ঢাকা , শুক্রবার, ০৫ জুন ২০২৬, ২১ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম:
কেন্দ্রীয় যুবদলের গুরুত্বপূর্ণ পদে বানারীপাড়ার সন্তান মাহবুব শিকদার ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ জনমুখী শাসনব্যবস্থা নিশ্চিতের মাধ্যমে জনগণের আস্থা বিনির্মাণে কাজ করে যাচ্ছে–স্পীকার টেকনাফে কোস্ট গার্ডের অভিযানে ২৫ হাজার ইয়াবাসহ আটক ৪ জলঢাকায় তীব্র দাবদাহে বিপর্যস্ত জনজীবন মোরেলগঞ্জে জমি নিয়ে বিরোধ: শিক্ষার্থীসহ ৫ জন আহত, থানায় মামলা দায়ের ভোলায় তরুণীকে গণধর্ষণের অভিযোগে আটক ৩ বাগেরহাটে দ‌লিত জন‌গো‌ষ্ঠীর উন্নয়নে ইউপি বাজেটে অর্থ বরাদ্দের দাবি নাগরিক ফোরামের কেন্দ্রীয় যুবদলের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক হলেন আবুল মনসুর খান দীপক যুবদলের ১৫১ সদস্যের কেন্দ্রীয় কমিটি: মুন্না সভাপতি, নয়ন সাধারণ সম্পাদক পরিবেশ ও প্রকৃতির সুরক্ষায় আমাদের করণীয়–লায়ন মোঃ গনি মিয়া বাবুল

জলঢাকা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে রক্তের গ্রুপ নির্ধারণে ভুল রিপোর্ট প্রদানের অভিযোগ

 

নীলফামারীর জলঢাকা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে রক্তের গ্রুপ নির্ধারণে ভুল রিপোর্ট প্রদানের অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় ভুক্তভোগী রোগীর পরিবার উদ্বেগ প্রকাশ করে ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত ও প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানিয়েছে।

 

অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, উপজেলার দক্ষিণ কাজিরহাট হাজিপাড়া এলাকার বাসিন্দা মো. মোতালেব হোসেনের স্ত্রী মোছা. রোকেয়া বেগম গত ৩১ মে জলঢাকা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে রক্তের গ্রুপ নির্ধারণের পরীক্ষা করান। পরীক্ষার রিপোর্টে তার রক্তের গ্রুপ ‘ও নেগেটিভ (O-)’ উল্লেখ করা হয়।

 

পরবর্তীতে ১ জুন উন্নত চিকিৎসার জন্য রোগীকে রংপুরে নেওয়া হলে সেখানে পুনরায় রক্তের গ্রুপ পরীক্ষা করা হয়। ওই পরীক্ষায় তার রক্তের গ্রুপ ‘এ নেগেটিভ (A-)’ পাওয়া যায়। একই ব্যক্তির রক্তের গ্রুপ দুই প্রতিষ্ঠানে ভিন্ন ফলাফল আসায় রোগীর স্বজনদের মধ্যে উদ্বেগ সৃষ্টি হয়।এ বিষয়ে রোগীর স্বামী মো. মোতালেব হোসেন জলঢাকা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে গিয়ে সংশ্লিষ্ট মেডিকেল টেকনোলজিস্ট মো. মামুনুর রশিদের কাছে ব্যাখ্যা জানতে চান। এ সময় উভয় পক্ষের মধ্যে বাকবিতণ্ডার সৃষ্টি হলে পরিস্থিতি কিছুটা উত্তপ্ত হয়ে ওঠে।

 

পরে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ বিষয়টি মীমাংসার উদ্যোগ নেয়।ভুক্তভোগী পরিবারের দাবি, রক্তের গ্রুপ নির্ধারণে এ ধরনের ভুল রোগীর চিকিৎসার ক্ষেত্রে গুরুতর ঝুঁকি সৃষ্টি করতে পারে। তারা ঘটনার নিরপেক্ষ তদন্ত এবং দায়ীদের বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানিয়েছেন।এ বিষয়ে উপজেলা পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. নন্দা সেনগুপ্ত বলেন, “এটি একটি অনিচ্ছাকৃত ভুল। সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিকে সতর্ক করা হয়েছে, যাতে ভবিষ্যতে এ ধরনের ঘটনা আর না ঘটে।”

 

নীলফামারী সিভিল সার্জন ডা. মো. আব্দুর রাজ্জাক বলেন, “এ বিষয়ে লিখিত অভিযোগ পেলে প্রয়োজনীয় তদন্ত সাপেক্ষে ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।”

 

এদিকে স্বাস্থ্যসেবার মানোন্নয়ন ও জনসাধারণের আস্থা বজায় রাখতে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের দ্রুত ও কার্যকর পদক্ষেপ প্রত্যাশা করেছেন স্থানীয় সচেতন মহল।

জনপ্রিয়

কেন্দ্রীয় যুবদলের গুরুত্বপূর্ণ পদে বানারীপাড়ার সন্তান মাহবুব শিকদার

জলঢাকা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে রক্তের গ্রুপ নির্ধারণে ভুল রিপোর্ট প্রদানের অভিযোগ

আপডেট : ১৩ ঘন্টা আগে

 

নীলফামারীর জলঢাকা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে রক্তের গ্রুপ নির্ধারণে ভুল রিপোর্ট প্রদানের অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় ভুক্তভোগী রোগীর পরিবার উদ্বেগ প্রকাশ করে ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত ও প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানিয়েছে।

 

অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, উপজেলার দক্ষিণ কাজিরহাট হাজিপাড়া এলাকার বাসিন্দা মো. মোতালেব হোসেনের স্ত্রী মোছা. রোকেয়া বেগম গত ৩১ মে জলঢাকা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে রক্তের গ্রুপ নির্ধারণের পরীক্ষা করান। পরীক্ষার রিপোর্টে তার রক্তের গ্রুপ ‘ও নেগেটিভ (O-)’ উল্লেখ করা হয়।

 

পরবর্তীতে ১ জুন উন্নত চিকিৎসার জন্য রোগীকে রংপুরে নেওয়া হলে সেখানে পুনরায় রক্তের গ্রুপ পরীক্ষা করা হয়। ওই পরীক্ষায় তার রক্তের গ্রুপ ‘এ নেগেটিভ (A-)’ পাওয়া যায়। একই ব্যক্তির রক্তের গ্রুপ দুই প্রতিষ্ঠানে ভিন্ন ফলাফল আসায় রোগীর স্বজনদের মধ্যে উদ্বেগ সৃষ্টি হয়।এ বিষয়ে রোগীর স্বামী মো. মোতালেব হোসেন জলঢাকা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে গিয়ে সংশ্লিষ্ট মেডিকেল টেকনোলজিস্ট মো. মামুনুর রশিদের কাছে ব্যাখ্যা জানতে চান। এ সময় উভয় পক্ষের মধ্যে বাকবিতণ্ডার সৃষ্টি হলে পরিস্থিতি কিছুটা উত্তপ্ত হয়ে ওঠে।

 

পরে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ বিষয়টি মীমাংসার উদ্যোগ নেয়।ভুক্তভোগী পরিবারের দাবি, রক্তের গ্রুপ নির্ধারণে এ ধরনের ভুল রোগীর চিকিৎসার ক্ষেত্রে গুরুতর ঝুঁকি সৃষ্টি করতে পারে। তারা ঘটনার নিরপেক্ষ তদন্ত এবং দায়ীদের বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানিয়েছেন।এ বিষয়ে উপজেলা পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. নন্দা সেনগুপ্ত বলেন, “এটি একটি অনিচ্ছাকৃত ভুল। সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিকে সতর্ক করা হয়েছে, যাতে ভবিষ্যতে এ ধরনের ঘটনা আর না ঘটে।”

 

নীলফামারী সিভিল সার্জন ডা. মো. আব্দুর রাজ্জাক বলেন, “এ বিষয়ে লিখিত অভিযোগ পেলে প্রয়োজনীয় তদন্ত সাপেক্ষে ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।”

 

এদিকে স্বাস্থ্যসেবার মানোন্নয়ন ও জনসাধারণের আস্থা বজায় রাখতে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের দ্রুত ও কার্যকর পদক্ষেপ প্রত্যাশা করেছেন স্থানীয় সচেতন মহল।