সংগৃহীত ছবি
বাংলাদেশ ও জাপানের মধ্যে বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক আরও সুদৃঢ় করা, বাণিজ্য ও বিনিয়োগের নতুন দিগন্ত উন্মোচন এবং পারস্পরিক সহযোগিতা বৃদ্ধির বহুমাত্রিক লক্ষ্য নিয়ে জাপানের প্রধানমন্ত্রী সানায়ে তাকাইচির সঙ্গে দ্বিপক্ষীয় শীর্ষ বৈঠকে বসেছেন বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।
মঙ্গলবার (২৭ অক্টোবর) স্থানীয় সময় বেলা ১১টা ৪০ মিনিটে টোকিওতে অবস্থিত জাপানের প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয় ‘কান্তেই’-এ বহুল প্রত্যাশিত এই বৈঠক শুরু হয়। এর আগে বেলা ১১টা ৩২ মিনিটে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে এসে পৌঁছালে তাঁকে উষ্ণ অভ্যর্থনা জানান জাপানের প্রধানমন্ত্রী সানায়ে তাকাইচি।
এই দ্বিপক্ষীয় শীর্ষ বৈঠকে উভয় দেশের স্বার্থসংশ্লিষ্ট নানা গুরুত্বপূর্ণ বিষয়ে ফলপ্রসূ আলোচনার কথা রয়েছে। বিশেষ করে দ্বিপক্ষীয় কূটনৈতিক সম্পর্ককে নতুন উচ্চতায় রূপান্তর, দ্বিপক্ষীয় বাণিজ্য সম্প্রসারণ, বাংলাদেশে জাপানি বিনিয়োগ বৃদ্ধি, বিভিন্ন অবকাঠামোগত ও গুরুত্বপূর্ণ বিকাশমান খাতে জাপানের সহযোগিতা বৃদ্ধি এবং আঞ্চলিক ও আন্তর্জাতিক নানা সমসাময়িক ইস্যু এই বৈঠকের মূল আলোচ্য বিষয় হিসেবে উঠে আসছে।
গুরুত্বপূর্ণ এই শীর্ষ বৈঠকে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সাথে বাংলাদেশের একটি উচ্চপর্যায়ের প্রতিনিধিদল অংশগ্রহণ করছেন। এই দলে উপস্থিত রয়েছেন অর্থ ও পরিকল্পনা মন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী, অর্থ ও পরিকল্পনা উপদেষ্টা রাশেদ আল মাহমুদ তিতুমীর, পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী হুমায়ুন কবির, বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ প্রতিমন্ত্রী অনিন্দ্য ইসলাম অমিত এবং ডাক, টেলিযোগাযোগ, তথ্য ও যোগাযোগপ্রযুক্তি বিষয়ক প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা রেহান আসিফ আসাদ।
এছাড়া প্রতিনিধিদলে আরও যুক্ত রয়েছেন বাংলাদেশ বিনিয়োগ উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের (বিডা) চেয়ারম্যান চৌধুরী আশিক মাহমুদ বিন হারুন (আশিক চৌধুরী), বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর মো. মোস্তাকুর রহমান, এশিয়া প্যাসিফিক অঞ্চলের বৈদেশিক কর্মসংস্থান বিষয়ক বিশেষ সহকারী শাকিরুল ইসলাম খান, পররাষ্ট্র সচিব আসাদ আলম সিয়াম, সচিব সালাহউদ্দিন নোমান চৌধুরী এবং পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের অর্থনৈতিক বিভাগের সচিব শাহরিয়ার কাদের ছিদ্দিকী।
উল্লেখ্য, জাপানের প্রধানমন্ত্রী সানায়ে তাকাইচির আনুষ্ঠানিক আমন্ত্রণে সাড়া দিয়ে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান সোমবার সকালে টোকিও এসে পৌঁছান। দুই দেশের শীর্ষ নেতৃত্বের এই বৈঠকের মাধ্যমে বাংলাদেশ ও জাপানের বিদ্যমান কূটনৈতিক ও অর্থনৈতিক দ্বিপক্ষীয় অংশীদারিত্ব আগামী দিনে আরও বেগবান হবে বলে আশা করা হচ্ছে।

ডেস্ক রিপোর্টঃ 



















