ঢাকা , বৃহস্পতিবার, ১৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম:
ভোলায় ইলিশের চড়া দামে ভরা মৌসুমেও স্বাদ থেকে বঞ্চিত স্বল্প আয়ের ক্রেতারা গুলশানে আওয়ামী লীগের মিছিল: প্রত্যাহার করা হলো ডিসি ও ওসিকে একনেকে ১ লাখ ৬৮ হাজার ৭৮০ কোটি টাকার ১২ প্রকল্প অনুমোদন সৌদি আরবে ড্রোন হামলা: মক্কার নিরাপত্তায় সৌদি আরবের পাশে থাকার বার্তা বাংলাদেশের টেকনাফে কোস্ট গার্ডের অভিযানে ১০ হাজার ইয়াবাসহ আটক ৩ ঝলকাঠি জাতীয়তাবাদী ফোরামের ঢাকা কমিটি গঠিত মুন্সিগঞ্জে কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগের সাবেক সংসদ সদস্য মৃণাল কান্তি দাসের নেতৃত্বে মিছিল, গ্রেপ্তার ৩১ ভাণ্ডারিয়ায় মাদক প্রতিরোধে জেলা কমিটির সঙ্গে মতবিনিময় হাটহাজারীতে ফিল্ড ফায়ারিং অনুশীলনে শহিদ সেনাসদস্যদের পরিবারের সঙ্গে প্রধানমন্ত্রীর সাক্ষাৎ ফ্যাসিবাদের বিরুদ্ধে সবাইকে ঐক্যবদ্ধ থাকতে হবে– আইনমন্ত্রী

ভোলায় ইলিশের চড়া দামে ভরা মৌসুমেও স্বাদ থেকে বঞ্চিত স্বল্প আয়ের ক্রেতারা

 

ভোলায় ইলিশের চড়া দামে ভরা মৌসুমেও স্বাদ থেকে বঞ্চিত স্বল্প আয়ের ক্রেতারা। জেলার মেঘনা ও তেতুলিয়া নদীতে ইলিশ ধরা পড়লেও বাজারে চড়া দামে বিক্রি হচ্ছে রুপালি ইলিশ। এতে সাধারণ ক্রেতাদের মধ্যে দেখা দিয়েছে অসন্তোষ। সাধ থাকলেও সাধ্যের অভাবে অনেকেই ইলিশ কিনতে পারছেন না।

 

স্থানীয় বাজার ও মৎস্যজীবীদের সঙ্গে দৈনিক নিরপেক্ষ পত্রিকার রিপোর্টার রিয়াজ হোসেন শান্ত কথা বলে জানা গেছে, বর্তমানে এক কেজি ওজনের ইলিশ বিক্রি হচ্ছে ২ হাজার ২০০ থেকে ২ হাজার ৭০০ টাকা পর্যন্ত। ৭৫০ গ্রাম ওজনের মাঝারি আকারের ইলিশের দাম ১ হাজার ৭০০ থেকে ২ হাজার টাকা। এছাড়া ৩৫০ থেকে ৪০০ গ্রাম ওজনের ছোট ইলিশ বিক্রি হচ্ছে প্রতি কেজি ১ হাজার থেকে ১ হাজার ২০০ টাকা পর্যন্ত।

 

সাধারণত ভাদ্র-আশ্বিন মাসে ইলিশের ভরা মৌসুম হওয়ায় নদীতে মাছের সরবরাহ বাড়ে। এতে বাজারে দাম কমার কথা থাকলেও এবার তার ব্যতিক্রম দেখা যাচ্ছে বলে জানিয়েছেন ক্রেতারা।

 

ক্রেতাদের অভিযোগ, ইলিশের দাম চড়া হওয়ায় নিম্ন ও মধ্যবিত্ত পরিবারের মানুষের পছন্দের এই মাছ কেনা কঠিন হয়ে পড়েছে। বাজারে ইলিশের সরবরাহ ও দাম নিয়ন্ত্রণে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের নজরদারি বাড়ানোর দাবি জানিয়েছেন তারা।

 

অন্যদিকে, মৎস্যজীবীরা বলছেন, ইলিশের আকার, সরবরাহ ও বাজার পরিস্থিতির ওপর নির্ভর করছে মাছের দাম। তবে ভরা মৌসুমেও ইলিশের দাম সাধারণ মানুষের ক্রয়ক্ষমতার মধ্যে না থাকায় হতাশা প্রকাশ করেছেন ক্রেতারা।

 

এই বিষয়ে ভোলা জেলা মৎস্য কর্মকর্তা মুহাম্মদ দেলোয়ার হোসেন বলেন, ভাদ্র-আশ্বিন মাসে ইলিশের ভরা মৌসুম হলেও এ বছর মেঘনা ও তেতুলিয়া নদীতে মাছ কম। তবে বৃষ্টি হলে পানি বৃদ্ধি হবে তখন ইলিশ সাগর থেকে মেঘনা ও তেতুলিয়া নদীতে চলে আসে। তখন জেলেদের জালে ঝাঁকে ঝাঁকে রুপালী ইলিশ পড়ার সম্ভাবনা আছে।

জনপ্রিয়

ভোলায় ইলিশের চড়া দামে ভরা মৌসুমেও স্বাদ থেকে বঞ্চিত স্বল্প আয়ের ক্রেতারা

ভোলায় ইলিশের চড়া দামে ভরা মৌসুমেও স্বাদ থেকে বঞ্চিত স্বল্প আয়ের ক্রেতারা

আপডেট : ৯ ঘন্টা আগে

 

ভোলায় ইলিশের চড়া দামে ভরা মৌসুমেও স্বাদ থেকে বঞ্চিত স্বল্প আয়ের ক্রেতারা। জেলার মেঘনা ও তেতুলিয়া নদীতে ইলিশ ধরা পড়লেও বাজারে চড়া দামে বিক্রি হচ্ছে রুপালি ইলিশ। এতে সাধারণ ক্রেতাদের মধ্যে দেখা দিয়েছে অসন্তোষ। সাধ থাকলেও সাধ্যের অভাবে অনেকেই ইলিশ কিনতে পারছেন না।

 

স্থানীয় বাজার ও মৎস্যজীবীদের সঙ্গে দৈনিক নিরপেক্ষ পত্রিকার রিপোর্টার রিয়াজ হোসেন শান্ত কথা বলে জানা গেছে, বর্তমানে এক কেজি ওজনের ইলিশ বিক্রি হচ্ছে ২ হাজার ২০০ থেকে ২ হাজার ৭০০ টাকা পর্যন্ত। ৭৫০ গ্রাম ওজনের মাঝারি আকারের ইলিশের দাম ১ হাজার ৭০০ থেকে ২ হাজার টাকা। এছাড়া ৩৫০ থেকে ৪০০ গ্রাম ওজনের ছোট ইলিশ বিক্রি হচ্ছে প্রতি কেজি ১ হাজার থেকে ১ হাজার ২০০ টাকা পর্যন্ত।

 

সাধারণত ভাদ্র-আশ্বিন মাসে ইলিশের ভরা মৌসুম হওয়ায় নদীতে মাছের সরবরাহ বাড়ে। এতে বাজারে দাম কমার কথা থাকলেও এবার তার ব্যতিক্রম দেখা যাচ্ছে বলে জানিয়েছেন ক্রেতারা।

 

ক্রেতাদের অভিযোগ, ইলিশের দাম চড়া হওয়ায় নিম্ন ও মধ্যবিত্ত পরিবারের মানুষের পছন্দের এই মাছ কেনা কঠিন হয়ে পড়েছে। বাজারে ইলিশের সরবরাহ ও দাম নিয়ন্ত্রণে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের নজরদারি বাড়ানোর দাবি জানিয়েছেন তারা।

 

অন্যদিকে, মৎস্যজীবীরা বলছেন, ইলিশের আকার, সরবরাহ ও বাজার পরিস্থিতির ওপর নির্ভর করছে মাছের দাম। তবে ভরা মৌসুমেও ইলিশের দাম সাধারণ মানুষের ক্রয়ক্ষমতার মধ্যে না থাকায় হতাশা প্রকাশ করেছেন ক্রেতারা।

 

এই বিষয়ে ভোলা জেলা মৎস্য কর্মকর্তা মুহাম্মদ দেলোয়ার হোসেন বলেন, ভাদ্র-আশ্বিন মাসে ইলিশের ভরা মৌসুম হলেও এ বছর মেঘনা ও তেতুলিয়া নদীতে মাছ কম। তবে বৃষ্টি হলে পানি বৃদ্ধি হবে তখন ইলিশ সাগর থেকে মেঘনা ও তেতুলিয়া নদীতে চলে আসে। তখন জেলেদের জালে ঝাঁকে ঝাঁকে রুপালী ইলিশ পড়ার সম্ভাবনা আছে।