ঢাকা , রবিবার, ০৮ নভেম্বর ২০২৬, ২৩ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম:
রাজধানীতে এক রাতে ৮ ককটেল বিস্ফোরণ, বাসে আগুন বাগেরহাটে বিএনপির উদ্যোগে জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস পালিত কিশোরগঞ্জের করিমগঞ্জে জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস উদযাপিত সৌদিতে সড়ক দুর্ঘটনায় নারী ও শিশুসহ ৭ প্রবাসীর মৃত্যু ​ বাগেরহাটে জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস উদযাপিত ​ পিরোজপুরে জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবসে বিএনপির বর্ণাঢ্য র‌্যালি ও সমাবেশ ঝালকাঠিতে জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস উপলক্ষে আলোচনা সভা ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান তিন মাসের প্রশিক্ষণে দক্ষতা অর্জন, এবার আয়ের সুযোগ ১০০ নারীর মোরেলগঞ্জে বিপ্লব ও সংহতি দিবস উপলক্ষে আলোচনা সভা প্রতি শুক্রবার আইসিসিবিতে গাড়িপ্রেমীদের মিলনমেলা

টেকনাফে হত্যা মামলার আসামিসহ মানব পাচারচক্রের কবল থেকে ১৭ জন উদ্ধার

 

কক্সবাজারের টেকনাফে সাগরপথে মানব পাচারের প্রাক্কালে বিজিবির বিশেষ অভিযানে হত্যা মামলার এক আসামিসহ পাচার চক্রের হাত থেকে ১৭ জন ভুক্তভোগীকে উদ্ধার করা হয়েছে।

 

টেকনাফ ব্যাটালিয়ন (২ বিজিবি) টেকনাফের রাজারছড়া এলাকায় এই অভিযান পরিচালনা করে। উদ্ধারকৃতদের মধ্যে রয়েছেন ৭ জন পুরুষ, ৪ জন নারী ও ৭ জন শিশু। অভিযানের সময় পাচারকারীরা রাতের অন্ধকারে সাঁতরে পালিয়ে যায়।

 

 

বিজিবি সূত্র জানায়, গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে জানা যায় একটি সংঘবদ্ধ মানব পাচার চক্র সাগরপথে অবৈধভাবে মালয়েশিয়ায় লোক পাঠানোর প্রস্তুতি নিচ্ছে। এরই ধারাবাহিকতায় ২৭ ডিসেম্বর রাত আনুমানিক ১টা ১৫ মিনিটে কক্সবাজার-টেকনাফ মেরিন ড্রাইভ সংলগ্ন রাজারছড়া কেন্দ্রীয় জামে মসজিদের পাশ্ববর্তী এলাকায় কৌশলগত অবস্থান নেয় বিজিবির একাধিক টহল দল। পাচারের ঠিক আগমুহূর্তে একটি নৌকা ঘিরে ফেলে বিজিবি সদস্যরা।

 

নৌকাটি তল্লাশি করে ভুক্তভোগীদের উদ্ধার করা হয়। তারা জানায়, উন্নত জীবন, ভালো চাকরি ও বেশি আয়ের প্রলোভন দেখিয়ে তাদেরকে বিদেশে পাঠানোর কথা বলা হয়েছিল। বাস্তবে সেই স্বপ্নের আড়ালে ছিল ঝুঁকিপূর্ণ ও অনিশ্চিত সমুদ্রযাত্রা।

 

 

উদ্ধারকৃতদের নাম-ঠিকানা যাচাইয়ের সময় মো. তারেক (২০) নামে এক যুবকের পরিচয় শনাক্ত হয়, যিনি টেকনাফ মডেল থানার একটি হত্যা মামলার আসামি। পরে বিজিবির জিজ্ঞাসাবাদে বিষয়টি নিশ্চিত করা হয়। তার বাড়ি টেকনাফ উপজেলার হোয়াইক্যং ইউনিয়নের লম্বাবিলে।

 

টেকনাফ ব্যাটালিয়নের অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল আশিকুর রহমান, পিএসসি বলেন, মানব ও মাদক পাচারের বিরুদ্ধে বিজিবির ‘জিরো টলারেন্স’ নীতিরই ফল এই অভিযান। অপরাধীদের জন্য টেকনাফ সীমান্তের পাহাড় থেকে সমুদ্র পর্যন্ত কোনো স্থানই নিরাপদ নয়। মানব পাচারের মতো জঘন্য অপরাধ দমনে বিজিবির অভিযান অব্যাহত থাকবে।

 

উদ্ধারকৃত ভুক্তভোগীদের প্রয়োজনীয় আইনগত প্রক্রিয়া শেষে টেকনাফ মডেল থানায় হস্তান্তর করা হবে।

জনপ্রিয়

রাজধানীতে এক রাতে ৮ ককটেল বিস্ফোরণ, বাসে আগুন

টেকনাফে হত্যা মামলার আসামিসহ মানব পাচারচক্রের কবল থেকে ১৭ জন উদ্ধার

আপডেট : ০৫:৫১ অপরাহ্ন, রবিবার, ২৮ ডিসেম্বর ২০২৫

 

কক্সবাজারের টেকনাফে সাগরপথে মানব পাচারের প্রাক্কালে বিজিবির বিশেষ অভিযানে হত্যা মামলার এক আসামিসহ পাচার চক্রের হাত থেকে ১৭ জন ভুক্তভোগীকে উদ্ধার করা হয়েছে।

 

টেকনাফ ব্যাটালিয়ন (২ বিজিবি) টেকনাফের রাজারছড়া এলাকায় এই অভিযান পরিচালনা করে। উদ্ধারকৃতদের মধ্যে রয়েছেন ৭ জন পুরুষ, ৪ জন নারী ও ৭ জন শিশু। অভিযানের সময় পাচারকারীরা রাতের অন্ধকারে সাঁতরে পালিয়ে যায়।

 

 

বিজিবি সূত্র জানায়, গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে জানা যায় একটি সংঘবদ্ধ মানব পাচার চক্র সাগরপথে অবৈধভাবে মালয়েশিয়ায় লোক পাঠানোর প্রস্তুতি নিচ্ছে। এরই ধারাবাহিকতায় ২৭ ডিসেম্বর রাত আনুমানিক ১টা ১৫ মিনিটে কক্সবাজার-টেকনাফ মেরিন ড্রাইভ সংলগ্ন রাজারছড়া কেন্দ্রীয় জামে মসজিদের পাশ্ববর্তী এলাকায় কৌশলগত অবস্থান নেয় বিজিবির একাধিক টহল দল। পাচারের ঠিক আগমুহূর্তে একটি নৌকা ঘিরে ফেলে বিজিবি সদস্যরা।

 

নৌকাটি তল্লাশি করে ভুক্তভোগীদের উদ্ধার করা হয়। তারা জানায়, উন্নত জীবন, ভালো চাকরি ও বেশি আয়ের প্রলোভন দেখিয়ে তাদেরকে বিদেশে পাঠানোর কথা বলা হয়েছিল। বাস্তবে সেই স্বপ্নের আড়ালে ছিল ঝুঁকিপূর্ণ ও অনিশ্চিত সমুদ্রযাত্রা।

 

 

উদ্ধারকৃতদের নাম-ঠিকানা যাচাইয়ের সময় মো. তারেক (২০) নামে এক যুবকের পরিচয় শনাক্ত হয়, যিনি টেকনাফ মডেল থানার একটি হত্যা মামলার আসামি। পরে বিজিবির জিজ্ঞাসাবাদে বিষয়টি নিশ্চিত করা হয়। তার বাড়ি টেকনাফ উপজেলার হোয়াইক্যং ইউনিয়নের লম্বাবিলে।

 

টেকনাফ ব্যাটালিয়নের অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল আশিকুর রহমান, পিএসসি বলেন, মানব ও মাদক পাচারের বিরুদ্ধে বিজিবির ‘জিরো টলারেন্স’ নীতিরই ফল এই অভিযান। অপরাধীদের জন্য টেকনাফ সীমান্তের পাহাড় থেকে সমুদ্র পর্যন্ত কোনো স্থানই নিরাপদ নয়। মানব পাচারের মতো জঘন্য অপরাধ দমনে বিজিবির অভিযান অব্যাহত থাকবে।

 

উদ্ধারকৃত ভুক্তভোগীদের প্রয়োজনীয় আইনগত প্রক্রিয়া শেষে টেকনাফ মডেল থানায় হস্তান্তর করা হবে।