ঢাকা , সোমবার, ০৩ অগাস্ট ২০২৬, ১৯ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম:
কাঁচামরিচ আমদানির অনুমতি, দাম কমার আশা বাগেরহাটে জেলা জজ আদালতের চার সরকারি কৌঁসুলির একযোগে পদত্যাগ সাজার শেষে মুক্তিপ্রাপ্ত ব্যক্তিদের পুনর্বাসনে বাগেরহাটে সেলাই মেশিন ও ভ্যানগাড়ি বিতরণ টেকনাফে ৫ লাখ ৬০ হাজার ইয়াবাসহ মিয়ানমার নাগরিক আটক ২ ২৭তম বিসিএস (পুলিশ) ক্যাডারের প্রথম পর্যায় প্রশিক্ষণ সমাপনী কুচকাওয়াজ অনুষ্ঠিত পিরোজপুরে মাদকবিরোধী অভিযানে ৪ জন গ্রেপ্তার, প্রত্যেকের এক মাসের কারাদণ্ড লেখাপড়ার পাশাপাশি দক্ষতা অর্জনেও গুরুত্ব দিচ্ছে সরকার: সুলতান সালাউদ্দিন টুকু, এমপি বলেশ্বর নদীতে যৌথ অভিযানে ৩টি অবৈধ বাধা জাল ধ্বংস মোরেলগঞ্জে পুকুরে ডুবে আড়াই বছরের শিশুর মৃত্যু ভোলায় আজও প্রতিষ্ঠা হয়নি আধুনিক ব্লাড ব্যাংক: ভোগান্তিতে চরাঞ্চলবাসীসহ ২০ লাখ মানুষ

শহীদ বুদ্ধিজীবী দিবসে জাতীয় পার্টি বেশে শ্রদ্ধা জানিয়েছে আ. লীগ: রাশেদ

সংগৃহীত ছবি

 

জাতীয় পার্টির বেশে ফিরে এসে শহীদ বুদ্ধিজীবী দিবসে আওয়ামী লীগ শ্রদ্ধা জানিয়েছে বলে অভিযোগ করেছেন গণঅধিকার পরিষদের সাধারণ সম্পাদক মো. রাশেদ খান।

 

আজ শনিবার (১৪ ডিসেম্বর) মিরপুর বুদ্ধিজীবী কবরস্থানে শ্রদ্ধা নিবেদন শেষে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি এ মন্তব্য করেন।

 

এসময় ছাত্র অধিকার পরিষদ, যুব অধিকার পরিষদের নেতাকর্মীরা পৃথকভাবে শ্রদ্ধা নিবেদন করেন।

 

তিনি বলেন, গণহত্যার বিচারের আগে কোনো সাংগঠনিক কার্যক্রম তারা (আওয়ামী লীগ) করতে পারবে না। আর আওয়ামী লীগ ও জাতীয় পার্টিকে কেন এখনো নিষিদ্ধ করা হচ্ছে না? এই দেশকে তারা ধ্বংস করেছে।

 

সাংবাদিকদের সাঙ্গে আলাপকালে রাশেদ খান বলেন, আমরা গণঅধিকার পরিষদের পক্ষ থেকে শ্রদ্ধা নিবেদন করেছি। আমরা দেখলাম, জাতীয় পার্টির লোকজনও শ্রদ্ধা নিবেদন করলো। কিন্তু এরা জাতীয় পার্টি না, এরা আওয়ামী লীগ।

 

তিনি বলেন, আওয়ামী লীগ জাতীয় পার্টি বেশে ফিরে এসে শহীদ বুদ্ধিজীবী দিবসে শ্রদ্ধা জানিয়েছে। ইতোমধ্যে জিএম কাদের বলেছে, আমাদের সমাবেশে যদি আওয়ামী লীগের কর্মীরা আসে, আমাদের করার কিছু নাই। উন্মুক্ত সমাবেশে তারা আসতেই পারে। তিনি আরও বলেছেন, আগামী নির্বাচন আওয়ামী লীগ ও জাতীয় পার্টি ছাড়া সুষ্ঠু হবে না। তার মানে কি? জিএম কাদের আওয়ামী লীগকে পুনর্বাসনের দায়িত্ব নিয়েছে।

 

রাশেদ খান দাবি করে বলেন, আজকে শ্রদ্ধা নিবেদনের নামে তারা ফিরে আসার মিশন শুরু করেছে। এখানে কেন পর্যাপ্ত পুলিশ নাই? কীভাবে জাতীয় পার্টি ঢুকলো? সারাদেশে তো জাতীয় পার্টির ১০০ জনও সক্রিয় কর্মী নাই। এর আগে তারা লোকভাড়া করে সমাবেশ করেছে। অথচ আজকে ৫০০-৬০০ লোক নিয়ে এসেছে। এগুলো কেউ জাতীয় পার্টি না, এরা আওয়ামী লীগ। এদের গ্রেপ্তার না করে, কেন ঢুকতে দেওয়া হলো?

 

আমাদের স্পষ্ট কথা, আগামী ১৬ ডিসেম্বর আওয়ামী লীগ ও জাপা স্মৃতিসৌধে যেতে পারবেনা। তাদের সুযোগ দিলে তারা ধীরে ধীরে ফিরে আসবে। এই দেশকে তারা ধ্বংস করেছে। ২ হাজার শহীদ, ৩০ হাজার আহত, এদের রক্তের সঙ্গে কোনো বেইমানি সহ্য করা হবে না।

 

তিনি বলেন, আরেকটি কথা বলতে চাই, ৭১ এর সঙ্গে ২৪ কে মিলিয়ে বিতর্ক সৃষ্টি করবেন না। মুক্তিযোদ্ধাদের ছোট করবেন না। ৭১ এ একটি ভূখণ্ডের জন্য যুদ্ধ হয়েছে। এই লড়াইয়ের সঙ্গে অন্য কোনোকিছুর তুলনা বেমানান। ৭১ এর মুক্তিযোদ্ধারা যে দলই করুক না কেন, যে আদর্শেরই হোক না কেন, তাদের নিয়ে বিতর্ক করা যাবেনা। যারা জনগণের পক্ষে এবং কোনো অন্যায় করেনি তাদের আজীবন শ্রদ্ধা করতে হবে।

 

রাশেদ আরও বলেন, সরকারকে বলবো, দ্রুত শেখ হাসিনাকে ফিরিয়ে আনুন। গণহত্যার বিচার করুন। শেখ হাসিনাকে ভারতে রেখে, আওয়ামী লীগের হাইকমান্ডকে গ্রেপ্তার না করে কীসের বিচার করবেন? বিচারের নামে চুনোপুঁটির বিচার মানা হবে না। আগে রাঘব-বোয়াল ধরুন। এমপিদের সম্পদ বাজেয়াপ্ত করুন, ১৪, ১৮ ও ২৪ সালের নির্বাচন অবৈধ ঘোষণা করুন।

 

শ্রদ্ধা নিবেদনের সময় উপস্থিত ছিলেন গণঅধিকার পরিষদের সহসভাপতি জাফর মাহমুদ, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক জিলু খান, পরিবেশ ও জলবায়ুবিষয়ক সম্পাদক জাহিদুল ইসলাম, সহস্বাস্থ্য সম্পাদক রবিউল ইসলাম, ঢাকা মহানগর দক্ষিণের সাধারণ সম্পাদক আবদুর রহিম, ছাত্র অধিকার পরিষদের সভাপতি বিন ইয়ামিন মোল্লা, সম্পাদক নাজমুল হাসান, সিনিয়র সহসভাপতি নাহিদ উদ্দিন তারেক।

 

আরো উপস্থিত ছিলেন সিনিয়র যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক নেওয়াজ খান বাপ্পি সহ ছাত্র অধিকার পরিষদ এর কেন্দ্রীয় ও ইউনিট নেতাকর্মী, যুব অধিকার পরিষদের অর্থ সম্পাদক সৈয়দ মাহবুবুর রহমান, সহসভাপতি রাহুল ইসলাম, সহসাংগঠনিক সম্পাদক সকাল আহমেদ, সদস্য মো. স্বপন খান, ঢাকা মহানগর উত্তর সভাপতি মামুন হোসেন, সাংগঠনিক সম্পাদক মো. মিঠু প্রমুখ।

জনপ্রিয়

কাঁচামরিচ আমদানির অনুমতি, দাম কমার আশা

শহীদ বুদ্ধিজীবী দিবসে জাতীয় পার্টি বেশে শ্রদ্ধা জানিয়েছে আ. লীগ: রাশেদ

আপডেট : ০৩:৫৬ অপরাহ্ন, শনিবার, ১৪ ডিসেম্বর ২০২৪
সংগৃহীত ছবি

 

জাতীয় পার্টির বেশে ফিরে এসে শহীদ বুদ্ধিজীবী দিবসে আওয়ামী লীগ শ্রদ্ধা জানিয়েছে বলে অভিযোগ করেছেন গণঅধিকার পরিষদের সাধারণ সম্পাদক মো. রাশেদ খান।

 

আজ শনিবার (১৪ ডিসেম্বর) মিরপুর বুদ্ধিজীবী কবরস্থানে শ্রদ্ধা নিবেদন শেষে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি এ মন্তব্য করেন।

 

এসময় ছাত্র অধিকার পরিষদ, যুব অধিকার পরিষদের নেতাকর্মীরা পৃথকভাবে শ্রদ্ধা নিবেদন করেন।

 

তিনি বলেন, গণহত্যার বিচারের আগে কোনো সাংগঠনিক কার্যক্রম তারা (আওয়ামী লীগ) করতে পারবে না। আর আওয়ামী লীগ ও জাতীয় পার্টিকে কেন এখনো নিষিদ্ধ করা হচ্ছে না? এই দেশকে তারা ধ্বংস করেছে।

 

সাংবাদিকদের সাঙ্গে আলাপকালে রাশেদ খান বলেন, আমরা গণঅধিকার পরিষদের পক্ষ থেকে শ্রদ্ধা নিবেদন করেছি। আমরা দেখলাম, জাতীয় পার্টির লোকজনও শ্রদ্ধা নিবেদন করলো। কিন্তু এরা জাতীয় পার্টি না, এরা আওয়ামী লীগ।

 

তিনি বলেন, আওয়ামী লীগ জাতীয় পার্টি বেশে ফিরে এসে শহীদ বুদ্ধিজীবী দিবসে শ্রদ্ধা জানিয়েছে। ইতোমধ্যে জিএম কাদের বলেছে, আমাদের সমাবেশে যদি আওয়ামী লীগের কর্মীরা আসে, আমাদের করার কিছু নাই। উন্মুক্ত সমাবেশে তারা আসতেই পারে। তিনি আরও বলেছেন, আগামী নির্বাচন আওয়ামী লীগ ও জাতীয় পার্টি ছাড়া সুষ্ঠু হবে না। তার মানে কি? জিএম কাদের আওয়ামী লীগকে পুনর্বাসনের দায়িত্ব নিয়েছে।

 

রাশেদ খান দাবি করে বলেন, আজকে শ্রদ্ধা নিবেদনের নামে তারা ফিরে আসার মিশন শুরু করেছে। এখানে কেন পর্যাপ্ত পুলিশ নাই? কীভাবে জাতীয় পার্টি ঢুকলো? সারাদেশে তো জাতীয় পার্টির ১০০ জনও সক্রিয় কর্মী নাই। এর আগে তারা লোকভাড়া করে সমাবেশ করেছে। অথচ আজকে ৫০০-৬০০ লোক নিয়ে এসেছে। এগুলো কেউ জাতীয় পার্টি না, এরা আওয়ামী লীগ। এদের গ্রেপ্তার না করে, কেন ঢুকতে দেওয়া হলো?

 

আমাদের স্পষ্ট কথা, আগামী ১৬ ডিসেম্বর আওয়ামী লীগ ও জাপা স্মৃতিসৌধে যেতে পারবেনা। তাদের সুযোগ দিলে তারা ধীরে ধীরে ফিরে আসবে। এই দেশকে তারা ধ্বংস করেছে। ২ হাজার শহীদ, ৩০ হাজার আহত, এদের রক্তের সঙ্গে কোনো বেইমানি সহ্য করা হবে না।

 

তিনি বলেন, আরেকটি কথা বলতে চাই, ৭১ এর সঙ্গে ২৪ কে মিলিয়ে বিতর্ক সৃষ্টি করবেন না। মুক্তিযোদ্ধাদের ছোট করবেন না। ৭১ এ একটি ভূখণ্ডের জন্য যুদ্ধ হয়েছে। এই লড়াইয়ের সঙ্গে অন্য কোনোকিছুর তুলনা বেমানান। ৭১ এর মুক্তিযোদ্ধারা যে দলই করুক না কেন, যে আদর্শেরই হোক না কেন, তাদের নিয়ে বিতর্ক করা যাবেনা। যারা জনগণের পক্ষে এবং কোনো অন্যায় করেনি তাদের আজীবন শ্রদ্ধা করতে হবে।

 

রাশেদ আরও বলেন, সরকারকে বলবো, দ্রুত শেখ হাসিনাকে ফিরিয়ে আনুন। গণহত্যার বিচার করুন। শেখ হাসিনাকে ভারতে রেখে, আওয়ামী লীগের হাইকমান্ডকে গ্রেপ্তার না করে কীসের বিচার করবেন? বিচারের নামে চুনোপুঁটির বিচার মানা হবে না। আগে রাঘব-বোয়াল ধরুন। এমপিদের সম্পদ বাজেয়াপ্ত করুন, ১৪, ১৮ ও ২৪ সালের নির্বাচন অবৈধ ঘোষণা করুন।

 

শ্রদ্ধা নিবেদনের সময় উপস্থিত ছিলেন গণঅধিকার পরিষদের সহসভাপতি জাফর মাহমুদ, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক জিলু খান, পরিবেশ ও জলবায়ুবিষয়ক সম্পাদক জাহিদুল ইসলাম, সহস্বাস্থ্য সম্পাদক রবিউল ইসলাম, ঢাকা মহানগর দক্ষিণের সাধারণ সম্পাদক আবদুর রহিম, ছাত্র অধিকার পরিষদের সভাপতি বিন ইয়ামিন মোল্লা, সম্পাদক নাজমুল হাসান, সিনিয়র সহসভাপতি নাহিদ উদ্দিন তারেক।

 

আরো উপস্থিত ছিলেন সিনিয়র যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক নেওয়াজ খান বাপ্পি সহ ছাত্র অধিকার পরিষদ এর কেন্দ্রীয় ও ইউনিট নেতাকর্মী, যুব অধিকার পরিষদের অর্থ সম্পাদক সৈয়দ মাহবুবুর রহমান, সহসভাপতি রাহুল ইসলাম, সহসাংগঠনিক সম্পাদক সকাল আহমেদ, সদস্য মো. স্বপন খান, ঢাকা মহানগর উত্তর সভাপতি মামুন হোসেন, সাংগঠনিক সম্পাদক মো. মিঠু প্রমুখ।