ঢাকা , শুক্রবার, ৩০ অক্টোবর ২০২৬, ১৫ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম:
নগরবাসীর হাঁটার মৌলিক অধিকার বনাম অবৈধ দখল বাণিজ্য: ঢাকার ফুটপাতে শৃঙ্খলা ফেরাতে জরুরি পদক্ষেপ টেকনাফের চার পুলিশ স্থাপনা পরিদর্শনে চট্টগ্রাম রেঞ্জের ডিআইজি মানিক পশারীর দাফনে বাধার প্রতিবাদে মুক্তিযোদ্ধা সংসদের নিন্দা বিএনপির প্রার্থী মির্জা ফয়সল আমীন বিজয়ী আইসিসিবিতে ফার্নিচার মেলা, ৩২৩ স্টলে পণ্যের সমাহার তুরাগ নদ থেকে সাবেক বিমানবাহিনী কর্মকর্তা তাহসিফের মরদেহ উদ্ধার: ময়নাতদন্তের অপেক্ষায় নৌ-পুলিশ ঠাকুরগাঁও-১ আসনের উপনির্বাচনে ভোটগ্রহণ চলছে ​ টেকনাফে যুবদলের ৪৮তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীতে যুব সমাবেশ ও র‍্যালি ভোলাবাসীর স্বপ্ন, গ্যাসভিত্তিক শিল্প-কারখানা দুই যুগেও গড়ে ওঠেনি পিরোজপুরের নাজিরপুরে উন্নয়নবঞ্চিত সড়ক পরিদর্শন, তালিকা প্রস্তুত

রাজনৈতিক মামলা প্রত্যাহারে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের ২ কমিটি

বাংলাদেশ সচিবালয় | সংগৃহীত ছবি

 

হয়রানিমূলক মামলা প্রত্যাহারেরও সুপারিশ করবে এই কমিটি

 

বিভিন্ন সময় ও নানা কারণে রাজনৈতিক নেতাকর্মী ও নিরীহ ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে দায়ের করা হয়রানিমূলক মামলা প্রত্যাহারের সুপারিশ করার লক্ষ্যে জেলা ও মন্ত্রণালয় পর্যায়ে ২ স্তরের কমিটি গঠন করেছে অন্তর্বর্তীকালীন সরকার।

 

রবিবার (২২ সেপ্টেম্বর) স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের জননিরাপত্তা বিভাগের সিনিয়র সচিব ড. মোহাম্মদ আবদুল মোমেন স্বাক্ষরিত এক পরিপত্রে এই তথ্য জানা গেছে।

 

জেলা পর্যায়ের কমিটির সভাপতি জেলা ম্যাজিস্ট্রেট, পুলিশ সুপার (মহানগর এলাকার জন্য পুলিশের ১ জন ডেপুটি কমিশনার) ও পাবলিক প্রসিকিউটরকে (মহানগর এলাকার মামলাসমূহের জন্য মহানগর পাবলিক প্রসিকিউটর) সদস্য এবং অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেটকে সদস্য সচিব করা হয়েছে।

 

জেলা পর্যায়ের কমিটির কার্যপরিধি ও কর্মপদ্ধতি-

 

★ রাজনৈতিক হয়রানিমূলক মামলা প্রত্যাহারের জন্য আগামী ৩১ ডিসেম্বরের মধ্যে সংশ্লিষ্ট জেলার ম্যাজিস্ট্রেটের কাছে আবেদনপত্র দাখিল করতে হবে।

 

★ আবেদনের সঙ্গে এজাহার ও প্রযোজ্য ক্ষেত্রে অভিযোগেপত্রের সার্টিফাইড কপি দাখিল করতে হবে।

 

★ আবেদনের ৭ দিনের মধ্যে জেলা ম্যাজিস্ট্রেট দরখাস্তটি পাবলিক প্রসিকিউটরের (ক্ষেত্র বিশেষে মেট্রোপলিটান পাবলিক প্রসিকিউটর) কাছে মতামতের জন্য পাঠাবেন।

 

★ আবেদনের ১৫ দিনের মধ্যে পাবলিক প্রসিকিউটর (ক্ষেত্র বিশেষে মেট্রোপলিটান পাবলিক প্রসিকিউটর) তার মতামত জেলা ম্যাজিস্ট্রেটের কছে পাঠাবেন।

 

★ পাবলিক প্রসিকিউটরের মতামত নিয়ে জেলা ম্যাজিস্ট্রেট আবেদনটি ৭ দিনের মধ্যে জেলা কমিটির সভায় উপস্থাপন করবেন।

 

★ জেলা কমিটির কাছে যদি প্রতীয়মান হয় যে, মামলাটি রাজনৈতিক বা অন্য কোনো উদ্দেশ্যে হয়রানির জন্য দায়ের করা হয়েছে, তাহলে মামলাটি প্রত্যাহারের জন্য কমিটি সরকারের কাছে সুপারিশ করবে।

 

★ জেলা ম্যাজিস্ট্রেট উক্ত সুপারিশ, মামলার এজাহার, অভিযোগপত্রসহ আবেদন প্রাপ্তির ৪৫ দিনের মধ্যে সংযুক্ত ছক অনুযায়ী তথ্যাদিসহ স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে পাঠাবেন।

 

মন্ত্রণালয় পর্যায়ের কমিটির কার্যপরিধি ও কর্মপদ্ধতি-

 

★ জেলা কমিটির কাছ থেকে সুপারিশ পাওয়ার পর মন্ত্রণালয় পর্যায়ের কমিটি সুপারিশগুলো পরীক্ষা নিরীক্ষা করবে। প্রত্যাহারযোগ্য মামলা চিহ্নিত করে তালিকা প্রস্তুত করবে এবং মামলা প্রত্যাহারের কার্যক্রম গ্রহণ করবে।

 

★ দুর্নীতি দমন কমিশন আইন, ২০০৪ এর আওতাধীন মামলাগুলোর মধ্যে রাজনৈতিক হয়রানিমূলক মামলাগুলো ফৌজদারি আইন সংশোধন আইন, ১৯৫৮-এর ১০(৪) বিধানমতে কমিশনের লিখিত আদেশ ব্যতীত প্রত্যাহার করা যায় না। এ কারণে এ ধরনের মামলা চিহ্নিত করে তালিকা তৈরি করতে হবে। মামলার বিষয়ে করণীয় পরে নির্ধারণ করা হবে।

 

এই কমিটিতে আইন, বিচার ও সংসদবিষয়ক মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টাকে সভাপতি করে জননিরাপত্তা বিভাগের আইন ১ শাখার উপসচিব বা সিনিয়র সহকারী সচিব বা সহকারী সচিবকে সদস্য সচিব করা হয়েছে।

জনপ্রিয়

নগরবাসীর হাঁটার মৌলিক অধিকার বনাম অবৈধ দখল বাণিজ্য: ঢাকার ফুটপাতে শৃঙ্খলা ফেরাতে জরুরি পদক্ষেপ

রাজনৈতিক মামলা প্রত্যাহারে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের ২ কমিটি

আপডেট : ১০:৩০ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ২৩ সেপ্টেম্বর ২০২৪
বাংলাদেশ সচিবালয় | সংগৃহীত ছবি

 

হয়রানিমূলক মামলা প্রত্যাহারেরও সুপারিশ করবে এই কমিটি

 

বিভিন্ন সময় ও নানা কারণে রাজনৈতিক নেতাকর্মী ও নিরীহ ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে দায়ের করা হয়রানিমূলক মামলা প্রত্যাহারের সুপারিশ করার লক্ষ্যে জেলা ও মন্ত্রণালয় পর্যায়ে ২ স্তরের কমিটি গঠন করেছে অন্তর্বর্তীকালীন সরকার।

 

রবিবার (২২ সেপ্টেম্বর) স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের জননিরাপত্তা বিভাগের সিনিয়র সচিব ড. মোহাম্মদ আবদুল মোমেন স্বাক্ষরিত এক পরিপত্রে এই তথ্য জানা গেছে।

 

জেলা পর্যায়ের কমিটির সভাপতি জেলা ম্যাজিস্ট্রেট, পুলিশ সুপার (মহানগর এলাকার জন্য পুলিশের ১ জন ডেপুটি কমিশনার) ও পাবলিক প্রসিকিউটরকে (মহানগর এলাকার মামলাসমূহের জন্য মহানগর পাবলিক প্রসিকিউটর) সদস্য এবং অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেটকে সদস্য সচিব করা হয়েছে।

 

জেলা পর্যায়ের কমিটির কার্যপরিধি ও কর্মপদ্ধতি-

 

★ রাজনৈতিক হয়রানিমূলক মামলা প্রত্যাহারের জন্য আগামী ৩১ ডিসেম্বরের মধ্যে সংশ্লিষ্ট জেলার ম্যাজিস্ট্রেটের কাছে আবেদনপত্র দাখিল করতে হবে।

 

★ আবেদনের সঙ্গে এজাহার ও প্রযোজ্য ক্ষেত্রে অভিযোগেপত্রের সার্টিফাইড কপি দাখিল করতে হবে।

 

★ আবেদনের ৭ দিনের মধ্যে জেলা ম্যাজিস্ট্রেট দরখাস্তটি পাবলিক প্রসিকিউটরের (ক্ষেত্র বিশেষে মেট্রোপলিটান পাবলিক প্রসিকিউটর) কাছে মতামতের জন্য পাঠাবেন।

 

★ আবেদনের ১৫ দিনের মধ্যে পাবলিক প্রসিকিউটর (ক্ষেত্র বিশেষে মেট্রোপলিটান পাবলিক প্রসিকিউটর) তার মতামত জেলা ম্যাজিস্ট্রেটের কছে পাঠাবেন।

 

★ পাবলিক প্রসিকিউটরের মতামত নিয়ে জেলা ম্যাজিস্ট্রেট আবেদনটি ৭ দিনের মধ্যে জেলা কমিটির সভায় উপস্থাপন করবেন।

 

★ জেলা কমিটির কাছে যদি প্রতীয়মান হয় যে, মামলাটি রাজনৈতিক বা অন্য কোনো উদ্দেশ্যে হয়রানির জন্য দায়ের করা হয়েছে, তাহলে মামলাটি প্রত্যাহারের জন্য কমিটি সরকারের কাছে সুপারিশ করবে।

 

★ জেলা ম্যাজিস্ট্রেট উক্ত সুপারিশ, মামলার এজাহার, অভিযোগপত্রসহ আবেদন প্রাপ্তির ৪৫ দিনের মধ্যে সংযুক্ত ছক অনুযায়ী তথ্যাদিসহ স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে পাঠাবেন।

 

মন্ত্রণালয় পর্যায়ের কমিটির কার্যপরিধি ও কর্মপদ্ধতি-

 

★ জেলা কমিটির কাছ থেকে সুপারিশ পাওয়ার পর মন্ত্রণালয় পর্যায়ের কমিটি সুপারিশগুলো পরীক্ষা নিরীক্ষা করবে। প্রত্যাহারযোগ্য মামলা চিহ্নিত করে তালিকা প্রস্তুত করবে এবং মামলা প্রত্যাহারের কার্যক্রম গ্রহণ করবে।

 

★ দুর্নীতি দমন কমিশন আইন, ২০০৪ এর আওতাধীন মামলাগুলোর মধ্যে রাজনৈতিক হয়রানিমূলক মামলাগুলো ফৌজদারি আইন সংশোধন আইন, ১৯৫৮-এর ১০(৪) বিধানমতে কমিশনের লিখিত আদেশ ব্যতীত প্রত্যাহার করা যায় না। এ কারণে এ ধরনের মামলা চিহ্নিত করে তালিকা তৈরি করতে হবে। মামলার বিষয়ে করণীয় পরে নির্ধারণ করা হবে।

 

এই কমিটিতে আইন, বিচার ও সংসদবিষয়ক মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টাকে সভাপতি করে জননিরাপত্তা বিভাগের আইন ১ শাখার উপসচিব বা সিনিয়র সহকারী সচিব বা সহকারী সচিবকে সদস্য সচিব করা হয়েছে।