ঢাকা , শনিবার, ০৭ নভেম্বর ২০২৬, ২২ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম:
টেকনাফের হোয়াইক্যংয়ে সিএনজির গোপন চেম্বারে ১৩ হাজার ইয়াবা, আটক চালক সরকারি দাপ্তরিক খরচ কমলে শ্রমিকদের ৩০-৪০ হাজার টাকা বেতন দেওয়া সম্ভব: মাসুদুজ্জামান মাসুদ টেকনাফ পৌরসভাকে স্মার্ট পৌরসভা হিসেবে গড়ে তুলতে চাই: সংসদ সদস্য শাহজাহান চৌধুরী সংসারের বোঝা বইতে বৃদ্ধ বারেকের ভরসা জাতীয় ফুল শাপলা নারীর অর্থনৈতিক স্বাধীনতায় শিক্ষা ও কর্মসংস্থান নিশ্চিতের তাগিদ টেকনাফের পাহাড়ে মানবপাচারকারীদের সঙ্গে যৌথ বাহিনীর গোলাগুলি, সেনাসদস্য নিহত পিরোজপুরে জাতীয়তাবাদী মুক্তিযুদ্ধের প্রজন্মের ৭১ সদস্যের আহ্বায়ক কমিটি অনুমোদন মাদ্রাসাছাত্র আরিফ হত্যা মামলা: কারাগারে ডিবিসি চেয়ারম্যান ইকবাল সোবহান চৌধুরী প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানকে বরণ করতে মোরেলগঞ্জ থেকে বিপুলসংখ্যক নেতাকর্মী নিয়ে বাগেরহাটে কেএম মহিউদ্দিন রিপন এআই যেন দেশের বেকারত্ব আরও প্রকট না করে: রাষ্ট্রপতি

সুন্দরবনে ঘুরতে এসে অপহৃত পর্যটক উদ্ধার

 

সুন্দরবনের খালে ভ্রমণের সময় অপহৃত দুই পর্যটক ও এক রিসোর্ট পরিচালককে উদ্ধার করেছে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যরা। রোববার (৪ ডিসেম্বর) রাতে কোস্টগার্ড ও পুলিশ যৌথ অভিযান চালিয়ে ওই তিনজনকে উদ্ধার করে বলে জানিয়েছেন খুলনার দাকোপ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. আতিকুর রহমান।

 

তিনি দাবি করেন, যৌথ অভিযানে দাকোপের বানিয়াশান্তা ইউনিয়নে অবস্থিত রিসোর্টসংলগ্ন এলাকা থেকে তাঁদের উদ্ধার করা হয়। আগামীকাল প্রেসব্রিফিংয়ের মাধ্যমে বিস্তারিত জানানো হবে বলে জানান এই কর্মকর্তা।

 

এর আগে শুক্রবার (২ জানুয়ারি) নারী-পুরুষসহ চার পর্যটক ঢাকা থেকে সুন্দরবনে ঘুরতে আসেন। এদিন দুপুরে তারা সুন্দরবনের ঢাংমারী এলাকায় অবস্থিত ‘রিসোর্ট গোল কানন’ এ বুকিং নিয়ে রাত যাপনের জন্য ওঠেন। পরে বিকালে “গোল কানন” রিসোর্ট মালিক শ্রীপতি বাছাড়সহ চার পর্যটক নৌকায় চড়ে বনের ছোট খালে ঘুরতে বের হন। রিসোর্ট সংলগ্ন ওই খাল হতে নারীসহ ৫ জনকে তুলে নেয় সশস্ত্র দস্যুরা। রাতে দুই নারী পর্যটককে রিসোর্টে ফিরিয়ে দেয় দস্যুরা। তবে রিসোর্ট মালিক ও দুই পুরুষ পর্যটককে জিম্মি করে রাখে। অপহরণের পর দস্যুরা মোটা অংকের মুক্তিপন দাবি করেছিল বলে জানা গেছে। অপহরণের পরপরই উদ্ধার অভিযান শুরু করে থানা পুলিশ, নৌপুলিশ ও কোস্টগার্ড সদস্যরা।

 

অপহরণের শিকার সোহেল ও জনি নামের দুই পর্যটক ঢাকার বাসিন্দা। যার ফলে বিস্তারিত পরিচয় ও ওই নারীদের পরিচয়ও স্পষ্ট করা যায় নি।

 

তবে অপহরণের বিষয়টি নিয়ে প্রথম থেকেই রিসোর্ট মালিক, রিসোর্ট মালিকদের সংগঠন এক ধরণের লুকোচুরি করে আসছিল।

 

বন বিভাগের দাবি, ওই পযটকরা অনুমতি ছাড়াই সুন্দরবনে প্রবেশ করেছিলেন। সুন্দরবন পূর্ব বন বিভাগের চাঁদপাই রেঞ্জের সহকারী বন সংরক্ষক (এসিএফ) দ্বীপন চন্দ্র দাস বলেন, ওই পর্যটকরা কোন অনুমতি না নিয়েই বনে প্রবেশ করেছিল। ওই রিসোর্ট মালিক কেন এমনটি করলেন সে বিষয়টিও খতিয়ে দেখা হবে।

জনপ্রিয়

টেকনাফের হোয়াইক্যংয়ে সিএনজির গোপন চেম্বারে ১৩ হাজার ইয়াবা, আটক চালক

সুন্দরবনে ঘুরতে এসে অপহৃত পর্যটক উদ্ধার

আপডেট : ০২:০৪ অপরাহ্ন, সোমবার, ৫ জানুয়ারী ২০২৬

 

সুন্দরবনের খালে ভ্রমণের সময় অপহৃত দুই পর্যটক ও এক রিসোর্ট পরিচালককে উদ্ধার করেছে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যরা। রোববার (৪ ডিসেম্বর) রাতে কোস্টগার্ড ও পুলিশ যৌথ অভিযান চালিয়ে ওই তিনজনকে উদ্ধার করে বলে জানিয়েছেন খুলনার দাকোপ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. আতিকুর রহমান।

 

তিনি দাবি করেন, যৌথ অভিযানে দাকোপের বানিয়াশান্তা ইউনিয়নে অবস্থিত রিসোর্টসংলগ্ন এলাকা থেকে তাঁদের উদ্ধার করা হয়। আগামীকাল প্রেসব্রিফিংয়ের মাধ্যমে বিস্তারিত জানানো হবে বলে জানান এই কর্মকর্তা।

 

এর আগে শুক্রবার (২ জানুয়ারি) নারী-পুরুষসহ চার পর্যটক ঢাকা থেকে সুন্দরবনে ঘুরতে আসেন। এদিন দুপুরে তারা সুন্দরবনের ঢাংমারী এলাকায় অবস্থিত ‘রিসোর্ট গোল কানন’ এ বুকিং নিয়ে রাত যাপনের জন্য ওঠেন। পরে বিকালে “গোল কানন” রিসোর্ট মালিক শ্রীপতি বাছাড়সহ চার পর্যটক নৌকায় চড়ে বনের ছোট খালে ঘুরতে বের হন। রিসোর্ট সংলগ্ন ওই খাল হতে নারীসহ ৫ জনকে তুলে নেয় সশস্ত্র দস্যুরা। রাতে দুই নারী পর্যটককে রিসোর্টে ফিরিয়ে দেয় দস্যুরা। তবে রিসোর্ট মালিক ও দুই পুরুষ পর্যটককে জিম্মি করে রাখে। অপহরণের পর দস্যুরা মোটা অংকের মুক্তিপন দাবি করেছিল বলে জানা গেছে। অপহরণের পরপরই উদ্ধার অভিযান শুরু করে থানা পুলিশ, নৌপুলিশ ও কোস্টগার্ড সদস্যরা।

 

অপহরণের শিকার সোহেল ও জনি নামের দুই পর্যটক ঢাকার বাসিন্দা। যার ফলে বিস্তারিত পরিচয় ও ওই নারীদের পরিচয়ও স্পষ্ট করা যায় নি।

 

তবে অপহরণের বিষয়টি নিয়ে প্রথম থেকেই রিসোর্ট মালিক, রিসোর্ট মালিকদের সংগঠন এক ধরণের লুকোচুরি করে আসছিল।

 

বন বিভাগের দাবি, ওই পযটকরা অনুমতি ছাড়াই সুন্দরবনে প্রবেশ করেছিলেন। সুন্দরবন পূর্ব বন বিভাগের চাঁদপাই রেঞ্জের সহকারী বন সংরক্ষক (এসিএফ) দ্বীপন চন্দ্র দাস বলেন, ওই পর্যটকরা কোন অনুমতি না নিয়েই বনে প্রবেশ করেছিল। ওই রিসোর্ট মালিক কেন এমনটি করলেন সে বিষয়টিও খতিয়ে দেখা হবে।