ঢাকা , বৃহস্পতিবার, ২৯ অক্টোবর ২০২৬, ১৪ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম:
বিএনপির প্রার্থী মির্জা ফয়সল আমীন বিজয়ী আইসিসিবিতে ফার্নিচার মেলা, ৩২৩ স্টলে পণ্যের সমাহার তুরাগ নদ থেকে সাবেক বিমানবাহিনী কর্মকর্তা তাহসিফের মরদেহ উদ্ধার: ময়নাতদন্তের অপেক্ষায় নৌ-পুলিশ ঠাকুরগাঁও-১ আসনের উপনির্বাচনে ভোটগ্রহণ চলছে ​ টেকনাফে যুবদলের ৪৮তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীতে যুব সমাবেশ ও র‍্যালি ভোলাবাসীর স্বপ্ন, গ্যাসভিত্তিক শিল্প-কারখানা দুই যুগেও গড়ে ওঠেনি পিরোজপুরের নাজিরপুরে উন্নয়নবঞ্চিত সড়ক পরিদর্শন, তালিকা প্রস্তুত টেকনাফে বিদেশি পিস্তল-গুলিসহ ৪ অস্ত্রধারী গ্রেপ্তার মোরেলগঞ্জে যুবদলের ৪৮তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী পালিত এমপিপুত্রকে যুবদল থেকে বহিষ্কার, ওসি প্রত্যাহার

গাজীপুরে হাসনাত আব্দুল্লাহর উপর হামলার পর ফেসবুকে স্ট্যাটাস দিলেন: তরিক আহমেদ

 

অনেকে হয়তো জানেন না হাসনাত আবদুল্লাহ এক সময় প্রচন্ড ভালো লিখালিখি করতো। ওর অনেক পোস্টে কমেন্ট করতেন স্বয়ং ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষকরা। আমি এসব চেক করতাম, ঈর্ষা হতো। কিন্তু মাঝেমধ্যে ভাবতাম- এসব উচ্চ লেভেলের চিন্তা করে কি লাভ যদি বাস্তব জীবনে প্রয়োগ না ঘটাইতে পারে।

 

একদিন দেখলাম রেজিস্টার বিল্ডিং-এর সামনে প্লেকার্ড নিয়ে একাই দাঁড়াই আছে, লাল ফিতার দৌরাত্ম ভাঙ্গার প্রতিবাদে। আমার ভুল ভাঙ্গলো। মনে হইলো ছেলেটার সচ্চ চিন্তাধারার মত কাজে-কামেও মিল আছে। ঢাবিতে খুব কম মানুষ আছে নিজের সময় নষ্ট করে এসব এক্টিভিটি করে।

 

জুলাইয়ে হাসনাত আবদুল্লাহ’কে আবার নতুন করে চিনলাম। এক কাপড়ে দেশ স্বাধীন করায় হাসনাত আবদুল্লাহ’র যতটা ভূমিকা ছিলো- এরচে বড় ভূমিকায় অবতীর্ণ হলো জুলাইয়ের পর। বিপ্লবের স্পিরিট ধরে রাখতে সবচে বেশি লড়াই যারা করে যাচ্ছে, হাসনাতের নাম বোধহয় সবার উপরে থাকবে। স্বাভাবিক ভাবেই দালাল মিডিয়া কিংবা স্বৈরাচারীদের চোখ হাসনাতের দিকেই পড়লো।

 

মূল কথা যেটা বলতে চাইছিলাম- আমি এরকম অনেক মানুষকে দেখেছি যাদের চিন্তাভাবনা লিখালিখি খুব সুন্দর কিন্তু সেটা অনলাইনের মধ্যেই সীমাবদ্ধ। আমার এক বন্ধু ছিলো, হাজার হাজার বই পড়তো- কিন্তু কোনদিন তাকে হল থেকে বের হয়ে টিএসসিতে যাইতে দেখি নাই, দেখি নাই কখনো নিপীড়িত স্টুডেন্ট কিংবা দেশের স্বার্থে দাঁড়াইতে। এই মানুষ গুলার উপর আমার একটা রাগ কাজ করতো সব সময়।

 

কিন্তু হাসনাত আবদুল্লাহ’কে দেখলাম- যার চিন্তাভাবনা, কথাকাজ, অনলাইন কিংবা বাস্তব জীবন সবখানেই সেইম। কোন মেকি কান্না নেই, শো’অফ নেই, অভিনয় নেই- পুরোটাই যেন রক্তেমাংসে সাধারণ কিন্তু অসাধারণ এক আত্মা।

 

স্বপ্ন দেখতে কোন দোষ নাই। পুরো পৃথিবী এখন রাজত্ব করতেছে তরুণরা। এক জাস্টিন ট্রুডো কোটি কোটি মানুষের আইডল। লাস্ট ৫ বছরে আমি বাংলাদেশে অনেক সম্ভাবনাময় তরুণ দেখেছি। প্রত্যেকটা দলেই এরা আছে। শুধু দরকার এদেরকে একটু সাপোর্ট দেয়া, স্পেস দেয়া। হাসনাত আবদুল্লাহ’দের হারাই যাইতে দিলে বাংলাদেশ আবার হেরে যাবে।

জনপ্রিয়

বিএনপির প্রার্থী মির্জা ফয়সল আমীন বিজয়ী

গাজীপুরে হাসনাত আব্দুল্লাহর উপর হামলার পর ফেসবুকে স্ট্যাটাস দিলেন: তরিক আহমেদ

আপডেট : ০৪:২৮ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ৫ মে ২০২৫

 

অনেকে হয়তো জানেন না হাসনাত আবদুল্লাহ এক সময় প্রচন্ড ভালো লিখালিখি করতো। ওর অনেক পোস্টে কমেন্ট করতেন স্বয়ং ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষকরা। আমি এসব চেক করতাম, ঈর্ষা হতো। কিন্তু মাঝেমধ্যে ভাবতাম- এসব উচ্চ লেভেলের চিন্তা করে কি লাভ যদি বাস্তব জীবনে প্রয়োগ না ঘটাইতে পারে।

 

একদিন দেখলাম রেজিস্টার বিল্ডিং-এর সামনে প্লেকার্ড নিয়ে একাই দাঁড়াই আছে, লাল ফিতার দৌরাত্ম ভাঙ্গার প্রতিবাদে। আমার ভুল ভাঙ্গলো। মনে হইলো ছেলেটার সচ্চ চিন্তাধারার মত কাজে-কামেও মিল আছে। ঢাবিতে খুব কম মানুষ আছে নিজের সময় নষ্ট করে এসব এক্টিভিটি করে।

 

জুলাইয়ে হাসনাত আবদুল্লাহ’কে আবার নতুন করে চিনলাম। এক কাপড়ে দেশ স্বাধীন করায় হাসনাত আবদুল্লাহ’র যতটা ভূমিকা ছিলো- এরচে বড় ভূমিকায় অবতীর্ণ হলো জুলাইয়ের পর। বিপ্লবের স্পিরিট ধরে রাখতে সবচে বেশি লড়াই যারা করে যাচ্ছে, হাসনাতের নাম বোধহয় সবার উপরে থাকবে। স্বাভাবিক ভাবেই দালাল মিডিয়া কিংবা স্বৈরাচারীদের চোখ হাসনাতের দিকেই পড়লো।

 

মূল কথা যেটা বলতে চাইছিলাম- আমি এরকম অনেক মানুষকে দেখেছি যাদের চিন্তাভাবনা লিখালিখি খুব সুন্দর কিন্তু সেটা অনলাইনের মধ্যেই সীমাবদ্ধ। আমার এক বন্ধু ছিলো, হাজার হাজার বই পড়তো- কিন্তু কোনদিন তাকে হল থেকে বের হয়ে টিএসসিতে যাইতে দেখি নাই, দেখি নাই কখনো নিপীড়িত স্টুডেন্ট কিংবা দেশের স্বার্থে দাঁড়াইতে। এই মানুষ গুলার উপর আমার একটা রাগ কাজ করতো সব সময়।

 

কিন্তু হাসনাত আবদুল্লাহ’কে দেখলাম- যার চিন্তাভাবনা, কথাকাজ, অনলাইন কিংবা বাস্তব জীবন সবখানেই সেইম। কোন মেকি কান্না নেই, শো’অফ নেই, অভিনয় নেই- পুরোটাই যেন রক্তেমাংসে সাধারণ কিন্তু অসাধারণ এক আত্মা।

 

স্বপ্ন দেখতে কোন দোষ নাই। পুরো পৃথিবী এখন রাজত্ব করতেছে তরুণরা। এক জাস্টিন ট্রুডো কোটি কোটি মানুষের আইডল। লাস্ট ৫ বছরে আমি বাংলাদেশে অনেক সম্ভাবনাময় তরুণ দেখেছি। প্রত্যেকটা দলেই এরা আছে। শুধু দরকার এদেরকে একটু সাপোর্ট দেয়া, স্পেস দেয়া। হাসনাত আবদুল্লাহ’দের হারাই যাইতে দিলে বাংলাদেশ আবার হেরে যাবে।