ঢাকা , শনিবার, ৩১ অক্টোবর ২০২৬, ১৬ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম:
তাহসিফ নদীতে ঝাঁপ দেন, আমি পালিয়ে আসি: পিবিআইকে দীপ ট্রাইব্যুনালের বিচারকের বাসার সামনে ককটেল বিস্ফোরণ, আটক ৪ মোরেলগঞ্জে জাঁকজমকপূর্ণ আয়োজনে আইডিয়াল জেনারেল হাসপাতালের উদ্বোধন বন্ধ শিল্পকারখানা সচল ও কর্মসংস্থান সৃষ্টিতে সরকারের বহুমুখী পরিকল্পনা মোরেলগঞ্জে বেতকাশি বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষকের বিরুদ্ধে অভিযোগ তদন্তে শিক্ষা অফিস নগরবাসীর হাঁটার মৌলিক অধিকার বনাম অবৈধ দখল বাণিজ্য: ঢাকার ফুটপাতে শৃঙ্খলা ফেরাতে জরুরি পদক্ষেপ টেকনাফের চার পুলিশ স্থাপনা পরিদর্শনে চট্টগ্রাম রেঞ্জের ডিআইজি মানিক পশারীর দাফনে বাধার প্রতিবাদে মুক্তিযোদ্ধা সংসদের নিন্দা বিএনপির প্রার্থী মির্জা ফয়সল আমীন বিজয়ী আইসিসিবিতে ফার্নিচার মেলা, ৩২৩ স্টলে পণ্যের সমাহার

মোরেলগঞ্জে ২০০ দরিদ্র পরিবারের মাঝে ছাগল বিতরণ করলো ওয়ার্ল্ড ভিশন বাংলাদেশ

 

দারিদ্র্য দূরীকরণ ও স্বনির্ভরতার পথে এগিয়ে নিতে বাগেরহাটের মোরেলগঞ্জে ওয়ার্ল্ড ভিশন বাংলাদেশ দরিদ্র পরিবারের মাঝে ছাগল বিতরণ কর্মসূচি বাস্তবায়ন করেছে। রোববার (১৬ মার্চ) মোরেলগঞ্জ প্রাণিসম্পদ অফিস প্রাঙ্গণে আয়োজিত এ কর্মসূচিতে উপজেলার চারটি ইউনিয়নের ২০০ দরিদ্র পরিবারের মাঝে ব্ল্যাক বেঙ্গল জাতের ২০০টি ছাগল বিতরণ করা হয়।

 

 

অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন উপজেলা প্রাণিসম্পদ সম্প্রসারণ কর্মকর্তা আয়েশা সিদ্দিকা, ওয়ার্ল্ড ভিশন বাংলাদেশের মোরেলগঞ্জ এপি শাখার এরিয়া ম্যানেজার তপন কুমার মণ্ডল, প্রোগ্রাম অফিসার মিলিতা সরকার, স্বপন হালদারসহ স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ। এছাড়া সুবিধাভোগী পরিবারের সদস্য ও গণমাধ্যমকর্মীরাও উপস্থিত ছিলেন।

 

ওয়ার্ল্ড ভিশন বাংলাদেশের এরিয়া ম্যানেজার তপন কুমার মণ্ডল বলেন, “ছাগল পালন একটি লাভজনক উদ্যোগ, যা দরিদ্র পরিবারগুলোর আয় বৃদ্ধিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।” তিনি আরও জানান, ১৯৭৬ সাল থেকে ওয়ার্ল্ড ভিশন বাংলাদেশ শিশুদের স্বাস্থ্য, শিক্ষা, সুরক্ষা ও অধিকার রক্ষায় কাজ করছে। সংস্থাটি মাতৃ ও শিশুর পুষ্টি, পানি ও স্যানিটেশন (WASH), জলবায়ু পরিবর্তন, লিঙ্গ সমতা এবং জরুরি সেবার মতো বিভিন্ন ক্ষেত্রেও অবদান রেখে চলেছে। ২০২৩ সালে ওয়ার্ল্ড ভিশন ৬.৫ মিলিয়ন মানুষের কাছে পৌঁছেছে, যার মধ্যে ৪.৫ মিলিয়ন শিশু উপকৃত হয়েছে।

 

বিতরণের আগে প্রতিটি ছাগলকে উপজেলা প্রাণিসম্পদ সম্প্রসারণ অফিসের পর্যবেক্ষণে রাখা হয় এবং স্বাস্থ্য পরীক্ষা করা হয়। উপজেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা আয়েশা সিদ্দিকা জানান, ট্রান্সপোর্টেশনের কারণে সাময়িক অসুস্থ হওয়া দুটি ছাগল তাৎক্ষণিক চিকিৎসার মাধ্যমে সুস্থ করে তোলা হয় এবং পরে বিতরণের জন্য উপযুক্ত ঘোষণা করা হয়।

 

প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তারা সুবিধাভোগীদের ছাগল পালনের সঠিক কৌশল, পরিচর্যা, খাদ্য ও চিকিৎসার বিষয়ে প্রয়োজনীয় নির্দেশনা দেন।

 

সহায়তা পাওয়া পরিবারের সদস্যরা ওয়ার্ল্ড ভিশন বাংলাদেশ ও কানাডা সরকারের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন। তারা জানান, এ উদ্যোগ তাদের পরিবারের আয় বৃদ্ধি ও জীবনমান উন্নয়নে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।

 

উল্লেখ্য, কানাডা সরকারের অর্থায়নে এই কর্মসূচির আওতায় প্রতিটি পরিবারকে একটি ব্ল্যাক বেঙ্গল ছাগল ও ছয়টি হাঁস প্রদান করা হয়েছে, যা তাদের অর্থনৈতিক স্বনির্ভরতা নিশ্চিত করতে সহায়ক হবে।

 

এই উদ্যোগকে স্বাগত জানিয়ে সংশ্লিষ্টরা আশাবাদ ব্যক্ত করেছেন যে, এটি দরিদ্র জনগোষ্ঠীর আত্মনির্ভরশীলতা গঠনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।

জনপ্রিয়

তাহসিফ নদীতে ঝাঁপ দেন, আমি পালিয়ে আসি: পিবিআইকে দীপ

মোরেলগঞ্জে ২০০ দরিদ্র পরিবারের মাঝে ছাগল বিতরণ করলো ওয়ার্ল্ড ভিশন বাংলাদেশ

আপডেট : ০৬:০৭ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৬ মার্চ ২০২৫

 

দারিদ্র্য দূরীকরণ ও স্বনির্ভরতার পথে এগিয়ে নিতে বাগেরহাটের মোরেলগঞ্জে ওয়ার্ল্ড ভিশন বাংলাদেশ দরিদ্র পরিবারের মাঝে ছাগল বিতরণ কর্মসূচি বাস্তবায়ন করেছে। রোববার (১৬ মার্চ) মোরেলগঞ্জ প্রাণিসম্পদ অফিস প্রাঙ্গণে আয়োজিত এ কর্মসূচিতে উপজেলার চারটি ইউনিয়নের ২০০ দরিদ্র পরিবারের মাঝে ব্ল্যাক বেঙ্গল জাতের ২০০টি ছাগল বিতরণ করা হয়।

 

 

অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন উপজেলা প্রাণিসম্পদ সম্প্রসারণ কর্মকর্তা আয়েশা সিদ্দিকা, ওয়ার্ল্ড ভিশন বাংলাদেশের মোরেলগঞ্জ এপি শাখার এরিয়া ম্যানেজার তপন কুমার মণ্ডল, প্রোগ্রাম অফিসার মিলিতা সরকার, স্বপন হালদারসহ স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ। এছাড়া সুবিধাভোগী পরিবারের সদস্য ও গণমাধ্যমকর্মীরাও উপস্থিত ছিলেন।

 

ওয়ার্ল্ড ভিশন বাংলাদেশের এরিয়া ম্যানেজার তপন কুমার মণ্ডল বলেন, “ছাগল পালন একটি লাভজনক উদ্যোগ, যা দরিদ্র পরিবারগুলোর আয় বৃদ্ধিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।” তিনি আরও জানান, ১৯৭৬ সাল থেকে ওয়ার্ল্ড ভিশন বাংলাদেশ শিশুদের স্বাস্থ্য, শিক্ষা, সুরক্ষা ও অধিকার রক্ষায় কাজ করছে। সংস্থাটি মাতৃ ও শিশুর পুষ্টি, পানি ও স্যানিটেশন (WASH), জলবায়ু পরিবর্তন, লিঙ্গ সমতা এবং জরুরি সেবার মতো বিভিন্ন ক্ষেত্রেও অবদান রেখে চলেছে। ২০২৩ সালে ওয়ার্ল্ড ভিশন ৬.৫ মিলিয়ন মানুষের কাছে পৌঁছেছে, যার মধ্যে ৪.৫ মিলিয়ন শিশু উপকৃত হয়েছে।

 

বিতরণের আগে প্রতিটি ছাগলকে উপজেলা প্রাণিসম্পদ সম্প্রসারণ অফিসের পর্যবেক্ষণে রাখা হয় এবং স্বাস্থ্য পরীক্ষা করা হয়। উপজেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা আয়েশা সিদ্দিকা জানান, ট্রান্সপোর্টেশনের কারণে সাময়িক অসুস্থ হওয়া দুটি ছাগল তাৎক্ষণিক চিকিৎসার মাধ্যমে সুস্থ করে তোলা হয় এবং পরে বিতরণের জন্য উপযুক্ত ঘোষণা করা হয়।

 

প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তারা সুবিধাভোগীদের ছাগল পালনের সঠিক কৌশল, পরিচর্যা, খাদ্য ও চিকিৎসার বিষয়ে প্রয়োজনীয় নির্দেশনা দেন।

 

সহায়তা পাওয়া পরিবারের সদস্যরা ওয়ার্ল্ড ভিশন বাংলাদেশ ও কানাডা সরকারের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন। তারা জানান, এ উদ্যোগ তাদের পরিবারের আয় বৃদ্ধি ও জীবনমান উন্নয়নে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।

 

উল্লেখ্য, কানাডা সরকারের অর্থায়নে এই কর্মসূচির আওতায় প্রতিটি পরিবারকে একটি ব্ল্যাক বেঙ্গল ছাগল ও ছয়টি হাঁস প্রদান করা হয়েছে, যা তাদের অর্থনৈতিক স্বনির্ভরতা নিশ্চিত করতে সহায়ক হবে।

 

এই উদ্যোগকে স্বাগত জানিয়ে সংশ্লিষ্টরা আশাবাদ ব্যক্ত করেছেন যে, এটি দরিদ্র জনগোষ্ঠীর আত্মনির্ভরশীলতা গঠনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।