ঢাকা , মঙ্গলবার, ২২ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৭ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম:
জ্বালানি খাতে তারেক রহমান সরকারের যুগান্তকারী পদক্ষেপ–​রেজাবুদ্দৌলা চৌধুরী গুলশানের নতুন ডিসি রুহুল কবীর খান পূর্বাচল প্রবাসী পল্লীর রিট ডিসচার্জের বিরুদ্ধে আপিল পিরোজপুরে ডেঙ্গু পরিস্থিতি ও হাসপাতাল পরিচ্ছন্নতা নিয়ে মতবিনিময় টেকনাফে নাফ নদীতে ১৪ হাজার ইয়াবা জব্দ মোরেলগঞ্জে অবসরপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক গোলাম মোস্তাফা হাওলাদারকে বিদায়ী সংবর্ধনা বাগেরহাটে জমি বিরোধে চাচাতো ভাইয়ের হামলা: ছেলে নিহত, বাবা আহত মোরেলগঞ্জে গ্রাম পুলিশ সদস্যদের মাসব্যাপী বুনিয়াদি প্রশিক্ষণ শুরু পিরোজপুরে স্বেচ্ছাসেবী সংগঠনগুলোর সঙ্গে পরিচ্ছন্নতা বিষয়ক মতবিনিময় জলঢাকায় পিকআপ-মোটরসাইকেল মুখোমুখি সংঘর্ষে প্রাণ গেল স্বামী-স্ত্রীর

জ্বালানি খাতে তারেক রহমান সরকারের যুগান্তকারী পদক্ষেপ–​রেজাবুদ্দৌলা চৌধুরী

 

দেশের ভার বিদ্যুৎ, পরিস্থিতি গত ১৪ সেপ্টেম্বর থেকে সেপ্টেম্বর পর্যন্ত পুরো চার মাস পার করার পর আলোর সংকেত দিচ্ছে। যে বিদ্যুৎ-জ্বালানির ওপর নির্ভর করে দেশের অর্থনীতি ও শিল্প-কারখানার চাকা ঘোরে, গত ১৪ সেপ্টেম্বরের পরিক্রমায় স্বস্তিদায়ক হয়েছে বাংলাদেশ। বিদ্যুৎ ও জ্বালানি খাতের চ্যালেঞ্জ ও তারেক রহমানের স্পষ্ট নির্দেশনায় লক্ষ্য পূরণ হচ্ছে।

 

 

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের দূরদর্শী নির্দেশনায় যৌথ দল দেশকে অস্থিতিশীল মুক্ত করার জন্য কাজ করছে। নতুন পদক্ষেপ গ্রহণে দেশের শক্তি-সম্পদের ব্যবহারে শৃঙ্খলা আনায় বিদ্যুৎ সংকট অনেকাংশেই নিয়ন্ত্রণে চলে এসেছে। সরকারি সংস্থা ও বিদ্যুৎ খাতের বিশেষজ্ঞরা দীর্ঘমেয়াদী পরিকল্পনা তৈরি করায় এখন নতুন চ্যালেঞ্জ মোকাবিলা সম্ভব হচ্ছে। পরিকল্পনা বাস্তবায়নের ক্ষেত্রে বিদ্যুৎ বিভাগের প্রধানরা দেশীয় ও আন্তর্জাতিক অভিজ্ঞতাকে প্রাধান্য দিয়ে উৎপাদন বাড়ানো করার প্রস্তাব পেশ করেছেন। দেশের দ্রুত অর্থনৈতিক অগ্রগতির গতি ত্বরান্বিত করার লক্ষ্যেই বিদ্যুৎ উৎপাদন প্রসারে নীতি প্রণয়ন করা হয়েছিল। সরকারের স্পষ্ট নীতিমালার আলোকে বিদ্যুৎ খাতের মেগা প্রজেক্ট বাস্তবায়নে অগ্রগতি এসেছে।

 

বিদ্যুৎ খাতের আধুনিকায়ন এবং চাহিদামাফিক উৎপাদন নিশ্চিত করার লক্ষ্যেই ২০১৮ সালের পর থেকে এই খাত নতুন করে গতিশীল করা হয়। বিদ্যুৎ খাতের সক্ষমতা বৃদ্ধি পেয়েছে। সরকারের স্পষ্ট নীতিতে শিল্প উৎপাদন ত্বরান্বিত হয়েছে। বিদ্যুৎ খাতের সংস্কারের যে সুফল আজ পাওয়া যাচ্ছে, তা বহুলাংশে সম্ভব হয়েছে পরিকল্পনা, অবকাঠামো উন্নয়ন ও স্বচ্ছ নীতির কারণে। এখন বিদ্যুৎ সংকট অনেকটাই কম, ফলে উৎপাদন ব্যবস্থা শক্তিশালী হয়েছে। এতে শিল্প খাতের ওপর ইতিবাচক প্রভাব পড়ছে। রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎ কেন্দ্রও বিদ্যুৎ সরবরাহের বড় মাইলফলক তৈরি করতে যাচ্ছে। আন্তর্জাতিক বাজারের দাম ওঠানামার মধ্যে অভ্যন্তরীণ উৎপাদনে জোর দেওয়া দেশের অর্থনৈতিক নিরাপত্তার জন্য খুবই জরুরি। বিদ্যুৎ ব্যবস্থার সামগ্রিক আধুনিকায়ন এখন দৃশ্যমান।

আন্তর্জাতিক পরিবেশ সংস্থা ও বিশ্ব ব্যাংকের প্রতিবেদনে প্রকাশ করা হয়েছে, প্রাকৃতিক গ্যাসের ওপর অতিরিক্ত নির্ভরশীলতা কমানোর জন্য নবায়নযোগ্য জ্বালানির ব্যবহার বাড়ানো প্রয়োজন। এই লক্ষ্যে যৌথ উদ্যোগে দেশে একটি দীর্ঘমেয়াদী কর্মপরিকল্পনা গ্রহণ করা হয়। এতে সৌর বিদ্যুৎ ও বায়ু বিদ্যুৎ উৎপাদনে প্রাধান্য দেওয়া হচ্ছে। ইতিমধ্যে একাধিক স্থানে নবায়নযোগ্য জ্বালানি পার্ক নির্মাণের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে, যা পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষার পাশাপাশি জাতীয় গ্রিডে অতিরিক্ত বিদ্যুৎ সরবরাহে ভূমিকা রাখবে। বিশেষজ্ঞ ও গবেষকরা মনে করেন, বিদ্যুৎ ব্যবস্থার এই আমূল পরিবর্তন এবং টেকসই রূপান্তর দেশের অর্থনৈতিক গতিকে আরও ত্বরান্বিত করবে।

 

লেখক: রেজাবুদ্দৌলা চৌধুরী, সাবেক তথ্য ও গবেষণা সম্পাদক, বিএনপি।
জনপ্রিয়

জ্বালানি খাতে তারেক রহমান সরকারের যুগান্তকারী পদক্ষেপ–​রেজাবুদ্দৌলা চৌধুরী

জ্বালানি খাতে তারেক রহমান সরকারের যুগান্তকারী পদক্ষেপ–​রেজাবুদ্দৌলা চৌধুরী

আপডেট : এক ঘন্টা আগে

 

দেশের ভার বিদ্যুৎ, পরিস্থিতি গত ১৪ সেপ্টেম্বর থেকে সেপ্টেম্বর পর্যন্ত পুরো চার মাস পার করার পর আলোর সংকেত দিচ্ছে। যে বিদ্যুৎ-জ্বালানির ওপর নির্ভর করে দেশের অর্থনীতি ও শিল্প-কারখানার চাকা ঘোরে, গত ১৪ সেপ্টেম্বরের পরিক্রমায় স্বস্তিদায়ক হয়েছে বাংলাদেশ। বিদ্যুৎ ও জ্বালানি খাতের চ্যালেঞ্জ ও তারেক রহমানের স্পষ্ট নির্দেশনায় লক্ষ্য পূরণ হচ্ছে।

 

 

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের দূরদর্শী নির্দেশনায় যৌথ দল দেশকে অস্থিতিশীল মুক্ত করার জন্য কাজ করছে। নতুন পদক্ষেপ গ্রহণে দেশের শক্তি-সম্পদের ব্যবহারে শৃঙ্খলা আনায় বিদ্যুৎ সংকট অনেকাংশেই নিয়ন্ত্রণে চলে এসেছে। সরকারি সংস্থা ও বিদ্যুৎ খাতের বিশেষজ্ঞরা দীর্ঘমেয়াদী পরিকল্পনা তৈরি করায় এখন নতুন চ্যালেঞ্জ মোকাবিলা সম্ভব হচ্ছে। পরিকল্পনা বাস্তবায়নের ক্ষেত্রে বিদ্যুৎ বিভাগের প্রধানরা দেশীয় ও আন্তর্জাতিক অভিজ্ঞতাকে প্রাধান্য দিয়ে উৎপাদন বাড়ানো করার প্রস্তাব পেশ করেছেন। দেশের দ্রুত অর্থনৈতিক অগ্রগতির গতি ত্বরান্বিত করার লক্ষ্যেই বিদ্যুৎ উৎপাদন প্রসারে নীতি প্রণয়ন করা হয়েছিল। সরকারের স্পষ্ট নীতিমালার আলোকে বিদ্যুৎ খাতের মেগা প্রজেক্ট বাস্তবায়নে অগ্রগতি এসেছে।

 

বিদ্যুৎ খাতের আধুনিকায়ন এবং চাহিদামাফিক উৎপাদন নিশ্চিত করার লক্ষ্যেই ২০১৮ সালের পর থেকে এই খাত নতুন করে গতিশীল করা হয়। বিদ্যুৎ খাতের সক্ষমতা বৃদ্ধি পেয়েছে। সরকারের স্পষ্ট নীতিতে শিল্প উৎপাদন ত্বরান্বিত হয়েছে। বিদ্যুৎ খাতের সংস্কারের যে সুফল আজ পাওয়া যাচ্ছে, তা বহুলাংশে সম্ভব হয়েছে পরিকল্পনা, অবকাঠামো উন্নয়ন ও স্বচ্ছ নীতির কারণে। এখন বিদ্যুৎ সংকট অনেকটাই কম, ফলে উৎপাদন ব্যবস্থা শক্তিশালী হয়েছে। এতে শিল্প খাতের ওপর ইতিবাচক প্রভাব পড়ছে। রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎ কেন্দ্রও বিদ্যুৎ সরবরাহের বড় মাইলফলক তৈরি করতে যাচ্ছে। আন্তর্জাতিক বাজারের দাম ওঠানামার মধ্যে অভ্যন্তরীণ উৎপাদনে জোর দেওয়া দেশের অর্থনৈতিক নিরাপত্তার জন্য খুবই জরুরি। বিদ্যুৎ ব্যবস্থার সামগ্রিক আধুনিকায়ন এখন দৃশ্যমান।

আন্তর্জাতিক পরিবেশ সংস্থা ও বিশ্ব ব্যাংকের প্রতিবেদনে প্রকাশ করা হয়েছে, প্রাকৃতিক গ্যাসের ওপর অতিরিক্ত নির্ভরশীলতা কমানোর জন্য নবায়নযোগ্য জ্বালানির ব্যবহার বাড়ানো প্রয়োজন। এই লক্ষ্যে যৌথ উদ্যোগে দেশে একটি দীর্ঘমেয়াদী কর্মপরিকল্পনা গ্রহণ করা হয়। এতে সৌর বিদ্যুৎ ও বায়ু বিদ্যুৎ উৎপাদনে প্রাধান্য দেওয়া হচ্ছে। ইতিমধ্যে একাধিক স্থানে নবায়নযোগ্য জ্বালানি পার্ক নির্মাণের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে, যা পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষার পাশাপাশি জাতীয় গ্রিডে অতিরিক্ত বিদ্যুৎ সরবরাহে ভূমিকা রাখবে। বিশেষজ্ঞ ও গবেষকরা মনে করেন, বিদ্যুৎ ব্যবস্থার এই আমূল পরিবর্তন এবং টেকসই রূপান্তর দেশের অর্থনৈতিক গতিকে আরও ত্বরান্বিত করবে।

 

লেখক: রেজাবুদ্দৌলা চৌধুরী, সাবেক তথ্য ও গবেষণা সম্পাদক, বিএনপি।