ঢাকা , শুক্রবার, ০৬ নভেম্বর ২০২৬, ২২ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম:
টেকনাফের পাহাড়ে মানবপাচারকারীদের সঙ্গে যৌথ বাহিনীর গোলাগুলি, সেনাসদস্য নিহত পিরোজপুরে জাতীয়তাবাদী মুক্তিযুদ্ধের প্রজন্মের ৭১ সদস্যের আহ্বায়ক কমিটি অনুমোদন মাদ্রাসাছাত্র আরিফ হত্যা মামলা: কারাগারে ডিবিসি চেয়ারম্যান ইকবাল সোবহান চৌধুরী প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানকে বরণ করতে মোরেলগঞ্জ থেকে বিপুলসংখ্যক নেতাকর্মী নিয়ে বাগেরহাটে কেএম মহিউদ্দিন রিপন এআই যেন দেশের বেকারত্ব আরও প্রকট না করে: রাষ্ট্রপতি সীমান্তের ওপার থেকে দেশে বিশৃঙ্খলা সৃষ্টির চেষ্টা করা হচ্ছে: পথসভায় প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান হামের টিকা সংকটে ইউনূস সরকারের ভূমিকা তদন্তে তিন সদস্যের কমিশন তারেক রহমানের মোংলা সফর: জেটি নির্মাণ প্রকল্পের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন ও সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষর পিরোজপুরে চেরাগ গ্রন্থাগারের আলোচনা সভা ও পুরস্কার বিতরণ শহীদ জিয়ার শিক্ষাদর্শন ও মেধাভিত্তিক বাংলাদেশ গড়ার আহ্বান রেজাবুদ্দৌলা চৌধুরীর

ধানমন্ডি ৩২ নম্বরে এসে ভিডিও কল, আওয়ামী লীগ সন্দেহে গণপিটুনি

সংগৃহীত ছবি

 

১৫ আগস্ট উপলক্ষে রাজধানীর ধানমন্ডির ৩২ নম্বরে অবস্থান নিয়েছে ছাত্র-জনতা। অবস্থানকালে সেখানে উপস্থিত তিন ব্যক্তিকে আওয়ামী লীগ কর্মী সন্দেহে গণপিটুনি দিয়ে পুলিশের হাতে তুলে দেওয়া হয়েছে।

 

বৃহস্পতিবার (১৪ আগস্ট) রাত সাড়ে ৮টার দিকে এ ঘটনায় ঘটে।

 

জানা গেছে, ওই ব্যক্তি ধানমন্ডি ৩২ নম্বরে এসে ভিডিও কলে কেউ একজনকে পরিস্থিতি দেখাচ্ছিলেন। এসময় ভিডিও কলের বিপরীত পাশে থাকা ব্যক্তির ফোনের ক্যামেরায় শেখ হাসিনা ও শেখ মুজিবের ছবি দেখা গেলে উপস্থিত ছাত্র-জনতা সেটা দেখে ক্ষিপ্ত হয়ে তাকে পিটুনি দেন। পরে বিক্ষুব্ধ জনতার হাত থেকে উপস্থিত পুলিশ সদস্যরা তাকে ভ্যানে নিয়ে সেই স্থান ত্যাগ করে।

 

তবে উপস্থিত জনতার দাবি, ওই ব্যক্তির ফোনেও শেখ হাসিনা ও শেখ মুজিবের ছবি দেখেছেন তারা।

 

এ বিষয়ে উপস্থিত বিক্ষুব্ধ একজন বলেন, গতকাল শেখ হাসিনার ছেলে জয় আওয়ামী লীগ নেতাকর্মীদের ৩২ নম্বরে অবস্থান নিতে বলেছেন। তাই আওয়ামী লীগের কর্মীরা যাতে কোনো ধরনের অঘটন ঘটাতে না পারে সে জন্য আমরা এখানে অবস্থান নিয়েছি।

 

তিনি বলেন, ওই ব্যক্তি আওয়ামী লীগের দোসর। তার ফোনে শেখ হাসিনা ও শেখ মুজিবের ছবি রয়েছে। তাকে আমরা ধরে পুলিশের হাতে তুলে দিয়েছি।

 

এর কিছুক্ষণ পরই ৯টা নাগাদ আরেকজনকে গণপিটুনি দিতে দেখা যায়। এসময় পুলিশ গিয়ে তাকে উদ্ধার করে। তবে কী কারণে তাকে আওয়ামী লীগ কর্মী বলা হচ্ছে সে বিষয়ে কেউ ঠিকমতো জানাতে পারেননি।

 

এসময় উপস্থিত জনতা বিভিন্ন স্লোগান দিতে থাকেন। তারা বলেন, আওয়ামী লীগের দালালরা হুঁশিয়ার সাবধান, জিয়ার সৈনিক, এক হও লড়াই করো।

 

রমনা বিভাগের উপ-পুলিশ কমিশনার (ডিসি) মাসুদ আলম বিষয়টি নিশ্চিত করে বলেন, এখানে তিনজনকে আটক করা হয়েছে। আমরা তাদের ফোন চেক করবো। জিজ্ঞাসাবাদও করবো। যদি তারা নির্দোষ হয়, নিরীহ হয় তাহলে ছেড়ে দেবো। দোষী হলে ব্যবস্থা নেবো।

জনপ্রিয়

টেকনাফের পাহাড়ে মানবপাচারকারীদের সঙ্গে যৌথ বাহিনীর গোলাগুলি, সেনাসদস্য নিহত

ধানমন্ডি ৩২ নম্বরে এসে ভিডিও কল, আওয়ামী লীগ সন্দেহে গণপিটুনি

আপডেট : ০৬:৩৬ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৪ অগাস্ট ২০২৫
সংগৃহীত ছবি

 

১৫ আগস্ট উপলক্ষে রাজধানীর ধানমন্ডির ৩২ নম্বরে অবস্থান নিয়েছে ছাত্র-জনতা। অবস্থানকালে সেখানে উপস্থিত তিন ব্যক্তিকে আওয়ামী লীগ কর্মী সন্দেহে গণপিটুনি দিয়ে পুলিশের হাতে তুলে দেওয়া হয়েছে।

 

বৃহস্পতিবার (১৪ আগস্ট) রাত সাড়ে ৮টার দিকে এ ঘটনায় ঘটে।

 

জানা গেছে, ওই ব্যক্তি ধানমন্ডি ৩২ নম্বরে এসে ভিডিও কলে কেউ একজনকে পরিস্থিতি দেখাচ্ছিলেন। এসময় ভিডিও কলের বিপরীত পাশে থাকা ব্যক্তির ফোনের ক্যামেরায় শেখ হাসিনা ও শেখ মুজিবের ছবি দেখা গেলে উপস্থিত ছাত্র-জনতা সেটা দেখে ক্ষিপ্ত হয়ে তাকে পিটুনি দেন। পরে বিক্ষুব্ধ জনতার হাত থেকে উপস্থিত পুলিশ সদস্যরা তাকে ভ্যানে নিয়ে সেই স্থান ত্যাগ করে।

 

তবে উপস্থিত জনতার দাবি, ওই ব্যক্তির ফোনেও শেখ হাসিনা ও শেখ মুজিবের ছবি দেখেছেন তারা।

 

এ বিষয়ে উপস্থিত বিক্ষুব্ধ একজন বলেন, গতকাল শেখ হাসিনার ছেলে জয় আওয়ামী লীগ নেতাকর্মীদের ৩২ নম্বরে অবস্থান নিতে বলেছেন। তাই আওয়ামী লীগের কর্মীরা যাতে কোনো ধরনের অঘটন ঘটাতে না পারে সে জন্য আমরা এখানে অবস্থান নিয়েছি।

 

তিনি বলেন, ওই ব্যক্তি আওয়ামী লীগের দোসর। তার ফোনে শেখ হাসিনা ও শেখ মুজিবের ছবি রয়েছে। তাকে আমরা ধরে পুলিশের হাতে তুলে দিয়েছি।

 

এর কিছুক্ষণ পরই ৯টা নাগাদ আরেকজনকে গণপিটুনি দিতে দেখা যায়। এসময় পুলিশ গিয়ে তাকে উদ্ধার করে। তবে কী কারণে তাকে আওয়ামী লীগ কর্মী বলা হচ্ছে সে বিষয়ে কেউ ঠিকমতো জানাতে পারেননি।

 

এসময় উপস্থিত জনতা বিভিন্ন স্লোগান দিতে থাকেন। তারা বলেন, আওয়ামী লীগের দালালরা হুঁশিয়ার সাবধান, জিয়ার সৈনিক, এক হও লড়াই করো।

 

রমনা বিভাগের উপ-পুলিশ কমিশনার (ডিসি) মাসুদ আলম বিষয়টি নিশ্চিত করে বলেন, এখানে তিনজনকে আটক করা হয়েছে। আমরা তাদের ফোন চেক করবো। জিজ্ঞাসাবাদও করবো। যদি তারা নির্দোষ হয়, নিরীহ হয় তাহলে ছেড়ে দেবো। দোষী হলে ব্যবস্থা নেবো।