পিরোজপুর সরকারী উচ্চ বিদ্যালয়ের নতুন একাডেমিক ভবন মুল ক্যাম্পাসে রাখার দাবীতে প্রাক্তন ও বর্তমান শিক্ষার্থীরা মানববন্ধন করেছে। বুধবার (১৯ মার্চ) বেলা ১১টায় বিদ্যালয়ের সামনে প্রাক্তন ও বর্তমান শিক্ষার্থীদের ব্যানারে শতাধিক শিক্ষার্থী ও অভিভাবক অংশ নেয়। পরে স্কুল ম্যানেজিং কমিটির সভাপতি ও জেলা প্রশাসক বরাবরে স্মারকলিপি দেয়া হয়।
স্মারকলিপিতে বলা হয়, দক্ষিণ বাংলার ঐতিহ্যবাহী ১শত ১৫ বছরের পুরাতন পিরোজপুর সরকারী উচ্চ বিদ্যালয়ে একটি নতুন একাডেমিক ভবন নির্মাণের অনুমোদন দেয়া হয়েছে। প্রতিটি স্কুল সমুহে শিক্ষক সল্পতার কারনে বর্তমান সরকার ঘোষিত স্কুলসমূহে শিফট প্রথা বাতিল করে একটি শিফটে স্কুল চালানোর জন্য নতুন নতুন ভবন নির্মাণের উদ্যোগ নেয়া হয়েছে। এরই ধারাবাহিকতায় পিরোজপুরে দুটি সরকারী বিদ্যালয়ে ৬তলা বিশিষ্ট দুটি ভবন নির্মাণের অনুমোদন দেয়া হয়। পিরোজপুর সরকারী বালক বিদ্যালয়ের ৬তলা ভবনটি নির্মাণের জন্য শিক্ষা প্রকৌশল বিভাগ সাধারণ শিক্ষার্থী, শিক্ষক ও অভিভাবকদের দাবী উপেক্ষা করে পুরাতন জেলখানার পিছনে জঙ্গলের মধ্যে নতুন একাডেমিক ভবন নির্মানের উদ্যোগ নেয়। যেখানে ইতোমধ্যে কয়েক লাখ টাকা খরচ করে সয়েল টেস্টও সম্পন্ন করেছে তারা।
মানববন্ধনে বক্তারা বলেন, মুল ক্যাম্পাসের বাইরে নতুন ভবন নির্মাণ হলে বিদ্যালয়ের প্রশাসনিক কার্যক্রম, শ্রেনি পাঠ, ও শৃঙ্খলাসহ নানাবিধ সমস্যা হতে পারে।
তাদের দাবী বিদ্যালয়ের মুল ভবনের পশ্চিম পাশের মসজিদ সংলগ্ন পরিত্যাক্ত ঝুকিপূর্ণ ভবনটি অপসারন করে সেখানে নতুন ভবন নির্মান করা হোক। এতে করে বিদ্যালয়ের সার্বিক কার্যক্রম গতিশীল হবে এবং সৌন্দর্য বৃদ্ধি পাবে। এছাড়া মুল ক্যাম্পাসের ভিতর জরাজীর্ণ পরিত্যাক্ত ভবন থাকলে সেখানে মাদকের আস্থানা তৈরীসহ নানাবিধ অসামাজিক কার্যক্রমের সম্ভাবনা রয়েছে।
মানববন্ধনে বক্তব্য রাখেন, বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী সহকারী অধ্যাপক মো. মঞ্জুরুল ইসলাম, প্রেসক্লাব সভাপতি রেজাউল ইসলাম শামিম, সাংবাদিক খালিদ আবু, মিজানুর রহমান, মো. নুর উদ্দিন, বর্তমান শিক্ষার্থী সাদী মো. হিমেলসহ শিক্ষার্থীরা।

বক্তারা বলেন, এই ঈদের মধ্যে সঠিক সিদ্ধান্ত না নিলে ঈদের পরে প্রাক্তন ও বর্তমান শিক্ষার্থীরা অভিভাবকদের নিয়ে বৃহৎ কর্মসুচি গ্রহণে বাধ্য হবে।

হাসান মামুন, পিরোজপুর প্রতিনিধিঃ 



















