ঢাকা , শনিবার, ০১ অগাস্ট ২০২৬, ১৬ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম:
জলঢাকায় ৮ম শ্রেণির ছাত্রীর মর্মান্তিক মৃত্যু: নেপথ্যে বখাটেদের মারধর ও মা-বাবার নির্যাতন! ​ বাগেরহাট জেলা আইনজীবী সমিতির নির্বাচন: দিপু সভাপতি, জালাল সম্পাদক নির্বাচিত টেকনাফে কোস্ট গার্ডের অভিযানে ৬ হাজার ৫০০ পিস ইয়াবাসহ আটক ২ হবিগঞ্জে জাতীয় নাগরিক পার্টির ১০ নেতার বিরুদ্ধে মামলা, আসামি সারজিস ও নাসীরুদ্দীন আজ উৎসবমুখর পরিবেশে জালালাবাদ অ্যাসোসিয়েশন নির্বাচন-২০২৬ বাগেরহাটে নাগরিক ফোরামের সভা অনুষ্ঠিত পিরোজপুরে ইসলামি যুব আন্দোলন বাংলাদেশের ১০ম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী পালিত খাল খননে ১ কোটি ২ লাখ টাকা সাশ্রয়, রাষ্ট্রীয় কোষাগারে ফেরত দিলেন চরফ্যাশনের ইউএনও প্রতিবন্ধীদের আত্মনির্ভরশীলতার পথ দেখালেন প্রধানমন্ত্রী, ৩ অদম্য তরুণ-তরুণীর হাতে চাকরির নিয়োগপত্র হস্তান্তর টেকনাফে কুরিয়ার সার্ভিসের কার্গো স্টোরে ১১,২০০ পিস ইয়াবা উদ্ধার: বিজিবি ও পুলিশের যৌথ অভিযান

রূপনগরের জনপ্রিয় ওসি মোকাম্মেল হককে প্রত্যাহার, ক্ষোভে ফুঁসছে এলাকাবাসী

 

ঢাকা মহানগর পুলিশের (ডিএমপি) রূপনগর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোকাম্মেল হককে প্রশাসনিক কারণে প্রত্যাহার করা হয়েছে। তবে এলাকায় জোর গুঞ্জন—আইজিপি বরাবর হওয়া একটি “মিথ্যা অভিযোগের” ভিত্তিতেই তাকে হঠাৎ প্রত্যাহার করা হয়েছে।

 

ওসি মোকাম্মেল হকের প্রত্যাহারের খবর ছড়িয়ে পড়তেই ক্ষোভে ফেটে পড়েন এলাকাবাসী। তারা বলছেন, “দীর্ঘদিন সততা, নিষ্ঠা ও আন্তরিকতার সঙ্গে কাজ করেছেন মোকাম্মেল হক। তার সময়ে রূপনগরের আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি অনেক উন্নত হয়েছিল।”

 

স্থানীয়দের অভিযোগ, কিছু প্রভাবশালী ও ভুঁইফোর চক্রের ষড়যন্ত্রে একটি মিথ্যা অভিযোগ সাজিয়ে দায়িত্বশীল এই পুলিশ কর্মকর্তাকে প্রত্যাহার করানো হয়েছে।

 

একজন স্থানীয় বাসিন্দা বলেন,“রূপনগরে আগে অনেক ওসি এসেছেন, কিন্তু আমরা ঠিকমতো সেবা পাইনি। অনেক সময় থানায় গিয়ে হয়রানির শিকার হতাম। কিন্তু মোকাম্মেল হক আসার পর থানা হয়েছে সাধারণ মানুষের আশ্রয়স্থল। তিনি ছিলেন জনগণের পুলিশ।”

 

আরেকজন ক্ষুব্ধ বাসিন্দা বলেন,“একজন সৎ অফিসারের বিরুদ্ধে তদন্ত ছাড়াই পদক্ষেপ নেওয়া অন্যায়। এভাবে যদি যোগ্য অফিসারদের মিথ্যা অভিযোগে সরিয়ে দেওয়া হয়, তাহলে ভবিষ্যতে কেউ সৎভাবে কাজ করতে চাইবে না।”

 

এলাকাবাসীর দাবি, তার মতো নিষ্ঠাবান ও জনগণের পাশে থাকা অফিসারদের দায়িত্বে রাখা পুলিশের ভাবমূর্তি উজ্জ্বল করে।

 

উল্লেখ্য, ওসি মোকাম্মেল হক দায়িত্ব নেওয়ার পর থেকেই রূপনগর এলাকায় মাদক, চাঁদাবাজি ও সন্ত্রাসী কার্যক্রমের বিরুদ্ধে অভিযান চালিয়ে আসছিলেন, যা স্থানীয়দের কাছে প্রশংসিত হয়েছিল।

 

এলাকাবাসীর বক্তব্য,“এভাবে যদি সৎ অফিসারদের সরিয়ে দেওয়া হয়, তাহলে পুলিশে আর কেউ কাজ করবে না নিষ্ঠার সঙ্গে।”

 

চূড়ান্তভাবে প্রত্যাহারের পেছনের প্রকৃত কারণ নিয়ে ডিএমপির পক্ষ থেকে আনুষ্ঠানিক কোনো বক্তব্য পাওয়া যায়নি।

জনপ্রিয়

জলঢাকায় ৮ম শ্রেণির ছাত্রীর মর্মান্তিক মৃত্যু: নেপথ্যে বখাটেদের মারধর ও মা-বাবার নির্যাতন! ​

রূপনগরের জনপ্রিয় ওসি মোকাম্মেল হককে প্রত্যাহার, ক্ষোভে ফুঁসছে এলাকাবাসী

আপডেট : ১২:৪৩ অপরাহ্ন, রবিবার, ২৮ সেপ্টেম্বর ২০২৫

 

ঢাকা মহানগর পুলিশের (ডিএমপি) রূপনগর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোকাম্মেল হককে প্রশাসনিক কারণে প্রত্যাহার করা হয়েছে। তবে এলাকায় জোর গুঞ্জন—আইজিপি বরাবর হওয়া একটি “মিথ্যা অভিযোগের” ভিত্তিতেই তাকে হঠাৎ প্রত্যাহার করা হয়েছে।

 

ওসি মোকাম্মেল হকের প্রত্যাহারের খবর ছড়িয়ে পড়তেই ক্ষোভে ফেটে পড়েন এলাকাবাসী। তারা বলছেন, “দীর্ঘদিন সততা, নিষ্ঠা ও আন্তরিকতার সঙ্গে কাজ করেছেন মোকাম্মেল হক। তার সময়ে রূপনগরের আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি অনেক উন্নত হয়েছিল।”

 

স্থানীয়দের অভিযোগ, কিছু প্রভাবশালী ও ভুঁইফোর চক্রের ষড়যন্ত্রে একটি মিথ্যা অভিযোগ সাজিয়ে দায়িত্বশীল এই পুলিশ কর্মকর্তাকে প্রত্যাহার করানো হয়েছে।

 

একজন স্থানীয় বাসিন্দা বলেন,“রূপনগরে আগে অনেক ওসি এসেছেন, কিন্তু আমরা ঠিকমতো সেবা পাইনি। অনেক সময় থানায় গিয়ে হয়রানির শিকার হতাম। কিন্তু মোকাম্মেল হক আসার পর থানা হয়েছে সাধারণ মানুষের আশ্রয়স্থল। তিনি ছিলেন জনগণের পুলিশ।”

 

আরেকজন ক্ষুব্ধ বাসিন্দা বলেন,“একজন সৎ অফিসারের বিরুদ্ধে তদন্ত ছাড়াই পদক্ষেপ নেওয়া অন্যায়। এভাবে যদি যোগ্য অফিসারদের মিথ্যা অভিযোগে সরিয়ে দেওয়া হয়, তাহলে ভবিষ্যতে কেউ সৎভাবে কাজ করতে চাইবে না।”

 

এলাকাবাসীর দাবি, তার মতো নিষ্ঠাবান ও জনগণের পাশে থাকা অফিসারদের দায়িত্বে রাখা পুলিশের ভাবমূর্তি উজ্জ্বল করে।

 

উল্লেখ্য, ওসি মোকাম্মেল হক দায়িত্ব নেওয়ার পর থেকেই রূপনগর এলাকায় মাদক, চাঁদাবাজি ও সন্ত্রাসী কার্যক্রমের বিরুদ্ধে অভিযান চালিয়ে আসছিলেন, যা স্থানীয়দের কাছে প্রশংসিত হয়েছিল।

 

এলাকাবাসীর বক্তব্য,“এভাবে যদি সৎ অফিসারদের সরিয়ে দেওয়া হয়, তাহলে পুলিশে আর কেউ কাজ করবে না নিষ্ঠার সঙ্গে।”

 

চূড়ান্তভাবে প্রত্যাহারের পেছনের প্রকৃত কারণ নিয়ে ডিএমপির পক্ষ থেকে আনুষ্ঠানিক কোনো বক্তব্য পাওয়া যায়নি।