ঢাকা , সোমবার, ২৫ মে ২০২৬, ১১ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম:
এশিয়া পোস্টের সম্পাদককে হাজার কোটি টাকা ক্ষতিপূরণের আইনি নোটিশ মাসুদ সাঈদীর উপকূলের জন্য বিশেষ বরাদ্দ চায় ক্লাইমেট অ্যাকশন ফোরাম বাগেরহাট মায়ানমারে পাচারকালে সেন্টমার্টিনে বিপুল সিমেন্ট জব্দ, আটক ৯ আর কত রামিসাকে হারাতে হবে? রামিসা হত্যা মামলার চার্জশিট আজই, ৫-৭ দিনের মধ্যে বিচার – স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী জমকালো আয়োজনে গুরুর বাড়ি কিডস কমিউনিটির বৈশাখী কিডস ফেস্টিভ্যাল অনুষ্ঠিত মোরেলগঞ্জের চিংড়াখালী ইউনিয়নে মৎস্য ভিজিএফ (VGF) চাল বিতরণে অনিয়মের অভিযোগ উঠেছে আ.লীগের প্রেসিডিয়াম সদস্য ও সিনিয়র আইনজীবী ইউসুফ হোসেন হুমায়ুন মারা গেছেন টানা ৮ ঘণ্টার বেশি গণপরিবহন চালালেই লাইসেন্স বাতিল ঈদযাত্রা স্বস্তিদায়ক করতে প্রস্তুত ২৫১ রেলকোচ

টেকনাফে হত্যা মামলার আসামিসহ মানব পাচারচক্রের কবল থেকে ১৭ জন উদ্ধার

 

কক্সবাজারের টেকনাফে সাগরপথে মানব পাচারের প্রাক্কালে বিজিবির বিশেষ অভিযানে হত্যা মামলার এক আসামিসহ পাচার চক্রের হাত থেকে ১৭ জন ভুক্তভোগীকে উদ্ধার করা হয়েছে।

 

টেকনাফ ব্যাটালিয়ন (২ বিজিবি) টেকনাফের রাজারছড়া এলাকায় এই অভিযান পরিচালনা করে। উদ্ধারকৃতদের মধ্যে রয়েছেন ৭ জন পুরুষ, ৪ জন নারী ও ৭ জন শিশু। অভিযানের সময় পাচারকারীরা রাতের অন্ধকারে সাঁতরে পালিয়ে যায়।

 

 

বিজিবি সূত্র জানায়, গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে জানা যায় একটি সংঘবদ্ধ মানব পাচার চক্র সাগরপথে অবৈধভাবে মালয়েশিয়ায় লোক পাঠানোর প্রস্তুতি নিচ্ছে। এরই ধারাবাহিকতায় ২৭ ডিসেম্বর রাত আনুমানিক ১টা ১৫ মিনিটে কক্সবাজার-টেকনাফ মেরিন ড্রাইভ সংলগ্ন রাজারছড়া কেন্দ্রীয় জামে মসজিদের পাশ্ববর্তী এলাকায় কৌশলগত অবস্থান নেয় বিজিবির একাধিক টহল দল। পাচারের ঠিক আগমুহূর্তে একটি নৌকা ঘিরে ফেলে বিজিবি সদস্যরা।

 

নৌকাটি তল্লাশি করে ভুক্তভোগীদের উদ্ধার করা হয়। তারা জানায়, উন্নত জীবন, ভালো চাকরি ও বেশি আয়ের প্রলোভন দেখিয়ে তাদেরকে বিদেশে পাঠানোর কথা বলা হয়েছিল। বাস্তবে সেই স্বপ্নের আড়ালে ছিল ঝুঁকিপূর্ণ ও অনিশ্চিত সমুদ্রযাত্রা।

 

 

উদ্ধারকৃতদের নাম-ঠিকানা যাচাইয়ের সময় মো. তারেক (২০) নামে এক যুবকের পরিচয় শনাক্ত হয়, যিনি টেকনাফ মডেল থানার একটি হত্যা মামলার আসামি। পরে বিজিবির জিজ্ঞাসাবাদে বিষয়টি নিশ্চিত করা হয়। তার বাড়ি টেকনাফ উপজেলার হোয়াইক্যং ইউনিয়নের লম্বাবিলে।

 

টেকনাফ ব্যাটালিয়নের অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল আশিকুর রহমান, পিএসসি বলেন, মানব ও মাদক পাচারের বিরুদ্ধে বিজিবির ‘জিরো টলারেন্স’ নীতিরই ফল এই অভিযান। অপরাধীদের জন্য টেকনাফ সীমান্তের পাহাড় থেকে সমুদ্র পর্যন্ত কোনো স্থানই নিরাপদ নয়। মানব পাচারের মতো জঘন্য অপরাধ দমনে বিজিবির অভিযান অব্যাহত থাকবে।

 

উদ্ধারকৃত ভুক্তভোগীদের প্রয়োজনীয় আইনগত প্রক্রিয়া শেষে টেকনাফ মডেল থানায় হস্তান্তর করা হবে।

জনপ্রিয়

এশিয়া পোস্টের সম্পাদককে হাজার কোটি টাকা ক্ষতিপূরণের আইনি নোটিশ মাসুদ সাঈদীর

টেকনাফে হত্যা মামলার আসামিসহ মানব পাচারচক্রের কবল থেকে ১৭ জন উদ্ধার

আপডেট : ০৫:৫১ অপরাহ্ন, রবিবার, ২৮ ডিসেম্বর ২০২৫

 

কক্সবাজারের টেকনাফে সাগরপথে মানব পাচারের প্রাক্কালে বিজিবির বিশেষ অভিযানে হত্যা মামলার এক আসামিসহ পাচার চক্রের হাত থেকে ১৭ জন ভুক্তভোগীকে উদ্ধার করা হয়েছে।

 

টেকনাফ ব্যাটালিয়ন (২ বিজিবি) টেকনাফের রাজারছড়া এলাকায় এই অভিযান পরিচালনা করে। উদ্ধারকৃতদের মধ্যে রয়েছেন ৭ জন পুরুষ, ৪ জন নারী ও ৭ জন শিশু। অভিযানের সময় পাচারকারীরা রাতের অন্ধকারে সাঁতরে পালিয়ে যায়।

 

 

বিজিবি সূত্র জানায়, গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে জানা যায় একটি সংঘবদ্ধ মানব পাচার চক্র সাগরপথে অবৈধভাবে মালয়েশিয়ায় লোক পাঠানোর প্রস্তুতি নিচ্ছে। এরই ধারাবাহিকতায় ২৭ ডিসেম্বর রাত আনুমানিক ১টা ১৫ মিনিটে কক্সবাজার-টেকনাফ মেরিন ড্রাইভ সংলগ্ন রাজারছড়া কেন্দ্রীয় জামে মসজিদের পাশ্ববর্তী এলাকায় কৌশলগত অবস্থান নেয় বিজিবির একাধিক টহল দল। পাচারের ঠিক আগমুহূর্তে একটি নৌকা ঘিরে ফেলে বিজিবি সদস্যরা।

 

নৌকাটি তল্লাশি করে ভুক্তভোগীদের উদ্ধার করা হয়। তারা জানায়, উন্নত জীবন, ভালো চাকরি ও বেশি আয়ের প্রলোভন দেখিয়ে তাদেরকে বিদেশে পাঠানোর কথা বলা হয়েছিল। বাস্তবে সেই স্বপ্নের আড়ালে ছিল ঝুঁকিপূর্ণ ও অনিশ্চিত সমুদ্রযাত্রা।

 

 

উদ্ধারকৃতদের নাম-ঠিকানা যাচাইয়ের সময় মো. তারেক (২০) নামে এক যুবকের পরিচয় শনাক্ত হয়, যিনি টেকনাফ মডেল থানার একটি হত্যা মামলার আসামি। পরে বিজিবির জিজ্ঞাসাবাদে বিষয়টি নিশ্চিত করা হয়। তার বাড়ি টেকনাফ উপজেলার হোয়াইক্যং ইউনিয়নের লম্বাবিলে।

 

টেকনাফ ব্যাটালিয়নের অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল আশিকুর রহমান, পিএসসি বলেন, মানব ও মাদক পাচারের বিরুদ্ধে বিজিবির ‘জিরো টলারেন্স’ নীতিরই ফল এই অভিযান। অপরাধীদের জন্য টেকনাফ সীমান্তের পাহাড় থেকে সমুদ্র পর্যন্ত কোনো স্থানই নিরাপদ নয়। মানব পাচারের মতো জঘন্য অপরাধ দমনে বিজিবির অভিযান অব্যাহত থাকবে।

 

উদ্ধারকৃত ভুক্তভোগীদের প্রয়োজনীয় আইনগত প্রক্রিয়া শেষে টেকনাফ মডেল থানায় হস্তান্তর করা হবে।