ঢাকা , বৃহস্পতিবার, ২৯ অক্টোবর ২০২৬, ১৪ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম:
টেকনাফে যুবদলের ৪৮তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীতে যুব সমাবেশ ও র‍্যালি ভোলাবাসীর স্বপ্ন, গ্যাসভিত্তিক শিল্প-কারখানা দুই যুগেও গড়ে ওঠেনি পিরোজপুরের নাজিরপুরে উন্নয়নবঞ্চিত সড়ক পরিদর্শন, তালিকা প্রস্তুত টেকনাফে বিদেশি পিস্তল-গুলিসহ ৪ অস্ত্রধারী গ্রেপ্তার মোরেলগঞ্জে যুবদলের ৪৮তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী পালিত এমপিপুত্রকে যুবদল থেকে বহিষ্কার, ওসি প্রত্যাহার রামপাল নাগরিক ফোরামের সভা ও প্রকল্পের ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা নির্ধারণে কর্মশালা অনুষ্ঠিত ​ নভেম্বর থেকে কর্মী যাবে মালয়েশিয়ায়, খরচ জানালেন প্রতিমন্ত্রী পিরোজপুরে জাতীয় নিরাপদ সড়ক দিবস উদযাপন বাগেরহাট বিআরটিএ কার্যালয়ে দুদকের অভিযান, মিলেছে অনিয়মের তথ্য
পশ্চিমাঞ্চলে ব্যাপক ধ্বংসযজ্ঞ, ধ্বংসস্তূপে আটকা বহু মানুষ, আহত ৫৭০

কলম্বিয়ায় ৭.৪ মাত্রার শক্তিশালী ভূমিকম্প: নিহত বেড়ে ১৩২, জরুরি অবস্থা ঘোষণা

সংগৃহীত ছবি

 

কলম্বিয়ার পশ্চিমাঞ্চলে আঘাত হানা ৭ দশমিক ৪ মাত্রার এক ভয়াবহ ভূমিকম্পে মৃতের সংখ্যা বেড়ে ১৩২ জনে দাঁড়িয়েছে। এতে আহত হয়েছেন অন্তত ৫৭০ জন। বহু ভবন ধসে পড়ায় ধ্বংসস্তূপের নিচে এখনও অনেক মানুষ আটকে আছেন বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে। এমন পরিস্থিতিতে দেশজুড়ে জরুরি অবস্থা ঘোষণা করেছে কলম্বিয়া সরকার।

 

​দ্য অ্যাসোসিয়েশন অব ক্যাপিটাল সিটিস অব কলম্বিয়ার তথ্যমতে, পরিস্থিতি পর্যালোচনায় প্রেসিডেন্ট আবেলাদো দে লা এসপ্রিয়েলার সভাপতিত্বে দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা কমিটির এক জরুরি বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। বৈঠক শেষে দেশজুড়ে জরুরি অবস্থা বা জাতীয় দুর্যোগ ঘোষণা করা হয়। এর ফলে সবচেয়ে ক্ষতিগ্রস্ত এলাকাগুলোতে উদ্ধারকাজ ত্বরান্বিত করতে অতিরিক্ত তহবিল, সরঞ্জাম ও সহায়তা পাঠানো সহজ হবে।

​

মার্কিন ভূতাত্ত্বিক জরিপ সংস্থা (ইউএসজিএস) নিশ্চিত করেছে, সোমবার (১০ আগস্ট) ভোরে আঘাত হানা ৭.৪ মাত্রার এই ভূমিকম্পটির উৎপত্তিস্থল ছিল প্রশান্ত মহাসাগরীয় উপকূলীয় চোকো প্রদেশের সান হোসে দেল পালমারের কাছে, যার গভীরতা ছিল ১০৭ কিলোমিটার। এর প্রভাবে কলম্বিয়ার বেশ কয়েকটি বড় শহরজুড়ে প্রবল কম্পন অনুভূত হয় এবং আতঙ্কিত বাসিন্দারা ঘরবাড়ি ছেড়ে রাস্তায় নেমে আসেন।
​
​রিসারালদা প্রদেশ: কফি উৎপাদনের জন্য বিখ্যাত এই পশ্চিমাঞ্চলীয় প্রদেশেই সবচেয়ে বেশি প্রাণহানি ঘটেছে। গভর্নর হুয়ান দিয়েগো পাতিনো জানান, কেবল এই প্রদেশেই অন্তত ৪২ জনের মৃত্যু হয়েছে।

​

ক্যালি শহর: কলম্বিয়ার অন্যতম প্রধান শহর ক্যালি চরম ক্ষয়ক্ষতির মুখে পড়েছে। শহরের মেয়র আলেহান্দ্রো এদের জানান, শহরে অন্তত ৩০টি ভবন সম্পূর্ণ ধসে পড়েছে, যার মধ্যে ১০টি স্থানে জোরকদমে উদ্ধার অভিযান চলছে।

​

ধসে পড়া ভবনের ধ্বংসস্তূপ সরাতে উদ্ধারকর্মীদের পাশাপাশি স্থানীয় বাসিন্দারাও কাজ করছেন। ক্যালির বাসিন্দা হুয়ান কার্লোস অসোরিও উদ্ভূত পরিস্থিতির বর্ণনা দিয়ে বলেন, “ভবনটি বিকট শব্দে বোমা বিস্ফোরণের মতো ধসে পড়ে। আমরা প্রতিবেশীরা মিলে মানবশৃঙ্খল তৈরি করে ধ্বংসস্তূপ সরানোর চেষ্টা করছি। কিন্তু অনেক মানুষ ভেতরে আটকে থাকায় দ্রুত ভারি যন্ত্রপাতি প্রয়োজন।”

​

এদিকে উদ্ধারকাজ চলমান থাকায় নিহতের সংখ্যা আরও বাড়তে পারে বলে সতর্ক করেছে প্রশাসন ও ইউএসজিএস।য়ার পশ্চিমাঞ্চলে আঘাত হানা ৭ দশমিক ৪ মাত্রার এক ভয়াবহ ভূমিকম্পে মৃতের সংখ্যা বেড়ে ১৩২ জনে দাঁড়িয়েছে। এতে আহত হয়েছেন অন্তত ৫৭০ জন। বহু ভবন ধসে পড়ায় ধ্বংসস্তূপের নিচে এখনও অনেক মানুষ আটকে আছেন বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে। এমন পরিস্থিতিতে দেশজুড়ে জরুরি অবস্থা ঘোষণা করেছে কলম্বিয়া সরকার।

জনপ্রিয়

টেকনাফে যুবদলের ৪৮তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীতে যুব সমাবেশ ও র‍্যালি

পশ্চিমাঞ্চলে ব্যাপক ধ্বংসযজ্ঞ, ধ্বংসস্তূপে আটকা বহু মানুষ, আহত ৫৭০

কলম্বিয়ায় ৭.৪ মাত্রার শক্তিশালী ভূমিকম্প: নিহত বেড়ে ১৩২, জরুরি অবস্থা ঘোষণা

আপডেট : ০৯:৫৪ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ১১ অগাস্ট ২০২৬
সংগৃহীত ছবি

 

কলম্বিয়ার পশ্চিমাঞ্চলে আঘাত হানা ৭ দশমিক ৪ মাত্রার এক ভয়াবহ ভূমিকম্পে মৃতের সংখ্যা বেড়ে ১৩২ জনে দাঁড়িয়েছে। এতে আহত হয়েছেন অন্তত ৫৭০ জন। বহু ভবন ধসে পড়ায় ধ্বংসস্তূপের নিচে এখনও অনেক মানুষ আটকে আছেন বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে। এমন পরিস্থিতিতে দেশজুড়ে জরুরি অবস্থা ঘোষণা করেছে কলম্বিয়া সরকার।

 

​দ্য অ্যাসোসিয়েশন অব ক্যাপিটাল সিটিস অব কলম্বিয়ার তথ্যমতে, পরিস্থিতি পর্যালোচনায় প্রেসিডেন্ট আবেলাদো দে লা এসপ্রিয়েলার সভাপতিত্বে দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা কমিটির এক জরুরি বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। বৈঠক শেষে দেশজুড়ে জরুরি অবস্থা বা জাতীয় দুর্যোগ ঘোষণা করা হয়। এর ফলে সবচেয়ে ক্ষতিগ্রস্ত এলাকাগুলোতে উদ্ধারকাজ ত্বরান্বিত করতে অতিরিক্ত তহবিল, সরঞ্জাম ও সহায়তা পাঠানো সহজ হবে।

​

মার্কিন ভূতাত্ত্বিক জরিপ সংস্থা (ইউএসজিএস) নিশ্চিত করেছে, সোমবার (১০ আগস্ট) ভোরে আঘাত হানা ৭.৪ মাত্রার এই ভূমিকম্পটির উৎপত্তিস্থল ছিল প্রশান্ত মহাসাগরীয় উপকূলীয় চোকো প্রদেশের সান হোসে দেল পালমারের কাছে, যার গভীরতা ছিল ১০৭ কিলোমিটার। এর প্রভাবে কলম্বিয়ার বেশ কয়েকটি বড় শহরজুড়ে প্রবল কম্পন অনুভূত হয় এবং আতঙ্কিত বাসিন্দারা ঘরবাড়ি ছেড়ে রাস্তায় নেমে আসেন।
​
​রিসারালদা প্রদেশ: কফি উৎপাদনের জন্য বিখ্যাত এই পশ্চিমাঞ্চলীয় প্রদেশেই সবচেয়ে বেশি প্রাণহানি ঘটেছে। গভর্নর হুয়ান দিয়েগো পাতিনো জানান, কেবল এই প্রদেশেই অন্তত ৪২ জনের মৃত্যু হয়েছে।

​

ক্যালি শহর: কলম্বিয়ার অন্যতম প্রধান শহর ক্যালি চরম ক্ষয়ক্ষতির মুখে পড়েছে। শহরের মেয়র আলেহান্দ্রো এদের জানান, শহরে অন্তত ৩০টি ভবন সম্পূর্ণ ধসে পড়েছে, যার মধ্যে ১০টি স্থানে জোরকদমে উদ্ধার অভিযান চলছে।

​

ধসে পড়া ভবনের ধ্বংসস্তূপ সরাতে উদ্ধারকর্মীদের পাশাপাশি স্থানীয় বাসিন্দারাও কাজ করছেন। ক্যালির বাসিন্দা হুয়ান কার্লোস অসোরিও উদ্ভূত পরিস্থিতির বর্ণনা দিয়ে বলেন, “ভবনটি বিকট শব্দে বোমা বিস্ফোরণের মতো ধসে পড়ে। আমরা প্রতিবেশীরা মিলে মানবশৃঙ্খল তৈরি করে ধ্বংসস্তূপ সরানোর চেষ্টা করছি। কিন্তু অনেক মানুষ ভেতরে আটকে থাকায় দ্রুত ভারি যন্ত্রপাতি প্রয়োজন।”

​

এদিকে উদ্ধারকাজ চলমান থাকায় নিহতের সংখ্যা আরও বাড়তে পারে বলে সতর্ক করেছে প্রশাসন ও ইউএসজিএস।য়ার পশ্চিমাঞ্চলে আঘাত হানা ৭ দশমিক ৪ মাত্রার এক ভয়াবহ ভূমিকম্পে মৃতের সংখ্যা বেড়ে ১৩২ জনে দাঁড়িয়েছে। এতে আহত হয়েছেন অন্তত ৫৭০ জন। বহু ভবন ধসে পড়ায় ধ্বংসস্তূপের নিচে এখনও অনেক মানুষ আটকে আছেন বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে। এমন পরিস্থিতিতে দেশজুড়ে জরুরি অবস্থা ঘোষণা করেছে কলম্বিয়া সরকার।