ঢাকা , শনিবার, ০৭ নভেম্বর ২০২৬, ২২ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম:
টেকনাফের হোয়াইক্যংয়ে সিএনজির গোপন চেম্বারে ১৩ হাজার ইয়াবা, আটক চালক সরকারি দাপ্তরিক খরচ কমলে শ্রমিকদের ৩০-৪০ হাজার টাকা বেতন দেওয়া সম্ভব: মাসুদুজ্জামান মাসুদ টেকনাফ পৌরসভাকে স্মার্ট পৌরসভা হিসেবে গড়ে তুলতে চাই: সংসদ সদস্য শাহজাহান চৌধুরী সংসারের বোঝা বইতে বৃদ্ধ বারেকের ভরসা জাতীয় ফুল শাপলা নারীর অর্থনৈতিক স্বাধীনতায় শিক্ষা ও কর্মসংস্থান নিশ্চিতের তাগিদ টেকনাফের পাহাড়ে মানবপাচারকারীদের সঙ্গে যৌথ বাহিনীর গোলাগুলি, সেনাসদস্য নিহত পিরোজপুরে জাতীয়তাবাদী মুক্তিযুদ্ধের প্রজন্মের ৭১ সদস্যের আহ্বায়ক কমিটি অনুমোদন মাদ্রাসাছাত্র আরিফ হত্যা মামলা: কারাগারে ডিবিসি চেয়ারম্যান ইকবাল সোবহান চৌধুরী প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানকে বরণ করতে মোরেলগঞ্জ থেকে বিপুলসংখ্যক নেতাকর্মী নিয়ে বাগেরহাটে কেএম মহিউদ্দিন রিপন এআই যেন দেশের বেকারত্ব আরও প্রকট না করে: রাষ্ট্রপতি

টেকনাফে ৪০ হাজার ইয়াবা ও ১৪৭ রাউন্ড গুলিসহ আটক ১

 

কক্সবাজার টেকনাফের নাফ নদী সীমান্ত দিয়ে মাদক ও অস্ত্র পাচারের একটি বড় চেষ্টা ব্যর্থ করে দিয়েছে বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি)। টেকনাফ ব্যাটালিয়ন (২ বিজিবি)-এর বিশেষ অভিযানে একজন পাচারকারীকে আটক করা হয়েছে। এ সময় তার কাছ থেকে ৪০ হাজার পিস ইয়াবা ট্যাবলেট, ১৪৭ রাউন্ড গুলি ও একটি বাটন মোবাইল ফোন উদ্ধার করা হয়।

 

বিজিবি সূত্র জানায়, দেশের সীমান্ত সুরক্ষা ও মাদকের বিরুদ্ধে সরকারের ‘জিরো টলারেন্স’ নীতি বাস্তবায়নের অংশ হিসেবে মঙ্গলবার (২৭ জানুয়ারি ২০২৬) দিবাগত রাতে টেকনাফ উপজেলার দমদমিয়া বিওপি সংলগ্ন নাফ নদীর অভ্যন্তরে অভিযান পরিচালনা করা হয়। অভিযানে দমদমিয়া বিওপি’র দায়িত্বপূর্ণ বিআরএম-৯ পয়েন্ট থেকে প্রায় ৪০০ মিটার দক্ষিণ-পূর্বে জাদিমুরা নেচার পার্ক সংলগ্ন এলাকায় বাংলাদেশের জলসীমায় এক ব্যক্তিকে সন্দেহজনকভাবে সাঁতরে প্রবেশ করতে দেখা যায়।

 

গোপন গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে আগে থেকেই সতর্ক অবস্থানে থাকা বিজিবির নৌ-টহল দল রাত আনুমানিক ২টা ১০ মিনিটে ওই ব্যক্তিকে শনাক্ত করে। পরে আধা ঘণ্টাব্যাপী অভিযান চালিয়ে রাত ২টা ৪০ মিনিটে তাকে আটক করা হয়। এ সময় তার সঙ্গে থাকা দুটি প্যাকেট তল্লাশি করে একটিতে ৪০ হাজার পিস ইয়াবা ট্যাবলেট এবং অপর প্যাকেট থেকে ১৪৪ রাউন্ড ভারী অস্ত্রের গুলি, ৩ রাউন্ড ক্ষুদ্রাস্ত্রের গুলি ও একটি বাটন মোবাইল ফোন উদ্ধার করা হয়।

 

বিজিবি জানায়, উদ্ধারকৃত মাদক ও গোলাবারুদ সীমান্ত দিয়ে নাশকতামূলক কর্মকাণ্ডে ব্যবহারের আশঙ্কা ছিল। সময়মতো অভিযান পরিচালনার মাধ্যমে একটি বড় ধরনের ঝুঁকি এড়ানো সম্ভব হয়েছে।

 

এ বিষয়ে টেকনাফ ব্যাটালিয়ন (২ বিজিবি)-এর অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল মো. হানিফুর রহমান ভূঁইয়া বলেন, সীমান্ত এলাকায় অস্ত্র, গোলাবারুদ, মাদক ও মানব পাচার প্রতিরোধে বিজিবি সর্বোচ্চ পেশাদারিত্বের সঙ্গে দায়িত্ব পালন করছে। ভবিষ্যতেও এ ধরনের অভিযান আরও জোরদার করা হবে।

 

বিজিবি আরও জানায়, আটক ব্যক্তির বিরুদ্ধে সংশ্লিষ্ট আইনে মামলা প্রক্রিয়াধীন রয়েছে। উদ্ধারকৃত ইয়াবা ও গোলাবারুদ আইনানুগ প্রক্রিয়ায় হস্তান্তরসহ পরবর্তী তদন্ত কার্যক্রম চলমান রয়েছে।

জনপ্রিয়

টেকনাফের হোয়াইক্যংয়ে সিএনজির গোপন চেম্বারে ১৩ হাজার ইয়াবা, আটক চালক

টেকনাফে ৪০ হাজার ইয়াবা ও ১৪৭ রাউন্ড গুলিসহ আটক ১

আপডেট : ০৮:০৯ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৭ জানুয়ারী ২০২৬

 

কক্সবাজার টেকনাফের নাফ নদী সীমান্ত দিয়ে মাদক ও অস্ত্র পাচারের একটি বড় চেষ্টা ব্যর্থ করে দিয়েছে বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি)। টেকনাফ ব্যাটালিয়ন (২ বিজিবি)-এর বিশেষ অভিযানে একজন পাচারকারীকে আটক করা হয়েছে। এ সময় তার কাছ থেকে ৪০ হাজার পিস ইয়াবা ট্যাবলেট, ১৪৭ রাউন্ড গুলি ও একটি বাটন মোবাইল ফোন উদ্ধার করা হয়।

 

বিজিবি সূত্র জানায়, দেশের সীমান্ত সুরক্ষা ও মাদকের বিরুদ্ধে সরকারের ‘জিরো টলারেন্স’ নীতি বাস্তবায়নের অংশ হিসেবে মঙ্গলবার (২৭ জানুয়ারি ২০২৬) দিবাগত রাতে টেকনাফ উপজেলার দমদমিয়া বিওপি সংলগ্ন নাফ নদীর অভ্যন্তরে অভিযান পরিচালনা করা হয়। অভিযানে দমদমিয়া বিওপি’র দায়িত্বপূর্ণ বিআরএম-৯ পয়েন্ট থেকে প্রায় ৪০০ মিটার দক্ষিণ-পূর্বে জাদিমুরা নেচার পার্ক সংলগ্ন এলাকায় বাংলাদেশের জলসীমায় এক ব্যক্তিকে সন্দেহজনকভাবে সাঁতরে প্রবেশ করতে দেখা যায়।

 

গোপন গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে আগে থেকেই সতর্ক অবস্থানে থাকা বিজিবির নৌ-টহল দল রাত আনুমানিক ২টা ১০ মিনিটে ওই ব্যক্তিকে শনাক্ত করে। পরে আধা ঘণ্টাব্যাপী অভিযান চালিয়ে রাত ২টা ৪০ মিনিটে তাকে আটক করা হয়। এ সময় তার সঙ্গে থাকা দুটি প্যাকেট তল্লাশি করে একটিতে ৪০ হাজার পিস ইয়াবা ট্যাবলেট এবং অপর প্যাকেট থেকে ১৪৪ রাউন্ড ভারী অস্ত্রের গুলি, ৩ রাউন্ড ক্ষুদ্রাস্ত্রের গুলি ও একটি বাটন মোবাইল ফোন উদ্ধার করা হয়।

 

বিজিবি জানায়, উদ্ধারকৃত মাদক ও গোলাবারুদ সীমান্ত দিয়ে নাশকতামূলক কর্মকাণ্ডে ব্যবহারের আশঙ্কা ছিল। সময়মতো অভিযান পরিচালনার মাধ্যমে একটি বড় ধরনের ঝুঁকি এড়ানো সম্ভব হয়েছে।

 

এ বিষয়ে টেকনাফ ব্যাটালিয়ন (২ বিজিবি)-এর অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল মো. হানিফুর রহমান ভূঁইয়া বলেন, সীমান্ত এলাকায় অস্ত্র, গোলাবারুদ, মাদক ও মানব পাচার প্রতিরোধে বিজিবি সর্বোচ্চ পেশাদারিত্বের সঙ্গে দায়িত্ব পালন করছে। ভবিষ্যতেও এ ধরনের অভিযান আরও জোরদার করা হবে।

 

বিজিবি আরও জানায়, আটক ব্যক্তির বিরুদ্ধে সংশ্লিষ্ট আইনে মামলা প্রক্রিয়াধীন রয়েছে। উদ্ধারকৃত ইয়াবা ও গোলাবারুদ আইনানুগ প্রক্রিয়ায় হস্তান্তরসহ পরবর্তী তদন্ত কার্যক্রম চলমান রয়েছে।