ঢাকা , সোমবার, ১২ অক্টোবর ২০২৬, ২৬ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম:
রিয়াদ বিমানবন্দরে হামলায় নিহত দুই বাংলাদেশির পরিচয় প্রকাশ ৭ নভেম্বর ছুটি ঘোষণা করে জাতীয় দিবসের নতুন পরিপত্র জারি মোরেলগঞ্জে প্রধান শিক্ষকের পদত্যাগের দাবিতে ক্লাস বর্জন করে শিক্ষার্থীদের বিক্ষোভ মোরেলগঞ্জে বিএনপির উদ্যোগে মশা নিধন, বৃক্ষরোপণ ও বিক্ষোভ মিছিল চিলাহাটিতে অব্যবহৃত শতকোটি টাকার অবকাঠামো, থমকে আছে সীমান্ত বাণিজ্য ফ্ল্যাটের দাম নাগালে আনতে গৃহঋণে ৫ শতাংশ সুদ চান রিহ্যাব সভাপতি সায়েম সোবহান আনভীরের উদ্যোগে বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষার্থীদের জন্য নতুন ক্রীড়া প্ল্যাটফর্ম ‘এবিজি ইউনিভার্সিটি কাপ’ টেকনাফের দুই পাহাড়ে স্থায়ী সেনা ক্যাম্প স্থাপনের সিদ্ধান্ত মনে হচ্ছিল যেন অপহরণ করা হচ্ছে: মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ​ “মাদক মুক্ত সমাজ গড়তে শিক্ষক ও অভিভাবকদের এগিয়ে আসতে হবে” — রেজাবুদ্দৌলা চৌধুরী
অপহরণ, মুক্তিপণ ও মাদক চোরাচালান দমনে জোরদার হবে নিরাপত্তা

টেকনাফের দুই পাহাড়ে স্থায়ী সেনা ক্যাম্প স্থাপনের সিদ্ধান্ত

কক্সবাজার-৪ আসনের সংসদ সদস্য আলহাজ্ব শাহজাহান চৌধুরী | ফাইল ছবি

 

অপরাধ দমনে দুটি নতুন স্থায়ী সেনা ক্যাম্প স্থাপনের সিদ্ধান্ত নিয়েছে সরকার। উপজেলার নোয়াখালীপাড়া ও রঙ্গীখালী পাহাড়ে ক্যাম্প দুটি স্থাপন করা হবে। এর মাধ্যমে দুর্গম পাহাড়ি এলাকায় নিরাপত্তা জোরদার এবং অপরাধ দমনে যৌথ বাহিনীর নজরদারি বাড়ানোর পরিকল্পনা রয়েছে।

 

বৃহস্পতিবার (৮ অক্টোবর) সচিবালয়ে সাংবাদিকদের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ জানান, রামুর ১০ পদাতিক ডিভিশনের নেতৃত্বে টেকনাফের নোয়াখালীপাড়া ও রঙ্গীখালী পাহাড়ে দুটি সেনা ক্যাম্প স্থাপনের সিদ্ধান্ত হয়েছে। পাহাড়ি এলাকায় অপহরণ ও মুক্তিপণ আদায়ের ঘটনা বন্ধে এ উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে।

 

(১০অক্টোবর) কক্সবাজার-৪ (উখিয়া-টেকনাফ) আসনের সংসদ সদস্য আলহাজ্ব শাহজাহান চৌধুরী নির্বাচনের আগে দেওয়া প্রতিশ্রুতির কথা উল্লেখ করে বলেছেন, পাহাড় থেকে অপহরণকারী, মানবপাচারকারী, মাদক কারবারি ও সশস্ত্র সন্ত্রাসীদের নির্মূল করা হবে।

 

তিনি বলেন, “আলহামদুলিল্লাহ, সেই প্রতিশ্রুতির বাস্তবায়নের অংশ হিসেবে উখিয়া ও টেকনাফ সীমান্তবর্তী পাহাড়ি এলাকায় প্রতিনিয়ত ঘটে চলা অপহরণ, মুক্তিপণ আদায় এবং রোহিঙ্গা ক্যাম্পসংলগ্ন অঞ্চলের বিভিন্ন অপরাধমূলক কর্মকাণ্ড কঠোর হস্তে দমনের সিদ্ধান্ত নিয়েছে সরকার।”

 

শাহজাহান চৌধুরী আরও বলেন, টেকনাফের নোয়াখালীপাড়া ও রঙ্গীখালী পাহাড়ে স্থায়ী সেনা ক্যাম্প স্থাপনের ফলে দুর্গম এলাকায় নিরাপত্তা জোরদার, অপরাধীদের আস্তানা গুঁড়িয়ে দেওয়া এবং সীমান্তে মাদক চোরাচালান বন্ধে যৌথ বাহিনীর নজরদারি আরও জোরদার হবে বলে তিনি আশাবাদী।

 

এদিকে রোহিঙ্গা ক্যাম্পের নিরাপত্তা জোরদারেও বিভিন্ন পদক্ষেপ নেওয়ার কথা জানিয়েছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী। এর মধ্যে রয়েছে ক্যাম্পের বাইরের ক্ষতিগ্রস্ত কাঁটাতারের বেড়া মেরামত, সৌরবিদ্যুতের আলো স্থাপন, সিসিটিভি ক্যামেরা বসানো এবং কন্ট্রোল টাওয়ার ও ওয়াচ টাওয়ার নির্মাণ।

 

এলাকার সাধারণ জনগনের মতে, পাহাড়ি এলাকায় স্থায়ী নিরাপত্তা উপস্থিতি বাড়ানো গেলে অপরাধীদের চলাচল ও নিরাপদ আশ্রয় নেওয়ার সুযোগ সীমিত করা সম্ভব হতে পারে। তবে এ উদ্যোগের কার্যকারিতা নির্ভর করবে ক্যাম্প স্থাপনের পাশাপাশি নিয়মিত টহল, গোয়েন্দা নজরদারি ও আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সমন্বিত কার্যক্রমের ওপর।

জনপ্রিয়

রিয়াদ বিমানবন্দরে হামলায় নিহত দুই বাংলাদেশির পরিচয় প্রকাশ

অপহরণ, মুক্তিপণ ও মাদক চোরাচালান দমনে জোরদার হবে নিরাপত্তা

টেকনাফের দুই পাহাড়ে স্থায়ী সেনা ক্যাম্প স্থাপনের সিদ্ধান্ত

আপডেট : ১৪ ঘন্টা আগে
কক্সবাজার-৪ আসনের সংসদ সদস্য আলহাজ্ব শাহজাহান চৌধুরী | ফাইল ছবি

 

অপরাধ দমনে দুটি নতুন স্থায়ী সেনা ক্যাম্প স্থাপনের সিদ্ধান্ত নিয়েছে সরকার। উপজেলার নোয়াখালীপাড়া ও রঙ্গীখালী পাহাড়ে ক্যাম্প দুটি স্থাপন করা হবে। এর মাধ্যমে দুর্গম পাহাড়ি এলাকায় নিরাপত্তা জোরদার এবং অপরাধ দমনে যৌথ বাহিনীর নজরদারি বাড়ানোর পরিকল্পনা রয়েছে।

 

বৃহস্পতিবার (৮ অক্টোবর) সচিবালয়ে সাংবাদিকদের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ জানান, রামুর ১০ পদাতিক ডিভিশনের নেতৃত্বে টেকনাফের নোয়াখালীপাড়া ও রঙ্গীখালী পাহাড়ে দুটি সেনা ক্যাম্প স্থাপনের সিদ্ধান্ত হয়েছে। পাহাড়ি এলাকায় অপহরণ ও মুক্তিপণ আদায়ের ঘটনা বন্ধে এ উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে।

 

(১০অক্টোবর) কক্সবাজার-৪ (উখিয়া-টেকনাফ) আসনের সংসদ সদস্য আলহাজ্ব শাহজাহান চৌধুরী নির্বাচনের আগে দেওয়া প্রতিশ্রুতির কথা উল্লেখ করে বলেছেন, পাহাড় থেকে অপহরণকারী, মানবপাচারকারী, মাদক কারবারি ও সশস্ত্র সন্ত্রাসীদের নির্মূল করা হবে।

 

তিনি বলেন, “আলহামদুলিল্লাহ, সেই প্রতিশ্রুতির বাস্তবায়নের অংশ হিসেবে উখিয়া ও টেকনাফ সীমান্তবর্তী পাহাড়ি এলাকায় প্রতিনিয়ত ঘটে চলা অপহরণ, মুক্তিপণ আদায় এবং রোহিঙ্গা ক্যাম্পসংলগ্ন অঞ্চলের বিভিন্ন অপরাধমূলক কর্মকাণ্ড কঠোর হস্তে দমনের সিদ্ধান্ত নিয়েছে সরকার।”

 

শাহজাহান চৌধুরী আরও বলেন, টেকনাফের নোয়াখালীপাড়া ও রঙ্গীখালী পাহাড়ে স্থায়ী সেনা ক্যাম্প স্থাপনের ফলে দুর্গম এলাকায় নিরাপত্তা জোরদার, অপরাধীদের আস্তানা গুঁড়িয়ে দেওয়া এবং সীমান্তে মাদক চোরাচালান বন্ধে যৌথ বাহিনীর নজরদারি আরও জোরদার হবে বলে তিনি আশাবাদী।

 

এদিকে রোহিঙ্গা ক্যাম্পের নিরাপত্তা জোরদারেও বিভিন্ন পদক্ষেপ নেওয়ার কথা জানিয়েছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী। এর মধ্যে রয়েছে ক্যাম্পের বাইরের ক্ষতিগ্রস্ত কাঁটাতারের বেড়া মেরামত, সৌরবিদ্যুতের আলো স্থাপন, সিসিটিভি ক্যামেরা বসানো এবং কন্ট্রোল টাওয়ার ও ওয়াচ টাওয়ার নির্মাণ।

 

এলাকার সাধারণ জনগনের মতে, পাহাড়ি এলাকায় স্থায়ী নিরাপত্তা উপস্থিতি বাড়ানো গেলে অপরাধীদের চলাচল ও নিরাপদ আশ্রয় নেওয়ার সুযোগ সীমিত করা সম্ভব হতে পারে। তবে এ উদ্যোগের কার্যকারিতা নির্ভর করবে ক্যাম্প স্থাপনের পাশাপাশি নিয়মিত টহল, গোয়েন্দা নজরদারি ও আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সমন্বিত কার্যক্রমের ওপর।