ঢাকা , বৃহস্পতিবার, ২৯ অক্টোবর ২০২৬, ১৪ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম:
টেকনাফে যুবদলের ৪৮তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীতে যুব সমাবেশ ও র‍্যালি ভোলাবাসীর স্বপ্ন, গ্যাসভিত্তিক শিল্প-কারখানা দুই যুগেও গড়ে ওঠেনি পিরোজপুরের নাজিরপুরে উন্নয়নবঞ্চিত সড়ক পরিদর্শন, তালিকা প্রস্তুত টেকনাফে বিদেশি পিস্তল-গুলিসহ ৪ অস্ত্রধারী গ্রেপ্তার মোরেলগঞ্জে যুবদলের ৪৮তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী পালিত এমপিপুত্রকে যুবদল থেকে বহিষ্কার, ওসি প্রত্যাহার রামপাল নাগরিক ফোরামের সভা ও প্রকল্পের ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা নির্ধারণে কর্মশালা অনুষ্ঠিত ​ নভেম্বর থেকে কর্মী যাবে মালয়েশিয়ায়, খরচ জানালেন প্রতিমন্ত্রী পিরোজপুরে জাতীয় নিরাপদ সড়ক দিবস উদযাপন বাগেরহাট বিআরটিএ কার্যালয়ে দুদকের অভিযান, মিলেছে অনিয়মের তথ্য

সুন্দরবনে ২৬০ টন ইন্দোনেশীয় কয়লাসহ কার্গো আটক, গ্রেপ্তার ৯

 

​সুন্দরবনে অভিযান চালিয়ে ২৬০ টন ইন্দোনেশীয় কয়লাবোঝাই একটি বাল্কহেড কার্গোসহ ৯ জনকে আটক করেছে বন বিভাগ।

​

রোববার (১৮ অক্টোবর) বিকেলে সুন্দরবনের শরণখোলা রেঞ্জের ভোলা নদীতে নিয়মিত টহল চলাকালে জাহাজটি আটক করা হয়। তবে জাহাজে থাকা কয়লার কোনো মালিকের সন্ধান পাওয়া যায়নি বলে জানিয়েছে বন বিভাগ।

​

আটক ব্যক্তিরা হলেন—তরিকুল ইসলাম (৩৪), দুলাল হাওলাদার (৩৪), সুমন তালুকদার (২১), নুরনবী (৩০), এনায়েত করিম (৪০), মো. ওবায়দুল (২২), মামুন (২২), মো. লায়েক মিয়া (৫০) ও কবির হোসেন (৩০)। তাঁদের বাড়ি দেশের বিভিন্ন এলাকায় বলে জানা গেছে।

​

রোববার রাতে সুন্দরবন বিভাগের শরণখোলা ফরেস্ট স্টেশন কর্মকর্তা ও ডেপুটি রেঞ্জার শ্যামা প্রসাদ রায় এ তথ্য নিশ্চিত করেন। তিনি জানান, তাঁর নেতৃত্বে বনরক্ষীরা রবিবার বিকেলে সুন্দরবনের শরণখোলা রেঞ্জের ভোলা নদীতে নিয়মিত টহল দিচ্ছিলেন। এ সময় কয়লাবোঝাই বাল্কহেড কার্গোটি আটক করা হয়।
​

বন বিভাগের তথ্য অনুযায়ী, আটক ব্যক্তিরা মোংলার পশুর নদীর জয়মনি এলাকায় অবস্থানরত একটি মাদার ভেসেল (পণ্যবাহী বড় জাহাজ) থেকে ২৬০ টন ইন্দোনেশীয় কয়লা লোড করেন। পরে নির্ধারিত গন্তব্যে না গিয়ে অবৈধভাবে সুন্দরবনের ভেতর দিয়ে অন্য কোথাও কয়লা পাচারের চেষ্টা করছিলেন বলে অভিযোগ রয়েছে।

​

আটক ব্যক্তিদের এবং কয়লাবোঝাই কার্গোটি রবিবার সন্ধ্যায় শরণখোলা স্টেশন ঘাটে নিয়ে আসা হয়।
​বাগেরহাটের পূর্ব সুন্দরবন বিভাগের শরণখোলা রেঞ্জ কর্মকর্তা (এসিএফ) মো. শরিফুল ইসলাম জানান, জাহাজে থাকা কয়লার কোনো মালিক পাওয়া যায়নি। আটক ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে।

​

এ বিষয়ে শরণখোলা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) রোকেয়া খানম বলেন, রবিবার সন্ধ্যায় সুন্দরবনের ভোলা নদীতে কয়লাবোঝাই বাল্কহেড কার্গো আটকের খবর তিনি শুনেছেন। বন বিভাগ থেকে লিখিত অভিযোগ পেলে প্রয়োজনীয় আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

জনপ্রিয়

টেকনাফে যুবদলের ৪৮তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীতে যুব সমাবেশ ও র‍্যালি

সুন্দরবনে ২৬০ টন ইন্দোনেশীয় কয়লাসহ কার্গো আটক, গ্রেপ্তার ৯

আপডেট : ০২:৩৯ অপরাহ্ন, সোমবার, ১৯ অক্টোবর ২০২৬

 

​সুন্দরবনে অভিযান চালিয়ে ২৬০ টন ইন্দোনেশীয় কয়লাবোঝাই একটি বাল্কহেড কার্গোসহ ৯ জনকে আটক করেছে বন বিভাগ।

​

রোববার (১৮ অক্টোবর) বিকেলে সুন্দরবনের শরণখোলা রেঞ্জের ভোলা নদীতে নিয়মিত টহল চলাকালে জাহাজটি আটক করা হয়। তবে জাহাজে থাকা কয়লার কোনো মালিকের সন্ধান পাওয়া যায়নি বলে জানিয়েছে বন বিভাগ।

​

আটক ব্যক্তিরা হলেন—তরিকুল ইসলাম (৩৪), দুলাল হাওলাদার (৩৪), সুমন তালুকদার (২১), নুরনবী (৩০), এনায়েত করিম (৪০), মো. ওবায়দুল (২২), মামুন (২২), মো. লায়েক মিয়া (৫০) ও কবির হোসেন (৩০)। তাঁদের বাড়ি দেশের বিভিন্ন এলাকায় বলে জানা গেছে।

​

রোববার রাতে সুন্দরবন বিভাগের শরণখোলা ফরেস্ট স্টেশন কর্মকর্তা ও ডেপুটি রেঞ্জার শ্যামা প্রসাদ রায় এ তথ্য নিশ্চিত করেন। তিনি জানান, তাঁর নেতৃত্বে বনরক্ষীরা রবিবার বিকেলে সুন্দরবনের শরণখোলা রেঞ্জের ভোলা নদীতে নিয়মিত টহল দিচ্ছিলেন। এ সময় কয়লাবোঝাই বাল্কহেড কার্গোটি আটক করা হয়।
​

বন বিভাগের তথ্য অনুযায়ী, আটক ব্যক্তিরা মোংলার পশুর নদীর জয়মনি এলাকায় অবস্থানরত একটি মাদার ভেসেল (পণ্যবাহী বড় জাহাজ) থেকে ২৬০ টন ইন্দোনেশীয় কয়লা লোড করেন। পরে নির্ধারিত গন্তব্যে না গিয়ে অবৈধভাবে সুন্দরবনের ভেতর দিয়ে অন্য কোথাও কয়লা পাচারের চেষ্টা করছিলেন বলে অভিযোগ রয়েছে।

​

আটক ব্যক্তিদের এবং কয়লাবোঝাই কার্গোটি রবিবার সন্ধ্যায় শরণখোলা স্টেশন ঘাটে নিয়ে আসা হয়।
​বাগেরহাটের পূর্ব সুন্দরবন বিভাগের শরণখোলা রেঞ্জ কর্মকর্তা (এসিএফ) মো. শরিফুল ইসলাম জানান, জাহাজে থাকা কয়লার কোনো মালিক পাওয়া যায়নি। আটক ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে।

​

এ বিষয়ে শরণখোলা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) রোকেয়া খানম বলেন, রবিবার সন্ধ্যায় সুন্দরবনের ভোলা নদীতে কয়লাবোঝাই বাল্কহেড কার্গো আটকের খবর তিনি শুনেছেন। বন বিভাগ থেকে লিখিত অভিযোগ পেলে প্রয়োজনীয় আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।