ঢাকা , বৃহস্পতিবার, ২৯ অক্টোবর ২০২৬, ১৪ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম:
আইসিসিবিতে ফার্নিচার মেলা, ৩২৩ স্টলে পণ্যের সমাহার তুরাগ নদ থেকে সাবেক বিমানবাহিনী কর্মকর্তা তাহসিফের মরদেহ উদ্ধার: ময়নাতদন্তের অপেক্ষায় নৌ-পুলিশ ঠাকুরগাঁও-১ আসনের উপনির্বাচনে ভোটগ্রহণ চলছে ​ টেকনাফে যুবদলের ৪৮তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীতে যুব সমাবেশ ও র‍্যালি ভোলাবাসীর স্বপ্ন, গ্যাসভিত্তিক শিল্প-কারখানা দুই যুগেও গড়ে ওঠেনি পিরোজপুরের নাজিরপুরে উন্নয়নবঞ্চিত সড়ক পরিদর্শন, তালিকা প্রস্তুত টেকনাফে বিদেশি পিস্তল-গুলিসহ ৪ অস্ত্রধারী গ্রেপ্তার মোরেলগঞ্জে যুবদলের ৪৮তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী পালিত এমপিপুত্রকে যুবদল থেকে বহিষ্কার, ওসি প্রত্যাহার রামপাল নাগরিক ফোরামের সভা ও প্রকল্পের ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা নির্ধারণে কর্মশালা অনুষ্ঠিত ​

ডাকসু নির্বাচনে জিএস পদে আবু বাকের মজুমদার: জুলাই বিপ্লবের সংগঠক থেকে ছাত্র আন্দোলনের ফ্রন্টলাইনে

  • মোঃ আনজার শাহ
  • আপডেট : ০৬:২২ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ৮ সেপ্টেম্বর ২০২৫
  • ৩০৫ ভিউ

 

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের আসন্ন ডাকসু নির্বাচনে সাধারণ সম্পাদক (জিএস) পদে প্রার্থী হয়েছেন ছাত্র সংসদের কেন্দ্রীয় আহ্বায়ক আবু বাকের মজুমদার। তিনি শুধু একজন প্রার্থী নন, বরং ২০২৪ সালের জুলাই বিপ্লবের কেন্দ্রীয় সমন্বয়ক এবং বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের অন্যতম মুখপাত্র।

 

 

সাবেক তথ্য উপদেষ্টা ও এনসিপির আহ্বায়ক নাহিদ ইসলাম সম্প্রতি নিজের ফেসবুক পেজে লিখেছেন, “আবু বাকেরের ভূমিকা একদিন জাতি জানবে। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়কে সঠিক পথে নেতৃত্ব দিতে তাকে প্রয়োজন।” তার এই পোস্টের পর থেকেই ডাকসু নির্বাচনে আবু বাকের মজুমদারের প্রার্থীতা নিয়ে নতুন আলোচনা শুরু হয়েছে।

 

২০২৪ সালের জুলাই বিপ্লবের সময় গোয়েন্দা পুলিশের হাতে আটক ছয়জনের মধ্যে একজন ছিলেন আবু বাকের মজুমদার। ছাত্র আন্দোলনের কেন্দ্রীয় কার্যালয় থেকে গ্রেপ্তারের ঘটনা তখন সারা দেশে আলোড়ন তোলে। সেই সময় থেকেই তিনি সাহসী, অটল এবং সংগ্রামী নেতৃত্বের প্রতীক হিসেবে পরিচিতি পান।

 

আগামী ৯ সেপ্টেম্বর অনুষ্ঠিত হতে যাওয়া ডাকসু নির্বাচনে জিএস পদে মোট ১৯ জন প্রার্থী লড়াই করছেন। তাদের মধ্যে আবু বাকের মজুমদারকে শক্তিশালী প্রার্থী হিসেবে বিবেচনা করছেন অনেকেই। নির্বাচনী প্রচারণায় তিনি স্পষ্ট বার্তা দিচ্ছেন—“রাজনৈতিক পরিচয়ে চাকরির সুযোগ নেই। এর বিরুদ্ধে আমাদের লড়াই জারি থাকবে। চাকরি এবং একাডেমিক পড়াশোনার জন্য ২৪/৭ স্টাডি বিল্ডিংয়ের উদ্যোগ গ্রহণ করা হবে।”

 

 

আবু বাকের মজুমদারের রাজনৈতিক যাত্রা শুরু স্কুল জীবন থেকেই। ন্যায্য অধিকার প্রতিষ্ঠার সংগ্রামে তিনি ছিলেন সামনের কাতারে। সরকারি চাকরিতে কোটা সংস্কারের আন্দোলন থেকে শুরু করে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলন—প্রতিটি ধাপে তার নেতৃত্বের ছাপ রয়েছে।

 

তার মতে, এই আন্দোলনের মধ্য দিয়ে জনগণের মধ্যে নতুন আকাঙ্ক্ষা তৈরি হয়েছে—অপশাসনে দুর্বল হয়ে পড়া রাষ্ট্রীয় ও সাংবিধানিক প্রতিষ্ঠানগুলো সংস্কার করে জনগণের প্রতিষ্ঠান হিসেবে গড়ে তোলা। আবু বাকের মজুমদার বলেন, “বিচার বিভাগে স্বচ্ছতা ফিরিয়ে আনা, ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠাসহ বিভিন্ন দাবি এখন জাতির। বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের প্রতিনিধিরা যেহেতু অন্তর্বর্তী সরকারে আছেন, তাই এ বিষয়গুলোতে আমরা সহযোগিতা করে যাচ্ছি।”

 

ডাকসু নির্বাচন ঘিরে ছাত্ররাজনীতিতে নতুন উত্তেজনা তৈরি হয়েছে। আগামী ৯ সেপ্টেম্বর ভোটের মাধ্যমে নির্ধারিত হবে, জুলাই বিপ্লবের এই সংগঠক বিশ্ববিদ্যালয়ের সাধারণ সম্পাদক হতে পারেন কি না।

 

 

আবু বাকের মজুমদার বলেন, আলহামদুলিল্লাহ ৭ সেপ্টেম্বর প্রচারণার শেষ দিন ছিল। এখন পর্যন্ত আপনাদের কাছ থেকে যে ভালোবাসা, পরামর্শ পেয়েছি এটা আমার জীবন অধ্যায়ে অনন্য। আপনারা আপনাদের যোগ্য প্রতিনিধি নির্বাচন করবেন এটাই একমাত্র প্রত্যাশা।

 

আমাদের অঙ্গিকার, ডাকসু হবে প্রতিবার!
৯ তারিখ সারাদিন, সবাই এসে ভোট দিন।

 

মোঃ আবু বাকের মজুমদার
জিএস পদপ্রার্থী, ব্যালট নংঃ ১১

জনপ্রিয়

আইসিসিবিতে ফার্নিচার মেলা, ৩২৩ স্টলে পণ্যের সমাহার

ডাকসু নির্বাচনে জিএস পদে আবু বাকের মজুমদার: জুলাই বিপ্লবের সংগঠক থেকে ছাত্র আন্দোলনের ফ্রন্টলাইনে

আপডেট : ০৬:২২ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ৮ সেপ্টেম্বর ২০২৫

 

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের আসন্ন ডাকসু নির্বাচনে সাধারণ সম্পাদক (জিএস) পদে প্রার্থী হয়েছেন ছাত্র সংসদের কেন্দ্রীয় আহ্বায়ক আবু বাকের মজুমদার। তিনি শুধু একজন প্রার্থী নন, বরং ২০২৪ সালের জুলাই বিপ্লবের কেন্দ্রীয় সমন্বয়ক এবং বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের অন্যতম মুখপাত্র।

 

 

সাবেক তথ্য উপদেষ্টা ও এনসিপির আহ্বায়ক নাহিদ ইসলাম সম্প্রতি নিজের ফেসবুক পেজে লিখেছেন, “আবু বাকেরের ভূমিকা একদিন জাতি জানবে। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়কে সঠিক পথে নেতৃত্ব দিতে তাকে প্রয়োজন।” তার এই পোস্টের পর থেকেই ডাকসু নির্বাচনে আবু বাকের মজুমদারের প্রার্থীতা নিয়ে নতুন আলোচনা শুরু হয়েছে।

 

২০২৪ সালের জুলাই বিপ্লবের সময় গোয়েন্দা পুলিশের হাতে আটক ছয়জনের মধ্যে একজন ছিলেন আবু বাকের মজুমদার। ছাত্র আন্দোলনের কেন্দ্রীয় কার্যালয় থেকে গ্রেপ্তারের ঘটনা তখন সারা দেশে আলোড়ন তোলে। সেই সময় থেকেই তিনি সাহসী, অটল এবং সংগ্রামী নেতৃত্বের প্রতীক হিসেবে পরিচিতি পান।

 

আগামী ৯ সেপ্টেম্বর অনুষ্ঠিত হতে যাওয়া ডাকসু নির্বাচনে জিএস পদে মোট ১৯ জন প্রার্থী লড়াই করছেন। তাদের মধ্যে আবু বাকের মজুমদারকে শক্তিশালী প্রার্থী হিসেবে বিবেচনা করছেন অনেকেই। নির্বাচনী প্রচারণায় তিনি স্পষ্ট বার্তা দিচ্ছেন—“রাজনৈতিক পরিচয়ে চাকরির সুযোগ নেই। এর বিরুদ্ধে আমাদের লড়াই জারি থাকবে। চাকরি এবং একাডেমিক পড়াশোনার জন্য ২৪/৭ স্টাডি বিল্ডিংয়ের উদ্যোগ গ্রহণ করা হবে।”

 

 

আবু বাকের মজুমদারের রাজনৈতিক যাত্রা শুরু স্কুল জীবন থেকেই। ন্যায্য অধিকার প্রতিষ্ঠার সংগ্রামে তিনি ছিলেন সামনের কাতারে। সরকারি চাকরিতে কোটা সংস্কারের আন্দোলন থেকে শুরু করে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলন—প্রতিটি ধাপে তার নেতৃত্বের ছাপ রয়েছে।

 

তার মতে, এই আন্দোলনের মধ্য দিয়ে জনগণের মধ্যে নতুন আকাঙ্ক্ষা তৈরি হয়েছে—অপশাসনে দুর্বল হয়ে পড়া রাষ্ট্রীয় ও সাংবিধানিক প্রতিষ্ঠানগুলো সংস্কার করে জনগণের প্রতিষ্ঠান হিসেবে গড়ে তোলা। আবু বাকের মজুমদার বলেন, “বিচার বিভাগে স্বচ্ছতা ফিরিয়ে আনা, ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠাসহ বিভিন্ন দাবি এখন জাতির। বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের প্রতিনিধিরা যেহেতু অন্তর্বর্তী সরকারে আছেন, তাই এ বিষয়গুলোতে আমরা সহযোগিতা করে যাচ্ছি।”

 

ডাকসু নির্বাচন ঘিরে ছাত্ররাজনীতিতে নতুন উত্তেজনা তৈরি হয়েছে। আগামী ৯ সেপ্টেম্বর ভোটের মাধ্যমে নির্ধারিত হবে, জুলাই বিপ্লবের এই সংগঠক বিশ্ববিদ্যালয়ের সাধারণ সম্পাদক হতে পারেন কি না।

 

 

আবু বাকের মজুমদার বলেন, আলহামদুলিল্লাহ ৭ সেপ্টেম্বর প্রচারণার শেষ দিন ছিল। এখন পর্যন্ত আপনাদের কাছ থেকে যে ভালোবাসা, পরামর্শ পেয়েছি এটা আমার জীবন অধ্যায়ে অনন্য। আপনারা আপনাদের যোগ্য প্রতিনিধি নির্বাচন করবেন এটাই একমাত্র প্রত্যাশা।

 

আমাদের অঙ্গিকার, ডাকসু হবে প্রতিবার!
৯ তারিখ সারাদিন, সবাই এসে ভোট দিন।

 

মোঃ আবু বাকের মজুমদার
জিএস পদপ্রার্থী, ব্যালট নংঃ ১১