ঢাকা , শুক্রবার, ০৬ নভেম্বর ২০২৬, ২২ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম:
টেকনাফ পৌরসভাকে স্মার্ট পৌরসভা হিসেবে গড়ে তুলতে চাই: সংসদ সদস্য শাহজাহান চৌধুরী সংসারের বোঝা বইতে বৃদ্ধ বারেকের ভরসা জাতীয় ফুল শাপলা নারীর অর্থনৈতিক স্বাধীনতায় শিক্ষা ও কর্মসংস্থান নিশ্চিতের তাগিদ টেকনাফের পাহাড়ে মানবপাচারকারীদের সঙ্গে যৌথ বাহিনীর গোলাগুলি, সেনাসদস্য নিহত পিরোজপুরে জাতীয়তাবাদী মুক্তিযুদ্ধের প্রজন্মের ৭১ সদস্যের আহ্বায়ক কমিটি অনুমোদন মাদ্রাসাছাত্র আরিফ হত্যা মামলা: কারাগারে ডিবিসি চেয়ারম্যান ইকবাল সোবহান চৌধুরী প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানকে বরণ করতে মোরেলগঞ্জ থেকে বিপুলসংখ্যক নেতাকর্মী নিয়ে বাগেরহাটে কেএম মহিউদ্দিন রিপন এআই যেন দেশের বেকারত্ব আরও প্রকট না করে: রাষ্ট্রপতি সীমান্তের ওপার থেকে দেশে বিশৃঙ্খলা সৃষ্টির চেষ্টা করা হচ্ছে: পথসভায় প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান হামের টিকা সংকটে ইউনূস সরকারের ভূমিকা তদন্তে তিন সদস্যের কমিশন

চাচাকে কুপিয়ে রক্তাক্ত করলেন ভাতিজা, শাহরাস্তিতে আটক ২

পুলিশের হাতে গ্রেফতার মিজানুর রহমান 

 

চাঁদপুরের শাহরাস্তি উপজেলায় ফজরের নামাজ পড়তে যাওয়ার পথে বোরকা পরে চাচাকে কুপিয়ে রক্তাক্ত করেছেন ভাতিজা মিজানুর রহমান। এ ঘটনার ৩৬ ঘণ্টার মধ্যে প্রধান আসামিসহ দুজনকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ।

 

বৃহস্পতিবার (৩০ অক্টোবর) দুপুরে শাহরাস্তি মডেল থানা ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মদ আবুল বাসার গণমাধ্যম কে এ তথ্য জানিয়েছেন।

 

পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, গত ২৭ অক্টোবর ভোর পৌনে পাঁচটার দিকে উপজেলার মালরা ভূঁইয়া বাড়ি জামে মসজিদের পশ্চিম পাশে পুকুরপাড়ে অতর্কিতভাবে হামলার শিকার হন ওই গ্রামের বাসিন্দা মোস্তফা ভূঁইয়া। বোরকা পরে পথরোধ করে মিজানুর রহমান (৫১), তার স্ত্রী ফুলবানু (৪৫), ভাই মো. মফিজ ভূঁইয়া ও মেয়ে শাহনারা বেগম মিলে দা ও লাঠিসোটা দিয়ে মোস্তফা ভূঁইয়ার ওপর হামলা চালায়। এতে তিনি গুরুতর আহত হন। পরে স্থানীয়রা তাকে উদ্ধার করে প্রথমে শাহরাস্তি উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স ও পরে ঢাকায় স্থানান্তর করে। বর্তমানে তিনি রাজধানীর একটি বেসরকারি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন আছেন।

 

এ ঘটনায় আহতের ছেলে মোশাররফ হোসেন বাদী হয়ে শাহরাস্তি মডেল থানায় একটি মামলা দায়ের করেন।

 

গত ২৯ অক্টোবর রাতে চাঁদপুর সদর এলাকায় অভিযান চালিয়ে প্রধান আসামি মিজানুর রহমানকে গ্রেফতার করা হয়। এর আগে ২৮ অক্টোবর নিজ বাড়ি থেকে তার স্ত্রী ফুলবানুকে আটক করে পুলিশ।

 

শাহরাস্তি মডেল থানা ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মদ আবুল বাসার বলেন, “আমরা শুরু থেকেই মামলাটিকে গুরুত্বের সঙ্গে তদন্ত করেছি। দ্রুত পদক্ষেপ নেওয়ায় ৩৬ ঘণ্টার মধ্যেই প্রধান আসামিসহ দুইজনকে আইনের আওতায় আনা সম্ভব হয়েছে। আটক মিজানুর রহমান ঘটনার ১৫ দিন আগ থেকে আত্মগোপনে ছিলেন বলে জিজ্ঞাসাবাদে জানা যায়।

 

পুলিশ জানায়, প্রাথমিক তদন্তে পারিবারিক ও সম্পত্তি-সংক্রান্ত বিরোধ থেকেই এই হামলার সূত্রপাত বলে ধারণা করা হচ্ছে। গ্রেফতার দুইজনকে আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠানো হয়েছে।

জনপ্রিয়

টেকনাফ পৌরসভাকে স্মার্ট পৌরসভা হিসেবে গড়ে তুলতে চাই: সংসদ সদস্য শাহজাহান চৌধুরী

চাচাকে কুপিয়ে রক্তাক্ত করলেন ভাতিজা, শাহরাস্তিতে আটক ২

আপডেট : ০৩:১২ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৩০ অক্টোবর ২০২৫

পুলিশের হাতে গ্রেফতার মিজানুর রহমান 

 

চাঁদপুরের শাহরাস্তি উপজেলায় ফজরের নামাজ পড়তে যাওয়ার পথে বোরকা পরে চাচাকে কুপিয়ে রক্তাক্ত করেছেন ভাতিজা মিজানুর রহমান। এ ঘটনার ৩৬ ঘণ্টার মধ্যে প্রধান আসামিসহ দুজনকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ।

 

বৃহস্পতিবার (৩০ অক্টোবর) দুপুরে শাহরাস্তি মডেল থানা ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মদ আবুল বাসার গণমাধ্যম কে এ তথ্য জানিয়েছেন।

 

পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, গত ২৭ অক্টোবর ভোর পৌনে পাঁচটার দিকে উপজেলার মালরা ভূঁইয়া বাড়ি জামে মসজিদের পশ্চিম পাশে পুকুরপাড়ে অতর্কিতভাবে হামলার শিকার হন ওই গ্রামের বাসিন্দা মোস্তফা ভূঁইয়া। বোরকা পরে পথরোধ করে মিজানুর রহমান (৫১), তার স্ত্রী ফুলবানু (৪৫), ভাই মো. মফিজ ভূঁইয়া ও মেয়ে শাহনারা বেগম মিলে দা ও লাঠিসোটা দিয়ে মোস্তফা ভূঁইয়ার ওপর হামলা চালায়। এতে তিনি গুরুতর আহত হন। পরে স্থানীয়রা তাকে উদ্ধার করে প্রথমে শাহরাস্তি উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স ও পরে ঢাকায় স্থানান্তর করে। বর্তমানে তিনি রাজধানীর একটি বেসরকারি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন আছেন।

 

এ ঘটনায় আহতের ছেলে মোশাররফ হোসেন বাদী হয়ে শাহরাস্তি মডেল থানায় একটি মামলা দায়ের করেন।

 

গত ২৯ অক্টোবর রাতে চাঁদপুর সদর এলাকায় অভিযান চালিয়ে প্রধান আসামি মিজানুর রহমানকে গ্রেফতার করা হয়। এর আগে ২৮ অক্টোবর নিজ বাড়ি থেকে তার স্ত্রী ফুলবানুকে আটক করে পুলিশ।

 

শাহরাস্তি মডেল থানা ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মদ আবুল বাসার বলেন, “আমরা শুরু থেকেই মামলাটিকে গুরুত্বের সঙ্গে তদন্ত করেছি। দ্রুত পদক্ষেপ নেওয়ায় ৩৬ ঘণ্টার মধ্যেই প্রধান আসামিসহ দুইজনকে আইনের আওতায় আনা সম্ভব হয়েছে। আটক মিজানুর রহমান ঘটনার ১৫ দিন আগ থেকে আত্মগোপনে ছিলেন বলে জিজ্ঞাসাবাদে জানা যায়।

 

পুলিশ জানায়, প্রাথমিক তদন্তে পারিবারিক ও সম্পত্তি-সংক্রান্ত বিরোধ থেকেই এই হামলার সূত্রপাত বলে ধারণা করা হচ্ছে। গ্রেফতার দুইজনকে আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠানো হয়েছে।