ঢাকা , মঙ্গলবার, ২৬ মে ২০২৬, ১১ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম:
বাগেরহাটে ভাইয়ের বিরুদ্ধে জমি দখলের অভিযোগ বোনের সংবাদ সম্মেলন পল্লবীর কালশী বস্তিতে ভয়াবহ আগুন ঈদকে সামনে রেখে টেকনাফে জাল টাকার কারখানায় বিজিবির অভিযান, ৫১ লাখ টাকার জাল নোটসহ আটক ২ টাঙ্গাইলে ট্রাক উল্টে নিহত ১৫ জনের বাড়ি রাজশাহী এশিয়া পোস্টের সম্পাদককে হাজার কোটি টাকা ক্ষতিপূরণের আইনি নোটিশ মাসুদ সাঈদীর উপকূলের জন্য বিশেষ বরাদ্দ চায় ক্লাইমেট অ্যাকশন ফোরাম বাগেরহাট মায়ানমারে পাচারকালে সেন্টমার্টিনে বিপুল সিমেন্ট জব্দ, আটক ৯ আর কত রামিসাকে হারাতে হবে? রামিসা হত্যা মামলার চার্জশিট আজই, ৫-৭ দিনের মধ্যে বিচার – স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী জমকালো আয়োজনে গুরুর বাড়ি কিডস কমিউনিটির বৈশাখী কিডস ফেস্টিভ্যাল অনুষ্ঠিত

‘ছাগল-কাণ্ডে’ আলোচিত সেই মতিউর রহমান ও তার স্ত্রী লায়লা গ্রেপ্তার

ফাইল ছবি

 

‘ছাগল-কাণ্ডে’ আলোচিত জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের (এনবিআর) সাবেক সদস্য মতিউর রহমান এবং তার প্রথম স্ত্রী সাবেক উপজেলা চেয়ারম্যান লায়লা কানিজকে গ্রেপ্তার করেছে ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা পুলিশ (ডিবি)।

 

বুধবার (১৫ জানুয়ারি) সকালে তাঁদের গ্রেপ্তারের বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন ঢাকা মহানগর পুলিশের (ডিএমপি) মিডিয়া ও পাবলিক রিলেশনস বিভাগের উপকমিশনার (ডিসি) মুহাম্মদ তালেবুর রহমান।

 

তিনি জানান, রাজধানীর বসুন্ধরা এলাকা থেকে তাদের গ্রেপ্তার করা হয়েছে।

 

মতিউর রহমান ও তার স্ত্রীর বিরুদ্ধে একাধিক মামলা রয়েছে। সর্বশেষ ৬ জানুয়ারি অবৈধ সম্পদ অর্জন এবং সম্পদের তথ্য গোপনের অভিযোগে মতিউর, তার প্রথম স্ত্রী লায়লা কানিজ, তাদের ছেলে তৌফিকুর রহমান এবং মেয়ে ফারজানা রহমানের বিরুদ্ধে পৃথক মামলা দায়ের করে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)।

 

এর আগে ২০২৪ সালের ১৫ ডিসেম্বর মতিউর ও তার দ্বিতীয় স্ত্রী শাম্মী আখতার শিবলীর বিরুদ্ধেও পৃথক দুটি মামলা দায়ের করে দুদক।

 

২০২৪ সালের কোরবানির ঈদে ১৫ লাখ টাকায় ‘উচ্চবংশীয়’ ছাগল কেনার খবর ভাইরাল হওয়ার পর থেকেই আলোচনায় আসেন মতিউর রহমানের ছেলে মুশফিকুর রহমান ওরফে ইফাত। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া ছবিতে দেখা যায়, ইফাত বিলাসবহুল জীবনযাপন করেন। এরপর থেকেই ইফাতের বাবার সম্পদ ও তাদের পরিবারের জীবনযাত্রা নিয়ে আলোচনা শুরু হয়।

 

মতিউর রহমান ও তার পরিবারের সদস্যদের নামে বিলাসবহুল রিসোর্ট, শুটিং স্পট, বাংলো বাড়ি, জমিসহ নামে-বেনামে বিপুল সম্পদের তথ্য বেরিয়ে আসে। তাঁদের সম্পদের উৎস নিয়ে প্রশ্ন ওঠে।

 

২০২৪ সালের ২৩ জুন দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক) মতিউর রহমানের বিরুদ্ধে তদন্ত শুরু করে। এর দুই দিন পর, ২৫ জুন, মতিউর ও তাঁর পরিবারের সদস্যদের নামে থাকা ব্যাংক হিসাব, মোবাইল ব্যাংকিং হিসাব এবং শেয়ারবাজারের বেনিফিশিয়ারি ওনার্স (বিও) হিসাব জব্দের নির্দেশ দেয় বাংলাদেশ ফাইন্যান্সিয়াল ইন্টেলিজেন্স ইউনিট (বিএফআইইউ)।

 

পরে ২৪ জুন মতিউর ও তার প্রথম পক্ষের স্ত্রী এবং সন্তানের বিদেশযাত্রায় নিষেধাজ্ঞা দেন আদালত।

 

পরবর্তীতে তাকে এনবিআর থেকে সরিয়ে অভ্যন্তরীণ সম্পদ বিভাগে বদলি করা হয় এবং সোনালী ব্যাংকের পরিচালকের পদ থেকেও সরিয়ে দেওয়া হয়।

জনপ্রিয়

বাগেরহাটে ভাইয়ের বিরুদ্ধে জমি দখলের অভিযোগ বোনের সংবাদ সম্মেলন

‘ছাগল-কাণ্ডে’ আলোচিত সেই মতিউর রহমান ও তার স্ত্রী লায়লা গ্রেপ্তার

আপডেট : ১০:৩৪ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ১৫ জানুয়ারী ২০২৫
ফাইল ছবি

 

‘ছাগল-কাণ্ডে’ আলোচিত জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের (এনবিআর) সাবেক সদস্য মতিউর রহমান এবং তার প্রথম স্ত্রী সাবেক উপজেলা চেয়ারম্যান লায়লা কানিজকে গ্রেপ্তার করেছে ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা পুলিশ (ডিবি)।

 

বুধবার (১৫ জানুয়ারি) সকালে তাঁদের গ্রেপ্তারের বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন ঢাকা মহানগর পুলিশের (ডিএমপি) মিডিয়া ও পাবলিক রিলেশনস বিভাগের উপকমিশনার (ডিসি) মুহাম্মদ তালেবুর রহমান।

 

তিনি জানান, রাজধানীর বসুন্ধরা এলাকা থেকে তাদের গ্রেপ্তার করা হয়েছে।

 

মতিউর রহমান ও তার স্ত্রীর বিরুদ্ধে একাধিক মামলা রয়েছে। সর্বশেষ ৬ জানুয়ারি অবৈধ সম্পদ অর্জন এবং সম্পদের তথ্য গোপনের অভিযোগে মতিউর, তার প্রথম স্ত্রী লায়লা কানিজ, তাদের ছেলে তৌফিকুর রহমান এবং মেয়ে ফারজানা রহমানের বিরুদ্ধে পৃথক মামলা দায়ের করে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)।

 

এর আগে ২০২৪ সালের ১৫ ডিসেম্বর মতিউর ও তার দ্বিতীয় স্ত্রী শাম্মী আখতার শিবলীর বিরুদ্ধেও পৃথক দুটি মামলা দায়ের করে দুদক।

 

২০২৪ সালের কোরবানির ঈদে ১৫ লাখ টাকায় ‘উচ্চবংশীয়’ ছাগল কেনার খবর ভাইরাল হওয়ার পর থেকেই আলোচনায় আসেন মতিউর রহমানের ছেলে মুশফিকুর রহমান ওরফে ইফাত। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া ছবিতে দেখা যায়, ইফাত বিলাসবহুল জীবনযাপন করেন। এরপর থেকেই ইফাতের বাবার সম্পদ ও তাদের পরিবারের জীবনযাত্রা নিয়ে আলোচনা শুরু হয়।

 

মতিউর রহমান ও তার পরিবারের সদস্যদের নামে বিলাসবহুল রিসোর্ট, শুটিং স্পট, বাংলো বাড়ি, জমিসহ নামে-বেনামে বিপুল সম্পদের তথ্য বেরিয়ে আসে। তাঁদের সম্পদের উৎস নিয়ে প্রশ্ন ওঠে।

 

২০২৪ সালের ২৩ জুন দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক) মতিউর রহমানের বিরুদ্ধে তদন্ত শুরু করে। এর দুই দিন পর, ২৫ জুন, মতিউর ও তাঁর পরিবারের সদস্যদের নামে থাকা ব্যাংক হিসাব, মোবাইল ব্যাংকিং হিসাব এবং শেয়ারবাজারের বেনিফিশিয়ারি ওনার্স (বিও) হিসাব জব্দের নির্দেশ দেয় বাংলাদেশ ফাইন্যান্সিয়াল ইন্টেলিজেন্স ইউনিট (বিএফআইইউ)।

 

পরে ২৪ জুন মতিউর ও তার প্রথম পক্ষের স্ত্রী এবং সন্তানের বিদেশযাত্রায় নিষেধাজ্ঞা দেন আদালত।

 

পরবর্তীতে তাকে এনবিআর থেকে সরিয়ে অভ্যন্তরীণ সম্পদ বিভাগে বদলি করা হয় এবং সোনালী ব্যাংকের পরিচালকের পদ থেকেও সরিয়ে দেওয়া হয়।