ঢাকা , শুক্রবার, ০৬ নভেম্বর ২০২৬, ২২ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম:
সরকারি দাপ্তরিক খরচ কমলে শ্রমিকদের ৩০-৪০ হাজার টাকা বেতন দেওয়া সম্ভব: মাসুদুজ্জামান মাসুদ টেকনাফ পৌরসভাকে স্মার্ট পৌরসভা হিসেবে গড়ে তুলতে চাই: সংসদ সদস্য শাহজাহান চৌধুরী সংসারের বোঝা বইতে বৃদ্ধ বারেকের ভরসা জাতীয় ফুল শাপলা নারীর অর্থনৈতিক স্বাধীনতায় শিক্ষা ও কর্মসংস্থান নিশ্চিতের তাগিদ টেকনাফের পাহাড়ে মানবপাচারকারীদের সঙ্গে যৌথ বাহিনীর গোলাগুলি, সেনাসদস্য নিহত পিরোজপুরে জাতীয়তাবাদী মুক্তিযুদ্ধের প্রজন্মের ৭১ সদস্যের আহ্বায়ক কমিটি অনুমোদন মাদ্রাসাছাত্র আরিফ হত্যা মামলা: কারাগারে ডিবিসি চেয়ারম্যান ইকবাল সোবহান চৌধুরী প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানকে বরণ করতে মোরেলগঞ্জ থেকে বিপুলসংখ্যক নেতাকর্মী নিয়ে বাগেরহাটে কেএম মহিউদ্দিন রিপন এআই যেন দেশের বেকারত্ব আরও প্রকট না করে: রাষ্ট্রপতি সীমান্তের ওপার থেকে দেশে বিশৃঙ্খলা সৃষ্টির চেষ্টা করা হচ্ছে: পথসভায় প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান

প্রধান বিচারপতির বিদায়ী সংবর্ধনা

প্রধান বিচারপতি ড. সৈয়দ রেফাত আহমেদ | ফাইল ছবি

 

বাংলাদেশের প্রধান বিচারপতি ড. সৈয়দ রেফাত আহমেদের বিদায়ী সংবর্ধনা শুরু হয়েছে। বৃহস্পতিবার (১৮ ডিসেম্বর) সকাল সাড়ে ১০টায় বাংলাদেশ সুপ্রিম কোর্টের আপিল বিভাগের ১নং কোর্টে (প্রধান বিচারপতির এজলাস) এই সংবর্ধনা অনুষ্ঠান শুরু হয়। এ সময় সর্বোচ্চ আদালতের আপিল বিভাগ কানায় কানায় পূর্ণ হয়ে যায়।

 

এদিন সুপ্রিম কোর্ট আইনজীবী সমিতি (বার অ্যাসোসিয়েশন) ও অ্যাটর্নি জেনারেল কার্যালয়ের পক্ষ থেকে প্রধান বিচারপতি সৈয়দ রেফাত আহমেদের বিদায়ী সংবর্ধনার আয়োজন করে।

 

সুপ্রিম কোর্টের গণসংযোগ কর্মকর্তা মো. শফিকুল ইসলামের দেওয়া বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, সুপ্রিম কোর্ট আইনজীবী সমিতির পক্ষে সভাপতি এ এম মাহবুব উদ্দিন খোকন ও অ্যাটর্নি জেনারেল কার্যালয়ের পক্ষে অ্যাটর্নি জেনারেল মো. আসাদুজ্জামান দেশের প্রধান বিচারপতিকে বিদায়ী সংবর্ধনা দিচ্ছেন। তারই ধারাবাহিকতায় আজ অনুষ্ঠান চলছে।

 

২০২৪ সালের জুলাই-আগস্টে ছাত্র-জনতার গণঅভ্যুত্থানের প্রেক্ষাপটে দেশের ২৫তম প্রধান বিচারপতির দায়িত্ব নেন ড. সৈয়দ রেফাত আহমেদ। ২০২৪ সালের ১১ আগস্ট প্রধান বিচারপতি হিসেবে তিনি শপথ নেন। সংবিধান অনুযায়ী, বিচারপতিদের অবসরের বয়স ৬৭ বছর।

 

প্রধান বিচারপতি সৈয়দ রেফাত আহমেদ ১৯৫৮ সালের ২৮ ডিসেম্বর জন্মগ্রহণ করেন। সে হিসেবে প্রধান বিচারপতির বয়স ৬৭ বছর পূর্ণ হতে যাচ্ছে ২৭ ডিসেম্বর। সেদিন ছুটি থাকায় আগামীকাল তার শেষ কর্মদিবস। প্রথা অনুসারে শেষ কর্মদিবসে বিদায়ী বিচারপতিকে সুপ্রিম কোর্ট আইনজীবী সমিতি ও অ্যাটর্নি জেনারেল কার্যালয়ের পক্ষ থেকে বিদায়ী সংবর্ধনা জানানো হয়।

 

এর আগে দেশের জেলা আদালতগুলোতে কর্মরত উচ্চ পর্যায়ের বিচার বিভাগীয় কর্মকর্তাদের উদ্দেশে গত রোববার (১৪ ডিসেম্বর) প্রধান বিচারপতি হিসেবে নিজের বিদায়ী অভিভাষণে বিচারপতি সৈয়দ রেফাত আহমেদ কথা বলেন। সুপ্রিম কোর্ট মিলনায়তনে এ উপলক্ষে গুরুত্বপূর্ণ অধিবেশনের আয়োজন করা হয়।

 

প্রধান বিচারপতি সৈয়দ রেফাত আহমেদ ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক ছাত্র। তিনি বিশ্বখ্যাত অক্সফোর্ড বিশ্ববিদ্যালয়ের ওয়াডাম কলেজ থেকে প্রথম শ্রেণিতে আইন শাস্ত্রের ওপর ডিগ্রি অর্জন করেন। পরে মাস্টার্স ও পিএইচডি করেন যুক্তরাষ্ট্রের টাফ্টস ইউনিভার্সিটির ফ্লেচার স্কুল অব ল’ অ্যান্ড ডিপ্লোমেসিতে। সৈয়দ রেফাত আহমেদ অভিবাসন আইন বিশেষজ্ঞ হিসেবে ইউএনএইচসিআরের সঙ্গে কাজ করেন।

 

সৈয়দ রেফাত আহমেদ ১৯৮৪ সালে ঢাকা জেলা আদালতে এবং ১৯৮৬ সালে হাইকোর্ট বিভাগের আইনজীবী হন। ২০০৩ সালের ২৭ এপ্রিল তিনি হাইকোর্টের অতিরিক্ত বিচারক হন। এর দুই বছর পর তিনি হাইকোর্টের স্থায়ী বিচারপতি হন।

 

প্রধান বিচারপতি সৈয়দ রেফাত আহমেদ বাংলাদেশের প্রথিতযশা আইনজীবী ও সাবেক অ্যাটর্নি জেনারেল ব্যারিস্টার ইশতিয়াক আহমেদ ও ড. সুফিয়া আহমেদের ছেলে। ইশতিয়াক আহমেদ দুইবার তত্ত্বাবধায়ক সরকারের উপদেষ্টা হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন।

জনপ্রিয়

সরকারি দাপ্তরিক খরচ কমলে শ্রমিকদের ৩০-৪০ হাজার টাকা বেতন দেওয়া সম্ভব: মাসুদুজ্জামান মাসুদ

প্রধান বিচারপতির বিদায়ী সংবর্ধনা

আপডেট : ০৯:১৯ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৮ ডিসেম্বর ২০২৫
প্রধান বিচারপতি ড. সৈয়দ রেফাত আহমেদ | ফাইল ছবি

 

বাংলাদেশের প্রধান বিচারপতি ড. সৈয়দ রেফাত আহমেদের বিদায়ী সংবর্ধনা শুরু হয়েছে। বৃহস্পতিবার (১৮ ডিসেম্বর) সকাল সাড়ে ১০টায় বাংলাদেশ সুপ্রিম কোর্টের আপিল বিভাগের ১নং কোর্টে (প্রধান বিচারপতির এজলাস) এই সংবর্ধনা অনুষ্ঠান শুরু হয়। এ সময় সর্বোচ্চ আদালতের আপিল বিভাগ কানায় কানায় পূর্ণ হয়ে যায়।

 

এদিন সুপ্রিম কোর্ট আইনজীবী সমিতি (বার অ্যাসোসিয়েশন) ও অ্যাটর্নি জেনারেল কার্যালয়ের পক্ষ থেকে প্রধান বিচারপতি সৈয়দ রেফাত আহমেদের বিদায়ী সংবর্ধনার আয়োজন করে।

 

সুপ্রিম কোর্টের গণসংযোগ কর্মকর্তা মো. শফিকুল ইসলামের দেওয়া বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, সুপ্রিম কোর্ট আইনজীবী সমিতির পক্ষে সভাপতি এ এম মাহবুব উদ্দিন খোকন ও অ্যাটর্নি জেনারেল কার্যালয়ের পক্ষে অ্যাটর্নি জেনারেল মো. আসাদুজ্জামান দেশের প্রধান বিচারপতিকে বিদায়ী সংবর্ধনা দিচ্ছেন। তারই ধারাবাহিকতায় আজ অনুষ্ঠান চলছে।

 

২০২৪ সালের জুলাই-আগস্টে ছাত্র-জনতার গণঅভ্যুত্থানের প্রেক্ষাপটে দেশের ২৫তম প্রধান বিচারপতির দায়িত্ব নেন ড. সৈয়দ রেফাত আহমেদ। ২০২৪ সালের ১১ আগস্ট প্রধান বিচারপতি হিসেবে তিনি শপথ নেন। সংবিধান অনুযায়ী, বিচারপতিদের অবসরের বয়স ৬৭ বছর।

 

প্রধান বিচারপতি সৈয়দ রেফাত আহমেদ ১৯৫৮ সালের ২৮ ডিসেম্বর জন্মগ্রহণ করেন। সে হিসেবে প্রধান বিচারপতির বয়স ৬৭ বছর পূর্ণ হতে যাচ্ছে ২৭ ডিসেম্বর। সেদিন ছুটি থাকায় আগামীকাল তার শেষ কর্মদিবস। প্রথা অনুসারে শেষ কর্মদিবসে বিদায়ী বিচারপতিকে সুপ্রিম কোর্ট আইনজীবী সমিতি ও অ্যাটর্নি জেনারেল কার্যালয়ের পক্ষ থেকে বিদায়ী সংবর্ধনা জানানো হয়।

 

এর আগে দেশের জেলা আদালতগুলোতে কর্মরত উচ্চ পর্যায়ের বিচার বিভাগীয় কর্মকর্তাদের উদ্দেশে গত রোববার (১৪ ডিসেম্বর) প্রধান বিচারপতি হিসেবে নিজের বিদায়ী অভিভাষণে বিচারপতি সৈয়দ রেফাত আহমেদ কথা বলেন। সুপ্রিম কোর্ট মিলনায়তনে এ উপলক্ষে গুরুত্বপূর্ণ অধিবেশনের আয়োজন করা হয়।

 

প্রধান বিচারপতি সৈয়দ রেফাত আহমেদ ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক ছাত্র। তিনি বিশ্বখ্যাত অক্সফোর্ড বিশ্ববিদ্যালয়ের ওয়াডাম কলেজ থেকে প্রথম শ্রেণিতে আইন শাস্ত্রের ওপর ডিগ্রি অর্জন করেন। পরে মাস্টার্স ও পিএইচডি করেন যুক্তরাষ্ট্রের টাফ্টস ইউনিভার্সিটির ফ্লেচার স্কুল অব ল’ অ্যান্ড ডিপ্লোমেসিতে। সৈয়দ রেফাত আহমেদ অভিবাসন আইন বিশেষজ্ঞ হিসেবে ইউএনএইচসিআরের সঙ্গে কাজ করেন।

 

সৈয়দ রেফাত আহমেদ ১৯৮৪ সালে ঢাকা জেলা আদালতে এবং ১৯৮৬ সালে হাইকোর্ট বিভাগের আইনজীবী হন। ২০০৩ সালের ২৭ এপ্রিল তিনি হাইকোর্টের অতিরিক্ত বিচারক হন। এর দুই বছর পর তিনি হাইকোর্টের স্থায়ী বিচারপতি হন।

 

প্রধান বিচারপতি সৈয়দ রেফাত আহমেদ বাংলাদেশের প্রথিতযশা আইনজীবী ও সাবেক অ্যাটর্নি জেনারেল ব্যারিস্টার ইশতিয়াক আহমেদ ও ড. সুফিয়া আহমেদের ছেলে। ইশতিয়াক আহমেদ দুইবার তত্ত্বাবধায়ক সরকারের উপদেষ্টা হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন।