ঢাকা , সোমবার, ২৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১৩ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম:
টেকনাফের উনচিপ্রাং সীমান্তে ২ লাখ পিস ইয়াবা উদ্ধার পিরোজপুরে বৃক্ষরোপণ ও ডেঙ্গু প্রতিরোধে পরিচ্ছন্নতা অভিযান, অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদের হুঁশিয়ারি পিরোজপুরে শিক্ষার্থীদের মাঝে বৃক্ষের চারা বিতরণ নীলফামারীতে নিয়োগপত্র বঞ্চিত শিক্ষকদের মানববন্ধন চরাঞ্চলে শতাধিক গরু-মহিষ চুরির অভিযোগে ভোলায় খামারিদের মানববন্ধন টেকনাফে অস্ত্র-গোলাবারুদসহ ৩ রোহিঙ্গা আটক বেলার মামলায় কক্সবাজারের সড়ক প্রকল্প আটকে আছে: মীর শাহে আলম মোরেলগঞ্জে গাঁজা বিক্রির অভিযোগে জনতার হাতে আটক যুবক পিরোজপুরে নবাগত পুলিশ সুপারের সঙ্গে সাংবাদিকদের মতবিনিময় ঠাকুরগাঁও-১ আসনের উপনির্বাচনে মনোনয়নপত্র দাখিলের শেষ দিন আজ

জাতিসংঘ অধিবেশনে যোগদান শেষে দেশে ফিরছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান

সংগৃহীত ছবি

​

জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের (UNGA) ৮১তম অধিবেশনে সফল অংশগ্রহণ শেষে দেশের উদ্দেশে রওনা হয়েছেন গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের মাননীয় প্রধানমন্ত্রী ও বিএনপি চেয়ারম্যান তারেক রহমান।

​

মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের নিউ ইয়র্কের জন এফ. কেনেডি (JFK) আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর থেকে শুক্রবার (২৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬) রাত ১১টা ৩৫ মিনিটে প্রধানমন্ত্রীকে বহনকারী এমিরেটস এয়ারলাইন্সের ফ্লাইটটি দুবাইয়ের উদ্দেশে নিউ ইয়র্ক ত্যাগ করে। প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে তাঁর সহধর্মিণী ডা. জুবাইদা রহমান এবং অন্যান্য সফরসঙ্গী রয়েছেন।

​

ফ্লাইটটির সময়সূচি অনুযায়ী, ২৬ সেপ্টেম্বর স্থানীয় সময় রাত ৮টায় বিমানটি দুবাই পৌঁছাবে। সেখানে স্বল্প সময়ের যাত্রাবিরতি শেষে রাত ২টায় ঢাকার উদ্দেশে রওনা হয়ে আগামী ২৭ সেপ্টেম্বর সকাল ৮টা ৪০ মিনিটে ঢাকার হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে পৌঁছানোর কথা রয়েছে।

​

এর আগে জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের অধিবেশনে যোগ দিতে গত ২১ সেপ্টেম্বর নিউ ইয়র্কে যান প্রধানমন্ত্রী। বাংলাদেশ সরকারের প্রধান হিসেবে এটিই ছিল তাঁর প্রথম জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের অধিবেশনে অংশগ্রহণ।

​

সফরের অন্যতম মাইলফলক হিসেবে বৃহস্পতিবার (২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬) জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের ৮১তম অধিবেশনে বাংলায় ভাষণ দেন মাননীয় প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। বিশ্বমঞ্চে দাঁড়িয়ে তিনি বাংলাদেশ ও দেশের জনগণের স্বার্থ এবং শান্তিময় বিশ্বসমাজ গড়ে তোলার প্রত্যয় ব্যক্ত করে এক ঐতিহাসিক বক্তব্য উপস্থাপন করেন। তাঁর এই ভাষণে পিতা স্বাধীনতার ঘোষক শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান এবং মাতা সাবেক প্রধানমন্ত্রী মরহুমা বেগম খালেদা জিয়ার দেশ ও জনগণের স্বার্থ রক্ষায় আজীবন লড়াইয়ের ধারাবহিকতা প্রতিফলিত হয়।

​

অধিবেশনের পাশাপাশি প্রধানমন্ত্রী জলবায়ু পরিবর্তন, সমুদ্রপৃষ্ঠের উচ্চতা বৃদ্ধি, রোহিঙ্গা সংকট এবং মাতৃ ও নবজাতকের স্বাস্থ্যসেবা সংক্রান্ত উচ্চপর্যায়ের একাধিক বৈঠক ও আন্তর্জাতিক ফোরামে অংশ নেন।

​

এছাড়াও জাতিসংঘের অধিবেশনের ফাঁকে বিভিন্ন দেশের সরকার ও রাষ্ট্রপ্রধান এবং বিভিন্ন আন্তর্জাতিক সংস্থার শীর্ষ প্রতিনিধিদের সঙ্গে একাধিক দ্বিপাক্ষিক বৈঠকে মিলিত হন প্রধানমন্ত্রী।

 

এসব বৈঠকে বাংলাদেশের জাতীয় স্বার্থ, বাণিজ্য ও বিনিয়োগ বৃদ্ধি, রোহিঙ্গা সংকটের টেকসই সমাধান, জলবায়ু ন্যায়বিচার, জনস্বাস্থ্য এবং দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক জোরদারসহ নানা বিষয়ে গুরুত্বপূর্ণ আলোচনা হয়।

জনপ্রিয়

টেকনাফের উনচিপ্রাং সীমান্তে ২ লাখ পিস ইয়াবা উদ্ধার

জাতিসংঘ অধিবেশনে যোগদান শেষে দেশে ফিরছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান

আপডেট : ১০:৫০ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ২৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬
সংগৃহীত ছবি

​

জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের (UNGA) ৮১তম অধিবেশনে সফল অংশগ্রহণ শেষে দেশের উদ্দেশে রওনা হয়েছেন গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের মাননীয় প্রধানমন্ত্রী ও বিএনপি চেয়ারম্যান তারেক রহমান।

​

মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের নিউ ইয়র্কের জন এফ. কেনেডি (JFK) আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর থেকে শুক্রবার (২৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬) রাত ১১টা ৩৫ মিনিটে প্রধানমন্ত্রীকে বহনকারী এমিরেটস এয়ারলাইন্সের ফ্লাইটটি দুবাইয়ের উদ্দেশে নিউ ইয়র্ক ত্যাগ করে। প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে তাঁর সহধর্মিণী ডা. জুবাইদা রহমান এবং অন্যান্য সফরসঙ্গী রয়েছেন।

​

ফ্লাইটটির সময়সূচি অনুযায়ী, ২৬ সেপ্টেম্বর স্থানীয় সময় রাত ৮টায় বিমানটি দুবাই পৌঁছাবে। সেখানে স্বল্প সময়ের যাত্রাবিরতি শেষে রাত ২টায় ঢাকার উদ্দেশে রওনা হয়ে আগামী ২৭ সেপ্টেম্বর সকাল ৮টা ৪০ মিনিটে ঢাকার হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে পৌঁছানোর কথা রয়েছে।

​

এর আগে জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের অধিবেশনে যোগ দিতে গত ২১ সেপ্টেম্বর নিউ ইয়র্কে যান প্রধানমন্ত্রী। বাংলাদেশ সরকারের প্রধান হিসেবে এটিই ছিল তাঁর প্রথম জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের অধিবেশনে অংশগ্রহণ।

​

সফরের অন্যতম মাইলফলক হিসেবে বৃহস্পতিবার (২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬) জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের ৮১তম অধিবেশনে বাংলায় ভাষণ দেন মাননীয় প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। বিশ্বমঞ্চে দাঁড়িয়ে তিনি বাংলাদেশ ও দেশের জনগণের স্বার্থ এবং শান্তিময় বিশ্বসমাজ গড়ে তোলার প্রত্যয় ব্যক্ত করে এক ঐতিহাসিক বক্তব্য উপস্থাপন করেন। তাঁর এই ভাষণে পিতা স্বাধীনতার ঘোষক শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান এবং মাতা সাবেক প্রধানমন্ত্রী মরহুমা বেগম খালেদা জিয়ার দেশ ও জনগণের স্বার্থ রক্ষায় আজীবন লড়াইয়ের ধারাবহিকতা প্রতিফলিত হয়।

​

অধিবেশনের পাশাপাশি প্রধানমন্ত্রী জলবায়ু পরিবর্তন, সমুদ্রপৃষ্ঠের উচ্চতা বৃদ্ধি, রোহিঙ্গা সংকট এবং মাতৃ ও নবজাতকের স্বাস্থ্যসেবা সংক্রান্ত উচ্চপর্যায়ের একাধিক বৈঠক ও আন্তর্জাতিক ফোরামে অংশ নেন।

​

এছাড়াও জাতিসংঘের অধিবেশনের ফাঁকে বিভিন্ন দেশের সরকার ও রাষ্ট্রপ্রধান এবং বিভিন্ন আন্তর্জাতিক সংস্থার শীর্ষ প্রতিনিধিদের সঙ্গে একাধিক দ্বিপাক্ষিক বৈঠকে মিলিত হন প্রধানমন্ত্রী।

 

এসব বৈঠকে বাংলাদেশের জাতীয় স্বার্থ, বাণিজ্য ও বিনিয়োগ বৃদ্ধি, রোহিঙ্গা সংকটের টেকসই সমাধান, জলবায়ু ন্যায়বিচার, জনস্বাস্থ্য এবং দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক জোরদারসহ নানা বিষয়ে গুরুত্বপূর্ণ আলোচনা হয়।