ঢাকা , শনিবার, ০৭ নভেম্বর ২০২৬, ২২ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম:
টেকনাফের হোয়াইক্যংয়ে সিএনজির গোপন চেম্বারে ১৩ হাজার ইয়াবা, আটক চালক সরকারি দাপ্তরিক খরচ কমলে শ্রমিকদের ৩০-৪০ হাজার টাকা বেতন দেওয়া সম্ভব: মাসুদুজ্জামান মাসুদ টেকনাফ পৌরসভাকে স্মার্ট পৌরসভা হিসেবে গড়ে তুলতে চাই: সংসদ সদস্য শাহজাহান চৌধুরী সংসারের বোঝা বইতে বৃদ্ধ বারেকের ভরসা জাতীয় ফুল শাপলা নারীর অর্থনৈতিক স্বাধীনতায় শিক্ষা ও কর্মসংস্থান নিশ্চিতের তাগিদ টেকনাফের পাহাড়ে মানবপাচারকারীদের সঙ্গে যৌথ বাহিনীর গোলাগুলি, সেনাসদস্য নিহত পিরোজপুরে জাতীয়তাবাদী মুক্তিযুদ্ধের প্রজন্মের ৭১ সদস্যের আহ্বায়ক কমিটি অনুমোদন মাদ্রাসাছাত্র আরিফ হত্যা মামলা: কারাগারে ডিবিসি চেয়ারম্যান ইকবাল সোবহান চৌধুরী প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানকে বরণ করতে মোরেলগঞ্জ থেকে বিপুলসংখ্যক নেতাকর্মী নিয়ে বাগেরহাটে কেএম মহিউদ্দিন রিপন এআই যেন দেশের বেকারত্ব আরও প্রকট না করে: রাষ্ট্রপতি

উখিয়া–টেকনাফ সড়কে বিজিবির জালে ৫০ হাজার ইয়াবা উদ্ধার

 

কক্সবাজারের টেকনাফে মাদক পাচারের একটি বড় অপচেষ্টা ভেস্তে দিয়েছে বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি)। উখিয়া–টেকনাফ সড়কের মোচনী এলাকায় বিজিবির বিশেষ অভিযানে একটি সিএনজি অটোরিকশাসহ ৫০ হাজার পিস ইয়াবা ট্যাবলেট উদ্ধার করা হয়েছে।

 

বৃহস্পতিবার (২৫ ডিসেম্বর) প্রথম প্রহরে টেকনাফ ব্যাটালিয়ন (২ বিজিবি) এর অধীন লেদা বিওপি’র দায়িত্বপূর্ণ এলাকায় এ অভিযান পরিচালিত হয়। বিজিবি সূত্রে জানা যায়, মায়ানমার থেকে ইয়াবার একটি বড় চালান বাংলাদেশে প্রবেশ করবে—এমন গোপন সংবাদের ভিত্তিতে অভিযানের পরিকল্পনা নেওয়া হয়।

 

টেকনাফ ব্যাটালিয়নের অধিনায়ক লেঃ কর্নেল আশিকুর রহমান, পিএসসি’র পরিকল্পনা ও নেতৃত্বে উখিয়া–টেকনাফ সড়কের দায়িত্বপূর্ণ অংশে অস্থায়ী চেকপোস্ট বসানো হয়। ভোর আনুমানিক ৫টা ৫০ মিনিটে একটি সন্দেহজনক সিএনজি অটোরিকশাকে থামার সংকেত দিলে সেটি নির্দেশ অমান্য করে দ্রুত টেকনাফের দিকে পালানোর চেষ্টা করে।

 

বিজিবির টহল দল প্রায় তিন কিলোমিটার ধাওয়া শেষে মোচনী এলাকায় সিএনজি’টি পরিত্যক্ত অবস্থায় উদ্ধার করে। এ সময় চালক ও এক যাত্রী জনবসতিপূর্ণ এলাকায় পালিয়ে যায়। পরে সিএনজি তল্লাশি করে পিছনের সিটের নিচে বিশেষভাবে লুকানো অবস্থায় ৫০ হাজার পিস ইয়াবা ট্যাবলেট উদ্ধার করা হয়।

 

বিজিবি জানায়, পলাতক মাদক কারবারিদের শনাক্ত ও গ্রেপ্তারে সংশ্লিষ্ট এলাকায় অভিযান ও গোয়েন্দা তৎপরতা অব্যাহত রয়েছে।

 

এ বিষয়ে টেকনাফ ব্যাটালিয়ন (২ বিজিবি) এর অধিনায়ক লেঃ কর্নেল আশিকুর রহমান, পিএসসি বলেন, সীমান্ত এলাকায় মানব ও মাদক পাচারসহ সব ধরনের আন্তঃসীমান্ত অপরাধ প্রতিরোধে বিজিবি সর্বোচ্চ পেশাদারিত্বের সঙ্গে দায়িত্ব পালন করে যাচ্ছে, যা ভবিষ্যতেও অব্যাহত থাকবে।

 

উদ্ধারকৃত ইয়াবা ও সিএনজি আইনগত প্রক্রিয়া শেষে টেকনাফ মডেল থানায় হস্তান্তর করা হবে।

জনপ্রিয়

টেকনাফের হোয়াইক্যংয়ে সিএনজির গোপন চেম্বারে ১৩ হাজার ইয়াবা, আটক চালক

উখিয়া–টেকনাফ সড়কে বিজিবির জালে ৫০ হাজার ইয়াবা উদ্ধার

আপডেট : ০৯:১৭ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৫ ডিসেম্বর ২০২৫

 

কক্সবাজারের টেকনাফে মাদক পাচারের একটি বড় অপচেষ্টা ভেস্তে দিয়েছে বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি)। উখিয়া–টেকনাফ সড়কের মোচনী এলাকায় বিজিবির বিশেষ অভিযানে একটি সিএনজি অটোরিকশাসহ ৫০ হাজার পিস ইয়াবা ট্যাবলেট উদ্ধার করা হয়েছে।

 

বৃহস্পতিবার (২৫ ডিসেম্বর) প্রথম প্রহরে টেকনাফ ব্যাটালিয়ন (২ বিজিবি) এর অধীন লেদা বিওপি’র দায়িত্বপূর্ণ এলাকায় এ অভিযান পরিচালিত হয়। বিজিবি সূত্রে জানা যায়, মায়ানমার থেকে ইয়াবার একটি বড় চালান বাংলাদেশে প্রবেশ করবে—এমন গোপন সংবাদের ভিত্তিতে অভিযানের পরিকল্পনা নেওয়া হয়।

 

টেকনাফ ব্যাটালিয়নের অধিনায়ক লেঃ কর্নেল আশিকুর রহমান, পিএসসি’র পরিকল্পনা ও নেতৃত্বে উখিয়া–টেকনাফ সড়কের দায়িত্বপূর্ণ অংশে অস্থায়ী চেকপোস্ট বসানো হয়। ভোর আনুমানিক ৫টা ৫০ মিনিটে একটি সন্দেহজনক সিএনজি অটোরিকশাকে থামার সংকেত দিলে সেটি নির্দেশ অমান্য করে দ্রুত টেকনাফের দিকে পালানোর চেষ্টা করে।

 

বিজিবির টহল দল প্রায় তিন কিলোমিটার ধাওয়া শেষে মোচনী এলাকায় সিএনজি’টি পরিত্যক্ত অবস্থায় উদ্ধার করে। এ সময় চালক ও এক যাত্রী জনবসতিপূর্ণ এলাকায় পালিয়ে যায়। পরে সিএনজি তল্লাশি করে পিছনের সিটের নিচে বিশেষভাবে লুকানো অবস্থায় ৫০ হাজার পিস ইয়াবা ট্যাবলেট উদ্ধার করা হয়।

 

বিজিবি জানায়, পলাতক মাদক কারবারিদের শনাক্ত ও গ্রেপ্তারে সংশ্লিষ্ট এলাকায় অভিযান ও গোয়েন্দা তৎপরতা অব্যাহত রয়েছে।

 

এ বিষয়ে টেকনাফ ব্যাটালিয়ন (২ বিজিবি) এর অধিনায়ক লেঃ কর্নেল আশিকুর রহমান, পিএসসি বলেন, সীমান্ত এলাকায় মানব ও মাদক পাচারসহ সব ধরনের আন্তঃসীমান্ত অপরাধ প্রতিরোধে বিজিবি সর্বোচ্চ পেশাদারিত্বের সঙ্গে দায়িত্ব পালন করে যাচ্ছে, যা ভবিষ্যতেও অব্যাহত থাকবে।

 

উদ্ধারকৃত ইয়াবা ও সিএনজি আইনগত প্রক্রিয়া শেষে টেকনাফ মডেল থানায় হস্তান্তর করা হবে।