ঢাকা , শনিবার, ০৭ নভেম্বর ২০২৬, ২২ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম:
টেকনাফের হোয়াইক্যংয়ে সিএনজির গোপন চেম্বারে ১৩ হাজার ইয়াবা, আটক চালক সরকারি দাপ্তরিক খরচ কমলে শ্রমিকদের ৩০-৪০ হাজার টাকা বেতন দেওয়া সম্ভব: মাসুদুজ্জামান মাসুদ টেকনাফ পৌরসভাকে স্মার্ট পৌরসভা হিসেবে গড়ে তুলতে চাই: সংসদ সদস্য শাহজাহান চৌধুরী সংসারের বোঝা বইতে বৃদ্ধ বারেকের ভরসা জাতীয় ফুল শাপলা নারীর অর্থনৈতিক স্বাধীনতায় শিক্ষা ও কর্মসংস্থান নিশ্চিতের তাগিদ টেকনাফের পাহাড়ে মানবপাচারকারীদের সঙ্গে যৌথ বাহিনীর গোলাগুলি, সেনাসদস্য নিহত পিরোজপুরে জাতীয়তাবাদী মুক্তিযুদ্ধের প্রজন্মের ৭১ সদস্যের আহ্বায়ক কমিটি অনুমোদন মাদ্রাসাছাত্র আরিফ হত্যা মামলা: কারাগারে ডিবিসি চেয়ারম্যান ইকবাল সোবহান চৌধুরী প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানকে বরণ করতে মোরেলগঞ্জ থেকে বিপুলসংখ্যক নেতাকর্মী নিয়ে বাগেরহাটে কেএম মহিউদ্দিন রিপন এআই যেন দেশের বেকারত্ব আরও প্রকট না করে: রাষ্ট্রপতি

১২৩ বার পেছাল সাগর-রুনি হত্যা মামলার প্রতিবেদন

 

সাংবাদিক দম্পতি সাগর–রুনি হত্যা মামলার তদন্ত প্রতিবেদন দাখিলের সময়সীমা আবারও পিছিয়েছে। এই নিয়ে ১২৩ বারের মতো প্রতিবেদন দাখিলের তারিখ পরিবর্তন করা হলো। আগামী ৯ ফেব্রুয়ারি তদন্ত প্রতিবেদন জমা দেওয়ার নতুন দিন নির্ধারণ করেছেন আদালত।

 

সোমবার (৫ জানুয়ারি) মামলাটির তদন্ত প্রতিবেদন দাখিলের জন্য দিন ধার্য ছিল। তবে মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা ও পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশনের (পিবিআই) অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মো. আজিজুল হক নির্ধারিত দিন প্রতিবেদন জমা দিতে ব্যর্থ হন। এ অবস্থায় ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট মাহবুব আলমের আদালত প্রতিবেদন দাখিলের জন্য নতুন তারিখ নির্ধারণ করেন।

 

বহুল আলোচিত এই হত্যা মামলায় এখন পর্যন্ত ৮জনকে আসামি করা হয়েছে। তাদের মধ্যে রুনির বন্ধু তানভীর রহমান ছাড়াও রয়েছেন বাসার নিরাপত্তারক্ষী এনাম আহমেদ ওরফে হুমায়ুন কবির, রফিকুল ইসলাম, বকুল মিয়া, মিন্টু ওরফে বারগিরা মিন্টু ওরফে মাসুম মিন্টু, কামরুল হাসান অরুণ, পলাশ রুদ্র পাল এবং আবু সাঈদ। মামলার তদন্তে আসামিদের একাধিক দফা রিমান্ডে নেওয়া হলেও কেউ স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দেননি।

 

প্রসঙ্গত, ২০১২ সালের ১১ ফেব্রুয়ারি রাতে রাজধানীর পশ্চিম রাজাবাজারে নিজ ভাড়া বাসায় খুন হন মাছরাঙা টেলিভিশনের বার্তা সম্পাদক সাগর সারোয়ার ও এটিএন বাংলার জ্যেষ্ঠ প্রতিবেদক মেহেরুন রুনি। পরদিন ভোরে তাদের ক্ষতবিক্ষত মরদেহ উদ্ধার করা হয়।

 

এ ঘটনায় নিহত রুনির ভাই নওশের আলম রোমান শেরেবাংলা নগর থানায় একটি হত্যা মামলা দায়ের করেন। প্রথমদিকে মামলার তদন্তভার ছিল স্থানীয় থানার এক উপ-পরিদর্শকের হাতে। পরে চাঞ্চল্যকর এ হত্যাকাণ্ডের তদন্ত ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা পুলিশের (ডিবি) কাছে হস্তান্তর করা হয়। তবে দীর্ঘ সময় তদন্ত করেও রহস্য উদঘাটনে ব্যর্থ হয় ডিবি।

 

পরবর্তীতে হাইকোর্টের নির্দেশে ২০১২ সালের ১৮ এপ্রিল মামলাটির তদন্তভার র‍্যাবের কাছে ন্যস্ত করা হয়। দীর্ঘদিন তদন্ত চললেও দৃশ্যমান অগ্রগতি না হওয়ায় গত বছরের ৩০ সেপ্টেম্বর মামলাটির তদন্তে উচ্চ ক্ষমতাসম্পন্ন টাস্কফোর্স গঠনের নির্দেশ দেন হাইকোর্ট।

 

রাষ্ট্রপক্ষের আবেদনের শুনানি শেষে বিচারপতি ফারাহ মাহবুব ও বিচারপতি মুহাম্মদ মাহবুব উল ইসলামের সমন্বয়ে গঠিত হাইকোর্ট বেঞ্চ র‌্যাবকে তদন্ত থেকে অব্যাহতি দিয়ে ছয় মাসের মধ্যে তদন্ত শেষ করার নির্দেশ দেন। এর ধারাবাহিকতায় গত ১৭ অক্টোবর স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের জননিরাপত্তা বিভাগ পিবিআই প্রধানকে আহ্বায়ক করে চার সদস্যের একটি টাস্কফোর্স গঠন করে প্রজ্ঞাপন জারি করে।

জনপ্রিয়

টেকনাফের হোয়াইক্যংয়ে সিএনজির গোপন চেম্বারে ১৩ হাজার ইয়াবা, আটক চালক

১২৩ বার পেছাল সাগর-রুনি হত্যা মামলার প্রতিবেদন

আপডেট : ১১:৫০ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ৫ জানুয়ারী ২০২৬

 

সাংবাদিক দম্পতি সাগর–রুনি হত্যা মামলার তদন্ত প্রতিবেদন দাখিলের সময়সীমা আবারও পিছিয়েছে। এই নিয়ে ১২৩ বারের মতো প্রতিবেদন দাখিলের তারিখ পরিবর্তন করা হলো। আগামী ৯ ফেব্রুয়ারি তদন্ত প্রতিবেদন জমা দেওয়ার নতুন দিন নির্ধারণ করেছেন আদালত।

 

সোমবার (৫ জানুয়ারি) মামলাটির তদন্ত প্রতিবেদন দাখিলের জন্য দিন ধার্য ছিল। তবে মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা ও পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশনের (পিবিআই) অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মো. আজিজুল হক নির্ধারিত দিন প্রতিবেদন জমা দিতে ব্যর্থ হন। এ অবস্থায় ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট মাহবুব আলমের আদালত প্রতিবেদন দাখিলের জন্য নতুন তারিখ নির্ধারণ করেন।

 

বহুল আলোচিত এই হত্যা মামলায় এখন পর্যন্ত ৮জনকে আসামি করা হয়েছে। তাদের মধ্যে রুনির বন্ধু তানভীর রহমান ছাড়াও রয়েছেন বাসার নিরাপত্তারক্ষী এনাম আহমেদ ওরফে হুমায়ুন কবির, রফিকুল ইসলাম, বকুল মিয়া, মিন্টু ওরফে বারগিরা মিন্টু ওরফে মাসুম মিন্টু, কামরুল হাসান অরুণ, পলাশ রুদ্র পাল এবং আবু সাঈদ। মামলার তদন্তে আসামিদের একাধিক দফা রিমান্ডে নেওয়া হলেও কেউ স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দেননি।

 

প্রসঙ্গত, ২০১২ সালের ১১ ফেব্রুয়ারি রাতে রাজধানীর পশ্চিম রাজাবাজারে নিজ ভাড়া বাসায় খুন হন মাছরাঙা টেলিভিশনের বার্তা সম্পাদক সাগর সারোয়ার ও এটিএন বাংলার জ্যেষ্ঠ প্রতিবেদক মেহেরুন রুনি। পরদিন ভোরে তাদের ক্ষতবিক্ষত মরদেহ উদ্ধার করা হয়।

 

এ ঘটনায় নিহত রুনির ভাই নওশের আলম রোমান শেরেবাংলা নগর থানায় একটি হত্যা মামলা দায়ের করেন। প্রথমদিকে মামলার তদন্তভার ছিল স্থানীয় থানার এক উপ-পরিদর্শকের হাতে। পরে চাঞ্চল্যকর এ হত্যাকাণ্ডের তদন্ত ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা পুলিশের (ডিবি) কাছে হস্তান্তর করা হয়। তবে দীর্ঘ সময় তদন্ত করেও রহস্য উদঘাটনে ব্যর্থ হয় ডিবি।

 

পরবর্তীতে হাইকোর্টের নির্দেশে ২০১২ সালের ১৮ এপ্রিল মামলাটির তদন্তভার র‍্যাবের কাছে ন্যস্ত করা হয়। দীর্ঘদিন তদন্ত চললেও দৃশ্যমান অগ্রগতি না হওয়ায় গত বছরের ৩০ সেপ্টেম্বর মামলাটির তদন্তে উচ্চ ক্ষমতাসম্পন্ন টাস্কফোর্স গঠনের নির্দেশ দেন হাইকোর্ট।

 

রাষ্ট্রপক্ষের আবেদনের শুনানি শেষে বিচারপতি ফারাহ মাহবুব ও বিচারপতি মুহাম্মদ মাহবুব উল ইসলামের সমন্বয়ে গঠিত হাইকোর্ট বেঞ্চ র‌্যাবকে তদন্ত থেকে অব্যাহতি দিয়ে ছয় মাসের মধ্যে তদন্ত শেষ করার নির্দেশ দেন। এর ধারাবাহিকতায় গত ১৭ অক্টোবর স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের জননিরাপত্তা বিভাগ পিবিআই প্রধানকে আহ্বায়ক করে চার সদস্যের একটি টাস্কফোর্স গঠন করে প্রজ্ঞাপন জারি করে।