ঢাকা , শুক্রবার, ০৬ নভেম্বর ২০২৬, ২২ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম:
টেকনাফ পৌরসভাকে স্মার্ট পৌরসভা হিসেবে গড়ে তুলতে চাই: সংসদ সদস্য শাহজাহান চৌধুরী সংসারের বোঝা বইতে বৃদ্ধ বারেকের ভরসা জাতীয় ফুল শাপলা নারীর অর্থনৈতিক স্বাধীনতায় শিক্ষা ও কর্মসংস্থান নিশ্চিতের তাগিদ টেকনাফের পাহাড়ে মানবপাচারকারীদের সঙ্গে যৌথ বাহিনীর গোলাগুলি, সেনাসদস্য নিহত পিরোজপুরে জাতীয়তাবাদী মুক্তিযুদ্ধের প্রজন্মের ৭১ সদস্যের আহ্বায়ক কমিটি অনুমোদন মাদ্রাসাছাত্র আরিফ হত্যা মামলা: কারাগারে ডিবিসি চেয়ারম্যান ইকবাল সোবহান চৌধুরী প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানকে বরণ করতে মোরেলগঞ্জ থেকে বিপুলসংখ্যক নেতাকর্মী নিয়ে বাগেরহাটে কেএম মহিউদ্দিন রিপন এআই যেন দেশের বেকারত্ব আরও প্রকট না করে: রাষ্ট্রপতি সীমান্তের ওপার থেকে দেশে বিশৃঙ্খলা সৃষ্টির চেষ্টা করা হচ্ছে: পথসভায় প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান হামের টিকা সংকটে ইউনূস সরকারের ভূমিকা তদন্তে তিন সদস্যের কমিশন

নিষেধাজ্ঞা অমান্য করে ইলিশ শিকার : কাউখালীতে ৫ জেলের কারাদণ্ড, মঠবাড়িয়ায় মোবাইল কোর্টে জাল জব্দ ও জরিমানা

 

সরকার ঘোষিত ইলিশ প্রজনন মৌসুমে ইলিশ ধরা, বিক্রি ও পরিবহন নিষিদ্ধ থাকা সত্ত্বেও পিরোজপুর জেলায় দুটি উপজেলায় অভিযান চালিয়ে একাধিক জেলে আটক ও দণ্ড দেওয়া হয়েছে।

 

শনিবার (২৫ অক্টোবর) দুপুরে পিরোজপুরের সন্ধ্যা ও কচা নদীর বেকুটিয়া এলাকায় অভিযান চালিয়ে ৫ জেলেকে আটক করে উপজেলা মৎস্য বিভাগ।

 

পরে তাদেরকে ভ্রাম্যমাণ আদালতে হাজির করা হলে কাউখালী উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট স্বজল মোল্লা বিভিন্ন মেয়াদে বিনাশ্রম কারাদণ্ড প্রদান করেন।

 

 

দণ্ডপ্রাপ্তরা হলেন, বেকুটিয়া গ্রামের আব্দুল লতিফ হাওলাদারের পুত্র হাসান হাওলাদার (২৫), একই গ্রামের আলী হোসেনের পুত্র মাইনুল (৩২), পিরোজপুর সদর উপজেলার ছোরাপ খানের পুত্র রাজু খান (২৫), একই এলাকার খলিল মুন্সির পুত্র জাফর (৫০) এবং রানীপুর এলাকার মুসলেম আলী শেখের পুত্র আঃ রশিদ শেখ (৫৪)। এর মধ্যে হাসান, মাইনুল, রাজু ও জাফরকে তিন দিন করে এবং রশিদ শেখকে সাত দিনের কারাদণ্ড দেওয়া হয়।

 

 

 

 

উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তা হাফিজুর রহমান বলেন, সরকারি নিষেধাজ্ঞা অমান্য করে নদীতে ইলিশ শিকারের অভিযোগে ৫ জন জেলেকে আটক করা হয়। পরে আদালত তাদের বিভিন্ন মেয়াদে কারাদণ্ড দেন।

 

এদিকে একই দিন সকালে মঠবাড়িয়া উপজেলায় “জাতীয় মা ইলিশ সংরক্ষণ অভিযান-২০২৫” এর অংশ হিসেবে মোবাইল কোর্ট পরিচালিত হয়। অভিযানে প্রায় ২০ হাজার মিটার অবৈধ জাল জব্দ করে তা আগুনে পুড়িয়ে ধ্বংস করা হয়। অভিযানে কিছু জেলে পালিয়ে গেলেও চারজনকে আটক করে ভ্রাম্যমাণ আদালতের মাধ্যমে মোট ২০ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়। এছাড়া জব্দকৃত প্রায় ৩ কেজি ইলিশ মাছ স্থানীয় হাফেজিয়া মাদ্রাসা ও এতিমখানায় বিতরণ করা হয়।

 

অভিযানে নেতৃত্ব দেন সিনিয়র উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তা (মঠবাড়িয়া), তার সহকারী টিম ও আইন-শৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যরা। সরকারের চলমান ইলিশ সংরক্ষণ অভিযান (১২ অক্টোবর থেকে ২ নভেম্বর) চলাকালে জেলা প্রশাসন ও মৎস্য বিভাগ কঠোর নজরদারি অব্যাহত রেখেছে।

জনপ্রিয়

টেকনাফ পৌরসভাকে স্মার্ট পৌরসভা হিসেবে গড়ে তুলতে চাই: সংসদ সদস্য শাহজাহান চৌধুরী

নিষেধাজ্ঞা অমান্য করে ইলিশ শিকার : কাউখালীতে ৫ জেলের কারাদণ্ড, মঠবাড়িয়ায় মোবাইল কোর্টে জাল জব্দ ও জরিমানা

আপডেট : ০৫:৩৮ অপরাহ্ন, শনিবার, ২৫ অক্টোবর ২০২৫

 

সরকার ঘোষিত ইলিশ প্রজনন মৌসুমে ইলিশ ধরা, বিক্রি ও পরিবহন নিষিদ্ধ থাকা সত্ত্বেও পিরোজপুর জেলায় দুটি উপজেলায় অভিযান চালিয়ে একাধিক জেলে আটক ও দণ্ড দেওয়া হয়েছে।

 

শনিবার (২৫ অক্টোবর) দুপুরে পিরোজপুরের সন্ধ্যা ও কচা নদীর বেকুটিয়া এলাকায় অভিযান চালিয়ে ৫ জেলেকে আটক করে উপজেলা মৎস্য বিভাগ।

 

পরে তাদেরকে ভ্রাম্যমাণ আদালতে হাজির করা হলে কাউখালী উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট স্বজল মোল্লা বিভিন্ন মেয়াদে বিনাশ্রম কারাদণ্ড প্রদান করেন।

 

 

দণ্ডপ্রাপ্তরা হলেন, বেকুটিয়া গ্রামের আব্দুল লতিফ হাওলাদারের পুত্র হাসান হাওলাদার (২৫), একই গ্রামের আলী হোসেনের পুত্র মাইনুল (৩২), পিরোজপুর সদর উপজেলার ছোরাপ খানের পুত্র রাজু খান (২৫), একই এলাকার খলিল মুন্সির পুত্র জাফর (৫০) এবং রানীপুর এলাকার মুসলেম আলী শেখের পুত্র আঃ রশিদ শেখ (৫৪)। এর মধ্যে হাসান, মাইনুল, রাজু ও জাফরকে তিন দিন করে এবং রশিদ শেখকে সাত দিনের কারাদণ্ড দেওয়া হয়।

 

 

 

 

উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তা হাফিজুর রহমান বলেন, সরকারি নিষেধাজ্ঞা অমান্য করে নদীতে ইলিশ শিকারের অভিযোগে ৫ জন জেলেকে আটক করা হয়। পরে আদালত তাদের বিভিন্ন মেয়াদে কারাদণ্ড দেন।

 

এদিকে একই দিন সকালে মঠবাড়িয়া উপজেলায় “জাতীয় মা ইলিশ সংরক্ষণ অভিযান-২০২৫” এর অংশ হিসেবে মোবাইল কোর্ট পরিচালিত হয়। অভিযানে প্রায় ২০ হাজার মিটার অবৈধ জাল জব্দ করে তা আগুনে পুড়িয়ে ধ্বংস করা হয়। অভিযানে কিছু জেলে পালিয়ে গেলেও চারজনকে আটক করে ভ্রাম্যমাণ আদালতের মাধ্যমে মোট ২০ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়। এছাড়া জব্দকৃত প্রায় ৩ কেজি ইলিশ মাছ স্থানীয় হাফেজিয়া মাদ্রাসা ও এতিমখানায় বিতরণ করা হয়।

 

অভিযানে নেতৃত্ব দেন সিনিয়র উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তা (মঠবাড়িয়া), তার সহকারী টিম ও আইন-শৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যরা। সরকারের চলমান ইলিশ সংরক্ষণ অভিযান (১২ অক্টোবর থেকে ২ নভেম্বর) চলাকালে জেলা প্রশাসন ও মৎস্য বিভাগ কঠোর নজরদারি অব্যাহত রেখেছে।