩২ নম্বরের ভাঙা বাড়িতে যে যা পাচ্ছেন নিয়ে যাচ্ছেন

সংগৃহীত ছবি

 

গত ৫ আগস্ট ছাত্র-জনতার আন্দোলনে ভারতে পালিয়ে যাওয়া ক্ষমতাচ্যুত শেখ হাসিনার বক্তব্য প্রচারের ঘোষণাকে কেন্দ্র করে বিক্ষুব্ধ ছাত্র-জনতা ধানমন্ডি ৩২ নম্বরে ব্যাপক বিক্ষোভ করেন। একপর্যায়ে বিক্ষুব্ধ জনতা শেখ মুজিবুর রহমানের বাড়িতে ভাঙচুর ও অগ্নিসংযোগ করে।

 

 

বিক্ষুব্ধ জনতার রোষানলে ধ্বংসস্তূপে পরিণত হয়েছে ধানমন্ডি ৩২ নম্বরের শেখ মুজিবুর রহমানের বাড়ি। সেই ধ্বংসস্তুপ থেকে বই-লোহা-নারকেল যে যা পাচ্ছে সবই নিয়ে যেতে দেখা যায়।

 

বৃহস্পতিবার (৬ ফেব্রুয়ারি) সকালে সরেজমিনে ধানমন্ডি ৩২ নম্বরে গিয়ে এমন চিত্র দেখা যায়। এদিন সকাল থেকে উৎসুক জনতা ও ভাঙারি দোকানের লোকজনদের ভিড় করতে দেখা যায়। তাদের অনেককেই এসময় বই, লোহা, ইট, কেটে ফেলা নারিকেল গাছের নারকেল যে যা পারছেন সেখান থেকে নিয়ে যেতে দেখা যায়।

 

 

ভাঙা বাড়িটি থেকে লোহার বিভিন্ন অবকাঠামো নিয়ে যেতে দেখা যায় ভাঙারি দোকানের লোকজন ও ছিন্নমূলদের। লোহার বিভিন্ন অবকাঠামো নিতে সেখানে রীতিমতো রিকশা ও অটোরিকশার মেলা বসেছে। ‘বঙ্গবন্ধু স্মৃতি জাদুঘর’ হিসেবে পরিচিত বাড়িটির পেছনের ৫ তলা ভবন থেকেও বিভিন্ন অবকাঠামো নিয়ে যেতে দেখা গেছে। সেই ভবন থেকে প্রচুর বই নিয়ে যায় উৎসুক জনতা।

 

 

সেসব বইয়ের মধ্যে রয়েছে- অসমাপ্ত আত্নজীবনী, কারাগারের রোজনামচা, সিক্রেট ডকুমেন্টস অব ইন্টিলিজেন্স ব্রাঞ্চ অন বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের কিছু ভলিউম-৩, জনসমুদ্রে এক মহামানব, জাতির জনক, শেখ রাসেল।

 

এছাড়া লোহার অবকাঠামো ও বইয়ের পাশাপাশি গাছের গুড়ি দিয়ে তৈরি করা ঘর সাজানোর শো-পিসও নিয়ে যেতে দেখা যায়।

 

বই নিয়ে যাওয়া একাধিক ব্যক্তির কাছে জানতে চাইলে নিজের নাম প্রকাশ না করে বলেন, বইগুলো নিয়ে যাচ্ছে পড়তে, জানতে। সে স্বৈরাচার, স্বৈরাচার কেমন ছিলো সেটা জেনে রাখাটাও দরকার। আরেকটা বিষয় হচ্ছে, স্মৃতি রাখার জন্যও নিয়ে যাচ্ছি।

 

প্রসঙ্গত, গত ৫ আগস্ট জুলাই গণঅভ্যুত্থানে স্বৈরতান্ত্রিক আওয়ামী লীগ সরকারের পতন ঘটে। অভ্যুত্থানের ছয় মাস বুধবার রাত ৯টায় নিষিদ্ধ ঘোষিত ছাত্রসংগঠন ছাত্রলীগের ফেসবুক পেজে শেখ হাসিনার বক্তব্য প্রচার করার ঘোষণা দেয়া হয়। এ ঘোষণাকে কেন্দ্র করে গতকাল দিনভরই সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে উত্তেজনা চলে। বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনে অংশ নেওয়া অনেক ছাত্র-জনতা ও অনলাইন অ্যাকটিভিস্ট ফেসবুকে ধানমন্ডি ৩২ অভিমুখে ‘বুলডোজার মিছিল’ এবং ‘মার্চ টু ধানমন্ডি ৩২’ কর্মসূচির ডাক দেন।

জনপ্রিয়

টেকনাফে দমদমিয়া চেকপোস্টে বিজিবির অভিযানে চোলাই মদসহ বাস জব্দ, আটক ২

ধানমন্ডি ৩২ নম্বরের ভাঙা বাড়িতে যে যা পাচ্ছেন নিয়ে যাচ্ছেন

আপডেট : ০৭:১৫ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৬ ফেব্রুয়ারী ২০২৫
সংগৃহীত ছবি

 

গত ৫ আগস্ট ছাত্র-জনতার আন্দোলনে ভারতে পালিয়ে যাওয়া ক্ষমতাচ্যুত শেখ হাসিনার বক্তব্য প্রচারের ঘোষণাকে কেন্দ্র করে বিক্ষুব্ধ ছাত্র-জনতা ধানমন্ডি ৩২ নম্বরে ব্যাপক বিক্ষোভ করেন। একপর্যায়ে বিক্ষুব্ধ জনতা শেখ মুজিবুর রহমানের বাড়িতে ভাঙচুর ও অগ্নিসংযোগ করে।

 

 

বিক্ষুব্ধ জনতার রোষানলে ধ্বংসস্তূপে পরিণত হয়েছে ধানমন্ডি ৩২ নম্বরের শেখ মুজিবুর রহমানের বাড়ি। সেই ধ্বংসস্তুপ থেকে বই-লোহা-নারকেল যে যা পাচ্ছে সবই নিয়ে যেতে দেখা যায়।

 

বৃহস্পতিবার (৬ ফেব্রুয়ারি) সকালে সরেজমিনে ধানমন্ডি ৩২ নম্বরে গিয়ে এমন চিত্র দেখা যায়। এদিন সকাল থেকে উৎসুক জনতা ও ভাঙারি দোকানের লোকজনদের ভিড় করতে দেখা যায়। তাদের অনেককেই এসময় বই, লোহা, ইট, কেটে ফেলা নারিকেল গাছের নারকেল যে যা পারছেন সেখান থেকে নিয়ে যেতে দেখা যায়।

 

 

ভাঙা বাড়িটি থেকে লোহার বিভিন্ন অবকাঠামো নিয়ে যেতে দেখা যায় ভাঙারি দোকানের লোকজন ও ছিন্নমূলদের। লোহার বিভিন্ন অবকাঠামো নিতে সেখানে রীতিমতো রিকশা ও অটোরিকশার মেলা বসেছে। ‘বঙ্গবন্ধু স্মৃতি জাদুঘর’ হিসেবে পরিচিত বাড়িটির পেছনের ৫ তলা ভবন থেকেও বিভিন্ন অবকাঠামো নিয়ে যেতে দেখা গেছে। সেই ভবন থেকে প্রচুর বই নিয়ে যায় উৎসুক জনতা।

 

 

সেসব বইয়ের মধ্যে রয়েছে- অসমাপ্ত আত্নজীবনী, কারাগারের রোজনামচা, সিক্রেট ডকুমেন্টস অব ইন্টিলিজেন্স ব্রাঞ্চ অন বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের কিছু ভলিউম-৩, জনসমুদ্রে এক মহামানব, জাতির জনক, শেখ রাসেল।

 

এছাড়া লোহার অবকাঠামো ও বইয়ের পাশাপাশি গাছের গুড়ি দিয়ে তৈরি করা ঘর সাজানোর শো-পিসও নিয়ে যেতে দেখা যায়।

 

বই নিয়ে যাওয়া একাধিক ব্যক্তির কাছে জানতে চাইলে নিজের নাম প্রকাশ না করে বলেন, বইগুলো নিয়ে যাচ্ছে পড়তে, জানতে। সে স্বৈরাচার, স্বৈরাচার কেমন ছিলো সেটা জেনে রাখাটাও দরকার। আরেকটা বিষয় হচ্ছে, স্মৃতি রাখার জন্যও নিয়ে যাচ্ছি।

 

প্রসঙ্গত, গত ৫ আগস্ট জুলাই গণঅভ্যুত্থানে স্বৈরতান্ত্রিক আওয়ামী লীগ সরকারের পতন ঘটে। অভ্যুত্থানের ছয় মাস বুধবার রাত ৯টায় নিষিদ্ধ ঘোষিত ছাত্রসংগঠন ছাত্রলীগের ফেসবুক পেজে শেখ হাসিনার বক্তব্য প্রচার করার ঘোষণা দেয়া হয়। এ ঘোষণাকে কেন্দ্র করে গতকাল দিনভরই সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে উত্তেজনা চলে। বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনে অংশ নেওয়া অনেক ছাত্র-জনতা ও অনলাইন অ্যাকটিভিস্ট ফেসবুকে ধানমন্ডি ৩২ অভিমুখে ‘বুলডোজার মিছিল’ এবং ‘মার্চ টু ধানমন্ডি ৩২’ কর্মসূচির ডাক দেন।