সরকার ঘোষিত ইলিশ প্রজনন মৌসুমে ইলিশ ধরা, বিক্রি ও পরিবহন নিষিদ্ধ থাকা সত্ত্বেও পিরোজপুর জেলায় দুটি উপজেলায় অভিযান চালিয়ে একাধিক জেলে আটক ও দণ্ড দেওয়া হয়েছে।
শনিবার (২৫ অক্টোবর) দুপুরে পিরোজপুরের সন্ধ্যা ও কচা নদীর বেকুটিয়া এলাকায় অভিযান চালিয়ে ৫ জেলেকে আটক করে উপজেলা মৎস্য বিভাগ।
পরে তাদেরকে ভ্রাম্যমাণ আদালতে হাজির করা হলে কাউখালী উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট স্বজল মোল্লা বিভিন্ন মেয়াদে বিনাশ্রম কারাদণ্ড প্রদান করেন।

দণ্ডপ্রাপ্তরা হলেন, বেকুটিয়া গ্রামের আব্দুল লতিফ হাওলাদারের পুত্র হাসান হাওলাদার (২৫), একই গ্রামের আলী হোসেনের পুত্র মাইনুল (৩২), পিরোজপুর সদর উপজেলার ছোরাপ খানের পুত্র রাজু খান (২৫), একই এলাকার খলিল মুন্সির পুত্র জাফর (৫০) এবং রানীপুর এলাকার মুসলেম আলী শেখের পুত্র আঃ রশিদ শেখ (৫৪)। এর মধ্যে হাসান, মাইনুল, রাজু ও জাফরকে তিন দিন করে এবং রশিদ শেখকে সাত দিনের কারাদণ্ড দেওয়া হয়।

উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তা হাফিজুর রহমান বলেন, সরকারি নিষেধাজ্ঞা অমান্য করে নদীতে ইলিশ শিকারের অভিযোগে ৫ জন জেলেকে আটক করা হয়। পরে আদালত তাদের বিভিন্ন মেয়াদে কারাদণ্ড দেন।
এদিকে একই দিন সকালে মঠবাড়িয়া উপজেলায় “জাতীয় মা ইলিশ সংরক্ষণ অভিযান-২০২৫” এর অংশ হিসেবে মোবাইল কোর্ট পরিচালিত হয়। অভিযানে প্রায় ২০ হাজার মিটার অবৈধ জাল জব্দ করে তা আগুনে পুড়িয়ে ধ্বংস করা হয়। অভিযানে কিছু জেলে পালিয়ে গেলেও চারজনকে আটক করে ভ্রাম্যমাণ আদালতের মাধ্যমে মোট ২০ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়। এছাড়া জব্দকৃত প্রায় ৩ কেজি ইলিশ মাছ স্থানীয় হাফেজিয়া মাদ্রাসা ও এতিমখানায় বিতরণ করা হয়।
অভিযানে নেতৃত্ব দেন সিনিয়র উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তা (মঠবাড়িয়া), তার সহকারী টিম ও আইন-শৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যরা। সরকারের চলমান ইলিশ সংরক্ষণ অভিযান (১২ অক্টোবর থেকে ২ নভেম্বর) চলাকালে জেলা প্রশাসন ও মৎস্য বিভাগ কঠোর নজরদারি অব্যাহত রেখেছে।

দক্ষিণাঞ্চল প্রতিবেদকঃ 



















