ঢাকা , সোমবার, ১২ অক্টোবর ২০২৬, ২৬ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম:
রিয়াদ বিমানবন্দরে হামলায় নিহত দুই বাংলাদেশির পরিচয় প্রকাশ ৭ নভেম্বর ছুটি ঘোষণা করে জাতীয় দিবসের নতুন পরিপত্র জারি মোরেলগঞ্জে প্রধান শিক্ষকের পদত্যাগের দাবিতে ক্লাস বর্জন করে শিক্ষার্থীদের বিক্ষোভ মোরেলগঞ্জে বিএনপির উদ্যোগে মশা নিধন, বৃক্ষরোপণ ও বিক্ষোভ মিছিল চিলাহাটিতে অব্যবহৃত শতকোটি টাকার অবকাঠামো, থমকে আছে সীমান্ত বাণিজ্য ফ্ল্যাটের দাম নাগালে আনতে গৃহঋণে ৫ শতাংশ সুদ চান রিহ্যাব সভাপতি সায়েম সোবহান আনভীরের উদ্যোগে বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষার্থীদের জন্য নতুন ক্রীড়া প্ল্যাটফর্ম ‘এবিজি ইউনিভার্সিটি কাপ’ টেকনাফের দুই পাহাড়ে স্থায়ী সেনা ক্যাম্প স্থাপনের সিদ্ধান্ত মনে হচ্ছিল যেন অপহরণ করা হচ্ছে: মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ​ “মাদক মুক্ত সমাজ গড়তে শিক্ষক ও অভিভাবকদের এগিয়ে আসতে হবে” — রেজাবুদ্দৌলা চৌধুরী

৭ নভেম্বর ছুটি ঘোষণা করে জাতীয় দিবসের নতুন পরিপত্র জারি

ফাইল ছবি

 

​৭ নভেম্বরকে ‘জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস’ হিসেবে উদযাপন ও সেদিন সাধারণ ছুটি ঘোষণা করে জাতীয় ও আন্তর্জাতিক দিবস পালনসংক্রান্ত নতুন পরিপত্র জারি করেছে সরকার। পরিপত্রে সরকারি ব্যয়সংকোচন এবং অফিসের স্বাভাবিক কাজের ব্যাঘাত না ঘটিয়ে সীমিত পরিসরে নানা দিবস উদযাপনের দিকনির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।

​

রোববার (১১ অক্টোবর) মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ থেকে এই পরিপত্র জারি করা হয়। এর মাধ্যমে চলতি বছরের গত ১১ মার্চ জারি করা পূর্বের পরিপত্রটি বাতিল করা হয়েছে।

​

নতুন নির্দেশনায় বলা হয়, জাতীয় পর্যায়ের প্রধান উৎসবগুলো ব্যতীত অন্যান্য দিবস পালনে অতিরিক্ত খরচ ও জাঁকজমক পরিহার করতে হবে। বিশেষ করে আলোকসজ্জা, সৌন্দর্যবর্ধন এবং বড় ধরনের বিচিত্র অনুষ্ঠান আয়োজন যথাসম্ভব এড়িয়ে চলতে হবে। ​দিবস উদযাপনে মূল মনোযোগ থাকবে প্রাতিষ্ঠানিক আলোচনার ওপর। এ জন্য বেতার ও টেলিভিশনে প্রচারের পাশাপাশি সীমিত পরিসরে সেমিনার কিংবা সিম্পোজিয়াম আয়োজন করা যাবে। তবে কর্মদিবসে সাধারণ মানুষের দুর্ভোগ এড়াতে কোনো ধরনের সমাবেশ বা শোভাযাত্রা পরিহারের নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।

​

সরকারি কার্যক্রম যেন ব্যাহত না হয়, সেদিকে বিশেষ নজর দেওয়ার কথা উল্লেখ করে পরিপত্রে বলা হয়, কোনো বিশেষ ‘সপ্তাহ’ পালনের অনুষ্ঠানসূচি সর্বোচ্চ তিন দিনের মধ্যে সীমাবদ্ধ রাখতে হবে।

​

এছাড়া সব ধরনের আলোচনা ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান ছুটির দিনে অথবা নিয়মিত দাপ্তরিক সময় শেষে আয়োজনের চেষ্টা করতে হবে। তবে আর্থিক ব্যয়ের প্রয়োজন নেই—এমন সাধারণ আয়োজন স্বাভাবিক কর্মদিবসেও করা যাবে। জেলা বা রাজধানীর বাইরে থেকে কর্মকর্তা-কর্মচারীদের ঢাকায় এনে অনুষ্ঠান করার প্রবণতা বন্ধের নির্দেশও দেওয়া হয়েছে।

 

​ব্যয় সাশ্রয়ের অংশ হিসেবে একই ধরনের বা সমধর্মী একাধিক দিবস একত্রে পালনের তাগিদ দিয়েছে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ। সে ক্ষেত্রে সংশ্লিষ্ট আন্তর্জাতিক দিবসকে প্রাধান্য দিয়ে জাতীয় দিবসগুলো একই তারিখে উদযাপনের পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।

​

দরকার মনে হলে এ-সংক্রান্ত বিস্তারিত প্রস্তাব মন্ত্রিসভার বৈঠকের জন্য মন্ত্রিপরিষদ বিভাগে পাঠাতে বলা হয়েছে। পরিপত্রের এসব নির্দেশনা যথাযথভাবে বাস্তবায়নে সব মন্ত্রণালয়, বিভাগ ও সংস্থাকে অনুরোধ জানানো হয়েছে।

জনপ্রিয়

রিয়াদ বিমানবন্দরে হামলায় নিহত দুই বাংলাদেশির পরিচয় প্রকাশ

৭ নভেম্বর ছুটি ঘোষণা করে জাতীয় দিবসের নতুন পরিপত্র জারি

আপডেট : ৪ ঘন্টা আগে
ফাইল ছবি

 

​৭ নভেম্বরকে ‘জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস’ হিসেবে উদযাপন ও সেদিন সাধারণ ছুটি ঘোষণা করে জাতীয় ও আন্তর্জাতিক দিবস পালনসংক্রান্ত নতুন পরিপত্র জারি করেছে সরকার। পরিপত্রে সরকারি ব্যয়সংকোচন এবং অফিসের স্বাভাবিক কাজের ব্যাঘাত না ঘটিয়ে সীমিত পরিসরে নানা দিবস উদযাপনের দিকনির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।

​

রোববার (১১ অক্টোবর) মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ থেকে এই পরিপত্র জারি করা হয়। এর মাধ্যমে চলতি বছরের গত ১১ মার্চ জারি করা পূর্বের পরিপত্রটি বাতিল করা হয়েছে।

​

নতুন নির্দেশনায় বলা হয়, জাতীয় পর্যায়ের প্রধান উৎসবগুলো ব্যতীত অন্যান্য দিবস পালনে অতিরিক্ত খরচ ও জাঁকজমক পরিহার করতে হবে। বিশেষ করে আলোকসজ্জা, সৌন্দর্যবর্ধন এবং বড় ধরনের বিচিত্র অনুষ্ঠান আয়োজন যথাসম্ভব এড়িয়ে চলতে হবে। ​দিবস উদযাপনে মূল মনোযোগ থাকবে প্রাতিষ্ঠানিক আলোচনার ওপর। এ জন্য বেতার ও টেলিভিশনে প্রচারের পাশাপাশি সীমিত পরিসরে সেমিনার কিংবা সিম্পোজিয়াম আয়োজন করা যাবে। তবে কর্মদিবসে সাধারণ মানুষের দুর্ভোগ এড়াতে কোনো ধরনের সমাবেশ বা শোভাযাত্রা পরিহারের নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।

​

সরকারি কার্যক্রম যেন ব্যাহত না হয়, সেদিকে বিশেষ নজর দেওয়ার কথা উল্লেখ করে পরিপত্রে বলা হয়, কোনো বিশেষ ‘সপ্তাহ’ পালনের অনুষ্ঠানসূচি সর্বোচ্চ তিন দিনের মধ্যে সীমাবদ্ধ রাখতে হবে।

​

এছাড়া সব ধরনের আলোচনা ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান ছুটির দিনে অথবা নিয়মিত দাপ্তরিক সময় শেষে আয়োজনের চেষ্টা করতে হবে। তবে আর্থিক ব্যয়ের প্রয়োজন নেই—এমন সাধারণ আয়োজন স্বাভাবিক কর্মদিবসেও করা যাবে। জেলা বা রাজধানীর বাইরে থেকে কর্মকর্তা-কর্মচারীদের ঢাকায় এনে অনুষ্ঠান করার প্রবণতা বন্ধের নির্দেশও দেওয়া হয়েছে।

 

​ব্যয় সাশ্রয়ের অংশ হিসেবে একই ধরনের বা সমধর্মী একাধিক দিবস একত্রে পালনের তাগিদ দিয়েছে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ। সে ক্ষেত্রে সংশ্লিষ্ট আন্তর্জাতিক দিবসকে প্রাধান্য দিয়ে জাতীয় দিবসগুলো একই তারিখে উদযাপনের পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।

​

দরকার মনে হলে এ-সংক্রান্ত বিস্তারিত প্রস্তাব মন্ত্রিসভার বৈঠকের জন্য মন্ত্রিপরিষদ বিভাগে পাঠাতে বলা হয়েছে। পরিপত্রের এসব নির্দেশনা যথাযথভাবে বাস্তবায়নে সব মন্ত্রণালয়, বিভাগ ও সংস্থাকে অনুরোধ জানানো হয়েছে।